ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সরাইলে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ২০ কিমি যানজট, ভোগান্তি চরমে


সরাইলে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ২০ কিমি যানজট, ভোগান্তি চরমে

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের সরাইল বিশ্বরোড গোলচত্বরে বিশাল গর্ত ও পৃথক সড়ক দুর্ঘটনার কারণে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে শুরু হওয়া এই অচলাবস্থার কারণে বুধবার দুপুর পর্যন্ত মহাসড়কের প্রায় ২০ কিলোমিটার এলাকায় যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়েছে। পণ্যবাহী গাড়ি বিকল হওয়া এবং একের পর এক দুর্ঘটনার ফলস্বরূপ হাজার হাজার যাত্রী ও চালক চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়ছেন।

পুলিশের তথ্য মতে, সরাইল বিশ্বরোড গোলচত্বর এলাকায় মহাসড়কের ওপরে বেশ কিছু বড় ও গভীর খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। মহাসড়কে যানজট শুরু হয় গত মঙ্গলবার সরাইল উপজেলার বৈশামুড়া এলাকায় একটি লরি ও কাভার্ডভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষের পর। রাতের বৃষ্টিতে সড়কের গর্তে পানি জমে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে যায়। বুধবার সকালবেলা ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের সরাইল উপজেলার শাহবাজপুর সেতু ও ইসলামাবাদ এলাকায় দুটি ট্রাক বিকল হয়ে পড়লে যানজট আরও দীর্ঘ হয়ে যায়। দুর্ঘটনাকবলিত এবং বিকল যানবাহনগুলো দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার সক্ষমতা না থাকায় ধীরে ধীরে যানজট দীর্ঘ হতে শুরু করে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, বিশ্বরোড গোলচত্বরে সড়কের গর্তে যানবাহন আটকে যাওয়ার কারণে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। এতে সরাইল, শাহবাজপুর, কুট্টাপাড়া, শান্তিনগর হয়ে বিজয়নগরের বুধন্তী পর্যন্ত দীর্ঘ যানজট ছড়িয়ে পড়েছে।

আরও পড়ুন: মসজিদ কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধ, মাদারীপুরে ৭ বাড়িতে আগুন, ৪০ ঘরে ভাঙচুর-লুটপাট

সরাইল-খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু তাহের দেওয়ান জানিয়েছেন, বিশ্বরোড এলাকায় গর্তে পণ্যবাহী যানবাহন আটকে যাওয়া এবং দুর্ঘটনাকবলিত লরি অপসারণের কারণে যানজট সৃষ্টি হয়েছে। তবে সড়কের বেহাল দশা ও যানবাহনের অতিরিক্ত চাপের কারণে জট ছুটাতে বেগ পেতে হচ্ছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে পুলিশের পক্ষ থেকে নিরলসভাবে কাজ করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অর্থসংকটে থমকে আছে কুবির নতুন ক্যাম্পাসের নির্মাণকাজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৫৫ পি.এম


অর্থসংকটে থমকে আছে কুবির নতুন ক্যাম্পাসের নির্মাণকাজ

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ক্যাম্পাসের নির্মাণ চলছে কিন্তু অর্থাভাবে আটকে আছে। ৮৬ শতাংশ কাজ অগ্রগতি হলেও তা সম্পন্ন হয়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, একনেকের অনুমোদনের পরবর্তী একবছরের মধ্যে ক্যাম্পাস হস্তান্তরের আশ্বাস পাওয়া গেছে।

২০২১ সালের ১১ মার্চ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২৪ ব্যাটালিয়ন ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডের মধ্যে সমঝোতা চুক্তি হয়েছে। এরপর ২০২১ সালের নভেম্বরে সেনাবাহিনী কাজ শুরু করেছিল। এরপর ছয় মাসের মধ্যে কাজ সম্পূর্ণ হওয়ার কথা থাকলেও তা হয়নি।

প্রকল্পের মেয়াদ একাধিকবার বাড়ানো হয়েছে। প্রথম মেয়াদ ছিল ২০২৩ সালের জুন, পরবর্তী মেয়াদ ২০২৫ সালের জুন এবং তৃতীয় দফায় মেয়াদ বাড়ানো হয়েছিল ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত। তবে জুন ২০২৬ পেরিয়ে গেছে কিন্তু কাজ এখনো শেষ হয়নি। ২৪২ কোটি টাকার বাজেট বর্তমানে আটকে রয়েছে বলে জানা গেছে।

প্রকল্পটি শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে যাচাই-বাছাই শেষে পরিকল্পনা দপ্তরে পৌঁছেছে। পূর্বে একবার ছাড় পেলেও নানা কারণে প্রকল্পটি অগ্রসর হয়নি। বর্তমানে পরিকল্পনা দপ্তরের অনুমোদন পেলেই এটি একনেকে উঠতে পারে। একনেকের সভায় অনুমোদন পেলেই পরবর্তী একবছরের মধ্যে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ক্যাম্পাস হস্তান্তর করা যাবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল দপ্তর জানিয়েছে, প্রকল্পটির মোট বাজেট ১ হাজার ৬৫৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা। প্রকল্পের বর্তমান ব্যয় ১ হাজার ৪৩৭ কোটি ৪৭ লাখ ৯০ হাজার টাকা, যা অনুমোদিত অর্থের ৮৬ শতাংশ।

নির্মাণাধীন ভবনগুলোর মধ্যে উপাচার্যের বাসভবন, মেডিক্যাল ও ডে-কেয়ার সেন্টার, কয়েকটি প্রধান ফটক, সাব-স্টেশন এবং নতুন আগামী ছাত্রী হল-১ এবং হল-২ রয়েছে। ছাত্রী হল, কর্মচারীদের আবাসিক ভবন, কলা ও মানবিক অনুষদ, ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদ এবং কেন্দ্রীয় মসজিদ ছাড়াও নির্মাণাধীন আরো অনেক ভবন রয়েছে।

সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আরডিপিপি প্রকল্প অনুমোদন হলেই অবশিষ্ট কাজের কার্যক্রম শুরু করা যাবে। নতুন ক্যাম্পাস নির্মাণ শেষ হলে বর্তমানে ৫০ একরের সঙ্গে ১৯৪ একর যুক্ত হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়তন দাঁড়াবে ২৪৪ একর।

বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্পের পরিচালক প্রকৌশলী এস. এম. শহিদুল হাসান এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি। কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান জানিয়েছেন, ‘আরডিপিপি প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য আটকে রয়েছে। একনেকে এটি পাশ হয়ে এলেই শীঘ্রই কাজ শেষ হবে।’ উপ-উপাচার্য অধ্যাপন ড. মাসুদা কামাল জানান, ‘অনেকবার পিছিয়েছে, সর্বশেষ এ বছর শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু টাকার কারণে আটকে রয়েছে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাম মন্দিরের দানবাক্স থেকে টাকা চুরি করে প্রেমিকাকে আইফোন উপহার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৫৯ পি.এম


রাম মন্দিরের দানবাক্স থেকে টাকা চুরি করে প্রেমিকাকে আইফোন উপহার

ভারতের অযোধ্যার রাম মন্দিরের দানবাক্স থেকে চুরি হওয়া লাখ লাখ রুপি নগদ অর্থের একটি অংশ την পরিবারের সদস্য, বন্ধু এবং প্রেমিকার জন্য ব্যয় করার কথা জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন এক অভিযুক্ত। এমনটাই জানিয়েছে সূত্র।

এই চুরি করা অর্থ দিয়ে প্রেমিকাকে একটি দামি আইফোন উপহার দেওয়া এবং ভাইয়ের জাঁকজমকপূর্ণ বিয়ের আয়োজন করার অভিযোগও রয়েছে।

সূত্রের বরাতে ভারতীয় মিডিয়া এনডিটিভির দাবি, অযোধ্যার রাম মন্দিরের দানবাক্স থেকে চুরি হওয়া লাখ লাখ রুপি নগদ অর্থ অভিযুক্তদের একজন তার পরিবার, বন্ধু এবং প্রেমিকার জন্য বিলাসবহুল উপহার কিনতে ব্যয় করেছেন।

সূত্র জানায়, দান চুরির অভিযোগে অভিযুক্ত আটজন গণনাকর্মীর একজন অবিনাশ শুক্লার কথিত স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে জানা গেছে, এই অর্থ দিয়ে একটি দামি আইফোন কেনা এবং একটি জাঁকজমকপূর্ণ বিয়ের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

পুলিশ চুরি হওয়া অর্থের গতিপথ অনুসন্ধানের চেষ্টা চালানোর সময়, জিজ্ঞাসাবাদে শুক্লা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন বলে সূত্রের দাবি। এই চুরির ঘটনায় কোটি কোটি ভক্তের মধ্যে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।

সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, চুরি হওয়া অর্থের পরিমাণ কয়েক কোটি রুপি বলে ধারণা করা হলেও, শুক্লা স্বীকার করেছেন যে তিনি প্রায় ১৯ লাখ রুপি নিজের, পরিবারের সদস্য এবং বন্ধুদের পেছনে ব্যয় করেছেন।

এর মধ্যে তার এক ভাইয়ের জাঁকজমকপূর্ণ বিয়ের জন্য প্রায় ৬ লাখ রুপি ব্যয় করা হয়। এছাড়া আরেক ভাইকে পাঁচ থেকে ছয় লাখ রুপি দেওয়া হয়েছে বলে সূত্র জানায়।

এছাড়া অভিযুক্ত তার প্রেমিকাকে একটি আইফোন উপহার দেন এবং তার ব্যাংক হিসাবে আরও ২ লাখ ৫০ হাজার রুপি স্থানান্তর করেন বলে সূত্রের দাবি।

এর আগে এনডিটিভির হাতে আসা পুলিশি নথিতে দেখা যায়, শুক্লা প্রায় ২০ লাখ রুপি নিজের কাছে রেখেছিলেন, যা সন্দেহভাজনদের মধ্যে সর্বোচ্চ।

তদন্তকারীরা এখন অর্থ লেনদেন, ব্যাংক হিসাব এবং সংশ্লিষ্ট সম্পদের বিস্তারিত তদন্ত করছেন, যাতে অর্থের স্পষ্ট গতিপথ শনাক্ত করে অভিযোগ গঠন করা যায়।

সূত্র: এনডিটিভি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বেরোবিতে হচ্ছে ‘আবদুল হাই শিকদার কর্নার’: ১০ হাজার দুর্লভ বই সংরক্ষণে ইউজিসির উদ্যোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাসফিকুল হাসান, বেরোবি প্রতিনিধি

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:০১ পি.এম


বেরোবিতে হচ্ছে ‘আবদুল হাই শিকদার কর্নার’: ১০ হাজার দুর্লভ বই সংরক্ষণে ইউজিসির উদ্যোগ

যুগান্তরের সম্পাদক আবদুল হাই শিকদারের ব্যক্তিগত সংগ্রহে থাকা প্রায় ১০ হাজার বই সংরক্ষণে উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)| বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর-এ তাঁর নামে একটি বিশেষ কর্নার বা পৃথক গ্রন্থাগার প্রতিষ্ঠা করে বইগুলো সংরক্ষণের সিদ্ধান্ত হয়েছে| আজ বুধবার (৮ জুলাই ২০২৬) ইউজিসি চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মামুন আহমেদের সঙ্গে আবদুল হাই শিকদারের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়| বৈঠকে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শওকাত আলী, ইউজিসির জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ জামিনুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন|

সভায় ইউজিসি চেয়ারম্যান বলেন, এটি শুধু একজন ব্যক্তির বইয়ের সংগ্রহ নয়, দেশের জ্ঞান ও গবেষণার একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ| যথাযথ সংরক্ষণ, তালিকাভুক্তকরণ এবং পর্যায়ক্রমে ডিজিটাল আর্কাইভ তৈরির মাধ্যমে বইগুলো ভবিষ্যৎ প্রজন্মের গবেষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে| তিনি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে বইগুলো সংগ্রহ ও সংরক্ষণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানান| প্রফেসর ড. মামুন আহমেদ বলেন, এ উদ্যোগ ব্যক্তিগত গ্রন্থসংগ্রহ সংরক্ষণের একটি অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত হতে পারে| দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে থাকা দুর্লভ ব্যক্তিগত গ্রন্থসংগ্রহ সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমে সংরক্ষণে ইউজিসি নীতিগত সহায়তা প্রদান করবে| তিনি বলেন, শুধু বই সংরক্ষণ করলেই হবে না, দুর্লভ গ্রন্থগুলো ডিজিটাল আর্কাইভসেও সংরক্ষণ করতে হবে, যাতে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের গবেষক ও পাঠক সহজে সেগুলো ব্যবহার করতে পারেন|

আবদুল হাই শিকদার জানান, তাঁর সংগ্রহে বাংলা ভাষা ও সাহিত্য, বিশ্ব ইতিহাস, গবেষণা, প্রবন্ধ, অনুবাদ সাহিত্য, শিশু সাহিত্য, বিজ্ঞানসহ বিভিন্ন বিষয়ের প্রায় ১০ হাজার বই রয়েছে| এর মধ্যে প্রায় তিন হাজার বই দ্রুত সংরক্ষণ না করলে নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে| অনেক বই বর্তমানে বাজারে পাওয়া যায় না| তিনি বলেন, সংগ্রহের একটি অংশ তিনি উত্তরাধিকারসূত্রে বাবার কাছ থেকে পেয়েছেন| বাকি বই কয়েক দশক ধরে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে সংগ্রহ করেছেন| তাঁর ইচ্ছা, পুরো সংগ্রহ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়কে দান করা, যাতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও গবেষকেরা বইগুলো ব্যবহার করতে পারেন|

ব্যক্তিগত গ্রন্থসংগ্রহ সংরক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরে আবদুল হাই শিকদার ভাষাবিদ ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর গ্রন্থাগারের প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন| তিনি বলেন, সংরক্ষণের অভাবে তাঁর সংগ্রহের বহু দুর্লভ বই একসময় ভাঙারির দোকানে বিক্রি হয়ে যায়| এমনকি তাঁর গ্রন্থাগারের জায়গায় তেলের ঘানির দোকান গড়ে ওঠে| এ ধরনের ঘটনা দেশের জ্ঞান-ঐতিহ্যের জন্য বড় ক্ষতি| তাই ব্যক্তিগত গ্রন্থসংগ্রহ সংরক্ষণে প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ প্রয়োজন|

তিনি আরও বলেন, ইউজিসির সাবেক চেয়ারম্যান ও শিক্ষাবিদ সৈয়দ আলী আহসান তাঁর ব্যক্তিগত গ্রন্থসংগ্রহ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়কে দান করেছিলেন| সেই অনুপ্রেরণাতেই তিনি নিজের সংগ্রহ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়কে দিতে চান| আবদুল হাই শিকদার আরও জানান, তাঁর গ্রামের বাড়ি রংপুর বিভাগে| সেই বিবেচনায় তিনি তাঁর ব্যক্তিগত গ্রন্থসংগ্রহ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়কে দান করতে চান, যাতে এ অঞ্চলের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও গবেষকেরা বইগুলো ব্যবহার করতে পারেন|

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর-এর উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শওকাত আলী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আবদুল হাই শিকদারের নামে একটি বিশেষ কর্নার বা পৃথক গ্রন্থাগার প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেবে| এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগার সমৃদ্ধ হবে এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও গবেষকদের জন্য

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
ইসি আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ

নির্বাচন পর্যবেক্ষণে নেওয়া হবে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:০২ পি.এম


নির্বাচন পর্যবেক্ষণে নেওয়া হবে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা

নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, নির্বাচন পর্যবেক্ষণসংক্রান্ত অনেক সুপারিশ আমি পেয়েছি। এসব বিষয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও আলোচনা করে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণের আশা করি। নির্বাচনের পর্যালোচনার মাধ্যমে সামনের নির্বাচনে সংস্কার অগ্রাধিকার ও বাস্তবায়নে চেষ্টা করা হবে।

বুধবার রাজধানীর স্থানীয় একটি হোটেলে দুই দিনব্যাপী নির্বাচনের পর্যবেক্ষণসংক্রান্ত সুপারিশ নিয়ে অংশীজনদের সংলাপের উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ইসি আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ এসময় বলেন, ‘নির্বাচনের আগে-পরে অবজার গ্রুপ এবং অংশীজনদের মতামত নিয়েছি; আমি সবার সহযোগিতা পেয়েছি। আমি আশা করি, এই সংলাপের মাধ্যমে নির্বাচন আরও কীভাবে অন্তর্ভুক্তিমূলক করা যায়, সেই সুপারিশ আসবে।’

তিনি গণতন্ত্রের উত্তরণে এটি চলমান প্রক্রিয়া বলে উল্লেখ করে বলেন, নির্বাচনের পরে যেসব সুপারিশ এসেছে, সেগুলো আমরা মূল্যায়ন করছি, যাতে এর ধারাবাহিকতা আমরা এগিয়ে নিতে পারি। আগামী দুই দিন অংশীজন সংলাপে পাওয়া সুপারিশ আমরা কাজে লাগাব। তিনি বলেন, সামনে রয়েছে স্থানীয় নির্বাচন, সুতরাং সবার সহযোগিতা কামনা করি।

গত ফেব্রুয়ারিতে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পর স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতির কাজ করছে ইসি। ইতোমধ্যে বিধি সংস্কারে অংশীজনদের মতামত নিচ্ছে। এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করেছে আন্তর্জাতিক ও দেশীয় অনেক সংস্থা। ইতোমধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়ন, আনফ্রেল, কমনওয়েলথ পর্যবেক্ষক দল তাদের পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেছে। এর ধারাবাহিকতায় অংশীজনদের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ সুপারিশ নিয়ে আজকের এই সংলাপে আলোচনা চলছে।

নির্বাচন পর্যবেক্ষণসংক্রান্ত সুপারিশ, সংস্কারের অগ্রাধিকার এবং বাস্তবায়নসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ইউরোপিয়ান পার্টনারশিপ ফর ডেমোক্রেসি (ইপিডি) এবং ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশন ফর ইলেকটোরাল সিস্টেম (আইএফইএস) যৌথ উদ্যোগে এই সংলাপ আয়োজন করছে। এতে স্থানীয় পর্যবেক্ষক, সিভিল সোসাইটি সংস্থা, নির্বাচন কর্মকর্তাসহ অর্ধশতাধিক প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করছেন।

এ সময় ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার নির্বাচনের আগে এবং পরে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে নানা ধরনের আলোচনা ও সহায়তার কথাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘ইতোমধ্যে আমাদের রিপোর্টে সুনির্দিষ্ট ১৯টি সুপারিশ তুলে ধরেছি। আমি আশা করি, এ কর্মশালার মাধ্যমে আলোচনা করে আরও সুপারিশ আসবে। এরপর অগ্রাধিকার নির্ধারণ করে সেগুলো কাজে লাগাতে হবে। অংশীজনেরা গণতান্ত্রিক নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। আশা করি, নির্বাচন কমিশন সামনের দিনগুলোতে পর্যবেক্ষণ সুপারিশ এগিয়ে নিয়ে যাবে।’

দুই দিনের এই সংলাপে বিভিন্ন সেশনে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ, তাহমিদা আহমদ, মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ এবং নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ উপস্থিত থাকবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%