ভাণ্ডারিয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি
বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:০০ পি.এম
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় ফেসবুকে বিতর্কিত পোস্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে এক প্রবাসীর বসতঘরে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। মামলায় একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক ১০টা ৫ মিনিটের দিকে উপজেলার ইকড়ি ইউনিয়নের বেতাগী সিংখালী ৮ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বেতাগী সিংখালী এলাকার বাসিন্দা দুবাই প্রবাসী মো. আজম খান (৫০) তিনি দুবাই থেকে ফেসবুকে একটি বিতর্কিত পোস্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ব্যক্তিরা ওই রাতে তার বাড়িতে হামলা চালায়। একপর্যায়ে হামলাকারীরা বাড়ির দোতালায় উঠে ভাঙচুর করে এবং সেখানে অগ্নিসংযোগ করে। এতে ঘরের বিভিন্ন মালামাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
ঘটনার সময় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের খবর পেয়ে স্থানীয়রা বিষয়টি পুলিশকে জানালে ভাণ্ডারিয়া থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে ঘটনাটি নিয়ে আইনগত প্রক্রিয়া শুরু হয়।
ঘটনার পর আজম খানের মা মোসা. মমতাজ বেগম বাদী হয়ে ভাণ্ডারিয়া থানায় মামলা করেন। মামলায় ২৬ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৩৫ থেকে ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে আমির হোসেন নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে বলে জানিয়েছে।
ভাণ্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেওয়ান জগলুল হাসান জানান, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মাঝের খেয়া ব্যবহারকারী মানুষদের ঘাট আছে, নৌকা আছে, কিন্তু ঘাটে পৌঁছানোর পথ নেই। জোয়ারের সময় পানিতে ডুবে থাকে পথ, আর ভাটায় সেখানে জমে থাকে হাঁটু সমান কাঁদা। বাধ্য হয়ে সেই কাঁদা মাড়িয়েই খেয়ায় উঠতে হয় কয়েকটি গ্রামের শত শত মানুষকে। কখনো আবার অন্যের বাড়ির উপর দিয়ে ঘুরে যেতে হয় ঘাটে। বছরের প্রায় সাত/আট মাস ধরে এভাবেই দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন মাঝের খেয়াঘাট ব্যবহারকারী মানুষদের।
বৃ্হস্পতিবার সরেজমিনে গেলে স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে একই অবস্থা চললেও স্থায়ী কোনো সমাধান হয়নি। মিঠাগঞ্জ ইউনিয়নের মিঠাগঞ্জ গ্রামসহ আশপাশের কয়েকটি গ্রামের মানুষের জন্য এ ঘাটটি গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ পথ। শিক্ষক-শিক্ষার্থী, রোগী, শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি ও কৃষকসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ প্রতিদিন এ পথে যাতায়াত করেন। কিন্তু সংযোগ পথের অভাবে বর্ষা মৌসুম ও জোয়ারের সময় তাদের ভোগান্তি বাড়ে। জোয়ারের পানি বাড়লে ঘাটের সংযোগ পথ পানিতে ডুবে যায়। ফলে পায়ে হেঁটে যাওয়ারও সুযোগ থাকে না। পানি নেমে গেলে তৈরি হয় আরেক বিড়ম্বনা। কাঁদায় পা আটকে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি। এ কারণে অনেকেই বাধ্য হয়ে বিকল্প পথে বা অন্যের বাড়ির উপর দিয়ে ঘুরে ঘাটে পৌঁছান। এটি টিয়াখালী ইউনিয়নের অংশের ঘাটের চিত্র। অপর প্রান্ত মিঠাগঞ্জ ইউনিয়নের অংশ তুলনামূলক ভালো হলেও বৃষ্টির সময় সেখানে যাতায়াত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। বিশেষ করে ভাটার সময় কাঁদা মাড়িয়ে খেয়ায় ওঠা যাত্রীদের জন্য কঠিন হয়ে যায়।
টিয়াখালী ইউনিয়নের খেয়াঘাট এলাকার স্থানীয় দোকানদার আব্দুর রহমান সিকদার বলেন, জোয়ারের সময় এই রাস্তা দিয়ে মানুষ চলাচল করতে পারে না। ছোটবেলা থেকেই রাস্তার এমন অবস্থা দেখে আসছি। অথচ শিক্ষক, শিক্ষার্থীরাও এই পথ ব্যবহার করেন। রাস্তা উঁচু করে দিলে সমস্যার সমাধান হবে।
মিঠাগঞ্জ বড় জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা মো. নেছার উদ্দিন জানান, জোয়ারের সময় খেয়া পার হতে হলে কাপড় অনেক ওপরে তুলতে হয়। নারীদের জন্য বিষয়টি বিব্রতকর। আবার ভাটায় হাঁটুসমান কাঁদা পেরিয়ে ঘাটে উঠতে হয়।
খেয়া যাত্রী মো. আলামিন মিয়া বলেন, দুই পাড়েই সমস্যা রয়েছে। তবে উত্তর পাড়ের অবস্থা বেশি খারাপ। বেড়িবাঁধ থেকে খেয়াঘাট পর্যন্ত রাস্তাটি উঁচু করে নির্মাণ করা হলে দীর্ঘদিনের সমস্যার সমাধান হবে।
খেয়াঘাটের মাঝি মো. জাহাঙ্গীর আলম জানায়, জোয়ারে ঘাটে আসার পথ পানিতে ভরে যায়, আর ভাটায় হাঁটুসমান কাঁদা থাকে। মানুষজন ঠিকমতো চলাচল করতে পারে না। অনেক সময় যাত্রী না থাকায় সারাদিন বসে থাকতে হয়।
মিঠাগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক দীপা সিকদার বলেন, তিন বছর ধরে এখানে চাকরি করছি। কলাপাড়া শহর থেকে প্রতিদিন বিদ্যালয়ে আসা কষ্টসাধ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। শিক্ষক, শিক্ষার্থী, বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ও রোগীদের দুর্ভোগ বেশি।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আসাদুজ্জামান জানান, আমাদের বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা কলাপাড়া শহর থেকে আসেন। এ ছাড়া এলাকায় দুটি মাদ্রাসা ও একটি উচ্চবিদ্যালয় রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের অনেক শিক্ষককেও এই খেয়া ব্যবহার করতে হয়। সংযোগ সড়ক উঁচু করা ছাড়া সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। বিষয়টি সমাধানের জন্য কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর আবেদন করেছি।
এবিষয়ে কলাপাড়া এলজিইডির প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামান বলেন, এই খেয়াঘাটে জোয়ারে পানি বেড়ে গেলে তলিয়ে যায়, আবার ভাটায় কাঁদায় ভরে যায়। আসলে সংযোগ সড়কটি মাটি দিয়ে উঁচু করা দরকার। ফান্ডিংয়ের জন্য এটা আমি সামনের উপজেলা পরিষদের মাসিক মিটিংয়ে উত্থাপন করবো।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভোলা সদর উপজেলার আলোচিত কিশোর রেদোয়ান রাসেল হত্যা মামলায় আদালত দুই আসামির জন্য যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় ঘোষণা করেছেন। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন— সদর উপজেলার পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়নের পাঙাশিয়া গ্রামের লোকমান হোসেনের ছেলে মো. সুজন এবং তার মামা মো. ইলিয়াস। ২০০৭ সালে মোবাইল বিক্রি না করায় কিশোরটিকে গলা টিপে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। প্রায় ১৯ বছর পর বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ভোলা জেলা ও দায়রা জজ শরীফ এ. এম. রেজা জাকের আদালতে এই রায় প্রদান করেন।
আদালত ও মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ২০০৭ সালের ২৮ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৭টার দিকে কিশোর রেদোয়ান রাসেল তার বাবার হাওলাদার বাজারের মুদি দোকানে অবস্থান করছিল। তার কাছে মায়ের কেনা নোকিয়া ১১০০ মডেলের একটি মোবাইল ফোন ছিল। এ সময় প্রতিবেশী সুজন তাকে মোবাইল ফোনে কথা বলার কথা বলে দোকান থেকে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর রেদোয়ান নিখোঁজ হয়ে যায়। পরিবার ধারণা করেছিল, সে হয়তো নিকটাত্মীয়দের বাড়িতে গেছে। কিন্তু খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, সে কারো বাড়িতে যায়নি। নিখোঁজের পরদিন পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেন। ঘটনার দুই দিন পর ৩০ ডিসেম্বর স্থানীয়দের মাধ্যমে তারা জানতে পারেন, দক্ষিণ চরপাতা দারোগার খালের পাশে সিদ্দিক মালের বাড়ির সামনে এক কিশোরের মরদেহ পাওয়া গেছে। পরে মরদেহ দেখে পরিবারের সদস্যরা রেদোয়ানকে শনাক্ত করেন। মরদেহের মুখ ও গলায় আঘাতের চিহ্ন ছিল বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় ২০০৭ সালের ৩০ ডিসেম্বর রেদোয়ানের বাবা আব্দুল হক বাদী হয়ে ভোলা সদর মডেল থানায় হত্যা মামলাটি দায়ের করেন। তদন্ত শেষে মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তাগণ সুজন ও ইলিয়াসকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০০৯ সালের ২৩ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। পরে দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত দুই আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করে।
এ তথ্য নিশ্চিত করে ভোলা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) মো. তৈয়ব বলেন, সাক্ষ্যপ্রমাণ বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞ আদালত আসামিদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন। এতে আমরা রাষ্ট্রপক্ষ ন্যায়বিচার পেয়েছি। সামান্য একটি মোবাইলের জন্য হত্যাকাণ্ড—এটি সামাজিক অবক্ষয়ের নমুনা ও নির্মম হত্যাকাণ্ড এটি। ভুক্তভোগীকে গলা টিপে হত্যার পর লাশ গুমের উদ্দেশ্যে খালে ফেলে দিয়েছিল আসামিরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার মাছিহাতা ইউনিয়নের গজারিয়া গ্রামে অগ্নিকাণ্ডের ফলে ১০টি দোকান সম্পূর্ণভাবে পুড়ে গেছে। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিসের দুটি দল এক ঘণ্টার প্রচেষ্টা চালায়।
ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, গজারিয়া গ্রামের আলফাজ মিয়ার ঘরের বৈদ্যুতিক মিটার থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। মিটারটি শর্টসার্কিটের কারণে আগুনে জ্বলতে শুরু করে। ফায়ার সার্ভিসের দুইটি দল এসে প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের উপ-সহকারী পরিচালক মো. ফারুক আহমেদ জানান, শর্টসার্কিটের কারণে আগুনের লাগার সম্ভাবনা রয়েছে। ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণের কাজ বর্তমানে চলমান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভিশনস্প্রিং চালকদের দৃষ্টিশক্তি পরীক্ষা করে প্রয়োজন অনুযায়ী বিনামূল্যে চশমা দেওয়ার একটি কর্মসূচি শুরু করেছে। এই কর্মসূচিটি বিশ্ব দৃষ্টি দিবস ও জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের (ডিটিসিএ) উদ্যোগে তিন দিনব্যাপী আয়োজন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক ভবনে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রেল ও সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশীদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মোহাম্মদ জিয়াউল হক। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিটিসিএর নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ মশিউর রহমান।
হাবিবুর রশীদ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বলেন, সড়ক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সাধারণত অবকাঠামো উন্নয়ন, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ও আইন প্রয়োগের বিষয়গুলো বেশি গুরুত্ব পায়। কিন্তু নিরাপদ সড়কের জন্য চালকের দৃষ্টিশক্তিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চক্ষু পরীক্ষা ও চশমা দেওয়ার এই উদ্যোগের মাধ্যমে বিষয়টি আরো গুরুত্ব পেয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, আধুনিক ও কার্যকর পরিবহনব্যবস্থা গড়ে তুলতে সড়ক অবকাঠামোর পাশাপাশি চালকদের স্বাস্থ্য, সক্ষমতা ও সচেতনতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। তিনি চালকদের নিয়মিত চোখ পরীক্ষা করার, নিজেদের স্বাস্থ্যের বিষয়ে সচেতন থাকার এবং ট্রাফিক আইন মেনে নিরাপদ গতিতে গাড়ি চালানোর আহ্বান জানান।
এই তিন দিনের কর্মসূচিতে প্রায় ২০০ চালককে চক্ষুসেবা দেওয়ার কথা জানিয়েছেন হাবিবুর রশীদ। পরীক্ষার পর প্রয়োজন অনুযায়ী তাদের বিনামূল্যে চশমা দেওয়া হবে। তার মতে, চালকের ভালো দৃষ্টিশক্তি সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
পথচারীদের নিরাপত্তার বিষয়েও চালকদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, চালকদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা শুধুমাত্র তাদের নিজেদের বিষয় নয়, এটি সরকারের দায়িত্বেরও অংশ। নিরাপদ সড়ক ও আধুনিক পরিবহনব্যবস্থা গড়ে তুলতে সরকার, পরিবহন মালিক, চালকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মোহাম্মদ জিয়াউল হক বলেন, চালকদের চোখ পরীক্ষা, রক্তচাপ পরীক্ষা ও ডোপ টেস্টের বিষয়গুলো গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। দীর্ঘ সময় গাড়ি চালানোর পর চালকদের বিশ্রামের সুযোগ দিতে দেশের চারটি জেলায় বিশ্রামাগার তৈরি করা হয়েছে। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে এগুলো পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হবে।
ডিটিসিএর নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ মশিউর রহমান বলেন, ভিশনস্প্রিংয়ের উদ্যোগটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দৃষ্টিশক্তি কম থাকা কোনো চালক গাড়ি চালালে চালক, যাত্রী ও পথচারী—সবার নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে পড়ে। তাই চালকদের অন্যান্য যোগ্যতার পাশাপাশি ভালো দৃষ্টিশক্তি থাকা প্রয়োজন।
অনুষ্ঠানে ভিশনস্প্রিংয়ের সহযোগী ব্যবস্থাপক উম্মে সালমা জানান, প্রতিষ্ঠানটি মূলত প্রান্তিক ও স্বল্পআয়ের মানুষের জন্য কাজ করে। সি-টু-বি-সি কর্মসূচির আওতায় প্রায় আট লাখ চালকের চোখ পরীক্ষা এবং তাদের মধ্যে প্রায় চার লাখ চালককে চশমা দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে।
ভিশনস্প্রিং একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটি স্বল্পআয়ের মানুষের কাছে সুলভ মূল্যে চশমা ও দৃষ্টিশক্তি পরীক্ষার সেবা পৌঁছে দেয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ