বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৮:৫৮ পি.এম
সম্প্রতি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র একটি সমঝোতা স্মারকে সই করার পরেও নতুন করে উত্তেজনা শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার হরমুজে জাহাজে হামলার ঘটনা নিয়ে ফের ওয়াশিংটন এবং তেহরান পাল্টাপাল্টি সংঘাতে জড়িয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সমঝোতা স্মারকটির কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ট্রাম্পের প্রতিনিধিদের ভূমিকা ইরানে প্রশ্নের মুখে পড়েছে।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সাথে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করার পরের দিন, প্রতিনিধি জ্যারেড কুশনার এবং স্টিভ উইটকফ সন্দিহান রিপাবলিকান নেতাদের পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত করার জন্য ফোনে কথা বলেন। এই সমঝোতা স্মারকের আওতায়, দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচির বিষয়ে একটি চূড়ান্ত চুক্তির আলোচনার জন্য ৬০ দিনের সময়সীমার পথ উন্মুক্ত করা হয়েছে।
১৪-দফা দলিলটির শর্তাবলী ছিল অস্পষ্ট এবং এটি ব্যাখ্যা দাবি করে বলে জানায় মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন। এই বিষয়টি ওয়াশিংটনজুড়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে যে, ট্রাম্প আসলে কীসের উপর স্বাক্ষর করেছেন এবং তেহরানের কাছে কী কী ছাড় দেওয়া হয়েছে।
ট্রাম্পের জামাতা কুশনার এবং বিশেষ দূত উইটকফ, ইরান নিয়ে কয়েক মাস ধরে গোপন আলোচনা চালিয়ে আসছিলেন এবং চুক্তির উপযোগিতা ও প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে রিপাবলিকানদের আশ্বস্ত করতে চেষ্টা করছিলেন।
ফোনকলটি সম্পর্কে অবহিত এক ব্যক্তির মতে, উইটকফ নির্জন, ওক রিজ পারমাণবিক গবেষণাগারে, তার ও কুশনারের সদ্য করা একটি গোপন সফরের উল্লেখ করেন, যেখানে তারা প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের সাথে দেখা করেন। উইটকফের মতে, সেই বিশেষজ্ঞদের অনেকেই এই প্রচেষ্টায় যোগ দিতে প্রস্তুত ছিলেন।
ফোনকলটির সঙ্গে পরিচিত এক ব্যক্তির মতে, উইটকফ আরও বলেন যে, তিনি আশা করছেন ‘সবচেয়ে কঠিন বিষয়’—ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি—নিয়ে আলোচনা অবিলম্বে শুরু হবে।
কিন্তু এর তিন সপ্তাহ পরেও, কারিগরি আলোচনা সবেমাত্র শুরু হয়েছে, এবং পুরো চুক্তিটিই ছিন্নভিন্ন হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পর থেকেই ছোটখাটো সংঘর্ষ ঘটছে, কিন্তু সর্বশেষ এই উত্তেজনা সেই ভঙ্গুর চুক্তির জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা ট্রাম্প এখন ‘শেষ’ বলে ঘোষণা করেছেন।
মঙ্গলবার হরমুজ প্রণালীতে জাহাজে হামলা চালানোর পর যুক্তরাষ্ট্র পাল্টা হামলা চালায়, যার জবাব দেয়ার অঙ্গীকার করে তেহরান। বুধবার, পাল্টাপাল্টি হামলায় জড়ায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র।
এই অঞ্চলে নতুন করে সংঘাত শুরু হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, ইরানের বিষয়ে প্রশাসনের ঘোষিত লক্ষ্যসমূহের (যার মধ্যে দেশটির সমৃদ্ধ পারমাণবিক উপাদান অপসারণ অন্তর্ভুক্ত) এবং সেগুলো অর্জনের সম্ভাবনার মধ্যে ব্যবধান ক্রমাগত বেড়ে চলেছে—৬০ দিনের মধ্যে অর্জন করা তো দূরের কথা।
সিএনএন জানায়, এই সবকিছু কয়েকটি বড় প্রশ্ন উত্থাপন করেছে: সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের মাধ্যমে কতটা অর্জন সম্ভব হয়েছে; ঠিক কী কী বিষয়ে একমত হওয়া গেছে; এবং ক্রমবর্ধমান তেলের দাম ও যুদ্ধ শেষ করার প্রচণ্ড চাপের মধ্যে উইটকফ ও কুশনার, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের সাথে মিলে, তাদের কূটনৈতিক অগ্রগতির পরিমাণকে বাড়িয়ে বলেছিলেন কি না।
‘সমঝোতা স্মারকটি আসলে কোনো কিছুরই সমাধান করেনি,’ বলেছেন নেট সোয়ানসন, যিনি স্টেট ডিপার্টমেন্টের সাবেক পেশাদার কর্মকর্তা এবং এক দশক ধরে প্রশাসনের ইরান নীতি নিয়ে জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করেছেন ও ২০২৫ সালের বসন্তে ইরান আলোচনায় অংশ নিয়েছিলেন। তিনি বলেন, চুক্তিটি ছিল প্রায় পুরোটাই একটি আকাঙ্ক্ষা মাত্র।
রিচার্ড নেফিউ, যিনি ২০১১ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদে ইরান বিষয়ক পরিচালক ছিলেন, বলেছেন যে তিনি এই ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা করেছিলেন, ‘কারণ একদিকে যেমন মূল চুক্তিটির ভুল ব্যাখ্যা হচ্ছে, অন্যদিকে মূল বিষয়গুলোর কোনোটিরই সমাধান হয়নি।’
‘এমনকি আপনি এটাও বলতে পারেন যে, সমঝোতা স্মারকটি পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করেছে’, নেফিউ যোগ করেন, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালীর ক্ষেত্রে। যদিও প্রশাসন জোর দিয়ে বলেছে যে ইরান এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথের নিয়ন্ত্রণ নিতে পারবে না, কিন্তু সমঝোতা স্মারকটিতেই তা অর্জনের জন্য কোনো স্পষ্ট প্রক্রিয়া উল্লেখ করা হয়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বাংলাদেশ ও আলজেরিয়ার মধ্যে দক্ষ এবং আধা-দক্ষ কর্মী নিয়োগে সহযোগিতা বৃদ্ধির গুরুত্ব তুলে ধরে একটি যৌথ পরামর্শক কমিশন গঠনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন।
আজ আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূত আবদেলওয়াহাব সাইদানি বাংলাদেশে নিযুক্ত হয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। এ ঘটনায় উভয় পক্ষ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন।
বৈঠকের সময় উভয় পক্ষ বাঙালি এবং আলজেরিয়ার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব এবং অংশীদারিত্বকে পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তারা বিভিন্ন খাতে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতাকে আরও জোরদার করার উপায় নিয়ে আলোচনা করেন।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জ্বালানি খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূতকে অনুরোধ জানান। এছাড়া উভয় পক্ষ বাণিজ্য, বিনিয়োগ, ওষুধ শিল্প, কৃষি, মৎস্য ও অ্যাকুয়াকালচার, জাহাজ নির্মাণ এবং জনশক্তি খাতে সহযোগিতা জোরদার করার সুযোগ নিয়ে আলোচনা করেন।
শামা ওবায়েদ দুই ভ্রাতৃপ্রতিম দেশের মধ্যে অংশীদারিত্বকে আরও সুসংহত করতে জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং উচ্চপর্যায়ের সফর বিনিময়ের ওপর গুরুত্ব দেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রাষ্ট্রদূত সাইদানি জ্বালানি, কৃষি, ওষুধ শিল্প এবং জাহাজ নির্মাণ খাতে বাংলাদেশের সঙ্গে সহযোগিতা সম্প্রসারণে আলজেরিয়ার আগ্রহের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও জোরদার করতে উচ্চপর্যায়ের সফর বিনিময়ের ক্ষেত্রে তার দেশের প্রতিশ্রুতিও জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় দিনের মতো ইরানের ওপর বিমান হামলা চালিয়েছে ব্যাপকভাবে। মার্কিন সামরিক বাহিনী দাবি করেছে যে, গত ৪৮ ঘণ্টায় তারা ইরানজুড়ে ১৭০টি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে। দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর পর এটিই সবচেয়ে বড় পরিসরের সামরিক সংঘাত। খবর আল–জাজিরার।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে যে, তীব্র বোমাবর্ষণের মূল উদ্দেশ্য হলো হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ ও নিরপরাধ বেসামরিক নাবিকদের ওপর হামলা চালানোর ক্ষেত্রে ইরানের সক্ষমতা আরও দুর্বল করে দেওয়া। আগের রাতের ধারাবাহিকতায় বুধবার (৮ জুলাই) রাতে ইরানজুড়ে বিমান হামলা শুরু করে মার্কিন বাহিনী। এতে অন্তত ১৪ জন নিহত হয়েছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগপ্রধান হোসেন কেরমানপোর জানান যে, যুদ্ধবিরতি বহাল থাকা অবস্থাতেই যুক্তরাষ্ট্র ৭ ও ৮ জুলাই ইরানের পাঁচটি প্রদেশে হামলা চালিয়েছে। এসব হামলায় এখন পর্যন্ত ১৪ জন শহীদ ও ৭৮ জন আহত হয়েছেন।
আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের এই ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমান হামলায় তেহরানের সঙ্গে যুক্ত রেলপথের দুটি গুরুত্বপূর্ণ সেতু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ইরান-তেহরান রেল করিডরের প্রধান রেলপথ। এ ছাড়া বুশেহরে অবস্থিত দেশটির একমাত্র বেসামরিক পারমাণবিক স্থাপনার কাছাকাছি এলাকাতেও হামলার খবর পাওয়া গেছে।
যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়াতে এবং একটি স্থায়ী শান্তিচুক্তির আলোচনার সুযোগ তৈরি করার লক্ষ্যে গত ১৭ জুন ওয়াশিংটন ও তেহরান একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছিল। তবে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজে ইরানি হামলার কারণে সেই যুদ্ধবিরতি 'শেষ' হয়ে গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হামলার ঘোষণা দেওয়ার কয়েক ঘণ্টা পরে এ হামলাগুলো চালান। হামলার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইরানে বোমাবর্ষণের ভিডিও পোস্ট করেন এবং দেশটিকে নতুন করে হুমকি দেন।
নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লিখেছেন, 'এটি গতকাল (মঙ্গলবার) জাহাজে ইরানের বোমাবর্ষণের প্রতিশোধ। যদি এটি আবার ঘটে, তবে পরিস্থিতি আরও অনেক খারাপ হবে!' এর কয়েক ঘণ্টা আগে তিনি প্রতিশ্রুতি দেন যে এই হামলা দীর্ঘমেয়াদি কোনো যুদ্ধের দিকে যাবে না, বরং এটি হবে 'খুবই দ্রুতগতির'।
এদিকে মার্কিন হামলার জবাবে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালিয়েছে ইরানও। যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তর বাহরাইনে অবস্থিত। ইরানের হামলার সতর্কতায় দেশটিতে অন্তত তিনবার সাইরেন বেজে উঠেছে। পাশাপাশি কুয়েত ও কাতারে অবস্থিত মার্কিন সামরিক অবস্থানকে লক্ষ্য করেও ক্ষেপণাস্ত্র ছোঁড়ে ইরানি বাহিনী। অন্যদিকে জর্ডানের আকাশসীমার ভেতর প্রবেশ করা ইরানের কিছু ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার দাবি করেছে দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদারীপুরের শিবচর পৌরবাজারে শিং মাছে কৃত্রিম ও জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর রং মিশিয়ে বিক্রির অভিযোগে দুই মাছ ব্যবসায়ীকে এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিকেলে শিবচর পৌরবাজারে এ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাইখা সুলতানা।
জানা যায়, শিবচর পৌর এলাকার বাসিন্দা আলমাস হোসেন বাজার থেকে শিং মাছ কিনে বাড়িতে নিয়ে পরিষ্কার করার সময় মাছের গায়ে অস্বাভাবিক লালচে রং দেখতে পান। সন্দেহ হলে তিনি বিষয়টি অপর এক ক্রেতা রবিউল শেখ-কে জানান। পরে দুজনই বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করেন।
ক্রেতা আলমাস হোসেন বলেন, "বাজার থেকে স্বাভাবিক মনে করেই মাছ কিনেছিলাম। বাড়িতে কাটার সময় দেখি হাতে ও পানিতে লাল রং ছড়িয়ে যাচ্ছে। বিষয়টি বুঝতে পেরে আমি সঙ্গে সঙ্গে প্রশাসনকে জানাই, যাতে অন্য কেউ প্রতারিত না হন।"
অন্য ক্রেতা রবিউল শেখ বলেন, "খাদ্যে এভাবে ক্ষতিকর রং ব্যবহার করা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। সামান্য লাভের আশায় মানুষের জীবন নিয়ে খেলা করা হচ্ছে। প্রশাসনের এমন অভিযানে আমরা সন্তুষ্ট। এ ধরনের অভিযান নিয়মিত হলে ভেজাল ব্যবসায়ীরা নিরুৎসাহিত হবে।"
ক্রেতাদের অভিযোগের ভিত্তিতে উপজেলা প্রশাসন বাজারে অভিযান চালিয়ে মাছ ব্যবসায়ী আপন (২২) ও আলমগীর (৪৫)-কে ক্ষতিকর রং মেশানো শিং মাছসহ আটক করে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের প্রত্যেককে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠান।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাইখা সুলতানা বলেন, "বিক্রির উদ্দেশ্যে শিং মাছে কৃত্রিম রং ব্যবহার করা হয়েছে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এ অপরাধে ভোক্তা অধিকার ও প্রচলিত আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় দুই ব্যবসায়ীকে এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিত পরিচালিত হবে এবং ভেজাল খাদ্য বিক্রির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।"
স্থানীয়দের মতে, ভেজাল ও ক্ষতিকর খাদ্য বিক্রির বিরুদ্ধে প্রশাসনের এমন তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং বাজার ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সহায়ক হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করেছেন যে, যদি ইরান হরমুজ প্রণালীতে জাহাজে হামলা অব্যাহত রাখে, তবে দেশটির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের বোমা হামলা আরও ব্যাপক ও ভয়াবহ হয়ে উঠবে।
এয়ার ফোর্স ওয়ান থেকে এএফপি-কে জানান, বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইরানের একটি স্থাপনায় কথিত বোমা হামলার ছবি পোস্ট করে ট্রাম্প বলেন, 'এটি ইরানের গতকালের জাহাজে বোমা হামলার প্রতিশোধ। যদি আবার এমনটি ঘটে, তাহলে পরিস্থিতি আরও অনেক ভয়াবহ হবে!'
পরে তুরস্কে অনুষ্ঠিত ন্যাটো সম্মেলন শেষে এয়ার ফোর্স ওয়ানে ফেরার পথে সাংবাদিকদের সঙ্গেও একই ধরনের বক্তব্য প্রদান করেন তিনি।
ট্রাম্প বলেন, 'আমরা তাদের ওপর খুব কঠোরভাবে আঘাত হেনেছি। আমি বলব, তারা আমাদের একবার আঘাত করলে আমরা তাদের ২০ গুণ জবাব দেব।'
তিনি আরও বলেন, 'গত রাতেও আমরা সেটাই করেছি। তারা আজ সামান্য কিছু করেছে, কিন্তু সেটিও মূলত গত রাতের হামলার প্রতিশোধ হিসেবে।'
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ