ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মার্কিন আদালতে গৌতম আদানির বিরুদ্ধে মামলা খারিজ


মার্কিন আদালতে গৌতম আদানির বিরুদ্ধে মামলা খারিজ

ভারতীয় ধনকুবের গৌতম আদানির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে আনা ফৌজদারি জালিয়াতি ও ঘুষের মামলা মার্কিন আদালত খারিজ করে দিয়েছেন। ব্রুকলিনের জেলা জজ নিকোলাস গারোফিস বিচার বিভাগের আবেদনের ভিত্তিতে মামলাটি খারিজ করেন।

তবে বিচার বিভাগের এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে চরম অসন্তোষ প্রকাশ করে আদালত একে ‘উদ্বেগজনক’ বলে আখ্যা দেন।

মামলা খারিজ করলেও মার্কিন বিচার বিভাগের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ট্রেন্ট ম্যাককটারের তীব্র সমালোচনা করেন বিচারক। তিনি বলেন, মামলার আসল তদন্ত কর্মকর্তা ও প্রসিকিউটরদের মতামতকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে আসামিপক্ষের আইনজীবীদের সাথে একতরফা আলোচনায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রে আদানির ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতির বিনিময়ে মামলা তুলে নেওয়া হয়েছে কি না, তা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হলেও বিচার বিভাগ সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

আরও পড়ুন: ইসরাইলের নির্বাচনে সম্ভাব্য ৪ পরিস্থিতি ২৭ অক্টোবর

ফৌজদারি মামলায় রেহাই পেলেও আদানি গ্রুপকে অন্যান্য আর্থিক জালিয়াতি ও নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনের মামলা নিষ্পত্তিতে বিশাল অংকের অর্থ দিতে হচ্ছে। মার্কিন সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের দায়ের করা দেওয়ানি অভিযোগ নিষ্পত্তিতে গৌতম আদানি ৬০ লাখ ডলার এবং তার ভাগ্নে সাগর আদানি ১ কোটি ২০ লাখ ডলার পরিশোধ করতে রাজি হয়েছেন। ইরানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ভাঙার অভিযোগ নিষ্পত্তি করতে ‘আদানি এন্টারপ্রাইজেস লিমিটেড’ যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি ডিপার্টমেন্টকে ২৭৫ মিলিয়ন (২৭.৫ কোটি) ডলার দিতে সম্মত হয়েছে।

২০২৪ সালে আদানির বিরুদ্ধে ভারতে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজ পেতে ভারতীয় কর্মকর্তাদের ঘুষ দেওয়া এবং সেই তথ্য গোপন করে মার্কিন বিনিয়োগকারীদের বিভ্রান্ত করার অভিযোগে মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল।

আদালত মামলাটি খারিজের পর আদানি এক্স-এ (টুইটার) এক বার্তায় আদালতের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানান।

তবে বিচারক গারোফিস স্পষ্ট জানিয়ে দেন, মামলা খারিজের অর্থ এটি নয় যে আদানিকে সম্পূর্ণ নির্দোষ ঘোষণা করা হয়েছে। বিপুল অর্থের বিনিময়ে বিচার প্রক্রিয়ার এমন নিষ্পত্তি আইনের শাসন ও সমতার ওপর কেমন প্রভাব ফেলে—তা মূল্যায়নের ভার তিনি জনগণের ওপরই ছেড়ে দেন।

আরও পড়ুন: গাড়িচাপায় দুই পা হারালেন অস্ট্রেলীয় এমপি হেলেন হেইনস

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরানের সামরিক বাহিনীতে ছয় শীর্ষ কমান্ডার নিয়োগ মোজতবা খামেনি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:২০ পি.এম


ইরানের সামরিক বাহিনীতে ছয় শীর্ষ কমান্ডার নিয়োগ মোজতবা খামেনি

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা ও সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক আয়াতুল্লাহ মোজতবা হোসেইনি খামেনি দেশে সামরিক বাহিনীর ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ পদে নতুন কমান্ডার নিয়োগ দিয়েছেন। সশস্ত্র বাহিনীর জেনারেল স্টাফ, ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি), আইআরজিসির নৌবাহিনী এবং বাসিজ প্রতিরোধ বাহিনীতে এসব নিয়োগ কার্যকর হয়েছে।

সরকারি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সোমবার এসব নিয়োগের কথা জানানো হয়েছে। পৃথক আদেশে ছয়জন জ্যেষ্ঠ কমান্ডার ও কর্মকর্তাকে নতুন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। নতুন নিয়োগ অনুযায়ী, মেজর জেনারেল আলী আবদোল্লাহিকে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কিউমার্স হেইদারিকে ডেপুটি চিফ অব স্টাফ হিসাবে নিয়োগ করা হয়েছে।

এ ছাড়া, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমাদ ওয়াহিদিকে মেজর জেনারেল পদে উন্নীত করে ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) সর্বাধিনায়ক করা হয়েছে। নতুন দায়িত্বে মেজর জেনারেল মোস্তফা ইজাদিকে আইআরজিসির ডেপুটি সর্বাধিনায়ক হিসাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আইআরজিসির নৌবাহিনীতে নতুন কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন রিয়ার অ্যাডমিরাল আলী আজমেই। অন্যদিকে, বাসিজ মোস্তাজাফান সংস্থার প্রধান হিসেবে হুজ্জাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলেমিন হোসেইন তাইয়েবকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

 

ইরানের সর্বোচ্চ নেতার সরকারি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সশস্ত্র বাহিনীর ছয়জন জ্যেষ্ঠ কমান্ডার ও কর্মকর্তার দায়িত্ব নির্ধারণ করে পৃথক আদেশ দিয়েছেন খামেনি। বিজ্ঞপ্তিতে বলা যাচ্ছে, আলী আবদোল্লাহিকে সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ এবং কিউমার্স হেইদারিকে ডেপুটি চিফ অব স্টাফ করতে বলা হয়েছে। আহমাদ ওয়াহিদিকে মেজর জেনারেল পদে উন্নীত করে আইআরজিসির সর্বাধিনায়ক হতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে মোস্তফা ইজাদিকে বাহিনীর ডেপুটি সর্বাধিনায়ক করা হয়েছে। এছাড়া, আলী আজমেইকে আইআরজিসির নৌবাহিনীর কমান্ডার এবং হোসেইন তাইয়েবকে বাসিজ মোস্তাজাফান সংস্থার প্রধানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

নতুন এই নিয়োগ পদ্ধতির মাধ্যমে ইরানের সামরিক কমান্ড কাঠামোর বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদে পরিবর্তন এসেছে। বিশেষ করে, দেশের সবচেয়ে প্রভাবশালী সামরিক বাহিনী আইআরজিসি এবং এর নৌবাহিনীতে নতুন নেতৃত্ব এসেছে।

নতুন সামরিক নিয়োগের সময় ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান জানিয়েছেন, সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি ‘সম্পূর্ণ সুস্থ’ অবস্থায় রয়েছেন। ইরানের বার্তা সংস্থা আইএসএনএ সোমবার পেজেশকিয়ানের এই বক্তব্য প্রকাশ করেছে। প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান জানান, খামেনির সঙ্গে তার ‘খুব ভালো বৈঠক’ হয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগে মোজতবা খামেনি ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর সাবেক প্রধান মোহসেন রেজায়িকে দেশের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদে নিজের প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ দেন।

 

রবিবার প্রকাশিত এক আদেশে এই নিয়োগের কথা জানানো হয়েছে। এই নিয়োগের মাধ্যমে মোহাম্মাদ বাকের জোলঘাদরের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন রেজায়ি। নিয়োগের ঘোষণায় মোজতবা খামেনির নামে পরিচালিত একটি এক্স অ্যাকাউন্টে বলা হয়েছে, রেজায়ির দীর্ঘ সামরিক অভিজ্ঞতার কথা বিবেচনা করেই তাকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, রেজায়ি ইরান-ইরাক যুদ্ধের সময় ইরানের সামরিক বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ কমান্ডারদের একজন ছিলেন। ওই যুদ্ধকে ইরানে ‘পবিত্র প্রতিরক্ষা যুদ্ধ’ হিসেবে নাম দেওয়া হয়েছে।

এর আগে সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদে খামেনির প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন আলী লারিজানি। মার্চে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় তিনি নিহত হন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

সামরিক বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে একসঙ্গে নতুন নেতৃত্ব দেওয়ার পাশাপাশি জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। ফলে ইরানের সামরিক ও নিরাপত্তা কাঠামোয় নেতৃত্বের ক্ষেত্রে বড় ধরনের পুনর্বিন্যাসের বিষয়টি সামনে এসেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাড়ে তিন মাস বন্ধ থাকার পর কাপ্তাই হ্রদে মৎস্য আহরণ শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:২৩ পি.এম


সাড়ে তিন মাস বন্ধ থাকার পর কাপ্তাই হ্রদে মৎস্য আহরণ শুরু

তিন মাস ১৫ দিন বন্ধ থাকার পর দেশের সর্ববৃহৎ কৃত্রিম লেক, কাপ্তাই হ্রদে আবারো মৎস্য আহরণ, সরবরাহ ও বাজারজাতকরণ শুরু হয়েছে। সোমবার মধ্যরাত থেকে জেলেরা মাছ শিকার শুরু করার ফলে রাঙ্গামাটির বিএফডিসি’র ল্যান্ডিং ঘাটে মৎস্য ব্যবসায়ীসহ জেলেদের মাঝে প্রাণ চাঞ্চল্য ফিরে এসেছে।

মৎস্য আহরণ শুরু হওয়ায় খুলে দেয়া হয়েছে জেলার সকল বরফ কল। আজ মঙ্গলবার সকাল থেকে রাঙ্গামাটির ৪ টি ল্যান্ডিং ঘাটে মাছ আসতে শুরু করেছে।

রাঙ্গামাটির কাপ্তাই হ্রদে কার্প জাতীয় মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন, পোনা মাছের সুষ্ঠু বৃদ্ধি নিশ্চিতকরণসহ কাপ্তাই হ্রদের প্রাকৃতিক পরিবেশকে মৎস্য সম্পদ বৃদ্ধির সহায়ক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসনের নির্দেশে গত ২৪ এপ্রিল মধ্যরাত থেকে মাছ শিকার নিষিদ্ধ করে দেওয়া হয়। জেলা প্রশাসনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, তিন মাস ১৫ দিন পর সোমবার মধ্যরাত থেকে আবারো মাছ শিকার উন্মুক্ত করে দেয়া হয়।

সোমবার মধ্যরাত থেকে প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞার আদেশ তুলে নেওয়ার পর জেলেরা আবারো মাছ শিকার শুরু করে।

রাঙ্গামাটির মৎস্য ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল শুক্কুর বাসস’কে বলেন, দীর্ঘ ৩ মাস ১৫ দিন পর কাপ্তাই হ্রদে আবারো মাছ আহরণ শুরু হওয়ায় আমরা মৎস্য ব্যবসার সাথে জড়িত সকল ব্যবসায়ীসহ সকলে অত্যন্ত খুশি। তিনি এই প্রসঙ্গে আরও বলেন, এবার মাছের সাইজ একটু ছোট দেখা যাচ্ছে। কয়েক দিনের মধ্যেই বুঝা যাবে কী রকম মাছ ধরা পড়ছে। মাছের সাইজ বড় হলে আমরা লাভের মুখ দেখবো।

রাঙ্গামাটি বিএফডিসি ব্যবস্থাপক কমান্ডার মো. ফয়েজ আল করিম বলেন, ‘কাপ্তাই হ্রদে তিন মাস মাছ শিকার বন্ধের পর মাছ আহরণ শুরু হওয়ায় রাঙ্গামাটির বিএফডিসির ল্যান্ডিং ঘাটে প্রথম দিনে প্রচুর পরিমাণ মাছ এসেছে এবং এবার সাইজ একটু ছোট হলেও আগামী কিছু দিনের মধ্যে মাছের আকার বড় হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। রাঙ্গামাটি কাপ্তাই হ্রদে মাছের সুষ্ঠু প্রাকৃতিক প্রজনন, বংশ বিস্তার এবং উৎপাদন আগামী দিনের সকল রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন রাঙ্গামাটি বিএফডিসি’র ব্যবস্থাপক।’

কাপ্তাই হ্রদের বিশাল জলরাশি রাঙ্গামাটির অর্থনীতি ও বিপুল সংখ্যক মানুষের জীবিকার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। তাই প্রতিবছর নির্দিষ্ট সময় মাছ আহরণ বন্ধ রেখে প্রজননের সুযোগ সৃষ্টি করে এবং পরে নির্ধারিত নিয়ম মেনে মাছ শিকার উন্মুক্ত করার মাধ্যমে মৎস্য সম্পদ টেকসইভাবে ব্যবস্থাপনার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

দীর্ঘ তিন মাস ১৫ দিন পর আবারো পুরোদমে কাপ্তাই হ্রদে মৎস্য আহরণ শুরু হওয়ায় রাঙ্গামাটিসহ ৪টি মৎস্য অবতরণ ঘাটে ফিরেছে প্রাণ চাঞ্চল্যে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এনদ্রিকের ক্লাবে থাকা নিয়ে রিয়ালের নতুন সিদ্ধান্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:২৪ পি.এম


এনদ্রিকের ক্লাবে থাকা নিয়ে রিয়ালের নতুন সিদ্ধান্ত

রিয়াল মাদ্রিদে ব্রাজিলিয়ান তরুণ ফরোয়ার্ড এনদ্রিকের ভবিষ্যৎ নিয়ে গত কয়েক দিনের গুঞ্জনগুলো এখন অবশেষে শেষ হতে যাচ্ছে। গতকালের রিপোর্টে জানা গেছে যে, যদিও তার ক্লাব থেকে ধারে অন্য ক্লাবে পাঠানোর সম্পর্কে গুজব শোনা গেলেও, স্প্যানিশ জায়ান্টদের পক্ষ থেকে আপাতত এই ২০ বছর বয়সী তারকাকে ছাড়ার কোনো ইচ্ছা নেই।

বরং, নতুন মৌসুমে এনদ্রিককে নিজেদের মাস্টারপ্ল্যানের অংশ হিসেবেই রিয়াল মাদ্রিদে রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হোসে মরিনহোর আকাশচুম্বী আস্থাও এ ক্ষেত্রে টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে কাজ করছে।

২০২৬-২৭ ফুটবল মৌসুমের শুরুতে, রিয়াল মাদ্রিদ এনদ্রিকের ব্যাপারে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। যদিও দলবদলের দরজা খোলা থাকলেও, এই ব্রাজিলিয়ানকে নিয়ে অন্য কোনো ক্লাবের সাথে আলোচনা করতে তারা একদম নারাজ। প্রতিমাসে নতুন মৌসুমে তাকে পুরোপুরি সুযোগ দেওয়ার জন্য একটি পরিকল্পনা তৈরি করেছে মাদ্রিদ ক্লাবটি, যাতে এনদ্রিক দলের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।

এনদ্রিকের ওপর রিয়ালের নতুন স্পেশাল ওয়ান হোসে মরিনহোর অটল বিশ্বাসই মূলত সবকিছুর মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে। অনুশীলনে এনদ্রিক মরিনহোকে রীতিমতো মুগ্ধ করেছেন। তাকে সেন্টার ফরোয়ার্ড হিসেবেই নয়, মরিনহো তাকে ডান উইংয়েও পরীক্ষা করার ভাবনা ভাবছেন।

স্প্যানিশ নামজাদা ক্রীড়া দৈনিক মার্কার প্রতিবেদনেও এই নতুন মেরুকরণের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। রিয়াল কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে, চলতি মৌসুমেই সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে এনদ্রিক নতুন তারকা হিসেবে নিজের পরিচিতি প্রতিষ্ঠা করতে পারবেন। আক্রমণভাগে কিলিয়ান এমবাপ্পে, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, কার্লোস এসপি, আরদা গুলার ও ব্রাহিম দিয়াজদের মত তারকাদের ভিড়ে প্রতিযোগিতা তুঙ্গে থাকলেও মরিনহো ও তাঁর সাপোর্ট স্টাফরা এনদ্রিককে ট্রাম্পকার্ড হিসেবেই ধারণা করছেন।

এমনকি এই গুজব উঠেছিল যে এনদ্রিককে আবার লোনে পাঠানো হতে পারে, কিন্তু রিয়াল কর্তৃপক্ষ সেটিও একদম উড়িয়ে দিয়েছে। রিয়ালের পরিষ্কার বার্তা হলো—যদি খেলোয়াড় নিজে থেকে ক্লাব ছাড়তে না চান, তবে তাকে কোথাও পাঠানো হচ্ছে না।

এছাড়া, ক্লাবের আস্থার একটি বড় প্রমাণ হিসেবে তার গায়ে নতুন মৌসুমে ঐতিহ্যবাহী ‘৯ নম্বর’ জার্সি উঠেছে।

তবে চিত্রটি কিছুদিন আগেও ততটা আশাপ্রদ ছিল না। গত জানুয়ারিতে নিয়মিত খেলার সুযোগ না পেয়ে, রিয়াল ছেড়ে ধারে ফরাসি ক্লাব লিওঁতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছিল এনদ্রিককে। তৎকালীন কোচ জাবি আলোনসোর অধীনে বেঞ্চে বসে কাটাতে হচ্ছিল তাকে। সামনে বিশ্বকাপের মহাযজ্ঞ থাকায় নিয়মিত খেলার একটি বিকল্প প্রয়োজন ছিল এই উদীয়মান তারকার জন্য। লিওঁতে গিয়ে তিনি ওই সুযোগটি পান এবং দ্রুত ফিরে পান তাঁর পরিচিত ছন্দ।

লিওঁর জার্সিতে ২১ ম্যাচের ১৯টিতে শুরুর একাদশে ছিলেন এনদ্রিক, যেখানে ৮টি গোলের পাশাপাশি সতীর্থদের পাস দিয়ে করেছেন আরও ৭ গোল। ফ্রান্সে এনদ্রিকের দ্যুতি ছড়ানো পারফরম্যান্সই মূলত রিয়ালের দৃষ্টিভঙ্গি বদল করেছে। ক্লাব মনে করছে, ধারের এই অভিজ্ঞতা তাকে মানসিকভাবে অনেক বেশি প্রস্তুত করে তুলেছে।

২০২৪ সালের মাঝামাঝি সময়ে, প্রায় ৭ কোটি ২০ লাখ ইউরো ট্রান্সফার ফি-তে ব্রাজিলিয়ান ক্লাব পালমেইরাস থেকে মাদ্রিদে আসেন এনদ্রিক। কিন্তু যাত্রাটা মসৃণ ছিল না। প্রথম মৌসুমে কার্লো আনচেলত্তির অধীনে ৩৭ ম্যাচে মাঠে নামলেও, একাদশে জায়গা হয়েছিল মাত্র ৮ বার, যার মধ্যে তিনি করেন ৭ গোল।

পরের মৌসুমে জাবি আলোনসোর কোচিংয়ে প্রথমার্ধে চরম উপেক্ষার শিকার হতে হয় তাকে; মাঠে নামেন মাত্র তিন ম্যাচে, যার মধ্যে গোল ছিল শূন্য। এর ফলে জানুয়ারিতে ফ্রান্সের বিমানে চড়তে বাধ্য হন এনদ্রিক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শেখ হাসিনাসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ এক দিন পেছাল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:২৬ পি.এম


শেখ হাসিনাসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ এক দিন পেছাল

জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেন্টারে (জেআইসি) গুম-নির্যাতনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণের সময় এক দিন পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই পরিবর্তনটি ঘটেছে কারণ সাক্ষী অসুস্থ রয়েছেন। বুধবার (১২ আগস্ট) সাক্ষ্যগ্রহণের নতুন তারিখ ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল।

আজ মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর সদস্য বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরীর একক বেঞ্চ এই দিন ধার্য করেন।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে সময় চেয়েছিলেন প্রসিকিউটর শাইখ মাহদী। তিনি উল্লেখ করেন, ‘এ মামলায় আজ সাক্ষ্যগ্রহণের দিন নির্ধারিত ছিল। কিন্তু সাক্ষী অসুস্থ থাকায় সময় চেয়ে আবেদন করা হয়।

পরে আদালত শুক্রাবার আবেদনের মাধ্যমে সাক্ষ্যগ্রহণের নতুন দিন ধার্য করেন।’

এর আগে, ২২ জুলাই ষষ্ঠ সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেওয়া হেফাজতে ইসলামের কর্মী তাজুল ইসলাম সুমনের জেরা সম্পন্ন হয়ে গেছে। গত ১৮ জুন তার সাক্ষ্য নেওয়া হয়। জবানবন্দিতে তিনি গুম-নির্যাতনসহ দীর্ঘ আট বছর কারাগারে থাকার এক ভয়াবহ বর্ণনা দেন।

শুধুমাত্র হেফাজতে ইসলামের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকার কারণে মিথ্যা মামলায় এত বছর আটকে রাখার বিচার দাবি করেছেন শেখ হাসিনাসহ গুমের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে।

এ মামলায় মোট ১৩ আসামির মধ্যে গ্রেপ্তার হয়েছেন তিন জন। তারা হলেন- ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক মেজর জেনারেল শেখ মো. সরওয়ার হোসেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান সিদ্দিকী এবং ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমেদ তানভির মাজাহার সিদ্দিকী। তাদের আজ সকালে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে।

পলাতক ১০ আসামির মধ্যে পাঁচজনই বিভিন্ন সময়ে ডিজিএফআইয়ের মহাপরিচালক (ডিজি) হিসেবে কাজ করেছিলেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন- লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মোহাম্মদ আকবর হোসেন, মেজর জেনারেল (অব.) সাইফুল আবেদিন, লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. সাইফুল আলম, লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আহমেদ তাবরেজ শামস চৌধুরী এবং মেজর জেনারেল (অব.) হামিদুল হক।

বাকি আসামিরা হলেন— শেখ হাসিনার প্রতিরক্ষাবিষয়ক সাবেক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) মোহাম্মদ তৌহিদুল উল ইসলাম, মেজর জেনারেল কবীর আহাম্মদ এবং লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মখছুরুল হক।

২০২৫ সালের ৮ অক্টোবর এই মামলায় ১৩ আসামির বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের দেয়া অভিযোগ গ্রহণ করে ট্রাইব্যুনাল-১। পরে ১৮ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেওয়া হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%