০৩:৫৫ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক অর্থনীতি গড়ে তোলার লক্ষ্যে উচ্চশিক্ষা খাতে ব্যাপক পরিবর্তনের পথে হাঁটছে চীন। চীনের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো প্রযুক্তিকেন্দ্রিক শিক্ষা কার্যক্রমকে অগ্রাধিকার দিতে কলা, মানবিক ও ভাষাবিষয়ক প্রায় ১২ হাজার ‘সেকেলে’ ডিগ্রি কর্মসূচি বাতিল করেছে বলে স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। খবর সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের।
এই পদক্ষেপের মাধ্যমে উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাকে এমনভাবে পুনর্গঠন করা হচ্ছে, যাতে তা চীনের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর অর্থনৈতিক কৌশলের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়। চীনের শিক্ষা مন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রায় এক-তৃতীয়াংশ শিক্ষা কার্যক্রম এ পরিবর্তনের আওতায় এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীর ওপর।
একই সময়ে, নতুন চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ২০২১ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে দেশটির উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ১০ হাজার ২০০টি নতুন স্নাতক ডিগ্রি কর্মসূচি চালু করা হয়েছে।
সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দৃষ্টিতে অনেক কলা ও মানবিক বিভাগের ডিগ্রি ধীরে ধীরে অচল এবং অতিরিক্ত শিক্ষার্থীপূর্ণ বিষয়ে পরিণত হয়েছে। বিপরীতে ‘এমবডিড ইন্টেলিজেন্স’-এর মতো নতুন বিষয়গুলোকে বেইজিংয়ের অর্থনৈতিক উন্নয়ন পরিকল্পনার সঙ্গে বেশি সামঞ্জস্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সাংহাই বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক স্নাতক শিক্ষার্থী সম্প্রতি জানান, দুর্বল কর্মসংস্থানের সম্ভাবনার কারণে তাদের বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট কয়েকটি ডিগ্রি কর্মসূচি বন্ধ করে দিয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই শিক্ষার্থীর ভাষ্য হলো, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত বিকাশ পণ্য নকশা বা প্রোডাক্ট ডিজাইন খাতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলেছে।
তিনি বলেন, মডেল তৈরি ও দৃশ্যায়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ অনেক কাজ এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে সম্পন্ন করা সম্ভব হচ্ছে।
বিশ্বজুড়ে শিক্ষা ব্যবস্থাকে নতুন বাস্তবতার সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে। বিভিন্ন দেশ জাতীয় শিক্ষাক্রম পুনর্গঠন করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসংক্রান্ত বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করছে।
ভারত জাতীয় বিদ্যালয় শিক্ষাক্রমে সরাসরি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাবিষয়ক পাঠ যুক্ত করেছে। সংযুক্ত আরব আমিরাত চালু করেছে জাতীয় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা শিক্ষা উদ্যোগ। একইভাবে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে জাতীয় অস্তিত্বের প্রশ্ন হিসেবে উল্লেখ করার পর কাজাখস্তানও নতুন শিক্ষা কৌশল বাস্তবায়ন শুরু করেছে।
ইউরোপে ‘ডিজিটাল স্পেন’ কৌশলের অংশ হিসেবে স্পেন শিক্ষা কার্যক্রম হালনাগাদ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধিকে গুরুত্ব দিয়েছে।
অন্যদিকে, গত বছর যুক্তরাজ্য তথ্যবিজ্ঞান ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাবিষয়ক নতুন শিক্ষাগত যোগ্যতা চালুর সম্ভাবনা নিয়ে কাজ শুরু করে। যুক্তরাজ্যের জাতীয় শিক্ষাক্রমের গত এক দশকের সবচেয়ে বড় পর্যালোচনা আগামী বছর প্রকাশ হওয়ার কথা রয়েছে। এর বাস্তবায়ন শুরু হবে ২০২৮ সালের সেপ্টেম্বর থেকে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, জনগণের অর্থ, জনগণকে না দিয়ে বিদেশে পাচার করেছিলো একটি দল। জনগণের টাকা কখনোই পাচার হতে দেবো না, জনগণের অর্থ দিয়ে জনগণের কাজ করা হবে। যেসব ব্যক্তি বিদেশে টাকা পাচার করতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তিনি বুধবার (১৭ জুন) শ্রীমঙ্গলে একটি ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির অনুষ্ঠানে এসব কথা তুলে ধরেন।
প্রধানমন্ত্রী আস্থা প্রকাশ করে বলেন, চলতি বছরের মধ্য চা বাগানের সর্বমোট নারী শ্রমিকদের হাতে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হলে নারী এবং পুরুষ উভয়কেই একসঙ্গে কাজ করতে হবে। নারীদের স্বাবলম্বী করে তুলতে না পারলে তাদের এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়।
মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনই সরকারের প্রধান লক্ষ্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, শ্রীমঙ্গলে ১৫০ জন চা শ্রমিকের সন্তানকে স্কলারশিপ প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া আগামী এক বছরের মধ্যে ৪০ লাখ কৃষক কার্ড বিতরণ করা হবে। বিএনপি দেশের মানুষের পাশে দাঁড়াতে চায় এবং আগামী ৫ বছরে উপজেলার ৫০ বেডের হাসপাতালকে ১০০ বেডে উন্নীত করা হবে।
তিনি আরো বলেন, বাজেট জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য প্রদান করা হয়েছে, কিন্তু একটি দল বলছে এটি জনবিরোধী বাজেট। যারা জনবান্ধব বাজেটকে জনবিরোধী বলেন, তারা কখনো জনগণের বন্ধু হতে পারবে না। জনগণকে বিভ্রান্তকর তথ্য দ্বারা বিভ্রান্ত করার বিরুদ্ধে সচেতন এবং ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
তারেক রহমান বলেন, যেকোনো নির্বাচনে জনগণ যেখানেই ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়েছে, সেখানে তারা বিএনপিকে বিজয়ী করেছে। দেশের উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে হলে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। জনগণ ঐক্যবদ্ধ থাকলে গণতন্ত্রকে কেউ বিনষ্ট করতে সক্ষম হবে না। বিএনপির সমস্ত শক্তিই জনগণ। ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাতকে কাজে লাগালে স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকার আশুলিয়ার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারিকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।
বুধবার (১৭ জুন) প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম। এর আগে মঙ্গলবার (১৬ জুন) রাতে, আশুলিয়ার পবনারটেক বাগবাড়ী রোডস্থ মইনুলের গ্যারেজের সামনে থেকে এবং গৌরিপুর হংকং ফ্যাক্টরি গেটের সামনে থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারদের মধ্যে আছেন আশুলিয়ার পবনারটেক এলাকার মো. সানোয়ার (৪২) এবং মানিকগঞ্জের কাঠিগ্রাম এলাকার রফিক (৪৫)।
পুলিশ সূত্র জানায়, নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে, মো. সানোয়ারের কাছ থেকে হালকা গোলাপি রঙের ১৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট এবং গৌরিপুর এলাকায় রফিকের কাছে থেকে ৫০ পিস ইয়াবা উদ্ধারসহ তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ আরও জানায়, গ্রেপ্তার আসামিদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে এবং আদালতে পাঠানো হয়েছে। আশুলিয়া থানা এলাকা থেকে মাদকমুক্ত, সন্ত্রাস দমনসহ অপরাধ নির্মূলে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ নেতা সৈয়দ সোহানুর রহমান সিয়ামের বিরুদ্ধে আদালত অভিযোগ গঠনের নির্দেশনা প্রদান করেছে।
বুধবার, আদালত আসামির অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে ঢাকার বিভাগীয় স্পেশাল জজ বেগম শামীমা আফরোজ এই আদেশ প্রদান করেন।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী আরিফুল ইসলাম জানিয়েছেন, আগামী ৯ জুলাই সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
সিয়াম, আলোচিত গাড়িচালক সৈয়দ আবেদ আলী জীবনের ছেলে। তিনি সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) প্রশ্নফাঁস কাণ্ডে পরিচিত।
মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানির দিন ছিল এদিন। সিয়ামকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়েছিল। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে প্রসিকিউটর দেলোয়ার জাহান রুমি অভিযোগ গঠনের শুনানি প্রদান করেন। সিয়ামের পক্ষে তার আইনজীবী রেজাউল করিম অব্যাহতি চেয়ে আদালতে শুনানি করেন।
উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ প্রদান করেন।
বিচারক সিয়ামের কাছে জানতে চান, তিনি দোষী না নির্দোষ। এ সময়ে সিয়াম নিজেকে নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার প্রার্থনা করেন।
সিয়ামের বিরুদ্ধে গত বছরের ৫ জানুয়ারি মামলা দায়ের করেন দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক জাকির হোসেন। মামলায় অভিযোগ আনা হয়েছে যে, ২০২১ সালের ৩ সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত ৩৭ লাখ ৩০ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের ঘটনা ঘটে।
মামলার তদন্ত শেষে একই বছরের ৩০ ডিসেম্বর সিয়ামকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র জমা দেন উপসহকারী পরিচালক জাকির হোসেন। তবে তদন্তে সিয়ামের জ্ঞাত আয় উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ৩১ লাখ ৮১ হাজার টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ