বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং
০১:৩৫ পি.এম
কুড়িগ্রাম জেলায় বিভিন্ন সীমান্তে অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে গত ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ৫৩ কেজি গাঁজা, ৫৫টি গরুসহ বিপুল পরিমাণ ভারতীয় প্রসাধনী জব্দ করেছে কুড়িগ্রাম ব্যাটালিয়ন (২২ বিজিবি)। জব্দ করা এই সকল মালামালের আর্থিক মূল্য প্রায় ২৬ লাখ ৬৫ হাজার টাকা বলে জানা গেছে।
বিজিবি জানায়, গত ৪৮ ঘণ্টার অভিযানের সময় ভূরুঙ্গামারী উপজেলার ধলডাঙ্গা সীমান্ত এলাকা থেকে ৫৩ কেজি গাঁজা ও বিভিন্ন সীমান্ত এলাকা থেকে গরুসহ বিপুল পরিমাণ প্রসাধনী সামগ্রী উদ্ধার করা হয়।
কুড়িগ্রাম ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক কর্নেল মোহাম্মদ মাহবুব-উল-হক সীমান্তে চোরাচালান ও পুশইন প্রতিরোধে বিজিবির কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। এই লক্ষ্যে, সব বিওপি থেকে নিয়মিত টহলের সাথে সাথে বিশেষ টহল, নজরদারি ও গোয়েন্দা কার্যক্রমকে বহুগুণে জোরদার করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দিনাজপুরের হিলিতে প্রথমবারের মতো বাড়ির আঙিনায় আঙুর চাষ করে পলাশ হোসেন নামের এক যুবক রীতিমতো তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। তার এই সাফল্য স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করেছে।
দিনাজপুরের হিলির চন্ডিপুর গ্রামের যুবক পলাশ হোসেন ইউটিউব দেখে আঙুর চাষের প্রতি আগ্রহী হন। সে মোতাবেক নার্সারি থেকে দুটি চারা নিয়ে তিনি বাড়ির আঙিনায় রোপণ করেন। কিছুদিন পর থেকে গাছ বড় হতে শুরু করে। এরপর মাচা করে তিনি গাছগুলোকে দুই টিনের চালার মাঝে তুলে দেন। নয় মাস পর গাছে ফল ধরতে শুরু করে।
আঙুর চাষি পলাশ বলেন, গাছে বিপুল পরিমাণ আঙুর দেখে তিনিসহ পরিবারের সব সদস্য দারুণভাবে খুশি। যদিও প্রথমে অনেকেই তাকে তিরস্কার করেছিলেন এই গাছ লাগানোর জন্য। তিনি প্রথমবার ১৩ কেজি আঙুর পান, যা তিনি ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করেছেন। এবারের গাছে বিপুল পরিমাণে আঙুর ধরেছে। আশা করা যায়, প্রায় ২০ কেজির মতো ফল পাওয়া যাবে।
তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতে আরো বড় পরিসরে চাষের ইচ্ছা রয়েছে তার।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, এতদিন বিদেশে আঙুর চাষের কথা শুনলেও, বাড়ির কাছে প্রথমবারের মতো আঙুর চাষ হতে দেখে তারা অনেকেই তার বাড়িতে যাচ্ছেন। গাছে থোকায় থোকায় আঙুর ঝুলতে দেখে তারা আগ্রহ নিয়ে পরামর্শ নিচ্ছেন চাষের বিষয়ে।
হাকিমপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আরজেনা বেগম জানান, বাংলাদেশের মাটিতে আঙুর চাষ সম্ভব, যা এই উদাহরণে প্রমাণিত হয়েছে। তবে বাড়ির আঙিনায় প্রথমবারের মতো আঙুর চাষ করেছেন পলাশ নামের এক যুবক।
তিনি জানালেন, আঙুর চাষে সব ধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে। রপ্তানিযোগ্য একটি ফল চাষে স্বাবলম্বী হতে পারলে আমদানি নির্ভরতা যেমন কমবে, তেমনি লাভবান হবে কৃষকরাও। সেই সঙ্গে এই ফল রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা আয় করাও সম্ভব হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আজ ২৫ জুন। বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে বিশ্ব নাবিক দিবস। সমুদ্রপথে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সচল রাখতে যেসব নাবিক দিন-রাত কাজ করে যাচ্ছেন, তাদের অবদান, ত্যাগ এবং সাহসিকতাকে সম্মান জানাতেই প্রতি বছর এই দিনটি পালন করা হয়।
জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থা আন্তর্জাতিক মেরিটাইম অর্গানাইজেশন (আইএমও) ২০১০ সালে এই দিবসের সূচনা করে। এরপর থেকে প্রতি বছরের ২৫ জুন বিশ্বব্যাপী দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। নাবিকদের অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়ার পাশাপাশি তাদের নিরাপত্তা, কল্যাণ এবং কর্মপরিবেশের বিষয়েও সচেতনতা তৈরির লক্ষ্য রয়েছে এই দিবসের।
এবারের বিশ্ব নাবিক দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে— “বিশ্ব বাণিজ্য বহন করছি, ঝুঁকিও বহন করছি”। এই প্রতিপাদ্যের মাধ্যমে সমুদ্রে কর্মরত নাবিকদের কঠিন বাস্তবতা, ঝুঁকি এবং আত্মত্যাগের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। বিশেষ করে সংঘাতপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ সমুদ্রপথে দায়িত্ব পালনারি নাবিকদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোই এবারের মূল লক্ষ্য।
বিশ্বের প্রায় ৯০ শতাংশ পণ্য সমুদ্রপথে পরিবহন করা হয়। খাদ্য, জ্বালানি, ওষুধ, শিল্পের কাঁচামাল থেকে শুরু করে দৈনন্দিন জীবনের প্রয়োজনীয় অসংখ্য পণ্য পৌঁছে যায় নাবিকদের নিরলস পরিশ্রমে। অথচ তাদের জীবন সবসময় নিরাপদ নয়। দীর্ঘ সময় পরিবার থেকে দূরে থাকা, বৈরী আবহাওয়া, জলদস্যুতা, যুদ্ধ ও ভূরাজনৈতিক সংকটের মতো নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেই তারা দায়িত্ব পালন করেন।
আইএমও জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে হরমুজ প্রণালী, লোহিত সাগর, কৃষ্ণ সাগরসহ বিভিন্ন অঞ্চলে উত্তেজনা ও সংঘাতের কারণে নাবিকদের ঝুঁকি আরও বেড়েছে। অনেক নাবিককে অনিশ্চয়তা ও নিরাপত্তা শঙ্কার মধ্যেও বিশ্ব বাণিজ্যের চাকা সচল রাখতে কাজ করতে হচ্ছে।
আইএমওর মহাসচিব আর্সেনিও ডোমিঙ্গেজ নাবিকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেছেন, বিশ্ব অর্থনীতি ও মানুষের দৈনন্দিন জীবন সচল রাখতে তাদের অবদান অপরিসীম। তাদের নিরাপত্তা, সুরক্ষা ও কল্যাণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি।
এদিকে জাতিসংঘের মহাসচিব এন্তোরিও গুতেরেস বলেছেন, দেশগুলোর মধ্যে সংঘাত দেখা দিলে অনেক সময় নাবিকরাই সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মুখে পড়েন। তাই তাদের কখনোই ভূরাজনৈতিক দ্বন্দ্বের শিকার হতে দেওয়া উচিত নয়।
বিশ্ব নাবিক দিবস শুধু একটি আনুষ্ঠানিক দিবস নয়; এটি সমুদ্রের বুকে নিরন্তর সংগ্রাম করে যাওয়া লাখো নাবিকের প্রতি সম্মান, কৃতজ্ঞতা এবং মানবিক দায়বদ্ধতার প্রতীক। বিশ্ব বাণিজ্যের এই নীরব যোদ্ধাদের অবদান স্মরণ করতেই আজকের এই বিশেষ দিন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার ঐতিহ্যবাহী ও একমাত্র নারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নাছরীন নবী পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়-এর প্রধান শিক্ষক দেবব্রত বণিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, যেগুলোর মধ্যে রয়েছে নিয়োগ বাণিজ্য, আর্থিক অনিয়ম, সরকারি সম্পদ আত্মসাৎ, কোচিং ও গাইড বই সিন্ডিকেট, প্রাইভেট বাণিজ্য এবং অ্যাকাডেমিক দুর্নীতি। দীর্ঘদিন ধরে এসব অনিয়ম চলায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে চরম অসন্তোষ ও ক্ষোভ বিদ্যমান রয়েছে।
বিদ্যালয়টি ১৯৬৪ সালে প্রতিষ্ঠিত এবং বর্তমানে এখানে প্রায় দুই হাজার শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। শিক্ষক সংকটে থাকা এই প্রতিষ্ঠানে রয়েছে ১৯ জন এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও ৮ জন অতিথি শিক্ষক। ২০১১ সালের জানুয়ারিতে প্রধান শিক্ষক হিসেবে দেবব্রত বণিক যোগদানের পর অভিযোগ আসে যে, তিনি প্রধান শিক্ষকের পদ লাভ করতে তৎকালীন ম্যানেজিং কমিটির সভাপতিকে ১৩ লাখ টাকা ঘুষ দেন।
জানা গেছে, ২০১৫ সালে স্কুল ও কলেজ শাখায় শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগে প্রায় ৩১ লাখ টাকা ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। আরও অভিযোগ আছে, বিদ্যালয়ের পুরোনো তিনতলা ভবন নির্মাণের জন্য এক দাতা সদস্যের দেওয়া প্রায় ১৭ লাখ টাকা বিদ্যালয়ের ব্যাংক হিসাবে জমা না করে আত্মসাৎ করা হয়েছে।
বিদ্যালয়ের একটি অভ্যন্তরীণ অডিট প্রতিবেদনে ২০১২ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০১৪ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ের মধ্যে লক্ষাধিক টাকা আত্মসাৎ ও ২৪টি অনিয়মের তথ্য প্রকাশ ঘটে। এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে ২০১৭ সালের এপ্রিলে তৎকালীন ম্যানেজিং কমিটি তাকে দুই বছরের জন্য সাময়িক বরখাস্ত করে এবং পরে বিশেষ শর্তে পুনর্বহাল করা হয়। অভিযোগ রয়েছে যে, সাবেক পৌর মেয়র ও তৎকালীন ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি তাকজিল খলিফা কাজলকে ৮ লাখ টাকা দিয়ে তিনি পুনর্বহাল হন।
অভিযোগ অনুযায়ী, বিদ্যালয়ের সরকারি সিআরসি প্রকল্পের আওতায় দেওয়া ১৭টি ল্যাপটপ ও ডেস্কটপ কম্পিউটারের কোনো হদিশ নেই। বর্তমানে শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাবের কম্পিউটারের মাধ্যমে সীমিত কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
এছাড়া এ বছর এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষাকেন্দ্রে দায়িত্ব পালনকারী চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের জন্য বরাদ্দ সরকারি সম্মানীর অর্থও পরিশোধ না করে আত্মসাৎ করার অভিযোগ ছাত্র-ছাত্রী এবং অভিভাবকদের মধ্যে উঠেছে। ২০২৫ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য বাধ্যতামূলক তিন মাসের কোচিংয়ের নামে প্রায় ৩ লাখ ১৫ হাজার টাকা আদায় করা হচ্ছে; যদিও তেমন কার্যক্রম মাত্র এক মাসের জন্য পরিচালিত হয়। জানাগেছে, বাকি অর্থ বিদ্যালয়ের মূল হিসাবের বাইরে রেখে প্রধান শিক্ষক ও কিছু শিক্ষক ভাগাভাগি করে নিয়েছেন।
শিক্ষার্থীদের পরিচয়পত্র দেওয়ার জন্য জনপ্রতি ২৫০ টাকা করে আদায় করা হলেও অনেক শিক্ষার্থী পরিচয়পত্র পাচ্ছে না, এমন অভিযোগও রয়েছে। পৌর শহরের একটি লাইব্রেরির মাধ্যমে নির্দিষ্ট প্রকাশনীর বই কিনতে বাধ্য করার অভিযোগও আছে, যার বিনিময়ে সংশ্লিষ্ট প্রকাশনীর থেকে প্রাইভেট বইয়ের কমিশন হিসেবে প্রায় ৪ লাখ ২০ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে।
বিদ্যালয়ের সহকারী বাংলা শিক্ষিকা শিখা বণিক, যিনি প্রধান শিক্ষক দেবব্রত বণিকের স্ত্রী, অভিযোগ রয়েছে যে তিনি নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিত না থেকেও তার ক্লাস অন্য শিক্ষকের মাধ্যমে পরিচালনা করান। প্রধান শিক্ষক তার ঘনিষ্ঠ শিক্ষকদের নিয়ে শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। প্রতিবছর টেস্ট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস করা, নির্দিষ্ট শিক্ষকদের কাছে প্রাইভেট না পড়লে পরীক্ষায় ফেল করানোর ভয় দেখানো এবং শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ তৈরির অভিযোগও রয়েছে। ইংরেজি শিক্ষক মোখলেছুর রহমানের বিরুদ্ধে নিয়মিত ক্লাসে অনুপস্থিত থাকা এবং নিজের কোচিংয়ের শিক্ষার্থীদের দিয়ে পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন ও ফলাফল তৈরির অভিযোগ উঠেছে।
অন্যদিকে গণিত শিক্ষক খোরশেদ আলমের বিরুদ্ধে ক্লাস ফাঁকি দিয়ে প্রাইভেট বাণিজ্য পরিচালনা এবং প্রধান শিক্ষকের পক্ষে সিন্ডিকেটকে সক্রিয় রাখতে অন্য শিক্ষকদের ওপর চাপ প্রয়োগের অভিযোগও রয়েছে। এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক মো. মনিরুল ইসলাম জানিয়েছেন, বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের কারণে পাঠদান সঠিকভাবে হচ্ছে না। তার মেয়েসহ সকল শিক্ষার্থীর কাছ থেকে পরিচয়পত্রের জন্য টাকা আদায় করা হয়েছে, তবে ছয় মাস পেরিয়ে গেলেও এ বিষয়ে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
প্রধান শিক্ষক দেবব্রত বণিক জানিয়েছেন, "আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা। বিদ্যালয়ের সব নিয়মনীতি অনুসরণ করেই কাজ করেছি।" সাবেক অভিভাবক সদস্য শামীম একবাল বলেছেন, "শিক্ষা বোর্ড, জেলা শিক্ষা অফিস ও উপজেলা প্রশাসনের কাছে অভ্যন্তরীণ অভিযোগ দেওয়ার পরও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।" সাবেক গভর্নিং বডির সদস্য আশিকুর রহমান রানা বলেন, "এত অভিযোগ ও অনিয়মের পরও একজন প্রধান শিক্ষক কীভাবে বহাল তবিয়তে দায়িত্ব পালন করছেন, সেটি বিস্ময়কর।" উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. আবু তৌহিদ জানিয়েছেন, অভিযোগগুলো তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বর্তমান অ্যাডহক কমিটির সভাপতি শাহাদাত হোসেন লিটন বলেছেন, "আমি নতুন দায়িত্ব নিয়েছি এবং বিদ্যালয়ের অনিয়মের বিষয় আমার নজরে এসেছে।" আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাপসী রাবেয়া জানিয়েছেন, প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ পাওয়া গেছে এবং তাকে বিভিন্ন সময়ে সতর্কও করা হয়েছে। অভিযোগগুলো গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার শ্যামসিদ্ধি ইউনিয়নের মত্তগ্রামে চুরির অভিযোগে মোহাম্মদ শাহাদাৎ হোসেন (২৭) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) ভোরের দিকে এ ঘটনাটি ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাতে ওই এলাকার একটি মসজিদে তাবলীগ জামায়াতে অংশ নেওয়া মুসল্লিদের বেশ কয়েকটি মোবাইল ফোন চুরি হয়। এই ঘটনায় স্থানীয়রা শাহাদাৎ হোসেনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে। পরে উত্তেজিত জনতা শাহাদাৎ হোসেনকে গণপিটুনি দিলে তিনি গুরুতর আহত হন।
একপর্যায়ে ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু ঘটে। পরে তার মরদেহ মসজিদের সামনে সড়কে ফেলে রাখা হয়। পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং মরদেহটি উদ্ধার করে সুরতহাল শেষে মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।
নিহত শাহাদাৎ হোসেন একই এলাকার শামসুল হকের ছেলে। পুলিশ জানিয়েছে, তার বিরুদ্ধে থানায় একাধিক চুরির মামলা রয়েছে।
শ্রীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জুয়েল মিয়া বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। মরদেহের ময়নাতদন্তের পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ