০৫:৪৭ পি.এম
চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ডিজিটাল ডটনেটের (ডিডিএন) কার্যালয়ে হামলার ঘটনায় পুলিশ আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে। তবে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী এখনও ডেভিড ইমনকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি, যিনি ডিডিএনের মালিকের কাছে এককালীন ২ কোটি ও মাসে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে হুমকি দিয়েছিলেন।
বুধবার (১৫ জুলাই) চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানিয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) মুহাম্মদ ফয়সাল আহমেদ।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে মো. ইউনুস, ইমরান হোসেন চ্যাং, আকবর হোসেন, মো. সুমন, মো. মনির, মো. গিয়াস, মো. নয়ন এবং মোহাম্মদ আবদুল নাহিদ ফরহাদ সারInclude আছেন। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মামলার তথ্য রয়েছে। ইউনুসের বিরুদ্ধে পাঁচটি, ইমরান হোসেনের বিরুদ্ধে ১২টি, আকবর হোসেনের বিরুদ্ধে ছয়টি, মো. সুমনের বিরুদ্ধে ছয়টি, মনিরের বিরুদ্ধে সাতটি এবং মো. নয়নের বিরুদ্ধে আটটি মামলা রয়েছে। চাঁদাবাজি, অস্ত্র, মাদক, ছিনতাই, মারামারিসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: প্রতিমা বিসর্জন দিয়ে ফেরার পথে নিখোঁজ বিজয়, ২৩ ঘণ্টায়ও সন্ধান মেলেনি
অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বলেন, গত ১১ জুলাই ডিডিএনের মালিক আদিল বিন মামুনের মুঠোফোনে কল করে নিজেকে ডেভিড ইমন পরিচয় দিয়ে ২ কোটি টাকা এবং প্রতি মাসে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ১৩ জুলাই বাকলিয়া এক্সেস রোডে অবস্থিত ডিডিএনের কার্যালয়ে ৩০ থেকে ৪০ জন হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে।
এ ঘটনার পর চকবাজার থানায় মামলা হওয়ার পর মঙ্গলবার থেকে বুধবার পর্যন্ত অভিযানের মাধ্যমে আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের সম্ভাব্য সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে আমরা নিশ্চিত হয়েছি।
তারা কার নির্দেশে হামলা করেছে তা জানার জন্য রিমান্ড নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এছাড়া তদন্তে হামলার পেছনের নির্দেশদাতাদের পরিচয়ও বেরিয়ে আসবে। হামলার সময় ৩০ থেকে ৪০ জন অংশ নেয়, বাকিদের গ্রেপ্তারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক ভেঙে দিতে ধারাবাহিক অভিযান চালানো হচ্ছে।
ডেভিড ইমনকে গ্রেপ্তার করতে নিেএ ধরা যায়নি সেই বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার জানান, তার অবস্থান এখনও শনাক্ত করা যায়নি। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। তিনি শীঘ্রই গ্রেপ্তার হবেন বলে আশা করা হচ্ছে। তিনি জানান, ইমনের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট মামলার সংখ্যা বলা সম্ভব নয়, তবে তার নামে অনেকগুলি মামলা রয়েছে।
আরও পড়ুন: বিজয়া দশমীর সিঁদুর খেলার আনন্দের মাঝে প্রাণ হারালেন নববধূ তন্নি
চট্টগ্রামে নীরবে চাঁদাবাজির অভিযোগের বিষয়ে পুলিশ কিভাবে পদক্ষেপ নিচ্ছে তা জানতে চাইলে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার জানান, আমাদের কাছে যেসব এলাকার তথ্য এসেছে, সেখানে অভিযান চালিয়ে আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারদের নিরাপত্তা প্রদানে পুলিশ সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়। কেউ হুমকি দিলে বা চাঁদা দাবি করলে সাথে সাথে পুলিশের কাছে জানাতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন