০৩:২৫ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পর্তুগালের বিপক্ষে ডিআর কঙ্গোর ঐতিহাসিক ড্রয়ের রাতে ইয়োনে উইসা ছিলেন নায়ক। তার শক্তিশালী হেড থেকেই আসে ডিআর কঙ্গোর বিশ্বকাপে ৫২ বছর পর প্রথম গোল, যা এনে দেয় ১-১ গোলের স্মরণীয় ড্র।
কিন্তু এই গোলের উচ্ছ্বাসের পিছনে লুকিয়ে আছে একটি অবিশ্বাস্য সংগ্রামের গল্প।
বর্তমানে ইয়োনে উইসাকে ফুটবল বিশ্ব বিশ্বকাপের নায়ক হিসেবে দেখছে। অথচ পাঁচ বছর আগে তার ফুটবল ক্যারিয়ার তো দূরের কথা, স্বাভাবিক জীবনও অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছিল।
২০২১ সালে ফরাসি ক্লাব লরিয়ঁতে খেলার সময়, নিজের বাসভবনে ভয়াবহ অ্যাসিড হামলার শিকার হন উইসা। একটি নারী ভক্ত সেজে তার বাড়িতে এসে মুখে অ্যাসিড নিক্ষেপ করে। এছাড়া, তার মেয়েকে অপহরণের চেষ্টাও করা হয়েছিল বলে পরে জানা যায়। হামলায় উইসার দুই চোখ গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
পরে আদালতে দেওয়া সাক্ষ্যে উইসা বলেছিলেন, ‘দরজা খোলার সঙ্গে সঙ্গে আমার মুখে তরল কিছু ছুড়ে মারা হয়। আমি চিৎকার করতে শুরু করি, শ্বাস নিতে পারছিলাম না। হাসপাতালে আমাকে বলা হয়, আমার চোখ পুড়ে গেছে। প্রতি ঘণ্টায় চোখ পরিষ্কার করতে হতো। এটি ছিল এক ভয়ংকর দুঃস্বপ্ন।’
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, দ্রুত চিকিৎসা না পেলে তিনি দৃষ্টিশক্তি হারাতে পারতেন।
দুই চোখে অস্ত্রোপচার করতে হয় তাকে এবং আজীবন আই ড্রপ ব্যবহার করতে হবে বলেও জানানো হয়েছিল।
তবে ভয়াবহ সেই ট্র্যাজেডি তাকে থামাতে পারেনি। সুস্থ হয়ে একই বছর ইংলিশ ক্লাব ব্রেন্টফোর্ডে যোগ দেন উইসা। চার মৌসুমে ১৪৯ ম্যাচ খেলেন এবং ৪৯ গোল করেন। পরে বড় অঙ্কের চুক্তিতে যোগ দেন নিউক্যাসল ইউনাইটেডে।
এবং এবার বিশ্বকাপের মঞ্চে লিখলেন নতুন ইতিহাস। পর্তুগালের বিপক্ষে তার গোলেই ডিআর কঙ্গো অর্জন করে বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম মূল্যবান একটি পয়েন্ট।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাভার-আশুলিয়ায় পৃথক স্থানে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যরা এক নারীসহ ১১ জনকে গ্রেপ্তার করেছেন। গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ট্যাবলেট, গাঁজা এবং হেরোইন উদ্ধার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) এবং আশুলিয়া থানা পুলিশ পৃথক пресс বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ জানায়, ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার শামীমা পারভীনের নির্দেশনায় আশুলিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ তরিকুল ইসলামের নেতৃত্বে আশুলিয়ার জামগড়া ভূইয়াপাড়া, তাজপুর, কাইচাবাড়ি, ভাদাইল ইপিজেড মডেল টাউন, পূর্ব নরসিংহপুর, চারাবাগ এবং জামগড়া চৌরাস্তাসহ বিভিন্ন এলাকায় ধারাবাহিক মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
অভিযানে ১০ জন মাদক কারবারিকে আটক করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে ১৬৭ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ৫৫০ গ্রাম গাঁজা এবং ৩০ পুরিয়া হেরোইন উদ্ধার হয়েছে।
এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক সাতটি মামলা দায়ের করে বৃহস্পতিবার দুপুরে আদালতে প্রেরণ করা হয়।
আশুলিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘মাদক, সন্ত্রাস ও অন্যান্য অপরাধ দমনে আশুলিয়া থানা পুলিশ নিয়মিতভাবে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছে। আমাদের এই অভিযান মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে অব্যাহত থাকবে। কোনো মাদক কারবারি কিংবা অপরাধীকে আইনের আওতার বাইরে থাকার সুযোগ দেওয়া হবে না।’
তিনি আরো বলেন, ‘জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আশুলিয়া থানার পুলিশ জোরালো অভিযান অব্যাহত রাখবে।’
এদিকে, সাভারে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ৩০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মোছা. বিউটি আক্তার (২২) নামে এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এই গ্রেপ্তারকৃত নারী ঢাকা জেলার সাভার মডেল থানাধীন বক্তারপুর বেদেপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি মৃত সিরাজ মিয়ার মেয়ে এবং শাহিনের স্ত্রী।
ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশের ওসি মো. সাইদুল ইসলাম বলেন, ‘প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার নারী দীর্ঘদিন ধরে মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বলিউডের যেকোনো পার্টি বা ঘরোয়া আড্ডায় ওরি, যাকে ওরফে ওরহান অবত্রামণি নামেও ডাকা হয়, দেখা যাবেই। বহু লোকের কাছে তার আসল পরিচয় অজানা থাকলেও, তিনি তারকাদের সঙ্গে ছবির কারণে নিয়মিত ভাইরাল হয়ে ওঠেন।
ওরি আসলে কীভাবে আয় করেন—এই প্রশ্নের উত্তর বহুবার ধোঁয়াশায় রাখলেও, সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি নিজের আকাশছোঁয়া উপার্জন সম্পর্কে খোলামেলা আলোচনা করেছেন।
ওরি জানান, তার আয়ের একটি বড় অংশ আসে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের প্রচার, পেড কনটেন্ট এবং নামী অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে। তিনি বলেন, ‘গত মাসে আমি শুধু একটি রিল ভিডিও বানিয়েই ৭৬ লাখ রুপি আয় করেছি।’
জনপ্রিয়তার কারণে, বিভিন্ন ব্যক্তিগত অনুষ্ঠানে স্বাগত জানাতে ওরি প্রচুর প্রস্তাব পেয়ে থাকেন। বিয়েবাড়ি বা জন্মদিনের মতো অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য তিনি ১৫ থেকে ২৫ লাখ রুপি পর্যন্ত ফি নেন।
এই প্যাকেজের ব্যাপারে ওরি মন্তব্য করেন, ১৫-২৫ লাখ রুপি দিলেই আপনারা আমাকে দুপুরের বা রাতের খাবারের জন্য ডাকতে পারেন। আমি বিয়ে বা জন্মদিনে এমনভাবে সবার সাথে কথা বলব, যেন যার বিয়ে বা জন্মদিন, সে আমার শৈশবের বন্ধু। আমি আপনাদের সঙ্গে সময় কাটাব এবং পরিবারের সঙ্গে মিশে যাব।
এই পুরো বিষয়টাই আপনারা রুপি দিয়ে কিনতে পারেন।
ছবি তোলার বিশেষ ‘পোজ’-এর জন্য ওরি বেশ পরিচিত। তিনি বলেন, ভারতে মাত্র দুজন মানুষ তাদের নিজস্ব পোজের জন্য বিখ্যাত—একজন শাহরুখ খান, এবং অন্যজন তিনি নিজে।
ইনস্টাগ্রামে ২৫ লাখেরও বেশি ফলোয়ার থাকা এই তারকার এত টাকা সামলান কে? ওরি জানান, তার আয়ের সমস্ত আর্থিক বিষয় বা হিসাবনিকাশ এখনও তার মা-বাবাই দেখেন। তিনি বলেন, এই পুরনো অভ্যাস তিনি কখনো ছাড়বেন না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসএসএফ-এর দীর্ঘ পথচলার সাফল্যের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, বর্তমানে আর্থ-সামাজিক অবস্থা, ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং তথ্যপ্রযুক্তির অবাধ বিকাশের ফলে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বহুমুখী চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে, এসএসএফ-কে আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নিজেদের সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রাখতে হবে। একটি বিশেষায়িত বাহিনী হিসেবে সাহস, দক্ষতা ও সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকার কোনো অবকাশ নেই।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ)-এর ৪০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের শাপলা হলে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন।
তিনি তার বক্তব্যে বিগত বছরগুলোতে এসএসএফ-এর দায়িত্বশীলতার কথা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে উল্লেখ করেন। বিশেষ করে সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার বিভিন্ন মেয়াদে দায়িত্ব পালন এবং তার জীবনের শেষ দিনগুলোতে এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় এসএসএফ-এর আন্তরিক ভূমিকাও তুলে ধরেন। মহান বলেন, বেগম জিয়ার মৃত্যুর পর বিশ্ব ইতিহাসের অন্যতম বৃহত্তম জানাজার আয়োজনের প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে এসএসএফ যে দক্ষতা ও নিষ্ঠার পরিচয় দিয়েছে, তার জন্য বাহিনীর সদস্যদের তিনি বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানান।
রাষ্ট্র পরিচালনার কৌশল ও জনগণের সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততা সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার প্রধান হিসেবে জনগণের বিশ্বাস এবং ভালোবাসার ওপরই তার সবচেয়ে বেশি নির্ভরতা। নিরাপত্তার ঘেরাটোপ যেন তাকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেয়, এটি একটি অত্যাধুনিক বাহিনী হিসেবে এসএসএফ-কে বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখতে হবে।
তিনি আরও জানান, জনগণের দুর্ভোগ লাঘব করতে তিনি নিজের গাড়িবহরের আকার সীমিত করেছেন। ফলে সদস্য সংখ্যা বাড়ানোর পরিবর্তে বর্তমানে এসএসএফ তাদের দক্ষতা ও বুদ্ধিবৃত্তিক কৌশলের ওপরই অধিক গুরুত্ব দিচ্ছে। তিনি মন্তব্য করেন, জনসভা বা রাষ্ট্রীয় কর্মসূচিতে জননিরাপত্তা ও নাগরিক স্বাচ্ছন্দ্যের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা এসএসএফ-এর কর্মদক্ষতারই প্রতিফলন।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নবনির্মিত অত্যাধুনিক ‘ফায়ারিং রেঞ্জ’-এর উদ্বোধনের সময় এর মহড়া প্রত্যক্ষ করেন। তিনি জানান, পেশাগত কর্মদক্ষতা বাড়াতে এই ফায়ারিং রেঞ্জ গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রাখবে। এছাড়া, ২০০২ সালের পর এসএসএফ-এর ‘রেড বুক’ সংস্কার ও আধুনিকীকরণের কথাও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এটি কেবল কার্যপদ্ধতির নীতিমালা নয় বরং সদস্যদের আইনি সুরক্ষাও নিশ্চিত করে। তিনি ‘রেড বুক’-এর নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণের পাশাপাশি পরিস্থিতি অনুযায়ী তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা অর্জনের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে দেশের অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার সাথে সমন্বয়ের ওপরও গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘সেনা, নৌ, বিমান, পুলিশ ও আনসার বাহিনীর দক্ষ কর্মকর্তাদের নিয়ে গঠিত এই বিশেষায়িত বাহিনীকে আরও কর্মদক্ষ করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকার প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ অব্যাহত রাখবে।’
বক্তব্যের শেষাংশে প্রধানমন্ত্রী এসএসএফ সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দেওয়ার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সঙ্গে যেন কোনোভাবেই দুর্ব্যবহার না ঘটে, সেদিকে যেন প্রতিটি সদস্য সতর্ক দৃষ্টি রাখেন। গণতান্ত্রিক রীতিনীতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে দেশপ্রেমের আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমেই এসএসএফ তাদের পেশাদারিত্বের প্রমাণ প্রদান করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ