বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:৪০ এম
সংসদ ভবন, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : আজ জাতীয় সংসদে ১০টি নতুন সংসদীয় স্থায়ী কমিটি গঠিত হয়েছে। জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে চিফ হুইপ মো. নুূরুল ইসলাম কমিটি গঠনের প্রস্তাব দেন, যা কণ্ঠ ভোটে সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়।
কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতির দায়িত্ব গয়েশ্বর চন্দ্র রায়কে দেওয়া হয়েছে। এই কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন কৃষিমন্ত্রী মো. আমিন উর রশিদ, মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম, মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান, মোহাম্মদ ফরিদুল কবির তালুকদার, মোহাম্মদ আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ, মোহাম্মদ মজিবুর রহমান চৌধুরী, মোসাম্মৎ শামীমা সুলতানা, মোহাম্মদ গোলাম রসূল এবং মোহাম্মদ রায়হান সাঈদী।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতির দায়িত্ব মোহাম্মদ সেলিম ভূঁইয়াকে দেওয়া হয়েছে। কমিটির সদস্যরা হলেন শিক্ষামন্ত্রী ড. এহছানুল হক মিলন, শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, মোহাম্মদ সেলিমুজ্জামান মোল্লা, মো. জাহাঙ্গীর আলম মিয়া, মোসা. তাহসিনা রুশদী, বীথিকা বিনতে হোসাইন, মোহাম্মদ মজিবুর রহমান এবং আতিকুর রহমান মুজাহিদ।
সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতির দায়িত্ব রকিবুল ইসলামকে দেওয়া হয়েছে। এই কমিটির সদস্যরা হলেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, হাবিবুল ইসলাম, লুৎফর রহমান, মো. রুহুল আমিন দুলাল, মো. শহিদুল ইসলাম, মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান, মো. রফিকুল ইসলাম খান এবং মো. মতিয়ার রহমান।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতির দায়িত্ব আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকীকে দেওয়া হয়েছে। কমিটির সদস্যরা হলেন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত, আলতাফ হোসেন চৌধুরী, লুৎফুল্লাহেল মাজেদ, সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, আলহাজ জসিম উদ্দিন আহমেদ, মোছা. সুরাইয়া জেরিন, শওকত আরা আক্তার, মাছুম মোস্তফা এবং মোহাম্মদ আবু তালিব।
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতির দায়িত্ব কলিম উদ্দিন আহমেদকে দেওয়া হয়েছে। কমিটির সদস্যরা হলেন মো. আবুল খায়ের ভূইয়া, মো. তমিজ উদ্দিন, মো. হারুনুর রশিদ, মোবাশ্বের আলম ভূইয়া, মানসুরা আক্তার, মো. কেরামত আলী, সাইদ উদ্দিন আহমদ হানজালা এবং ওবায়দুল্লাহ সালাফী।
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতির দায়িত্ব মো. আমানউল্লাহ আমানকে দেওয়া হয়েছে। কমিটির সদস্যরা হলেন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আন্দালিভ রহমান, ইয়াসের খান চৌধুরী, নরসিংদী-৫ আসনের মো. আশরাফ উদ্দিন, জামালপুর-৩ আসনের মো. মোস্তাফিজুর রহমান বাবু, মো. মজিবুর রহমান, নিলুফার চৌধুরী মনি, ফাহমিদা হক, মো. শফিকুল ইসলাম এবং মোসা. নাজমুন নাহার।
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতির দায়িত্ব আলহাজ মোহাম্মদ জি কে গউছকে দেওয়া হয়েছে। কমিটির সদস্যরা হলেন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, শেখ ফরিদুল ইসলাম, মো. জাহিদুল ইসলাম, মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান, সরোয়ার আলমগীর, সুলতানা জেসমিন, মো. মাহবুবুল আলম, মো. আব্দুল আলীম এবং মো. আবুল কালাম আজাদ।
ভূমি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতির দায়িত্ব নাসের রহমানকে দেওয়া হয়েছে। কমিটির সদস্যরা হলেন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু, মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, জয়নাল আবেদীন, সরদার সরফ উদ্দিন আহমেদ, শাহ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন, এরশাদুল্লাহ, সুলতানা আহমেদ, মাহবুবুর রহমান বেলাল এবং মাহমুদুল্লাহ।
ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতির দায়িত্ব রফিকুল ইসলাম জামালকে দেওয়া হয়েছে। কমিটির সদস্যরা হলেন ধর্ম মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ), মোহাম্মদ শামীম কায়সার আতাউর রহমান খান, নূরুল আমিন, নিপুন রায় চৌধুরী, সূবর্না সিকদার, মো. নূরুল আমিন, মো. আবুল হাসান এবং মো. আব্দুল খালেক।
মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতির দায়িত্ব সেলিমা রহমানকে দেওয়া হয়েছে। কমিটির সদস্যরা হলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন, রাশেদা বেগম হীরা এবং বিলকিস বেগম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জ্বালানিমন্ত্রীকে আরো কিছুদিন হাসপাতালে থাকতে হবেবিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ জ্বর, শ্বাসকষ্ট এবং কাশির সমস্যায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, তার শারীরিক অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল রয়েছে।চিকিৎসকদের বরাতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা এবং নিবিড় পর্যবেক্ষণের জন্য মন্ত্রীকে আরো কিছুদিন হাসপাতালে থাকতে হবে।বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) পাঠানো এক বিবৃতিতে বলা হয়, ৭৬ বছর বয়সী বিদ্যুৎমন্ত্রী মঙ্গলবার রাত ৯টা ৪০ মিনিটে জ্বর, শ্বাসকষ্ট ও কাশির সমস্যা নিয়ে জরুরি বিভাগে আসেন। তার পূর্ববর্তী রোগের ইতিহাসে রয়েছে ডায়াবেটিস এবং উচ্চ রক্তচাপ। কিছুদিন আগে ব্যাংককে তার হৃদ্যন্ত্রের রক্তনালিতে স্টেন্ট (রিং) স্থাপন করা হয়েছিল।জরুরি বিভাগে প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষায় মন্ত্রীর শ্বাসকষ্ট এবং রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা কম পাওয়া যায়। এরপর তাকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিয়ে করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) ভর্তি করা হয়। তার চিকিৎসার জন্য তাৎক্ষণিকভাবে তিন সদস্যের একটি মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়।হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, রক্তের বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রতিবেদন এবং বুকের এক্স-রে পর্যালোচনা করে ফুসফুসে নিউমোনিয়ার বিষয়টি বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা শুরু করা হয়।আজ সকালে ৯টায় বিভিন্ন বিষয়ের বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে আরেকটি মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়। বোর্ডের পরামর্শ অনুযায়ী তার চিকিৎসা এবং প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলমান রয়েছে।বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, বিদ্যুৎমন্ত্রী বর্তমানে শারীরিকভাবে স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছেন। মেডিক্যাল বোর্ডের মতামত অনুযায়ী, পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা এবং নিবিড় পর্যবেক্ষণের জন্য তাকে আরো কিছুদিন হাসপাতালে অবস্থান করতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
> জাতীয়কর্মস্থলে অনুপস্থিতি, দুর্নীতি: চাকরি হারালেন ৭ পুলিশ কর্মকর্তাদীর্ঘ সময় ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার পাশাপাশি সরকারি দায়িত্ব পালনে অসদাচরণ, পলায়ন এবং দুর্নীতির অভিযোগের প্রমাণ পাওয়ার পর সরকারের পক্ষ থেকে সাতজন পুলিশ কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত ও অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাবেক যুগ্ম কমিশনার, ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক উপকমিশনার এবং রংপুরের সাবেক পুলিশ সুপারসহ বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তারা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শৃঙ্খলা-১ ও ২ শাখা থেকে পৃথক প্রজ্ঞাপনে এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়। রাষ্ট্রপতির নির্দেশনায় জারি করা এই প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বরখাস্তের সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে।
বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন—ডিএমপির সাবেক যুগ্ম কমিশনার সঞ্চিত কুমার রায়, সাবেক উপপুলিশ কমিশনার মানস কুমার পোদ্দার, রংপুর জেলার সাবেক পুলিশ সুপার মো. শাহজাহান, বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি (সারদা)-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাফিজ আল ফারুক, পুলিশ স্টাফ কলেজের সাবেক সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হাবিবুল্লাহ দালাল, রাজশাহী মহানগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (এসি) মোহাম্মদ রোকনুজ্জামান এবং বরিশাল মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার রাশেদুল ইসলাম।স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, এসব কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী বিভাগীয় মামলা দায়ের করে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হওয়ার পর বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) পরামর্শ এবং রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের ভিত্তিতে তাদের চাকরি থেকে স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনের তথ্য অনুযায়ী, সঞ্চিত কুমার রায় ২০২৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন। মানস কুমার পোদ্দার ২০২৪ সালের ১৮ অক্টোবর থেকে, রংপুরের সাবেক পুলিশ সুপার মো. শাহজাহান ২০২৫ সালের ৯ জানুয়ারি থেকে এবং হাফিজ আল ফারুক ২০২৫ সালের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে, হাবিবুল্লাহ দালাল ও রাশেদুল ইসলাম ২০২৫ সালের ৯ মার্চ থেকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
দীর্ঘ সময় ধরে অনুমতি ছাড়া কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার পাশাপাশি এসব কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অসদাচরণ ও পলায়নের অভিযোগও আনা হয়েছে। সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালার উপবিধি ৩(খ) ও ৩(গ) অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এদিকে, দুর্নীতির অভিযোগে রাজশাহী মহানগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (এসি) মোহাম্মদ রোকনুজ্জামানকেও চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তার বিরুদ্ধে উপপরিদর্শক (এসআই) পদে চাকরি দেওয়ার নামে মো. কামরুজ্জামানের কাছে ১৭ লাখ টাকা দাবি করার অভিযোগ ওঠে। অভিযোগের প্রেক্ষিতে কামরুজ্জামান তাকে ৫ লাখ ৫২ হাজার ১৬৩ টাকা প্রদান করেন।
কিন্তু চাকরি না হওয়ায় কামরুজ্জামান ওই টাকা ফেরত চাইলে, টাকা ফেরত না পেয়ে তিনি পুলিশ সদর দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেন। পরে অভিযোগের ভিত্তিতে রুকনুজ্জামানের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়। দীর্ঘ তদন্ত শেষে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়। এর ফলস্বরূপ, তাকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা মন্তব্য করেছেন যে, বিশেষ করে দীর্ঘ সময় ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার এবং দায়িত্বে অবহেলার বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহণের এই সিদ্ধান্তগুলো নজির হিসেবে দেখা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : সরকার ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একটি নতুন ১৩ সদস্যবিশিষ্ট বোর্ড অব গভর্র্নস গঠন করেছে। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রীকে চেয়ারম্যান হিসেবে মনোনীত করে নতুন বোর্ডের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় বুধবার এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানায়, যা ইসলামিক ফাউন্ডেশন আইন, ১৯৭৪-এর ৬(১) ধারা অনুযায়ী গঠিত হয়েছে।নতুন বোর্ডে ছয়জন সদস্য পদাধিকারবলে রয়েছেন। এর মধ্যে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করবেন। অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।বোর্ডের সদস্য-সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক। নতুন বোর্ডে সরকার কর্তৃক মনোনীত দুইজন সংসদ সদস্যও অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। তারা হলেন, গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শামীম কায়সার এবং কক্সবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী।এছাড়া, বোর্ডের সদস্য হিসেবে পাঁচজন বিশিষ্ট আলেম ও মুসলিম পণ্ডিতকে মনোনীত করা হয়েছে। তারা হলেন, জামিয়া মাদানিয়া বারিধারা, ঢাকার মুহতামিম মুফতি মনির হোসাইন কাসেমী; চরমোনাই আহসানাবাদ রশিদিয়া কামিল মাদ্রাসা, বরিশালের অধ্যক্ষ মাওলানা সৈয়দ মো. মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী; বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক; যাত্রাবাড়ীর মারকাযুদ দাওয়া আল-ইসলামীর মহাপরিচালক মুফতি আজহারুল ইসলাম এবং নূরে মদীনা আল-আরাবিয়া মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মুফতি শরীফ উল্লাহ।প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, পদাধিকারবলে নিযুক্ত সদস্য ছাড়া বোর্ডের অন্যান্য সদস্যদের মেয়াদ তিন বছর হবে। তবে মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও সরকার নতুন সদস্য মনোনয়ন না দেওয়া পর্যন্ত বর্তমান সদস্যরা তাদের দায়িত্ব পালন করতে পারবেন।এতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, সরকার প্রয়োজনবোধে যেকোনো সময় পদাধিকারবলে নিযুক্ত সদস্য ছাড়া অন্য সদস্যদের পরিবর্তন করতে পারবে। একই সঙ্গে প্রয়োজন অনুযায়ী অতিরিক্ত সদস্য নিয়োগেরও সুযোগ রয়েছে।ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম পরিচালনা, নীতিগত দিকনির্দেশনা এবং বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক কার্যক্রমে বোর্ড অব গভর্র্নস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব মো. জেলুসমান বাদী স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নতুন বোর্ড অব গভর্র্নস গঠনের বিষয়টি কার্যকর করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বান্দরবান, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু বলেছেন, গুণগত শিক্ষা নিশ্চিতকরণ ও সমৃদ্ধ পার্বত্য অঞ্চল গঠনে বর্তমান সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি বলেন, নির্দিষ্ট কোনো এলাকা নয়, সমগ্র পার্বত্য অঞ্চলে গুণগতমান সম্পন্ন শিক্ষাকে অধিকতর গুরুত্ব প্রদান করা হবে।আজ বুধবার বান্দরবান পৌরসভার আয়োজনে সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ২০২৬ সালের এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জনকারী ৯০ জন অদম্য মেধাবী কৃতী শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।মন্ত্রী বলেন, মেধাবী শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে বিভিন্ন সংস্থার মাধ্যমে বৃত্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করা একটি চমৎকার উদ্যোগ। এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সুস্থ প্রতিযোগিতার মনোভাব বাড়বে এবং তারা একাডেমিক ফলাফলে আরো সাফল্য অর্জন করতে পারবে।বান্দরবান পৌরসভার প্রশাসক এস. এম. মনজুরুল হকের সভাপতিত্বে আয়োজিত উক্ত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সজীব কান্তি রুদ্র, বান্দরবান ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ লে. কর্নেল মোহাম্মদ কামরুল হাসান খান এবং সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মারুফা সুলতানা খান হীরামনি।অনুষ্ঠানে কৃতী ৯০ জন শিক্ষার্থীর হাতে ক্রেস্ট, সনদপত্র ও নগদ অর্থ তুলে দেয়া হয়। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আগে বান্দরবান পৌরসভা মিলনায়তনে পৌরসভার সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন মন্ত্রী সাচিং প্রু।সভায় মন্ত্রী জানান, পার্বত্য চট্টগ্রামের ১১টি ভাষা সংরক্ষণ ও পুনরুদ্ধারে সরকার অত্যন্ত আন্তরিকভাবে কাজ করছে এবং ইতোমধ্যে ১০টি ভাষার অনুবাদের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, বিএনপির ৩১ দফার মধ্যেও ক্ষুদ্র জাতিসত্তার ভাষা সংরক্ষণ ও সংগ্রহের কথা বিশেষভাবে উল্লেখ রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ