ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দোহার বিস্ফোরণ নিয়ে যা জানাল কাতার


দোহার বিস্ফোরণ নিয়ে যা জানাল কাতার

পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে চরম উত্তেজনা এবং চলমান সংঘাতের মাঝে, এবার কাতারের রাজধানী দোহায় একটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে। তবে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কাতারি সশস্ত্র বাহিনী অত্যন্ত সফলতার সাথে এই ক্ষেপণের চেষ্টা প্রতিহত করতে সক্ষম হয়েছে।

শুক্রবার সকালে দোহায় বেশ কয়েকটি বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়, যা আতঙ্ক ছড়িয়ে দেয়। পরবর্তীতে কাতার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করে। এই বিবৃতিতে বলা হয়, কাতারের ভূখণ্ডকে লক্ষ্য করে চালানো একটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা সশস্ত্র বাহিনী সফলভাবে রুখে দিয়েছে। তবে এই হামলার পেছনে সুনির্দিষ্টভাবে কোন পক্ষ জড়িত, সে বিষয়ে কাতারি সামরিক বাহিনী এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কারও নাম প্রকাশ করেনি।

এই অঞ্চলের সাম্প্রতিক ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বাহিনী এবং আঞ্চলিক শক্তিগুলোর মধ্যে উত্তেজনার ধারাবাহিকতার মধ্যে এই হামলার ঘটনা ঘটেছে। মাত্র একদিন আগে, গত বৃহস্পতিবার কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির কাছে, মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) ইরানের একাধিক কমান্ড সেন্টার, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিতে বড় ধরনের সামরিক বিমান হামলা চালায়। মার্কিন এই আগ্রাসনের জবাবে ইরানও পাল্টা আঘাত হানে। তারা পার্শ্ববর্তী দেশ কুয়েত এবং বাহরাইনে উপস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ঝাঁকে ঝাঁকে ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে, যার ফলে ওই দেশগুলোর স্থানীয় আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় হয়ে ওঠে।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশ-ভারত করমর্দনের অপেক্ষা, আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনও হয়নি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফিলিস্তিনিদের সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েই গাজায় ব্যাপক হামলা ইসরাইলের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:০২ এম


ফিলিস্তিনিদের সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েই গাজায় ব্যাপক হামলা ইসরাইলের

যুদ্ধবিরতির মধ্যেও গাজায় অব্যাহত রয়েছে ইসরাইলি আগ্রাসন। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) মধ্য গাজার চারটি এলাকায় ফিলিস্তিনিদের সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়ার মাধ্যমে দখলদার বাহিনী ব্যাপক বিমান হামলা চালিয়েছে। এই হামলায় গাজার দক্ষিণাঞ্চলে অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন। পাশাপাশি, পশ্চিম তীরে বসতি সম্প্রসারণের ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

যুদ্ধবিরতির আশায় দেশে ফিরেছিলেন গাজার অনেক ফিলিস্তিনি। কিন্তু সেই ঘর এখন আবার ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। মধ্য গাজার বুরেইজ, মাগাজি, দেইর আল-বালাহ ও নুসেইরাত এলাকায় ফিলিস্তিনিদের সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিতে গিয়ে ইসরাইলি বাহিনী ব্যাপক বিমান হামলা চালানো শুরু করেছে। স্থানীয়দের দাবি, হামলায় তাদের ঘর-বাড়ি ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে, এই হামলায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

দক্ষিণ গাজায়ও নতুন করে হামলার খবর দিয়েছে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ। স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের বরাতে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, বৃহস্পতিবার ইসরাইলি হামলায় কয়েকজন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। দক্ষিণ গাজার আল-মাওয়াসি, খান ইউনিসের পাশাপাশি গাজা সিটির এলাকায় এসব হামলা চালানো হয়।

গাজার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের দাবি, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ইসরাইলি অভিযানে নিহতের সংখ্যা ৭৩ হাজার ছাড়িয়ে গেছে।

শুধু গাজায় নয়, উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে অধিকৃত পশ্চিম তীরেও। হেবরনের দক্ষিণে মাসাফের ইয়াত্তা এলাকায় ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীদের হামলায় কয়েকজন ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে ফিলিস্তিনি রেড ক্রিসেন্ট। একই এলাকায় ফিলিস্তিনিদের কৃষিজমিতে আগুন লাগানো এবং যানবাহন পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ইসরাইলি বসতিস্থাপনকারীদের বিরুদ্ধে।

পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বসতি সম্প্রসারণ নিয়ে নতুন উত্তেজনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ইসরাইলের অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোটরিচ জানিয়েছেন, পশ্চিম তীরে নতুন ৩৪টি বসতি স্থাপনের জন্য প্রায় ৪৩ কোটি ডলারের বাজেট নিরাপত্তা মন্ত্রিসভা অনুমোদন করেছে। অন্যদিকে, হামাসের কর্মকর্তা আবদুল রহমান শাদিদ ফিলিস্তিনিদের প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন।

বিশ্লেষকদের মতে, গাজা যুদ্ধের পাশাপাশি পশ্চিম তীরে বসতি সম্প্রসারণ ফিলিস্তিন-ইসরায়েল সংকটকে আরও জটিল করে তুলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাশিয়া-ইউক্রেন পাল্টাপাল্টি হামলা, শান্তি আলোচনা অনিশ্চিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:০৭ এম


রাশিয়া-ইউক্রেন পাল্টাপাল্টি হামলা, শান্তি আলোচনা অনিশ্চিত

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের সংঘাতের তীব্রতা আবারও বৃদ্ধি পাচ্ছে। ইউক্রেনের জাপোরিঝিয়ায় রুশ গাইডেড বোমা হামলায় অন্তত তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এই হামলায় একাধিক বাড়িঘর ধ্বংস হয়ে গেছে এবং আশপাশের স্থাপনাগুলোও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইউক্রেনের স্থানীয় প্রশাসন আশঙ্কা প্রকাশ করেছে যে, ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও একজন আটকা পড়ে থাকতে পারেন। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) ইউক্রেনের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় শহর জাপোরিঝিয়ায় রুশ বাহিনী তিনটি গাইডেড এয়ার বোমা ফেলা হয়, যার ফলে অনেকের হতাহতের খবর পাওয়া গেছে।

উত্তরের দিক থেকে পাল্টা জবাবে কৃষ্ণসাগরে রাশিয়ার শ্যাডো ফ্লিটের দুটি তেলবাহী ট্যাংকারে ড্রোন হামলার দাবি করেছে ইউক্রেনের নিরাপত্তা সংস্থা এসবিইউ। তারা দাবি করেছে, লুইস-ওয়ান ও বান্দা নামক জাহাজ দুটি আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছিল। এই হামলার কারণে রাশিয়ার অর্থনীতির একটি প্রধান ভিত্তি জ্বালানি রফতানির ওপর আঘাত এসেছে। কারণ সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ইউক্রেন বারবার রুশ তেল শোধনাগার, জ্বালানি অবকাঠামো এবং সমুদ্রপথে সরবরাহ ব্যবস্থাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করেছে।

যুদ্ধের প্রায় সাড়ে চার বছরের পর কূটনৈতিক উদ্যোগগুলো স্থবির হয়ে রয়েছে। ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ জানিয়েছেন, তুরস্ক মধ্যস্থতার জন্য আগ্রহী হলেও নতুন করে শান্তি আলোচনা শুরু করার কোনো সম্ভাবনা নেই।

এসব উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার কিয়েভে পৌঁছেছেন বিদায়ী সফরে। তিনি প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠক করেন, যেখানে ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি, পশ্চিমা সামরিক সহায়তার অগ্রগতি এবং ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করেন। বৈঠকের আগে দুই নেতা কিয়েভে নিহত ইউক্রেনীয় সেনাদের স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সরকারি নথিতে ‘মৃত’ কাশ্মীরের নিখোঁজ ব্যক্তি, মিললো না কেবল মরদেহের ঠিকানা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:১১ এম


সরকারি নথিতে ‘মৃত’ কাশ্মীরের নিখোঁজ ব্যক্তি, মিললো না কেবল মরদেহের ঠিকানা

তিন দশকের অপেক্ষার পরও মেলেনি মরদেহ, সেইসাথে মেলেনি ন্যায়বিচার। অবশেষে আদালতের এক ঘোষণায় সরকারি নথিতে ‘মৃত’ হলেন কাশ্মীরের এক নিখোঁজ ব্যক্তি। কিন্তু কোথাও নেই তার মরদেহের ঠিকানা। এই একটি মৃত্যু সনদ আবারো সামনে আনার চেষ্টা করছে ভারত-শাসিত কাশ্মীরের হাজারো গুম, অচিহ্নিত কবর এবং বিচারহীনতার দীর্ঘ ইতিহাসকে।

১৯৯৭ সালের জুলাই মাসে, শ্রীনগরের কাঠ ব্যবসায়ী আবদুল রশিদ ওয়ানিকে বাজারে যাওয়ার উদ্দেশ্যে যাওয়ার পথে সেনাবাহিনীর হেফাজতে নেয়া হয়। সেদিন রাতে তার পরিবারের সঙ্গে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দেয়ার কথা ছিল। কিন্তু তিনি আর বাড়িতে ফেরেননি।

প্রায় ২৯ বছর পর আদালত জানিয়েছে, সেনাবাহিনীর এক মেজরের হেফাজতেই তাকে হত্যা করে মরদেহ গোপন করে রাখা হয়েছিল। আদালতের নির্দেশনার মাধ্যমে এবার প্রথমবারের মতো ওয়ানির জন্য মৃত্যু সনদ ইস্যুর সম্ভাবনা তৈরি হলো। তবে আজও কেউ জানে না, কোথায় রয়েছে তার দেহাবশেষ।

এই রায়কে কাশ্মীরে জোরপূর্বক গুমের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি হিসেবে দেখছেন মানবাধিকারকর্মীরা। তাদের কেন্দ্রীয় বক্তব্য হলো, ১৯৮৯ সালের পর সহিংসতার সময় অন্তত আট হাজার মানুষ নিখোঁজ হয়েছেন। অনেক পরিবারের এখনও জানা নেই, তাদের স্বজন জীবিত নাকি মৃত। কাশ্মীরের এসব নারীদের ‘হাফ-উইডো’ বা অর্ধ-বিধবা বলা হয়, কারণ তারা স্বামীর মৃত্যুর নিশ্চিত প্রমাণ না পাওয়ায় শোকও সম্পূর্ণ করতে পারেন না।

গুমের অভিযোগের সাথে সাথে অচিহ্নিত গণকবরের বিষয়টিও বারবার উঠে এসেছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর দাবি থাকে যে, নিয়ন্ত্রণরেখা সংলগ্ন দুর্গম এলাকায় ২ হাজার ৭০০-এর বেশি অচিহ্নিত কবর রয়েছে।

২০১১ সালে কাশ্মীরের মানবাধিকার কমিশনেও বহু কবরের অস্তিত্ব নিশ্চিত করে জানায়, অধিকাংশ মরদেহের পরিচয় সরকারের কাছেও নেই। যদিও ডিএনএ পরীক্ষার সুপারিশ করা হয়েছিল, কিন্তু তা বাস্তবায়িত হয়নি। ২০১৯ সালে কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিলের পর সেই মানবাধিকার কমিশনও বিলুপ্ত হয়ে যায়।

ভারত সরকার বরাবরই বলে এসেছে যে, এসব কবরের বেশিরভাগই সংঘর্ষে নিহত অজ্ঞাতবিদ্রোহীদের। অনেক নিখোঁজ ব্যক্তিকে তারা পাকিস্তানে চলে যাওয়ার দাবি করেছে। তবে ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর প্রশ্নগুলো অনবরত একটাই, যদি তাদের স্বজন আর বেঁচে না থাকেন, অন্তত তাদের মরদেহ কোথায়?

প্রায় তিন দশক পর একটি মৃত্যু সনদ সেই প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিতে পারেনি। এটি নতুন করে মনে করিয়ে দিলো যে, কাশ্মীরে অনেক পরিবারের কাছে যুদ্ধ এখনও শেষ হয়নি, তারা এখনও সত্য, ন্যায়বিচার এবং স্বজনের শেষ ঠিকানার জন্য অপেক্ষা করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামে পাঁচতলা ভবন থেকে পড়ে প্রাণ গেল এক ব্যক্তির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:১৫ এম


চট্টগ্রামে পাঁচতলা ভবন থেকে পড়ে প্রাণ গেল এক ব্যক্তির

চট্টগ্রামে একটি ভবনের ৫ তলা থেকে পড়ে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) রাতে নগরের পাঁচলাইশ থানাধীন ষোলশহর ২ নম্বর গেট এলাকায় ফিনলে স্কয়ার ভবনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির সূত্রে খবর, অজ্ঞাতপরিচয় ওই ব্যক্তি ফিনলে স্কয়ার ভবনের পঞ্চম তলা থেকে নিচে পড়ে গুরুতর আহত হন। পরে উদ্ধার করে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। হাসপাতাল সূত্রের আরও তথ্য বলছে, নিহত ব্যক্তির পরিচয় এখনও শনাক্ত করা যায়নি। তার মরদেহ বর্তমানে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে সংরক্ষিত রয়েছে। চমেক হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নুরে আলম আশেক জানিয়েছেন, ঘটনাটি কীভাবে ঘটেছে এবং এটি আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনো কারণে হয়েছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। মৃত্যুবরণ করা ব্যক্তির পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলমান রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%