ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সন্ধ্যার মধ্যে ১৯ জেলায় ঝড়ের আভাস, অতিভারি বৃষ্টির শঙ্কা


সন্ধ্যার মধ্যে ১৯ জেলায় ঝড়ের আভাস, অতিভারি বৃষ্টির শঙ্কা

দেশের ১৯ জেলায় সন্ধ্যার সময়ে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, এ কথা জানিয়েছেন আবহাওয়া অফিস। পাশাপাশি, বৃষ্টি কিংবা বজ্রসহ বৃষ্টির শঙ্কার কথাও জানানো হয়েছে আবহাওয়া দফতরের পক্ষ থেকে।

শুক্রবার (১০ জুলাই) দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের জন্য প্রদত্ত সতর্কবার্তায় এই তথ্য প্রকাশিত হয়।

এতে উল্লেখ করা হয়, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের উপর দিয়ে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা ও ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এই সময় বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টির মতো পরিস্থিতিরও শঙ্কা রয়েছে।

আরও পড়ুন: শহীদ ওসমান হাদিকে নিয়ে ছাত্রদল নেত্রীর বিতর্কিত পোস্ট

এসব এলাকার নদীবন্দরকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

আবহাওয়ার নিয়মিত বুলেটিনে আরও জানানো হয় যে, উত্তরপশ্চিম মধ্যপ্রদেশসহ তৎসংলগ্ন এলাকায় বিরাজমান সুস্পষ্ট লঘুচাপটি দুর্বল হয়ে এখন লঘুচাপ আকারে মধ্য উত্তরপ্রদেশ এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। এটি ক্রমশ দুর্বল হয়ে যেতে পারে বলে মনে হচ্ছে। তবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্য বিদ্যমান রয়েছে। মৌসুমিবায়ুর বর্ধিতাংশ পাঞ্জাব, হরিয়ানা ও লঘুচাপের কেন্দ্রস্থল বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি অংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত ছড়িয়ে রয়েছে। মৌসুমিবায়ু বাংলাদেশের উপর সক্রিয় রয়েছে এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে এর অবস্থান প্রবল।

এ অবস্থায় শনিবার (১১ জুলাই) সকাল ৯টা পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ স্থানে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া এবং বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি এবং বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। একযোগে সারাদেশের কিছু কিছু জায়গায় ভারি থেকে অতিভারি বর্ষণেরও সম্ভাবনা রয়েছে।

আরও পড়ুন: শ্রমিকদের জন্য ৭ কোটি ৫ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ আদায় করেছে শ্রমিক আইনগত সহায়তা সেল

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাবাকে জীবন্ত মাটিচাপা দিতে ঘরে কবর খোঁড়ার অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৪৮ এম


বাবাকে জীবন্ত মাটিচাপা দিতে ঘরে কবর খোঁড়ার অভিযোগ

একটি পঙ্গু বাবাকে জীবিত অবস্থায় মাটিচাপা দিতে ছেলের বিরুদ্ধে ঘরেই কবর খোঁড়ার অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগের পর গ্রামবাসীর দ্বারা ছেলেটিকে হাতেনাতে আটক করা হয়েছে।

এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে জয়পুরহাট জেলার ক্ষেতলাল উপজেলার বানিয়াচাপড় গ্রামে, বুধবার।

এভাবে জানা গেছে, আব্দুস সালাম (৪৮) নামক ব্যক্তি কৃষকপেশায় নিয়োজিত ছিলেন। পাঁচ বছর পূর্বে তিনি গাছ থেকে পড়ে মেরুদণ্ড ভেঙেছিলেন। চিকিৎসার পরও তিনি সুস্থ না হওয়ায় বিছানায় শুয়ে দিন কাটান।

তার বড় মেয়ে সুরাইয়া আক্তার এমএ পাশ করে মা ও অন্যান্য ভাইবোনদের নিয়ে জীবিকার তাগিদে বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলা শহরে ফুচকা বিক্রি করেন। আর আব্দুস সালাম বড় ছেলে মোস্তাকিমের তত্ত্বাবধানে থাকেন। প্রথমে মোস্তাকিম বাবার সাথে ভালো আচরণ করছিল, কিন্তু পরে আচরণ বদলে নেশায় আসক্ত হয়ে বাবার সাথে খারাপ আচরণ শুরু করে।

মোস্তাকিম প্রায়ই বাবাকে মারধর করতো এবং হত্যার হুমকিও দিত। নেশার জন্য টাকা চাইতো এবং টাকা না দিলে হাতে যা পেত তাই নিয়ে বাবার উপর হামলা করতো। আব্দুস সালাম এই পরিস্থিতিতে খুব ভয়ে থাকতেন।

গত কিছু দিন ধরে মোস্তাকিমের আচরণে সন্দেহ জাগে সালামের। বুধবার দুপুরে সালাম তার চাচাতো ভাই রাজুকে ডেকে এসে ঘরের ভেতর দেখার জন্য বললে, রাজু ঘরের ভিতর খুলে দেখে একটি বিশাল গর্ত দেখতে পান, যার গভীরতা প্রায় সাত ফুট ও প্রস্থ পাঁচ ফুট।

বানিয়াচাপড় গ্রামের রাজু আহমেদ বলেন, মোস্তাকিম তার বাবাকে গোপনে ঘরের ভিতরে পুঁতে রাখার জন্য গর্ত খুঁড়ছে। এ ছাড়া গর্ত খোঁড়ার অন্য কোন কারণ নেই। মাটিচাপা দিতে যে কাদার প্রয়োজন, তাও সে প্রস্তুত করেছে। মোস্তাকিম বাবার চোখে বোঝা হয়ে যায়।

তার বড় বোন সুরাইয়া বেগম জানান, তার ভাই নেশায় আসক্ত। ঘরের কোণায় গর্ত খোঁড়ার বিষয়টি হত্যার জন্য নাও হতে পারে। তবে তারা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করবেন। প্রশাসন তদন্ত করলে গর্ত খোঁড়ার সঠিক কারণ জানা যাবে।

কিন্তু আব্দুস সালামের দাবি, তার ছেলে গোপনে ঘরের ভিতরে গর্ত খুঁড়ে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে কাজ করছে। তিনি আরো বলেন, সেখানে প্রতিদিন বাহির থেকে লোকজন আসতো এবং তিনি নানানভাবে দায়িত্ব পালন করতে বাধ্য হতেন। মাঝে মাঝে হামলা করে এবং গালাগালি দিত। এবিষয়টি জানাজানি হলে তার মুহুর্তের জন্যও বাঁচার আশা ছিল না। তিনি বলেন, আমি মৃত্যুর জন্য আল্লাহর কাছে কান্নাকাটি করি, কিন্তু মৃত্যু আসে না। তিনি তার সন্তানদের ভবিষ্যতের চিন্তা করে অনেক কষ্ট করেছেন।

ক্ষেতলাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মুহ: আব্দুল করিম এই বিষয়ে জানান, ‘বিষয়টি আমি শুনেছি তবে এ নিয়ে কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টানা বৃষ্টিতে বাজারে ভোগান্তি, বেড়েছে কাঁচামরিচের দাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৪৯ এম


টানা বৃষ্টিতে বাজারে ভোগান্তি, বেড়েছে কাঁচামরিচের দাম

টানা বৃষ্টির কারণে ঢাকা শহরের অনেক সড়ক জলাবদ্ধ হয়ে পড়েছে; এই পরিস্থিতির প্রভাব বাজারেও পড়েছে। বাজারের বিভিন্ন জায়গায় পানি জমে থাকায় ক্রেতা এবং বিক্রেতাদের ভোগান্তির সম্মুখীন হতে হচ্ছে। বর্তমানে সরবরাহে সাময়িক বিঘ্ন ঘটায় গত সপ্তাহের তুলনায় কাঁচামরিচের দাম প্রতিকেজিতে ৪০ টাকা বেড়ে গেছে। তবে সবজি ও মুরগির বাজারে বড় কোনো অস্থিরতা দেখা যায়নি। অন্যদিকে, ডিমের দাম কিছুটা বেড়েছে; কিন্তু চালের দাম হ্রাস পেয়েছে।

শুক্রবার (১০ জুলাই) রাজধানীর কারওয়ান বাজারসহ বিভিন্ন আশপাশের বাজার পরিদর্শন করে এই চিত্র দেখা গিয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায় যে, টানা বৃষ্টির জন্য বাজারে আসতে ক্রেতাদের অনেক ঝামেলা পোহাতে হয়েছে। আবার জলাবদ্ধতার মাঝে দোকান বসিয়ে ব্যবসায়ীদের বেচাকেনা করতে হচ্ছে। অনেক ক্রেতা বাজারে এসেছেন ভিজে গেছেন।

এক্ষেত্রে কাঁচামরিচের সরবরাহ কিছুটা কমে আসায় দাম বৃদ্ধি পেতে দেখা গেছে। বর্তমানে প্রতি কেজি কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ৮০ টাকা। অর্থাৎ, সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ৪০ টাকা বেড়ে গেছে।

তবে সবজির বাজারে বড় কোনও পরিবর্তন ঘটেনি। হাতে গোণা দুই-একটি সবজির দাম বেড়েছে; কিন্তু বেশিরভাগ সবজির দাম স্থিতিশীল রয়েছে। প্রতিকেজি পটোলের দাম ৩০ থেকে ৪০ টাকায়, ঢ্যাঁড়স ৬০ টাকার দরে, কাঁকরোল এবং করলার দাম ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আলু ও পেঁয়াজের দাম যথাক্রমে ২৫ টাকা এবং ৩০ টাকায় স্থিতিশীল রয়েছে।

সবজি বিক্রেতা আনিস মিয়া মন্তব্য করেন, ‘বৃষ্টির কারণে মরিচের দাম কিছুটা বেড়েছে। তবে অন্যান্য সবজির সরবরাহ মোটামুটি স্বাভাবিক রয়েছে। এজন্য সেগুলোর দামে খুব একটা পরিবর্তন হয়নি।’

বাজারে আসা একজন ক্রেতা সেলিম হোসেন জানান, সবজির দাম মোটামুটি সহনীয় আছে। কিন্তু কাঁচামরিচের দাম হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় তিনি সমস্যা অনুভব করছেন। রান্নায় মরিচ প্রতিদিন লাগে, তাই না কিনেও উপায় নেই।

আরেক ক্রেতা নাসরিন আক্তার জানান, বৃষ্টিতে বাজারে আসতে কষ্ট হয়েছে। মরিচ ও ডিমের দাম বেড়ে যাওয়ার বিষয়টি তার জন্য উদ্বেগের কারণ হয়েছে। তবে চালের দাম কিছুটা কমানোর ফলে অন্তত কিছুটা স্বস্তি পাচ্ছেন।

এদিকে, ডিমের বাজারে আবারও ঊর্ধ্বগতি দেখা গিয়েছে। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি ডজনে ১০ টাকা বেড়ে লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়। আর প্রতি ডজন সাদা ডিম বিক্রি হচ্ছে ১১০-১১৫ টাকায়। ডিম বিক্রেতা সোলায়মান বলেন, খামার থেকে ডিমের দাম কিছুটা বেড়েছে। তাই খুচরা বাজারেও ১০ টাকা বেড়ে গেছে।

মুরগির বাজার অবশ্য স্থিতিশীল রয়েছে। সোনালি মুরগি ৩৩০ থেকে ৩৫০ টাকা, ব্রয়লার ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা এবং লেয়ারের দাম ৩৪০ থেকে ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। মুরগি বিক্রেতারা জানান, সরবরাহ ও চাহিদা স্বাভাবিক থাকার কারণে দামে বড় কোনও পরিবর্তন হয়নি।

অন্যদিকে, চালের বাজারে কিছুটা স্বস্তি মিলেছে। সেদ্ধ চালের দাম কেজিতে ১ থেকে ২ টাকা কমেছে। বর্তমানে প্রতি কেজি আটাশ চাল বিক্রি হচ্ছে ৪৮ থেকে ৫০ টাকায়। মিনিকেট চাল বিক্রি হচ্ছে ৭২ থেকে ৭৪ টাকায়, যা গত সপ্তাহে ছিল ৭৫ থেকে ৭৬ টাকায়। তবে পোলাওয়ের চালের বাজারে উল্টো চিত্র দেখা গেছে। দাম কিছুটা বেড়ে বর্তমানে পোলাওয়ের চাল বিক্রি হচ্ছে ১৬০ থেকে ১৮০ টাকায়।

মাছের বাজারে তেমন কোনো পরিবর্তন হয়নি। বর্তমানে চাষের পাঙাশ ২২০ টাকা, চাষের কৈ ২০০ টাকা, চাষের শিং ৪০০ টাকা, রুই ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা এবং কাতলা বিক্রি হচ্ছে ৪০০ থেকে ৪২০ টাকায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মৌলভীবাজারে মনু নদীর বাঁধ ভেঙে চার গ্রাম প্লাবিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৫২ এম


মৌলভীবাজারে মনু নদীর বাঁধ ভেঙে চার গ্রাম প্লাবিত

মৌলভীবাজার জেলার রাজনগর উপজেলার টেংরা ইউনিয়নের উজিরপুর গ্রামে মনু নদের বাঁধে ভাঙন দেখা দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে মৌলভীবাজার পানি উন্নয়ন বিভাগ মনু নদের এই অংশে বানের পানি উপচে পড়লে বালির বস্তা ফেলে বান‍্যা প্রতিরোধের চেষ্টা করেও শেষ রক্ষা হয়নি।

পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে মনু নদীর পানি বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে, যার ফলে নদের বাধ ভেঙে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করছে।

এতে হরিপাশা, উজিরপুর, কান্দিরকুল, একামধু এই চারটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। পাশের জনপদেও পানি প্রবেশ অব‍্যাহত রয়েছে।

দুইশ ফুটের এই ভাঙন দিয়ে পানি প্রবেশ করায় উপজেলার প্রায় ১৫ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। নদী ভাঙনের ফলে স্থানীয় মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

নিম্নাঞ্চলের মানুষ গবাদিপশু সহ জরুরি জিনিসপত্র নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাবার চেষ্টা করছেন। নদীর ভাঙনে ক্ষয়ক্ষতির মধ্যে পড়েছেন অসংখ্য মানুষ।

একামধু গ্রামের মখদ্দছ মিয়া ও আলী হোসেনের সঙ্গে এসময় তারা বলেন, "বাড়িতে পানি উঠায় আমরা মনু নদের প্রতিরক্ষা বাঁধে আশ্রয় নিয়েছি। ছেলে সন্তানদের নিয়ে থাকার জায়গা না থাকায় এখানে আশ্রয় নিতে বাধ্য হলাম। এখন কিভাবে খাওয়া দাওয়া হবে পরিবারের তার কিছুই জানি না।"

কান্দিরকুল গ্রামের প্রীতি রানী ও ফয়জুন নেছা বেগম বলেন, "বাঁধ ভেঙে আমাদের বসতবাড়িতে পানি ঢুকে গেছে। আমরা হাঁস মুরগি গবাদিপশু সহ জরুরি জিনিসপত্র নিয়ে এখানে আশ্রয় নিয়েছি।"

মৌলভীবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, জেলার প্রধান নদীগুলোর মধ্যে মনু ও ধলাই নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে।

মনু নদীর রেলওয়ে এলাকায় বিপৎসীমার ৬৮ সেন্টিমিটার, মনু নদীর চাঁদনীঘাট অংশে বিপৎসীমার ৬৯ সেন্টিমিটার উপরে, ধলাই নদীর ৫ সেন্টিমিটার উপরে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া কুশিয়ারা নদীর ২২ সেন্টিমিটার ও জুড়ী নদীর পানি বিপৎসীমার ২৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

রাজনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিপুল সিকদার বলেন, "যে স্থানে বাঁধ ভেঙেছে সেটা আটকানোর মতো অবস্থায় নেই। এলাকার মানুষকে মাইকিং করে সতর্ক করা হচ্ছে যাতে তারা গবাদিপশুসহ নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেয়।"

তিনি বলেন, "যদি বৃষ্টি হয় তাহলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। বর্তমানে আমরা ক্ষতিগ্রস্থদের মধ্যে জেলা প্রশাসন থেকে পাওয়া শুকনো খাবার বিতরণের অব্যবস্থা করছি।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কবি আল মাহমুদের জন্মদিন উপলক্ষে তিন দিনব্যাপী স্মরণোৎসব শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৫৪ এম


ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কবি আল মাহমুদের জন্মদিন উপলক্ষে তিন দিনব্যাপী স্মরণোৎসব শুরু

বাংলা কবিতার এক অনন্য নির্মাতা, মহাকালের কবি আল মাহমুদের জন্মদিন উপলক্ষে, তার জন্মভূমি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী স্মরণোৎসব।

বৃহস্পতিবার বিকেলে, শহরের নিয়াজ মুহম্মদ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে উৎসবের উদ্বোধন করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক মো. আবুসাঈদ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ওবায়দুল্লাহর সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার শাহ মো. আবদুর রউফ, স্মরণোৎসবের উপদেষ্টা ও সাবেক মেয়র হাফিজুর রহমান মোল্লা কচি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি জাবেদ রহিম বিজন, সাহিত্য অ্যাকাডেমির সভাপতি কবি জয়দুল হোসেন, কবি ছানাউল্লাহ, বাশারসহ জেলার বিশিষ্ট সাহিত্যিক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও কবিপ্রেমীরা।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন স্মরণোৎসব উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক লিটন হোসেন জিহাদ।

বক্তারা বলেন, আল মাহমুদ কেবল একজন কবি নন, তিনি বাংলা ভাষার মাটি, মানুষ, প্রেম, ইতিহাস ও আত্মপরিচয়ের এক অনন্য কণ্ঠস্বর। যেভাবে তার কবিতায় গ্রামীণ বাংলার সৌন্দর্য ধরা পড়েছে, তেমনি ভাবে উঠে এসেছে মানুষের সংগ্রাম, স্বাধীনতার চেতনা এবং শেকড়ের গভীর টান।

আলোচকরা আরও বলেন, সময়ের নানা বিতর্ককে ছাপিয়ে আল মাহমুদের সাহিত্য আজও পাঠকের হৃদয়ে সমানভাবে প্রাসঙ্গিক। নতুন প্রজন্মকে তাঁর সাহিত্যচর্চার সঙ্গে আরও গভীরভাবে পরিচিত করতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিন দিনব্যাপী এ স্মরণোৎসবে আলোচনা সভা, কবিতা পাঠ, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, স্মৃতিচারণ এবং সাহিত্যবিষয়ক বিভিন্ন আয়োজন অনুষ্ঠিত হবে। আয়োজকদের প্রত্যাশা, এই উৎসবের মধ্য দিয়ে নতুন প্রজন্ম আবারও আবিষ্কার করবে সেই কবিকে, যিনি বাংলা কবিতায় গ্রামবাংলার রূপ, মানুষের স্বপ্ন, প্রেম ও প্রতিবাদের ভাষাকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%