রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:১১ পি.এম
রাজশাহীতে মাদক কারবারে বাধা দেওয়ার অভিযোগে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১টার দিকে নগরীর ডিঙ্গাডোবা বাকীর মোড়ে এই ঘটনাটি ঘটে।
নিহত যুবকের নাম আব্দুল বারী, যিনি বদরুল্লাহর পুত্র। তার মরদেহ বর্তমানে হাসপাতালের মর্গে রাখা আছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কিছু বহিরাগত যুবক কয়েক দিন ধরে বাকীর মোড় এলাকায় মাদক বিক্রি করছিলেন। শনিবার বিকেলে আব্দুল বারীর সঙ্গে তাদের বাগবিতণ্ডা ও হাতাহাতি হয়। এরপর ওই যুবকরা চলে যায়। গভীর রাতে, প্রায় ৫০ জন যুবক এসে আব্দুল বারীকে তার বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যায়। সেখানে কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানো হয়। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা তাকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে গেলে তিনি মারা যান।
রাজপাড়া থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘পরিবারের সদস্যরা এখনো থানায় মামলা করতে আসেননি। নিহত বারীর মরদেহ হাসপাতালে রাখা আছে। ময়নাতদন্ত করা হবে। মামলা না দেওয়া পর্যন্ত বলা যাচ্ছে না এই হত্যাকাণ্ড কী নিয়ে হয়েছে। তবে আমিও শুনেছি, মাদক ব্যবসায় বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। তারা মামলা দায়ের করলে বোঝা যাবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু মন্তব্য করেছেন, ‘শিগগিরই জ্বালানি সংকট কেটে যাবে। আগামীতে কোনো দুর্ঘটনা না ঘটলে জ্বালানি সরবরাহে সমস্যা থাকবে না।’
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই বক্তব্য দেন।
মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু উল্লেখ করেন, ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের কারণে তেল ও গ্যাস সরবরাহের মূল অঞ্চল মধ্যপ্রাচ্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই পরিস্থিতির জন্য বিকল্প উৎস খুঁজতে কিছুটা সময় লেগেছে। আবার, জ্বালানি কেনার পরও ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে আগুন লাগার কারণে তা দেশে আনা সম্ভব হয়নি।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে সঠিকভাবে জ্বালানি আসছে। সাময়িক যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, সেটি বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে ঘটেছে। তবে সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় জনগণ যে কষ্ট ভোগ করেছে, তার জন্য আমরা দুঃখিত।
মন্ত্রী বলেন, জনগণ আস্থা রেখে সরকারকে ভোট দিয়েছে। কিন্তু জ্বালানি সরবরাহ ও দুর্ঘটনার কারণে কিছুটা দেরি হয়েছে। এখন জ্বালানি আমদানি করা সম্ভব হয়েছে এবং সরবরাহের শিডিউলও ঠিক করা হয়েছে। আশা করি, আগামীতে কোনো দুর্ঘটনা না ঘটলে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সঠিকভাবে সরবরাহ করা সম্ভব হবে।
ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু জানান, জনগণের কষ্ট লাঘবে সরকার বিকল্প উৎস খুঁজে বের করেছে। বেশি দাম দিয়ে গ্যাস আনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নিজে বিষয়টিতে হস্তক্ষেপ করেছেন বলেই দ্রুত সমাধান সম্ভব হয়েছে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সবাই টিম হিসেবে কাজ করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাহাড়, মেঘ, ঝরনা, হ্রদ এবং বৈচিত্র্যময় জাতি-গোষ্ঠীর জীবনাচার ও কৃষ্টি-সংস্কৃতির প্রতি আকৃষ্ট হয়ে বছরজুড়ে বান্দরবানে দেশ-বিদেশের পর্যটকরা ছুটে আসেন। কেওক্রাডং, তাজিংডং, সাকাহাফং, বগালেক, রাইক্ষ্যংপুকুর, নাফাখুম, দেবতাকুম, শৈলপ্রপাত, মেঘলা, নীলাচল, নীলগিরিসহ অসংখ্য পর্যটনকেন্দ্র এখানে রয়েছে।
জেলায় পর্যটনকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে হোটেল-মোটেল, রিসোর্ট, রেস্তোরাঁ, পরিবহন, পর্যটক গাইডসহ বিভিন্ন ধরনের ব্যবসা। পাহাড়ের লাখো মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এই শিল্পের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।
তবে ২৭ সেপ্টেম্বর বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে বান্দরবানের পর্যটন খাতে সরকারি ও বেসরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের অভাব দেখা দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেছেন, দিবসের জন্য জেলা প্রশাসন ও বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের কী ধরনের কর্মসূচি রয়েছে, তা সম্পর্কে তারা অবগত নন। তাদের দাবি, প্রতিবছর শোভাযাত্রা ও আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হলেও পর্যটনশিল্পের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন, অবকাঠামো, নিরাপত্তা, প্রচারণা এবং অংশীজনদের সম্পৃক্ততার বিষয়গুলো গুরুত্ব পায় না। ফলে দিবসের আয়োজন অনেকটা আনুষ্ঠানিকতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে।
জেলা পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, বিশ্ব পর্যটন দিবস ২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে গত ৯ সেপ্টেম্বর জেলা পরিষদ সভাকক্ষে প্রস্তুতিসভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় শোভাযাত্রা ও আলোচনাসভা আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এসময় সভায় হোটেল-মোটেল ব্যবসায়ী, পরিবহন মালিক, ট্যুর অপারেটর, পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী, সাংবাদিকসহ পর্যটন সংশ্লিষ্ট সবাইকে আমন্ত্রণ না করায় জেলা পরিষদ সদস্যরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
বান্দরবান হোটেল-মোটেল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. জসিম উদ্দিন বলেন, "পর্যটনশিল্পের উন্নয়নে তারা জেলা পরিষদ ও জেলা প্রশাসনকে সবসময় সহযোগিতা করে আসছেন। কিন্তু এবারের বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কোনো সমন্বয় করা হয়নি। অন্যান্য বছর জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে চিঠিপত্র দিয়ে জানানো হলেও এবার তাও করা হয়নি।"
বান্দরবান হোটেল-মোটেল মালিক সমিতির নেতারা জানান, গত ২৩ সেপ্টেম্বর পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী এমপির সঙ্গে বাজার ব্যবসায়ী সমিতির মতবিনিময়সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে হোটেল-মোটেল মালিক সমিতি পর্যটকদের জন্য ৪০ শতাংশ ছাড় দেওয়ার ঘোষণা দেয়। এতে সাম্প্রতিক বন্যার পর পর্যটন খাতকে পুনরুজ্জীবিত করতে বিভিন্ন হোটেলে শ্রেণি ও মানভেদে ২০ থেকে ৩০ শতাংশ ছাড়ও চলছে।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৭ সালের পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তির আলোকে ২০১৪ সালের ২৮ আগস্ট তিন পার্বত্য জেলা পরিষদের কাছে স্থানীয় পর্যটন খাত ন্যস্ত করা হয়।
পর্যটন সংশ্লিষ্টরা প্রশ্ন তুলেছেন, স্থানীয় পর্যটন খাত জেলা পরিষদের কাছে হস্তান্তর করা হলেও বাস্তবে তার নিয়ন্ত্রণ কতটা পরিষদের হাতে এসেছে, তা নিয়ে।
পর্যটন সংশ্লিষ্টদের মতে, বিশ্ব পর্যটন দিবস শুধুমাত্র শোভাযাত্রা ও আলোচনাসভার আনুষ্ঠানিকতায় সীমাবদ্ধ রাখলে জেলার সম্ভাবনাময় পর্যটন খাতের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন হবে না। পর্যটনকেন্দ্রে নিরাপত্তা, যোগাযোগ ও পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি তথ্যসেবা, প্রশিক্ষিত গাইড, পরিকল্পিত প্রচারণা এবং পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন।
জেলা পরিষদের সদস্য ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, পর্যটন ব্যবস্থাপনায় আর্থিক সীমাবদ্ধতা, অপরিকল্পিত অবকাঠামো, ভৌগোলিক ও পরিবেশগত ঝুঁকি, দক্ষ জনবলের সংকট এবং নীতিগত সমন্বয়ের অভাব বড় বাধা। একই সঙ্গে পর্যাপ্ত রাজস্ব ও নিজস্ব ফান্ডের অভাব এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সীমাবদ্ধতাও রয়েছে।
জেলা পরিষদ ও পর্যটন সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ রয়েছে, জেলার গুরুত্বপূর্ণ পর্যটনকেন্দ্র মেঘলা, নীলাচল, প্রান্তিক লেক, নীলগিরি ও চিম্বুকসহ বিভিন্ন কেন্দ্রের ব্যবস্থাপনা ও আয়ের উৎসগুলো জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়ে গেছে। এসব পর্যটন কেন্দ্রগুলো থেকে বছরে শত কোটি টাকা আয় হলেও তার ছিটেফোঁটাও পায় না পার্বত্য জেলা পরিষদ।
এতে পরিষদ পর্যটন ব্যবস্থাপনায় নানান প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হচ্ছে প্রতিনিয়ত। ফলে সরকার অনুষ্ঠানিকভাবে স্থানীয় পর্যটন খাতকে ন্যস্ত (হস্তান্তর) করা হলেও তা এখনো শুধু কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ রয়েছে।
জেলা পরিষদ সদস্য লুসাই মং মারমা বলেন, "পর্যটন খাত জেলা পরিষদের কাছে ন্যস্ত করা হলেও নানা প্রতিবন্ধকতা রয়েছে। এর পরও পর্যটন শিল্পের প্রসারে বাধাগুলো কাটিয়ে উঠতে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, নিরাপত্তা বাহিনী ও পর্যটনশিল্পের সঙ্গে জড়িতদের নিয়ে সমন্বয় করে কাজ করবে পরিষদ।"
বিশ্ব পর্যটন দিবসের প্রস্তুতি সভা প্রসঙ্গে লুসাই মং বলেন, "গত ৯ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত সভায় জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, নিরাপত্তা বাহিনীসহ পর্যটন সংশ্লিষ্টদের আমন্ত্রণ না করায় তিনি নিজেই অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) এবং যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড কলেজ অব এডুকেশন লিমিটেডের (OCE) মধ্যে শিক্ষা, প্রশিক্ষণ, দক্ষতা উন্নয়ন ও পেশাগত সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে।
এই সমঝোতা স্মারক রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীনের উপস্থিতিতে তার কার্যালয়ে স্বাক্ষরিত হয়। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. শেখ মো. গিয়াস উদ্দিন এবং অক্সফোর্ড কলেজ অব এডুকেশন লিমিটেডের পক্ষ থেকে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক ও সিইও জসিম উদ্দিন এতে স্বাক্ষর করেন।
সমঝোতার আওতায়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়ন, পেশাগত সক্ষমতা ও কর্মসংস্থানযোগ্যতা বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। এছাড়া, ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা অর্জন, অনলাইন শিক্ষা এবং একাডেমিক ও পেশাগত উন্নয়নমূলক কর্মসূচিতে দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি করা হবে।
চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে দক্ষতা উন্নয়নমূলক অনলাইন কোর্স, ইংরেজি ভাষা শিক্ষা, IELTS প্রস্তুতিমূলক কর্মসূচি এবং অন্যান্য একাডেমিক ও পেশাগত উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
অংশীদারির আওতায় যোগ্য জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা OCE-এর বিভিন্ন শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নমূলক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন। কর্মসূচির ধরন অনুযায়ী, ইন্টারঅ্যাক্টিভ শিক্ষাসামগ্রী, শিক্ষামূলক কার্যক্রম, মূল্যায়ন, অনুশীলনমূলক প্রশ্নপত্র, মক টেস্ট, দিকনির্দেশনা ও পরামর্শ পাওয়ার সুযোগ থাকবে।
এছাড়া, নির্ধারিত শর্ত ও যোগ্যতার মানদণ্ড পূরণকারী শিক্ষার্থীদের কোর্স শেষে সনদ বা প্রয়োজনীয় নথিপত্র দেওয়ার সুযোগ থাকবে। যোগ্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য OCE-এর দক্ষতা উন্নয়নমূলক কোর্সে বিশেষ ছাড়ের ব্যবস্থাও থাকবে।
তবে, এসব কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কোর্সের শর্ত, যোগ্যতার মানদণ্ড ও ফি প্রযোজ্য হবে। অংশগ্রহণকারীদের নিজস্ব ফি পরিশোধের ভিত্তিতে কর্মসূচিতে অংশ নিতে হবে। শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ সম্পূর্ণ ঐচ্ছিক বলেও সমঝোতায় উল্লেখ করা হয়েছে।
চুক্তিটি প্রাথমিকভাবে তিন বছরের জন্য করা হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের দক্ষতা ও পেশাগত সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের সুযোগ সম্প্রসারণে দুই প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে কাজ করবে।
অনুষ্ঠানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালক (বহিরাঙ্গণ কার্যক্রম) অধ্যাপক ড. নাছির আহমাদ, ছাত্র হল-১-এর প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. ওমর ফারুক, অক্সফোর্ড কলেজ অব এডুকেশন লিমিটেডের বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ডিরেক্টর ড. আশরাফ আবেদিল এবং উপদেষ্টা ও বাংলাদেশের প্রতিনিধি ড. আবদুল্লাহ আল ফারুকী উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন জানিয়েছেন, ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনের ভোট সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেন, ‘আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য পর্যাপ্ত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী নিয়োগ করা হবে। সংসদ নির্বাচনের সময় যেভাবে মনিটরিং সেল কার্যকর ছিল, ঠিক একইভাবে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে তারা কাজ করবে।’
আজ রবিবার সকালে আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে তিনি এসব তথ্য জানান।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার আরও বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন ভালো নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। নির্বাচনি মাঠের পরিবেশ ভালো রয়েছে।’
এর আগে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছিল, ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রাখতে মাঠে সেনাবাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত থাকবেন। তফসিল অনুযায়ী, আজ মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন। বাছাইয়ের তারিখ ২৯ সেপ্টেম্বর নির্ধারিত হয়েছে।
রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের সময় ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ৪ অক্টোবর পর্যন্ত। আপিল নিষ্পত্তির তারিখ ৬ অক্টোবর। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময় ৭ অক্টোবর এবং প্রতীক বরাদ্দ হবে ৮ অক্টোবর। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ২৯ অক্টোবর সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ