প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) শিক্ষার্থীদের যাতায়াত সুবিধা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ২টি পরিবেশবান্ধব ইলেকট্রনিক কার (ই-কার) আজ উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার (১৫ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন শেডে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে গ্রিন ফিউচার ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের কর্মকর্তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানীর হাতে ২টি ই-কারের চাবি হস্তান্তর করেছেন।
এ সময় উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, ‘নোবিপ্রবিতে পরিবেশবান্ধব ই-কার সংযোজন বিশ্ববিদ্যালয়ের টেকসই উন্নয়ন ও আধুনিক ক্যাম্পাস ব্যবস্থাপনার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একটি নতুন সংযোজন, যা শিক্ষার্থীদের অভ্যন্তরীণ যাতায়াত ব্যবস্থাকে অধিকতর সহজ, নিরাপদ ও সাশ্রয়ী করে তুলবে।’
তিনি আরো বলেন, ‘এটির মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক থেকে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন পয়েন্টে স্বাচ্ছন্দ্যে যাতায়াতের সুযোগ পাবে। ফলে তাদের সময় ও শ্রম উভয়ই সাশ্রয় হবে।’
উপাচার্য জানান, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিগগিরই শিক্ষার্থীদের ব্যবহারের জন্য ই-কার উন্মুক্ত করবে। এটি ক্যাম্পাসে একটি কার্যকর ও পরিবেশবান্ধব গণপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের ধারাবাহিক উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের কল্যাণে বিভিন্ন উদ্যোগের অংশ হিসেবে এ ই-কার সংযোজন করা হয়েছে। এ ধরনের সময়োপযোগী উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।
ই-কার হস্তান্তর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, প্রক্টর অধ্যাপক এ এফ এম আরিফুর রহমান, পরিবহন পুলের প্রশাসক ড. মো. মফিজুর রহমান, গ্রিন ফিউচার ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জায়েদুল হক, আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান আবাবিল গ্লোবালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মেহেদী হাসান, এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও সাংবাদিকরা।
উল্লেখ্য, এই ই-কার থেকে সম্পূর্ণ শূন্য (জিরো) কার্বন নিঃসরণ হয়। বর্তমানে এটি বৈদ্যুতিক চার্জের মাধ্যমে পরিচালিত হলেও ভবিষ্যতে সোলার প্যানেলের মাধ্যমে চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা এটিকে শিক্ষার্থীবান্ধব, নিরাপদ ও পরিবেশসম্মত একটি উদ্যোগ হিসেবে বিবেচনা করছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন