০৯:৪০ এম
কোনো শান্তি চুক্তি যদি চূড়ান্ত না হয়, তবে যুক্তরাষ্ট্র ‘খুব কড়া হামলা’ হামলা চালাবে ইরানের ওপর—মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই হুমকির পর বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
গত বুধবার (১০ জুন) আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ব্যাপক উত্থানের পর ব্যারেল প্রতি প্রায় ২ ডলার বেশিতে লেনদেন শেষ হয়েছে। রয়টার্সের একটি প্রতিবেদনে এ তথ্যটি উল্লেখিত হয়েছে।
মার্কেটের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১.৬৫ ডলার বা ১.৮ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ৯৩.১০ ডলারে দাঁড়িয়েছে। অপরদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দাম ১.৮৩ ডলার বা ২ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ৯০.০৩ ডলারে থিতু হয়েছে।
আরও পড়ুন: ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়: বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্বাধীনতা বেড়েছে, সহিংসতা কমেছে
গত এপ্রিলের যুদ্ধবিরতির পর মঙ্গলবার রাতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যে সবচেয়ে বড় ধরনের গোলাগুলির ঘটনা ঘটে, তার পর ট্রাম্পের নতুন হামলার হুঁশিয়ারির কারণে দুপুরের দিকে তেলের দাম এক লাফেই প্রায় ৩ ডলার পর্যন্ত বেড়ে গিয়েছিল। তবে পরবর্তীতে হোয়াইট হাউজে সাংবাদিকদের দেওয়া ট্রাম্পের একটি বক্তব্যের পর তেলের দাম কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে।
ট্রাম্প দাবি করেন, মার্কিন সামরিক বাহিনী অত্যন্ত গোপনে হরমুজ প্রণালী দিয়ে ১০ কোটি ব্যারেলেরও বেশি তেলবাহী জাহাজকে নিরাপদ পাহারা দিয়ে বের করে এনেছে। বিশ্বে প্রতিদিন প্রায় ১০ কোটি ব্যারেল তেলের চাহিদা রয়েছে।
ট্রাম্পের মতে, এই গোপন অভিযানের কারণেই ইতোমধ্যে তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তিনি বলেছেন, ‘এই পদক্ষেপ না নিলে, তেলের দাম এখন ৮৫-৯০ ডলারের বদলে ২৫০ ডলারে গিয়ে ঠেকতে পারতো।’
এর আগে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশাল-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, শান্তি চুক্তি নিয়ে আলোচনা দীর্ঘায়িত করার জন্য তেহরানকে ‘চরম মূল্য দিতে হবে’। সূত্র: বিবিসি
আরও পড়ুন: বঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো সবার দায়িত্ব: ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন