মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৪:১৩ পি.এম
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জনসমর্থন বর্তমানে ৩১ শতাংশে নেমে এসেছে, যা তাঁর দুই মেয়াদে সর্বনিম্ন। আগামী ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী কংগ্রেস নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে রয়টার্স/ইপসোসের একটি জরিপে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
চার দিনের এই জরিপ, যা সোমবার শেষ হয়েছে, তা নির্দেশ করে যে, জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে মার্কিন নাগরিকদের মধ্যে অসন্তোষ বৃদ্ধি পাচ্ছে। জরিপের ফলাফল ইঙ্গিত দেয় যে, এই অসন্তোষ আসন্ন নির্বাচনে ট্রাম্পের দল রিপাবলিকান পার্টির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
জরিপে নিবন্ধিত ভোটারদের কাছে প্রশ্ন করা হয়, যদি এখন কংগ্রেস নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, তাহলে তাঁরা কোন দলকে ভোট দেবেন। ৪৭ শতাংশ ভোটার ডেমোক্র্যাটদের সমর্থন করেছেন, যেখানে ৩৫ শতাংশ রিপাবলিকানদের পক্ষে ভোট দিয়েছেন। এই জাতীয় পর্যায়ের জরিপে ডেমোক্র্যাটরা ১২ শতাংশ পয়েন্টে এগিয়ে রয়েছে, যা চলতি নির্বাচনী চক্রে তাদের সবচেয়ে বড় ব্যবধান।
দুই সপ্তাহ আগে রয়টার্স/ইপসোসের আরেক জরিপে ডেমোক্র্যাটদের সমর্থন ছিল ৪৪ শতাংশ এবং রিপাবলিকানদের ৩৭ শতাংশ। তখন ব্যবধান ছিল সাত শতাংশ পয়েন্ট। নতুন জরিপে ডেমোক্র্যাটদের ব্যবধান আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।
তবে, জাতীয় পর্যায়ের এই জরিপের ফলাফল থেকে প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটের নিয়ন্ত্রণ কোন দলের হাতে যাবে, তা নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়। কারণ, নির্বাচনের ফলাফল নির্ধারণে রাজ্য ও নির্বাচনী এলাকাভিত্তিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এসব প্রতিযোগিতায় রিপাবলিকানদের কিছু কাঠামোগত সুবিধা রয়েছে।
জরিপে দেখা গেছে, নারী ভোটারদের মধ্যে ডেমোক্র্যাটদের প্রতি সমর্থনের ব্যবধান বেশি। ৫০ শতাংশ নারী ভোটার ডেমোক্র্যাটদের ভোট দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন, যেখানে রিপাবলিকানদের পক্ষে ৩২ শতাংশ মত দিয়েছেন। পুরুষ ভোটারদের মধ্যে ডেমোক্র্যাটরা এগিয়ে থাকলেও ব্যবধান তুলনামূলকভাবে কম।
গত ফেব্রুয়ারিতে ইসরায়েলের সঙ্গে মিলিত হয়ে ইরানে সামরিক হামলা চালানোর নির্দেশ দেওয়ার পর থেকে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায় চাপ সৃষ্টি হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ওই যুদ্ধের ফলে পেট্রলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে, যা সাধারণ মানুষের সংসার খরচে চাপ সৃষ্টি করেছে।
অর্থনীতি পরিচালনায় ট্রাম্পের ভূমিকা নিয়েও অসন্তোষের চিত্র উঠে এসেছে জরিপে। ৬৮ শতাংশ মার্কিন নাগরিক তাঁর ভূমিকা নিয়ে অসন্তুষ্ট। তাঁদের মধ্যে ৩৭ শতাংশ নিজেদের রিপাবলিকান দলের সমর্থক হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন। অর্থনীতি পরিচালনায় কোন দলকে বেশি যোগ্য মনে করেন, এমন প্রশ্নের উত্তরে ৪০ শতাংশ ভোটার ডেমোক্র্যাটদের এবং ৩৩ শতাংশ রিপাবলিকানদের বেছে নিয়েছেন।
যদি রিপাবলিকানরা প্রতিনিধি পরিষদ বা সিনেটের যেকোনো একটি নিয়ন্ত্রণ হারায়, তাহলে ট্রাম্পের জন্য তাঁর মেয়াদের বাকি দুই বছরে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা কঠিন হয়ে পড়তে পারে। তবে জরিপের ফল নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল নির্দেশ করে না।
অনলাইনে পরিচালিত এই জরিপে যুক্তরাষ্ট্রের ১ হাজার ৬৭৯ জন প্রাপ্তবয়স্ক অংশগ্রহণ করেন। তাঁদের মধ্যে ১ হাজার ২৭৯ জন নিবন্ধিত ভোটার। সব অংশগ্রহণকারীর ক্ষেত্রে জরিপের ত্রুটির সীমা ২ শতাংশ পয়েন্ট এবং নিবন্ধিত ভোটারদের ক্ষেত্রে ৩ শতাংশ পয়েন্ট। তথ্যসূত্র: রয়টার্স
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সম্প্রতি নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণের সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং। ২০২০ সালের গালওয়ান উপত্যকার রক্তক্ষয়ী সংঘাতের পর এই প্রথমবার ভারতীয় মাটিতে দুই দেশের শীর্ষ নেতার এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকটি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে। যদিও বিশ্লেষকদের একটি অংশ এটিকে ভারত-চীন সম্পর্কের ‘নতুন সূচনা’ বা সংঘাত কাটিয়ে বরফ গলার ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন, বাস্তব পরিস্থিতি ভিন্ন কথা বলছে। এই সম্পর্কের উন্নয়ন উত্তেজনা কমানোর একটি প্রচেষ্টা মাত্র, তবে এটি গভীর সীমান্ত বিরোধ ও কূটনৈতিক দূরত্বকে ঢাকার মতো কোনো যুগান্তকারী পরিবর্তন নয়।
দ্য ডিপ্লোমেটের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে, বৈঠকটি ইতিবাচক মনে হলেও দুই দেশের মৌলিক মতপার্থক্যগুলো এখনও অমীমাংসিত রয়ে গেছে। বিশেষ করে সীমান্ত সমস্যা, লাদাখ ইস্যুতে চীনের অবস্থান, পাকিস্তানের সঙ্গে বেইজিংয়ের ঘনিষ্ঠতা এবং দীর্ঘদিনের বাণিজ্য ঘাটতি—এসব স্পর্শকাতর বিষয়ে কোনো ইতিবাচক অগ্রগতি হয়নি। বৈঠকের পর কোনো যৌথ বিবৃতিও প্রকাশিত হয়নি। চীনা বিবৃতিতে তিব্বত ও তাইওয়ানের উল্লেখ থাকলেও ভারতীয় বিবৃতিতে তা অনুপস্থিত ছিল। বেইজিং ভারতকে ‘অংশীদার’ হিসেবে উল্লেখ করলেও নয়াদিল্লি একই পরিভাষা ব্যবহারে সতর্কতা অবলম্বন করেছে, যা দুই দেশের রাজনৈতিক ব্যবধানকে স্পষ্ট করে।
কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক ভারত-মার্কিন সম্পর্কের টানাপোড়েন বা ওয়াশিংটনের নীতি পরিবর্তনের কারণে ভারতের এই চীন-বান্ধব মনোভাব তৈরি হয়েছে—এমন ধারণা করা ভুল হবে। ভারত শুরু থেকেই নিজের কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন বজায় রেখে নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখোমুখি হয়েছে। আরেকটি সীমান্ত সংঘাত এড়ানো নয়াদিল্লির অভ্যন্তরীণ ও আঞ্চলিক অগ্রাধিকার, আর সে কারণেই আলোচনার পথ খোলা রাখা হয়েছে। গালওয়ান সংঘাতের পর থেকে ‘হ্যান্ড-ইন-হ্যান্ড’ সামরিক মহড়াসহ নিরাপত্তা সহযোগিতা বন্ধ রয়েছে এবং বিশ্বাস পুনরুদ্ধারের পথ এখনও সুদূরপ্রসারী।
সব মিলিয়ে, শীর্ষ পর্যায়ের এই বৈঠকটি নতুন করে যুদ্ধ বা উত্তেজনা বৃদ্ধি ঠেকানোর একটি সাময়িক সমাধান হতে পারে, তবে একে সম্পর্কের মৌলিক পরিবর্তন বলা যায় না। যতক্ষণ না অমীমাংসিত সীমান্ত বিরোধের স্থায়ী সমাধান হচ্ছে এবং বেইজিং ভারতের সার্বভৌমত্বকে সম্মান জানাচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত ভারত-চীন দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ২০২০-পূর্ববর্তী স্থিতাবস্থায় ফিরে যাওয়ার বা কোনো বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা বেশ ক্ষীণ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিএনপি সরকার ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষেকে নিরাপদে রেখেছে। আমরা সংখ্যালঘু শব্দ বিশ্বাস করিনা, মায়ের কোলে শিশুরা যেমন নিরাপদ তেমনি এ সরকারের আমলে সকল ধর্মে মানুষ নিরাপদে বসবাস করছে। স্বাধীনভাবে তারা ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করছে, এই কথাগুলো বলেছেন পিরোজপুর ২ আসনের সংসদ সদস্য গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহমেদ সোহেল মঞ্জুর। তিনি আরো বলেন, বিএনপি সরকার যখন রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে থাকে তখন সব ধর্মের মানুষ সম অধিকার নিয়ে বাঁচতে পারে। সকল ধর্মের মানুষ স্বাধীনভাবে ও নিরাপত্তার সঙ্গে ধর্মীয় উৎসব পালন করতে পারে। সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাতে পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার বিভিন্ন দূর্গা পূজা মন্ডপ পরিদর্শন কালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। এ সময়, প্রতিমন্ত্রী বিভিন্ন মন্দিরে উপস্থিত মন্দির কমিটির সদস্য সহ উপস্থিত সকলের সাথে কুশল বিনিময় করেন।তিনি আরো বলেন, বিএনপি নেতাকর্মীরা মন্দিরের কমিটির সঙ্গে সমন্বয় করে নিরাপত্তা দিচ্ছে। যাতে কোন ধরনের অপ্রতিকর ঘটনা না ঘটে। জাতীয়তাবাদী দলকে আরো শক্তিশালী করতে নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। এবং প্রতিটি মানুষের সুখে দুখে পাশে থাকবে। পূজা মন্ডপ পরিদর্শনে মন্ত্রীর সাথে ছিলেন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এসএম আহসান কবীর, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এইচএম দীন মোহাম্মদ, কাউখালী উপজেলা নিবার্হী অফিসার রেহেনা আক্তার, ওসি মোঃ আনোয়ার হোসেন, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাফিউল আজম দুলাল,উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মনিরুজ্জামান মিয়া, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল হাসান লিকসন, সাংগঠনিক সম্পাদক লিয়াকত তালুকদার, রফিকুল ইসলাম সহ বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাজীপুরের কোনাবাড়ির জরুন এলাকায় কেয়া গ্রুপের ৪টি প্রতিষ্ঠান থেকে দ্বিতীয় দফায় ৭৩৯ জন শ্রমিক ও কর্মচারীকে ছাঁটাইয়ের নোটিশ প্রদান করা হয়েছে।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাতে কারখানার প্রধান ফটকে এ সংক্রান্ত নোটিশটি টানিয়ে দেওয়া হয়। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকালে কাজে যোগ দিতে এসে শ্রমিকরা নোটিশটি দেখতে পান।
ছাঁটাই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন কেয়া গ্রুপের নিট কম্পোজিট, স্পিনিং ও কটন ডিভিশন এবং কেয়া ইয়ার্ন মিলস্ লিমিটেডের কর্মীরা।
কারখানা কর্তৃপক্ষ জানায়, ব্যাংকিং জটিলতা সহ বিভিন্ন কারণে গত ৬ জুন থেকে কারখানাগুলো লে-অফে রয়েছে। এরপর কয়েক দফায় লে-অফের মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়।
ছাঁটাই হওয়া শ্রমিকদের শ্রম আইন অনুযায়ী সব পাওনা পরিশোধের বিষয়টি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
গাজীপুর শিল্প পুলিশের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আমজাদ হোসাইন জানান, কেয়া গ্রুপের ৪ প্রতিষ্ঠানে ৭৩৯ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে ছাঁটাই করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কারখানার প্রধান ফটকে শিল্প পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নাটোরে যাত্রীবাহী বাস ও বালুবোঝাই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষের ফলে শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার পাঁচ ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। তারা রাজশাহীর তাহেরপুরে কৃষিপণ্য কেনার উদ্দেশ্যে যাওয়ার সময় এই দুর্ঘটনায় পড়েন।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) ভোরে নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার বনপাড়ার নাটোর-পাবনা মহাসড়কের সরকারপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।
দুর্ঘটনায় বাস ও ট্রাকের সামনের অংশ সম্পূর্ণরূপে দুমড়েমুচড়ে যায়। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, এই দুর্ঘটনায় মোট ১৪ জন নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন ও উদ্ধারকর্মীরা আহতদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন।
নিহত পাঁচ ব্যবসায়ীর মধ্যে রয়েছেন জাজিরা উপজেলার রামকৃষ্ণপুর মাদবরকান্দি এলাকার জহির উদ্দিন মাদবরের ছেলে জুয়েল মাদবর, ডুবিসায়বর মোল্যাকান্দি এলাকার জাহান উদ্দিন মোল্যার ছেলে সালাল মোল্যা, ডুবিসায়বর কাজিরহাট এলাকার ইউনুস শিকদারের ছেলে সোহাগ শিকদার, কাজিরহাট এলাকার ভুসামাল ব্যবসায়ী সামাদ ফকির এবং পালেরচর ইউনিয়নের কাথুরিয়া এলাকার রাজ্জাক বেপারীর ছেলে শাহিন বেপারী।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত পাঁচজনই দীর্ঘদিন ধরে জাজিরার কাজিরহাটসহ আশপাশের এলাকায় ব্যবসা করে আসছিলেন। তাদের মধ্যে জুয়েল মাদবর ভুসামাল ব্যবসার পাশাপাশি কাজিরহাটে রড-সিমেন্টের ব্যবসা করতেন। সামাদ ফকির ভুসামাল ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত ছিলেন এবং শাহিন বেপারী হলুদের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। অন্যদিকে, সালাল মোল্যা ও সোহাগ শিকদার বিভিন্ন কৃষিপণ্য কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তারা ব্যবসায়িক প্রয়োজনে রাজশাহীর তাহেরপুর থেকে ভুট্টা, পেঁয়াজ, রসুন, ধনিয়া ও অন্যান্য কৃষিপণ্য কিনতে যাচ্ছিলেন। তবে গন্তব্যে পৌঁছানোর আগেই সড়ক দুর্ঘটনায় তাদের প্রাণহানি ঘটে।
একই এলাকার বাসিন্দা ও ব্যবসায়ী হওয়ায় তাদের মধ্যে সুসম্পর্ক ছিল। পাঁচজনের একসঙ্গে এমন মর্মান্তিক মৃত্যুর খবর স্থানীয় এলাকায় পৌঁছালে পরিবার, স্বজন ও পরিচিতজনদের মধ্যে শোকের মাতম শুরু হয়। স্থানীয় ব্যবসায়ী মহলেও শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
কাজিরহাটের ব্যবসায়ী দিদার সরদার বলেন, ‘ব্যবসার কারণে তাদের সবার সঙ্গেই আমার পরিচয় ও সুসম্পর্ক ছিল। তাদের এমন মৃত্যুর খবর খুবই কষ্টদায়ক।’
এ বিষয়ে জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সালেহ আহম্মেদ বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দুর্ঘটনার বিষয়টি জেনেছি। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে আমাদের এখনো কিছু জানানো হয়নি। মরদেহ জাজিরায় নিয়ে আসার বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ