পারভিন আক্তার, স্টাফ রিপোর্টার, নারায়ণগঞ্জ জেলা
১০:০০ পি.এম
“সত্যের পক্ষে অবিরাম ছুটে চলো—দ্রুত, নিরপেক্ষ ও নির্ভীক”—এই স্লোগানকে ধারণ করে নিউজ টু নারায়ণগঞ্জ-এর ১১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই ২০২৬) নারায়ণগঞ্জ শিল্পকলা একাডেমিতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় বিচারপতি জনাব মো. সিদ্দিকুর রহমান মিয়া। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান।
প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ। অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) সভাপতি জনাব মো. হাসেন।
এ ছাড়া অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সভাপতি আবু সাওত মাসুদ, মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু, ফতুল্লা থানা বিএনপির সভাপতি শহিদুল ইসলাম টিটু এবং সামাজিক পরিবেশ ও মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার চেয়ারম্যান লায়ন এইচ এম ইব্রাহিম ভূঁইয়া।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নিউজ টু নারায়ণগঞ্জ-এর প্রকাশক ও সম্পাদক মোহাম্মদ ইব্রাহিম খলিল।
বক্তারা বলেন, বস্তুনিষ্ঠ, নিরপেক্ষ ও জনকল্যাণমূলক সাংবাদিকতার মাধ্যমে নিউজ টু নারায়ণগঞ্জ দীর্ঘ ১১ বছর ধরে মানুষের কথা তুলে ধরছে। ভবিষ্যতেও সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে থেকে গণমানুষের কল্যাণে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাবনার ঈশ্বরদীতে ঘটনা ঘটে মাদক সেবনের টাকা না পেয়ে স্ত্রীর উপর মারধর এবং কোরআন শরীফ পোড়ানোর অভিযোগে এক ব্যক্তির পিটুনি দেওয়া হয়েছে। স্থানীয়রা তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বিকেলে ঈশ্বরদী উপজেলার সাড়াগোপালপুর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম জুয়েল রানা (৪০), তিনি নাটোরের লালপুর উপজেলার লক্ষ্মীপুর এলাকার জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, জুয়েল রানা স্ত্রীসহ ঈশ্বরদীর সাড়াগোপালপুর শেফালী পট্রি এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। তিনি মাদকাসক্ত ছিলেন। মাদক সেবনের টাকার জন্য মাঝে মাঝে স্ত্রীকে মারধর করতেন। ঘটনার দিনও তিনি মাদকের টাকার জন্য স্ত্রীকে মারধর করেন। এক পর্যায়ে তিনি পবিত্র কোরআন শরীফে আগুন ধরিয়ে দেন।
এ সময় বিষয়টি স্থানীয় লোকজন টের পেয়ে তাকে আটক করে উত্তম মধ্যম দেন। পরে তাকে খুঁটির সঙ্গে বেধে গলায় জুতার মাল পরিয়ে, মুখে চুনকালি মাখিয়ে তার শাস্তির দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ওই ব্যক্তিকে থানা হেফাজতে নিয়ে যায়।
ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশাদুর রহমান জানান, ওই ব্যক্তি মাদকাসক্ত। মাদক সেবনের জন্য স্ত্রীর কাছে টাকা চেয়েছিলেন। কিন্তু স্ত্রীর কাছ থেকে তিনি টাকা পাচ্ছেন না, বরং স্ত্রীর কাছে কুরআন শরীফের ভেতর টাকা লুকিয়ে রাখেন। এ সময় ওই ব্যক্তি তার স্ত্রীকে মারধর করতে থাকেন।
এক পর্যায়ে খুঁজতে খুঁজতে কোরআন শরীফের ভেতর ওই ব্যক্তি টাকা খুঁজে পান। পরে স্ত্রীর উপর ক্ষিপ্ত হয়ে আবারও মারধর শুরু করেন এবং কোরআন শরীফের পাতা আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ফেলেন। এই সময় তার স্ত্রীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসেন। পরে তাকে আটকে রেখে পুলিশে খবর দেওয়া হলে পুলিশ ওই ব্যক্তিকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। এই ঘটনার পর আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক (আরএমজি) খাতকে ১০০ বিলিয়ন ডলারের শিল্পে পরিণত করার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে দুর্বল বন্দর ও লজিস্টিকস ব্যবস্থা, সীমিত বাজার বৈচিত্র্য, প্রযুক্তিগত পিছিয়ে থাকা এবং এলডিসি উত্তরণের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে না পারলে সেই লক্ষ্য অর্জন কঠিন হবে বলে মন্তব্য করেছেন পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ড. মাসরুর রিয়াজ।
বাংলাদেশ অ্যাপারেল ইয়ুথ লিডার্স অ্যালায়েন্স (বায়লা) আয়োজিত ‘বায়লা ফিউচার সামিট-২০২৬’-এর এক সেশনে তিনি এসব কথা বলেন।
ড. মাসরুর রিয়াজ বলেন, চার দশক ধরে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক রূপান্তরের অন্যতম চালিকাশক্তি তৈরি পোশাক শিল্প। কৃষিনির্ভর অর্থনীতি থেকে রপ্তানিমুখী অর্থনীতিতে উত্তরণের পেছনে এই খাতের অবদান সবচেয়ে বেশি। বর্তমানে দেশের মোট রপ্তানির ৮০ শতাংশের বেশি আসে পোশাক খাত থেকে।
এটি দেশের বৃহত্তম উৎপাদন খাত, সবচেয়ে বড় আনুষ্ঠানিক কর্মসংস্থানের উৎস এবং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের প্রধান মাধ্যম।
তবে বৈশ্বিক বাজার দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বর্তমান সাফল্যের ওপর নির্ভর করে থাকলে হবে না। উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, প্রযুক্তি গ্রহণ, বাজার সম্প্রসারণ এবং অবকাঠামোগত সক্ষমতা বাড়াতে না পারলে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়বে।
ড. রিয়াজ পোশাক খাতকে ১০০ বিলিয়ন ডলারের পর্যায়ে নিতে ছয়টি কৌশলের কথা তুলে ধরেন।
এর মধ্যে রয়েছে বাণিজ্য সুবিধা ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন, লজিস্টিকস অবকাঠামোর আধুনিকায়ন, বিনিয়োগ ও রপ্তানি বহুমুখীকরণ, টেকসই উন্নয়ন ও সার্কুলার অর্থনীতির প্রসার, প্রযুক্তি ও দক্ষতা উন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ শিল্পের চাহিদা অনুযায়ী মানবসম্পদ গড়ে তোলা।
তার মতে, সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বর্তমানে দেশের লজিস্টিকস ও বন্দর খাতে। বিশ্বব্যাংকের লজিস্টিকস পারফরম্যান্স সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ৮৮তম। প্রতিযোগী দেশ ভিয়েতনাম ও ভারত এ ক্ষেত্রে অনেক এগিয়ে। তিনি বলেন, বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দরে পণ্য খালাস ও পরিবহনে ১০ থেকে ১২ দিন সময় লাগে, যেখানে অনেক প্রতিযোগী দেশে একই কাজ দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে সম্পন্ন হয়।
বর্তমান সক্ষমতা দিয়ে ১০০ বিলিয়ন ডলারের পোশাক রপ্তানি সামাল দেওয়া সম্ভব নয়। তাই বে টার্মিনালসহ নতুন বন্দর অবকাঠামো দ্রুত বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
পণ্য ও বাজার বৈচিত্র্যের অভাবকেও বড় ঝুঁকি হিসেবে দেখছেন এই অর্থনীতিবিদ। বর্তমানে ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের মোট পোশাক রপ্তানির ৮০ শতাংশের বেশি যায়। ফলে এসব অঞ্চলের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির ওপর বাংলাদেশের রপ্তানি ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল। তিনি জাপান, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, চীনসহ নতুন বাজারে প্রবেশ বাড়ানোর পাশাপাশি উচ্চমূল্যের পণ্য ও ম্যান-মেড ফাইবারভিত্তিক পোশাক উৎপাদনে বিনিয়োগ বাড়ানোর পরামর্শ দেন।
ড. রিয়াজ বলেন, বিশ্বের প্রায় ৭০ শতাংশ পোশাক এখন ম্যান-মেড ফাইবারভিত্তিক হলেও বাংলাদেশের রপ্তানিতে এর অংশ মাত্র ২৮ শতাংশ। বৈশ্বিক চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে এ খাতে সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি।
এলডিসি উত্তরণের পর শুল্ক সুবিধা কমে যাওয়ার ঝুঁকির কথাও উল্লেখ করেন তিনি। তার মতে, প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি না নিলে বাংলাদেশের বর্তমান রপ্তানির ৬ থেকে ১৪ শতাংশ পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) ও অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।
তার মতে, প্রযুক্তি, দক্ষতা, বাজার বৈচিত্র্য ও লজিস্টিকস খাতে দ্রুত সংস্কার কার্যকর করা গেলে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্প আগামী দশকে ১০০ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক স্পর্শ করতে সক্ষম হবে। তবে সেই যাত্রার প্রধান শর্ত হলো বিশ্বমানের বন্দর ও সরবরাহ ব্যবস্থা গড়ে তোলা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতে নিট (NEET) পরীক্ষার অনিয়মের অভিযোগে সিজেপি-র ‘চলো সংসদ’ পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে পার্লামেন্ট প্রাঙ্গণে তীব্র আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছিল বলে জানিয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী ও বিজেপি সংসদ সদস্য কঙ্গনা রানাওয়াত।
বিক্ষোভকারীরা সহিংস হয়ে উঠতে পারে এমন আশঙ্কায় ভেতরে থাকা সংসদ সদস্যরা আতঙ্কে ছিলেন উল্লেখ করে তিনি পরিবেশ শান্ত রাখা ও সুরক্ষার জন্য দিল্লি পুলিশের ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন।
মঙ্গলবার সংবাদ সংস্থা এএনআই-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কঙ্গনা বলেন, সকল সংসদ সদস্য পার্লামেন্ট ভবনের ভেতরেই ছিলেন। যখন বাইরে হাজার হাজার আন্দোলনকারী জড়ো হয়েছিল, তখন আমরা সবাই ভীষণ আতঙ্কে ছিলাম—ভাবছিলাম এই উগ্র জনতা হয়তো আমাদের ওপর হামলা চালিয়ে বসবে। আমি দিল্লি পুলিশকে ধন্যবাদ জানাই যে তারা একটি শক্ত ঢালের মতো কাজ করেছে এবং কাউকে কোনো ক্ষতি হতে দেয়নি।
পুলিশের পদক্ষেপের প্রশংসা করার পাশাপাশি আন্দোলনকারী ও বিরোধী দলগুলোর তীব্র সমালোচনা করেন এই তারকা সংসদ সদস্য। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, জনগণের ভোটে নির্বাচিত কোনো সরকারকে রাজপথের আন্দোলনের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করা উচিত নয়।
কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি প্রসঙ্গে কঙ্গনা বলেন, জনগণের নির্বাচিত সরকারের অধিকার রয়েছে কীভাবে তারা সরকার চালাবে তা ঠিক করার। আপনার যদি এতই নীতিগত অবস্থান থাকে, তবে নিজের নির্বাচনে দাঁড়ানো উচিত। কাকে বরখাস্ত করা হবে আর কাকে রাখা হবে—সে বিষয়ে সরকারকে আপনি কখনোই জোরজবরদস্তি করতে পারেন না।
কঙ্গনা আরও অভিযোগ করেন যে, বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা সংসদের ভেতরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছেন এবং একইসঙ্গে বাইরে আন্দোলনকে ইন্ধন দিচ্ছেন। তার মতে, সংসদ হচ্ছে আলোচনা ও বিতর্কের জায়গা, হট্টগোল বা বিক্ষোভ দেখানোর জায়গা নয়।
উল্লেখ্য, পরীক্ষা বাতিলের দাবি ও শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে আয়োজিত সিজেপির ‘চলো সংসদ’ মার্চকে কেন্দ্র করে পুলিশ ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। দিল্লি পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই সংঘর্ষে ১১৮ জন পুলিশ সদস্য এবং ৬০ জন বিক্ষোভকারী আহত হয়েছেন। অন্যদিকে, শিল্পী দিলজিৎ দোসাঞ্জ আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মর্যাদাপূর্ণ আচরণের আহ্বান জানিয়েছেন। এই মুহূর্তে চলমান বর্ষাকালীন অধিবেশনে সংসদের ভেতরে ও বাইরে সিজেপির আন্দোলনই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির আজ ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায় তুরস্কের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী বেরিস একিনসির সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
এ সময় তারা উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও আঙ্কারার মধ্যে ক্রমবর্ধমান ভ্রাতৃত্বপূর্ণ অংশীদারিত্ব পর্যালোচনা করেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ‘বৈঠকে বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে ধারাবাহিকভাবে বিকশিত অংশীদারিত্ব নিয়ে উভয় পক্ষ আন্তরিকভাবে মতবিনিময় করেন।’
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ফিলিপাইনের রাজধানীতে অনুষ্ঠিত আসিয়ান রিজিওনাল ফোরামের (এআরএফ) মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকের ফাঁকে অনুষ্ঠিত এ বৈঠক ঢাকা-আঙ্কারা দ্বিপক্ষীয় ঘনিষ্ঠ ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের প্রতিফলন এবং দুই দেশের সহযোগিতা আরও জোরদারে অব্যাহত সম্পৃক্ততার বহিঃপ্রকাশ।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ড. খলিলুর রহমান ও হুমায়ুন কবির বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে ক্রমবর্ধমান অংশীদারিত্ব নিয়ে আন্তরিকভাবে মতবিনিময় করেন।
এআরএফ বৈঠকে যোগ দিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আজ বিকেলে নিউইয়র্ক থেকে ম্যানিলায় পৌঁছান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ