বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৮:৫৪ পি.এম
চীনের পূর্বাঞ্চলের একটি জুতা কারখানায় বৃহস্পতিবার ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় অন্তত ২৮ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়ার বরাত দিয়ে বেইজিং থেকে এএফপি জানায়, প্রাথমিক হিসাবে নিহতের সংখ্যা অন্তত ২৮ জন।
অভিযোগ উঠেছে যে, কর্তৃপক্ষ জানান যে, জিনজিয়াং শহরের ওই কারখানায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে দমকল ও উদ্ধারকর্মীদের কয়েক ডজন সদস্য কাজ করছেন।
চীনের জরুরি ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, স্থানীয় সময় দুপুরের দিকে (০৪০০ জিএমটি) ফুজিয়ান প্রদেশের জিনজিয়াং শহরের হুইতেং শুজ কারখানায় আগুনের সূত্রপাত হয়।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আগুন লাগার কয়েক ঘণ্টা পরও কারখানার ভিতরে মানুষ আটকে ছিলেন। তাদের উদ্ধারে ১৮৩ জন দমকল ও উদ্ধারকর্মী এবং ৩৫টি যানবাহন মোতায়েন করা হয়েছে।
মন্ত্রণালয় জানায়, অগ্নিকাণ্ডের ফলে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। তবে কতজন নিহত বা আহত হয়েছেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়ার খবরে বলা হয়, প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এ ঘটনায় ‘ব্যাপক প্রাণহানির’ কথা উল্লেখ করে শোক প্রকাশ করেছেন। তবে তিনি নিহতের নির্দিষ্ট সংখ্যা জানাননি।
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন সিসিটিভির সরাসরি সম্প্রচারিত দৃশ্যে দেখা যায়, দমকলকর্মীরা আগুনে পুড়ে যাওয়া বহুতল ভবনে পানি ছিটিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছেন। সেই ভবনের ভাঙা জানালা দিয়ে ঘন ধূসর ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়।
শোকবার্তায় শি জিনপিং বলেন, ‘অনুসন্ধান ও উদ্ধারকাজে কোনো ধরনের প্রচেষ্টার ঘাটতি রাখা যাবে না।’ এছাড়া তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানোর জন্য নির্দেশ দেন।
তিনি আরো বলেন, ‘দুর্ঘটনার কারণ যত দ্রুত সম্ভব উদঘাটন করতে হবে এবং দায়ীদের কঠোরভাবে জবাবদিহির আওতায় আনা হবে।’
জরুরি ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় জানায়, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার পাশাপাশি আটকে পড়া ব্যক্তিদের উদ্ধার এবং আহতদের চিকিৎসায় ‘সর্বাত্মক’ প্রচেষ্টা চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সিনহুয়া জানিয়েছে, কয়েকজন ব্যক্তি এখনো কারখানার ভিতরে আটকে রয়েছেন এবং তাদের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।
গত নভেম্বরে হংকংয়ে কয়েকটি বহুতল ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৬৮ জন নিহত হওয়ার পর চীন দেশজুড়ে উঁচু ভবনগুলোতে অগ্নিঝুঁকি প্রতিরোধে বিশেষ অভিযান শুরু করে। এর এক মাস পর দক্ষিণ চীনের গুয়াংডং প্রদেশের একটি আবাসিক ভবনে আগুন লাগার ফলে ১২ জন নিহত হন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দিনাজপুরের হিলিতে বিয়ের দাবিতে ৪৮ বছরের একটি নারী ৬০ বছরের বৃদ্ধ এমাজুল হকের বাড়িতে অবস্থান নেন। বুধবার (৮ জুলাই) সকাল থেকে ঐ নারী এমাজুল হকের বাড়ির সামনে অবস্থান শুরু করলে আশপাশের এলাকার বাসিন্দারা পুলিশে খবর দেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে, পুলিশ নারী ও বৃদ্ধ এমাজুল হককে থানায় নিয়ে আসে।
পরে বৃহস্পতিবার রাতে পারিবারিকভাবে মিমাংসা করার প্রস্তাবের ভিত্তিতে দুই পরিবারের সদস্যদের হাতেই তাদের দুইজনকে তুলে দেয়া হয়।
হাকিমপুর উপজেলার আলীহাট ইউনিয়নের কাকডিমা গ্রামের রাবেয়া বেগম (৪৮) এবং এমাজুল হক (৬৫)। তারা সম্পর্কের দিক থেকে দেবর ও ভাবী। বৃহস্পতিবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন হাকিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকির হোসেন।
আলীহাট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আল ইমরান জানান, উভয়পক্ষের আলোচনা শেষে এক লাখ টাকা দেনমোহর ধার্য করে দুজনের বিয়ের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তবে মেয়ের পক্ষের কোনো অভিভাবক এখনো পর্যন্ত তার কাছে আসেননি। পরে বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।
হাকিমপুর থানার ওসি জাকির হোসেন জানান, গত এক বছর ধরে দুজনের মধ্যে মোবাইলে কথাবার্তা হচ্ছিল। ধীরে ধীরে তা প্রেমের সম্পর্কে পরিণত হয়। পরে ঐ নারী এমাজুল হককে বিয়ের চাপ দিলে বৃদ্ধ এমাজুল রাজি হতে চাচ্ছিলেন না। এরপর ঐ নারী বৃদ্ধের বাড়ির সামনে বিয়ের দাবিতে অনশন করতে থাকেন। খবর পেয়ে হাকিমপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে লোকজনের ভিড় এবং উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি দেখা দিলে পুলিশ দুজনকেই থানায় নিয়ে আসে। অভিযুক্ত এমাজুল হক কৃষিকাজ করেন। তিনি এক সন্তানের জনক এবং ঐ নারী তিন সন্তানের জননী। পরবর্তীতে তাদের পরিবারের সদস্যদের খবর দেয়া হয় এবং তাদের সঙ্গে আলোচনা করে সমস্যাটি সামাজিকভাবে সমাধানের পরামর্শ দেয়া হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাঙ্গামাটির সাজেকে আটকা পরা পর্যটকদের মধ্যে ৫৬১ জনের মধ্যে ১৫০ পর্যটক সেনা সহায়তায় সাজেক ছেড়ে গেছেন। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিকেলে তারা সাজেক ত্যাগ করেন।
বাঘাইহাট সেনা জোন ক্রমেই জানিয়েছে, ভারী বর্ষণজনিত কারণে সড়ক ডুবে যাওয়ার ফলে ৫৬১ জন পর্যটক সাজেকে আটকা পড়ে। তাদের মধ্যে থেকে ১৫০ পর্যটক সেনাবাহিনীর সহায়তায় সাজেক থেকে চলে গেছেন। তাঁদের সড়কের বিভিন্ন স্থান থেকে নৌকা দিয়ে পার করা হয়। এর মধ্যে ১০০ পুরুষ, ৪০ নারী এবং ১০ জন শিশু ছিলো। বাকি যারা রয়েছেন, তাদের বিষয়ে পরবর্তীতে ব্যবস্থা নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
সাজেক রিসোর্ট মালিক সমিতির সভাপতি সুপর্ণ দেব বর্মন মন্তব্য করেছেন, যাদের জরুরি কাজ ছিলো, তারা অনেকেই সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় সাজেক ছেড়ে গেছেন। বাকিরা তখনো সেখানে অবস্থান করছেন। সড়ক থেকে পানি সরে গেলে বাকিরা ফিরবেন, এটাই প্রত্যাশা।
রাঙ্গামাটির জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী জানিয়েছেন, পানি কিছুটা কমে আসায় এবং যাদের জরুরি কাজ ছিলো, তাদের মধ্যে ১৫০ পর্যটক সেনাবাহিনীর সহায়তায় সাজেক ছেড়েছেন। আমরা রিসোর্ট মালিকদের সাথে আলোচনা করে প্রথম দিনে রুম সার্ভিস বিনামূল্যে দিয়ে থাকার ব্যবস্থা করেছি। পরে সাজেক রিসোর্ট মালিক সমিতির সঙ্গে কথা বলে তাদের থাকা-খাওয়া বিনামূল্যে করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
কয়েক দিনের টানা বর্ষণের ফলস্বরূপ খাগড়াছড়ি-সাজেক সড়কের কিছু স্থান ডুবে যায়, যার কারণে পর্যটকরা সাজেকে আটকা পড়েন। অতি ভারী বর্ষণের কারণে পর্যটকদের নিরাপত্তার স্বার্থে জেলা প্রশাসন ৭ জুলাই-এর সন্ধ্যা থেকে সাজেক ভ্রমণে অনির্দিষ্টকালের জন্য নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। তবে আটকা পড়া পর্যটকরা তার আগেই সাজেক পৌঁছেছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সম্প্রতি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র একটি সমঝোতা স্মারকে সই করার পরেও নতুন করে উত্তেজনা শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার হরমুজে জাহাজে হামলার ঘটনা নিয়ে ফের ওয়াশিংটন এবং তেহরান পাল্টাপাল্টি সংঘাতে জড়িয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সমঝোতা স্মারকটির কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ট্রাম্পের প্রতিনিধিদের ভূমিকা ইরানে প্রশ্নের মুখে পড়েছে।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সাথে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করার পরের দিন, প্রতিনিধি জ্যারেড কুশনার এবং স্টিভ উইটকফ সন্দিহান রিপাবলিকান নেতাদের পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত করার জন্য ফোনে কথা বলেন। এই সমঝোতা স্মারকের আওতায়, দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচির বিষয়ে একটি চূড়ান্ত চুক্তির আলোচনার জন্য ৬০ দিনের সময়সীমার পথ উন্মুক্ত করা হয়েছে।
১৪-দফা দলিলটির শর্তাবলী ছিল অস্পষ্ট এবং এটি ব্যাখ্যা দাবি করে বলে জানায় মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন। এই বিষয়টি ওয়াশিংটনজুড়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে যে, ট্রাম্প আসলে কীসের উপর স্বাক্ষর করেছেন এবং তেহরানের কাছে কী কী ছাড় দেওয়া হয়েছে।
ট্রাম্পের জামাতা কুশনার এবং বিশেষ দূত উইটকফ, ইরান নিয়ে কয়েক মাস ধরে গোপন আলোচনা চালিয়ে আসছিলেন এবং চুক্তির উপযোগিতা ও প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে রিপাবলিকানদের আশ্বস্ত করতে চেষ্টা করছিলেন।
ফোনকলটি সম্পর্কে অবহিত এক ব্যক্তির মতে, উইটকফ নির্জন, ওক রিজ পারমাণবিক গবেষণাগারে, তার ও কুশনারের সদ্য করা একটি গোপন সফরের উল্লেখ করেন, যেখানে তারা প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের সাথে দেখা করেন। উইটকফের মতে, সেই বিশেষজ্ঞদের অনেকেই এই প্রচেষ্টায় যোগ দিতে প্রস্তুত ছিলেন।
ফোনকলটির সঙ্গে পরিচিত এক ব্যক্তির মতে, উইটকফ আরও বলেন যে, তিনি আশা করছেন ‘সবচেয়ে কঠিন বিষয়’—ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি—নিয়ে আলোচনা অবিলম্বে শুরু হবে।
কিন্তু এর তিন সপ্তাহ পরেও, কারিগরি আলোচনা সবেমাত্র শুরু হয়েছে, এবং পুরো চুক্তিটিই ছিন্নভিন্ন হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পর থেকেই ছোটখাটো সংঘর্ষ ঘটছে, কিন্তু সর্বশেষ এই উত্তেজনা সেই ভঙ্গুর চুক্তির জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা ট্রাম্প এখন ‘শেষ’ বলে ঘোষণা করেছেন।
মঙ্গলবার হরমুজ প্রণালীতে জাহাজে হামলা চালানোর পর যুক্তরাষ্ট্র পাল্টা হামলা চালায়, যার জবাব দেয়ার অঙ্গীকার করে তেহরান। বুধবার, পাল্টাপাল্টি হামলায় জড়ায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র।
এই অঞ্চলে নতুন করে সংঘাত শুরু হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, ইরানের বিষয়ে প্রশাসনের ঘোষিত লক্ষ্যসমূহের (যার মধ্যে দেশটির সমৃদ্ধ পারমাণবিক উপাদান অপসারণ অন্তর্ভুক্ত) এবং সেগুলো অর্জনের সম্ভাবনার মধ্যে ব্যবধান ক্রমাগত বেড়ে চলেছে—৬০ দিনের মধ্যে অর্জন করা তো দূরের কথা।
সিএনএন জানায়, এই সবকিছু কয়েকটি বড় প্রশ্ন উত্থাপন করেছে: সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের মাধ্যমে কতটা অর্জন সম্ভব হয়েছে; ঠিক কী কী বিষয়ে একমত হওয়া গেছে; এবং ক্রমবর্ধমান তেলের দাম ও যুদ্ধ শেষ করার প্রচণ্ড চাপের মধ্যে উইটকফ ও কুশনার, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের সাথে মিলে, তাদের কূটনৈতিক অগ্রগতির পরিমাণকে বাড়িয়ে বলেছিলেন কি না।
‘সমঝোতা স্মারকটি আসলে কোনো কিছুরই সমাধান করেনি,’ বলেছেন নেট সোয়ানসন, যিনি স্টেট ডিপার্টমেন্টের সাবেক পেশাদার কর্মকর্তা এবং এক দশক ধরে প্রশাসনের ইরান নীতি নিয়ে জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করেছেন ও ২০২৫ সালের বসন্তে ইরান আলোচনায় অংশ নিয়েছিলেন। তিনি বলেন, চুক্তিটি ছিল প্রায় পুরোটাই একটি আকাঙ্ক্ষা মাত্র।
রিচার্ড নেফিউ, যিনি ২০১১ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদে ইরান বিষয়ক পরিচালক ছিলেন, বলেছেন যে তিনি এই ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা করেছিলেন, ‘কারণ একদিকে যেমন মূল চুক্তিটির ভুল ব্যাখ্যা হচ্ছে, অন্যদিকে মূল বিষয়গুলোর কোনোটিরই সমাধান হয়নি।’
‘এমনকি আপনি এটাও বলতে পারেন যে, সমঝোতা স্মারকটি পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করেছে’, নেফিউ যোগ করেন, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালীর ক্ষেত্রে। যদিও প্রশাসন জোর দিয়ে বলেছে যে ইরান এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথের নিয়ন্ত্রণ নিতে পারবে না, কিন্তু সমঝোতা স্মারকটিতেই তা অর্জনের জন্য কোনো স্পষ্ট প্রক্রিয়া উল্লেখ করা হয়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বাংলাদেশ ও আলজেরিয়ার মধ্যে দক্ষ এবং আধা-দক্ষ কর্মী নিয়োগে সহযোগিতা বৃদ্ধির গুরুত্ব তুলে ধরে একটি যৌথ পরামর্শক কমিশন গঠনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন।
আজ আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূত আবদেলওয়াহাব সাইদানি বাংলাদেশে নিযুক্ত হয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। এ ঘটনায় উভয় পক্ষ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন।
বৈঠকের সময় উভয় পক্ষ বাঙালি এবং আলজেরিয়ার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব এবং অংশীদারিত্বকে পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তারা বিভিন্ন খাতে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতাকে আরও জোরদার করার উপায় নিয়ে আলোচনা করেন।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জ্বালানি খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূতকে অনুরোধ জানান। এছাড়া উভয় পক্ষ বাণিজ্য, বিনিয়োগ, ওষুধ শিল্প, কৃষি, মৎস্য ও অ্যাকুয়াকালচার, জাহাজ নির্মাণ এবং জনশক্তি খাতে সহযোগিতা জোরদার করার সুযোগ নিয়ে আলোচনা করেন।
শামা ওবায়েদ দুই ভ্রাতৃপ্রতিম দেশের মধ্যে অংশীদারিত্বকে আরও সুসংহত করতে জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং উচ্চপর্যায়ের সফর বিনিময়ের ওপর গুরুত্ব দেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রাষ্ট্রদূত সাইদানি জ্বালানি, কৃষি, ওষুধ শিল্প এবং জাহাজ নির্মাণ খাতে বাংলাদেশের সঙ্গে সহযোগিতা সম্প্রসারণে আলজেরিয়ার আগ্রহের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও জোরদার করতে উচ্চপর্যায়ের সফর বিনিময়ের ক্ষেত্রে তার দেশের প্রতিশ্রুতিও জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ