নেছারাবাদ (পিরোজপুর) প্রতিনিধি
০১:২৬ এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ক্রোয়েশিয়ার একটি আইসক্রিম বিক্রেতার আচরণ ফিলিস্তিনের প্রতি তার সমর্থন প্রকাশ করেছে। সম্প্রতি, ইসরাইলের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেটের কন্যার কাছে আইসক্রিম বিক্রি করতে অস্বীকৃতি জানান ওই বিক্রেতা। তিনি বুঝতে পেরেছিলেন যে, মেয়েটি ইহুদি।
এই সপ্তাহে বেইত হাপোডিয়াম কর্তৃক প্রকাশিত ‘হাইদা’ পডকাস্টে একটি সাক্ষাৎকারে বেনেট এই ঘটনা সম্পর্কে কথা বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, ক্রোয়েশিয়ায় এক বিক্রেতা তার মেয়েকে আইসক্রিম দিতে অস্বীকার করেন, কারণ তিনি বুঝতে পেরেছিলেন যে, মেয়েটি ইসরাইলি।
বেনেট তার পরিবারসহ ক্রোয়েশিয়ার উপকূলে কাটানো ছুটির স্মৃতিচারণ করেন। তিনি জানান, তার মেয়ে অ্যাবিগেল লাইনে দাঁড়িয়ে ছিল এবং তার অর্ডার তৈরি হওয়ার জন্য অপেক্ষা করছিল। এরপর বিক্রেতা তাকে প্রশ্ন করেন, সে কোথা থেকে এসেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, যখন অ্যাবিগেল জানায় যে সে ইসরাইল থেকে এসেছে, তখন বিক্রেতা উত্তর দেন, ‘ইসরাইলিদের জন্য কোনো আইসক্রিম নেই।’ এরপর তিনি আইসক্রিমটি ছিনিয়ে নিয়ে সেটি ভেঙে গুঁড়ো করে ডাস্টবিনে ফেলে দেন এবং তাকে চলে যেতে বলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর হাজারীবাগে একটি বাসায় বৈদ্যুতিক তার চুরি করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে রাসেল (২২) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার (২৯ আগস্ট) বিকেলে হাজারীবাগের মধুবাজার এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে।
রাসেল নরসিংদীর মাদবদী গ্রামের বাসিন্দা আকতারের ছেলে। পেশায় তিনি একজন বেলুন বিক্রেতা ছিলেন এবং বর্তমানে মোহাম্মদপুর রায়ের বাজারে বসবাস করতেন। তার একটি সন্তান রয়েছে।
সংবাদ পাওয়ার পর হাজারীবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ওমর ফারুক খান রাত ৯টা ২৫ মিনিটে রাসেলকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে আসেন, যেখানে চিকিৎসকরা রাসেলকে মৃত ঘোষণা করেন।
মৃতের বাবা আকতার জানান, রাসেল বেলুন বিক্রি করত। তবে কী কারণে মধুবাজারের ওই বাসার সামনে গিয়েছিল, সে বিষয়ে তিনি কিছুই জানতে পারেননি।
এসআই ওমর ফারুক খান বলেন, ঘটনাস্থলের একটি বাসার চুরির উদ্দেশ্যে মুখ দিয়ে কামড়ে বৈদ্যুতিক তার কাটতে গিয়ে রাসেলের মৃত্যু ঘটে।
পরে তাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়।
ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (সার ব্যবস্থাপনা ও উপকরণ) আহমেদ ফয়সল ইমামকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।
শনিবার (২৯ আগস্ট) রাতে উপসচিব জেতী প্রুর সই করা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এ আদেশ জারি করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিমাঞ্চলে তীব্র খরা ও প্রাকৃতিক খাদ্যের চরম সংকটের কারণে বন্য ভাল্লুকের লোকালয়ে হানা দেওয়ার ঘটনা নজিরবিহীনভাবে বেড়েছে।
কলোরাডো থেকে শুরু করে নিউ মেক্সিকো, উটাহ এবং মন্টানার মতো রাজ্যগুলোর শহর ও জনপদে ক্ষুধার্ত ভাল্লুকদের অবাধ বিচরণ আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। সাম্প্রতিক এক ঘটনায় কলোরাডোর গ্র্যানবি শহরের এক বাসিন্দা ঘর থেকে বের হয়ে বারান্দায় গোল্ডেন রিট্রিভার কুকুরের সাইজের দুটি ভাল্লুক শাবক দেখতে পান। শুধু তাই নয়, শহরের একটি ভ্যাপ শপ এবং ডেনভারের কৃষিপণ্যের বাজারের পাশেও ভাল্লুক ঘুরে বেড়ানোর দৃশ্য দেখা গেছে।
বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, গত শীতের তীব্র খরায় বনভূমির ফলমূল, বাদাম ও ঘাস পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে, যা এই প্রাণীগুলোর স্বাভাবিক খাদ্যের প্রায় নব্বই শতাংশ পূরণ করত। খাদ্যের তীব্র অনটনে পড়ে ভাল্লুকগুলো তাদের প্রখর ঘ্রাণশক্তির সাহায্যে মানুষের বসতির দিকে ছুটে আসছে।
এই আকস্মিক পরিস্থিতির কারণে বন্যপ্রাণী ও মানুষের সংঘাত চরম আকার ধারণ করেছে, যার পরিণতিতে রেকর্ড সংখ্যক ভাল্লুকের মৃত্যু হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে লোকালয়ে ঢুকে পড়া বিপজ্জনক ভাল্লুকগুলোকে গাড়িচাপা পড়ে, গুলি খেয়ে কিংবা ইউথানাইজেশনের মাধ্যমে প্রাণ হারাতে হচ্ছে। কলোরাডো রাজ্যে চলতি বছর সাত হাজারের বেশি ভাল্লুক দর্শনের রেকর্ড হয়েছে, যা ২০১৯ সালের পূর্ণাঙ্গ রেকর্ডকেও ছাড়িয়ে গেছে।
অন্যদিকে নিউ মেক্সিকোতে এ বছর ১৮৭টি ভাল্লুক মারা পড়েছে, যা ২০১১ সালের পর সর্বোচ্চ। গত সপ্তাহে নিউ মেক্সিকোতে ভাল্লুকের আক্রমণে এক ব্যক্তির মৃত্যুর ঘটনা ঘটে, যা গত পঁচিশ বছরের মধ্যে রাজ্যটিতে প্রথম কোনো প্রাণঘাতী হামলা। উটাহ রাজ্যে ইতিমধ্যে ৩৯টি ভাল্লুককে হত্যা করা হয়েছে এবং মন্টানাতেও গ্রিজলি ভাল্লুকের সংখ্যা ও আক্রমণ আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
মানুষের আবাসস্থল বনাঞ্চলের অভ্যন্তরে ছড়িয়ে পড়ায় এবং নেভাডাসহ কয়েকটি রাজ্যে ভাল্লুকের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় এই সংকট আরও তীব্র রূপ নিয়েছে।
পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা প্রকাশ করছেন যে খরার এই ধারা অব্যাহত থাকলে ভাল্লুকগুলো মানুষের খাবারের ওপর পুরোপুরি অভ্যস্ত হয়ে পড়তে পারে এবং শীতকালীন নিষ্ক্রিয় থাকার অভ্যাস হারিয়ে ফেলতে পারে। পরিস্থিতি সামাল দিতে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ নাগরিকদের বিয়ার-প্রুফ ডাস্টবিন ব্যবহারের পাশাপাশি ঘরের বাইরে পোষা প্রাণীর খাবার বা আবর্জনা ফেলে না রাখার কঠোর নির্দেশ দিয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন যে সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসে ভাল্লুকেরা যখন শরীরের ওজন বাড়াতে ব্যস্ত থাকে, তখন এই মানব-বন্যপ্রাণী সংঘাত আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।
সূত্র: আরব নিউজ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ