ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মেঘনা-ভুলুয়ার ভাঙনে বিপর্যস্ত রামগতির বয়ারচর


মেঘনা-ভুলুয়ার ভাঙনে বিপর্যস্ত রামগতির বয়ারচর

মেঘনার অব্যাহত ভাঙনে লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার বয়ারচর ক্রমেই বিক্ষত হচ্ছে। বৃহস্পতিবার বয়ারচরের গাবতলী স্লুইসগেইট এলাকায় এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। নদীর ভাঙনে একের পর এক ঘরবাড়ি, দোকানপাট, সড়ক ও স্থাপনা বিলীন হয়ে যাচ্ছে। এতে বদলে যাচ্ছে জনপদের চিত্র।

ভাঙন আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন নদীপারের মানুষ। তাদের দাবি, নদীভাঙন থেকে বয়ারচরকে রক্ষা করতে দ্রুত স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা প্রয়োজন। স্থানীয় জনগণের অভিযোগ, বর্ষা মৌসুমে নদীর জোয়ারের সময় মেঘনা ও ভুলুয়া নদীর পানি বাড়লে ভাঙনের তীব্রতা বাড়ে। কোথাও নদীর পাড় ধসে পড়ছে, কোথাও বসতভিটা ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান নদীগর্ভে হারিয়ে যাচ্ছে। গত বছরও বয়ারচরের বিভিন্ন এলাকায় ভয়াবহ ভাঙনে বহু ঘরবাড়ি ও স্থাপনা বিলীন হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, বয়ারচরের দক্ষিণে ভুলুয়া নদী এবং পশ্চিমে মেঘনা নদী অবস্থিত। দুই নদীর মাঝে থাকা জনপদ হওয়ায় ভাঙনের ঝুঁকি যেন নিত্যসঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের ভাষ্য, নদী দুটির গতিপথ ও পানির প্রবল স্রোতের কারণে প্রতিবছরই নতুন নতুন এলাকা ভাঙনের শিকার হচ্ছে, ফলে অনেক পরিবার বসতভিটা হারিয়ে অন্যত্র আশ্রয় নিতে বাধ্য হচ্ছে।

আরও পড়ুন: শেরপুরে বাস-সিএনজির সংঘর্ষে জুয়েল মিয়া নিহত, আহত ৪

রামগতি চরগাজী ইউনিয়ন পরিষদ সূত্রে জানা যায়, লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার এই চরটি নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার হরণী ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী, যা মেঘনা ও ভুলুয়া নদীবেষ্টিত। মেঘনার বুকে পলি জমে জেগে ওঠা এ চরে একসময় ছিল নদী ও চরাঞ্চলের নিঃসঙ্গ জনপদ। সময়ের পরিক্রমায় সেই ভূমিতে মানুষের বসতি, কৃষি, বাজার ও যোগাযোগব্যবস্থা গড়ে উঠেছিল। কিন্তু যে নদী থেকে এসব চর সৃষ্টি হয়েছে, সেই মেঘনা ও পাশের ভুলুয়া নদীই এখন বয়ারচরের জন্য বড় আতঙ্ক হয়ে উঠেছে। পলি জমে যে ভূমির জন্ম, নদীভাঙনে সেই ভূমিই আবার হারিয়ে যাচ্ছে। ফলস্বরূপ, বয়ারচরের ইতিহাস একটা দিকে নতুন ভূমি সৃষ্টির, অন্যদিকে সেই ভূমি রক্ষার নিরন্তর সংগ্রামের। এ চরে বর্তমানে লক্ষাধিক মানুষের বসবাস রয়েছে।

২০০২ সালে সিডিএসপি ২ প্রকল্পের আওতায় বয়ারচরের উন্নয়ন কার্যক্রমের প্রস্তুতিমূলক কাজ শুরু হয় এবং ২০০৫ সাল থেকে দাপ্তরিক কার্যক্রম আরও জোরালো হয়। বিবেচনায়, এই চরটি মেঘনা ও ভুলুয়া নদীর মাঝখানের বিচ্ছিন্ন একটি দ্বীপ অঞ্চল।

শুধু বসতবাড়িই নয়, নদীভাঙনে হুমকিতে রয়েছে বয়ারচরের গুরুত্বপূর্ণ বাজার, সড়ক ও যোগাযোগব্যবস্থা। ২০২৫ সালের জুলাইয়ে ভুলুয়া নদীর ভাঙনে বয়ারচর সেতুর দুই পাশের মাটি সরে গিয়ে সড়কে বড় গর্ত সৃষ্টি হয়, যার ফলে রামগতি-নোয়াখালী সড়ক বিচ্ছিন্ন হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। তখন স্থানীয়দের পক্ষ থেকে নদী খনন, জিও ব্যাগ ডাম্পিং এবং বাঁধ নির্মাণ করার দাবি করা হয়েছিল।

এদিকে, মেঘনা ও ভুলুয়া নদীর জোয়ারের চাপেও বয়ারচরের তেগাছিয়া বাজার এলাকায় ভাঙন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। ২০২৫ সালের অক্টোবরে ভাঙনে একটি পুলিশ ফাঁড়ি নদীতে বিলীন হয়ে যায় এবং স্থানীয় তেগাছিয়া বাজারের বেশ কয়েকটি দোকানও নদীতে বিলীন হয়। স্থানীয়দের আশঙ্কা, কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়া হলে গুরুত্বপূর্ণ বাজারটি রক্ষা করা অসম্ভব হয়ে পড়বে। চলতি বর্ষা মৌসুমে বয়ারচরের বিভিন্ন এলাকায় তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে।

আরও পড়ুন: কেন্দুয়ায় পাচারের সময় ৩২ বস্তা সার জব্দ, চালক পালিয়েছে

স্থানীয়রা জানান, প্রতিবছরই নদী ভাঙছে এবং মানুষ ঘরবাড়ি হারাচ্ছে। পাউবো সাময়িক কিছু ব্যবস্থা নিলেও স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ নিচ্ছে না। তারা জানান, চলতি বর্ষায় রামগতি উপজেলার বয়ারচরের সেতু ঘাট থেকে চেয়ারম্যান ঘাট পর্যন্ত বেড়িবাঁধের একাধিক অংশ ভেঙে যায়। স্লুইসগেট এলাকার বাঁধ ভেঙে তিন শতাধিক ঘরবাড়ি নদীতে বিলীন হয়েছে এবং পরে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) অস্থায়ীভাবে জিও ব্যাগ ফেলে।

তাদের ভাষ্য, নদীভাঙনের কারণে একদিকে মানুষ বসতভিটা হারাচ্ছে এবং অন্যদিকে কৃষিজমি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান কমে যাচ্ছে। যোগাযোগব্যবস্থাও ভেঙে পড়েছে এবং শিক্ষা, চিকিৎসা ও পণ্য পরিবহনেও চরম দুর্ভোগ নেমে আসছে এ চরে।

স্থানীয় বাসিন্দা ওয়ারেছ মাঝি বলেন, "বয়ারচরে এখন প্রতিদিন জোয়ারের তীব্র স্রোতে পানি প্রবেশ করে এবং রাস্তাঘাট, স্কুল, মাদ্রাসা সব নদীর গর্ভে চলে যাচ্ছে। মনে হয় নদী আমাদের এ চরকে গিলে ফেলছে।" চরবাসীর দাবি, বয়ারচর রক্ষায় দ্রূত টেকসই বাঁধ নির্মাণ করা হোক।

স্থানীয় চরগাজী ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য (মেম্বার) মো. দিদার উদ্দীন বলেন, "দ্রূত টেকসই বাঁধ নির্মাণ না হলে আগামী বর্ষার আগেই রামগতি উপজেলার মানচিত্র থেকে লক্ষাধিক মানুষের বসবাস করা এই চরটি বিলীন হয়ে যাবে।" তিনি জানান, সম্প্রতি চরের বাসিন্দারা ‘নদী ভাঙ্গন ঠেকাও, বয়ারচর বাঁচাও’ দাবিতে মানববন্ধন করেছেন। তাদের অভিযোগ, প্রশাসন ও পাউবোকে অনেকবার জানানো সত্ত্বেও কোন লাভ হয়নি।

আরও পড়ুন: উখিয়ায় ১৫ ঘণ্টা পরও জ্বলছে গ্যাসের আগুন, ১৫ কিলোমিটার এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ

লক্ষ্মীপুর পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী নাহিদ উজ্জামান খান বলেন, "বয়ারচরে মেঘনার ভাঙন নতুন নয়, এটি দীর্ঘদিন ধরেই চলছে। ভাঙন রোধে বিভিন্ন সময় পাউবো অস্থায়ী কাজ করেছে। তবে স্থায়ীভাবে ভাঙন রোধে ‘সবুজ পাতা প্রকল্প’-এ রামগতির বয়ারচরকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।" নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, প্রকল্পের আওতায় নদীতীরে প্রায় ১০ কিলোমিটার দীর্ঘ বাঁধের কাজ করা হবে। প্রকল্পটির অনুমোদনের জন্য মন্ত্রণালয়ে ফাইল পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন পেলে কাজ শুরু করা যাবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চা-চাষ লালমনিরহাটে সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে: ত্রাণমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:০৬ পি.এম


চা-চাষ লালমনিরহাটে সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে: ত্রাণমন্ত্রী

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এমপি বলেছেন, চা-চাষ লালমনিরহাটের অর্থনীতি ও কৃষিতে সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। তিনি উল্লেখ করেন, পরিকল্পিত চাষাবাদ, আধুনিক পরিচর্যা, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও সুষ্ঠু বিপণন নিশ্চিত করা গেলে এ অঞ্চলের চা-শিল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টি, কৃষকের আয় বৃদ্ধি এবং সামগ্রিক আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সুদূরপ্রসারী ভূমিকা রাখতে পারে। আজ শনিবার লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার পূর্ব বিছনদই (ডাউয়াবাড়ী) এলাকায় জেলায় উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠিত ‘সোমা চা-বাগান’ পরিদর্শন শেষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ত্রাণমন্ত্রী বলেন, লালমনিরহাটের মাটি, ভূ-প্রকৃতি ও আবহাওয়া চা-চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। ইতোমধ্যে পার্শ্ববর্তী পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁও জেলার বিস্তীর্ণ সমভূমিতে চা-চাষের ব্যাপক প্রসার ঘটেছে। সেই সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে লালমনিরহাটেও চা-শিল্পকে একটি শক্তিশালী ও লাভজনক কৃষিভিত্তিক শিল্পে পরিণত করা সম্ভব। অনুষ্ঠানে স্থানীয় সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার হাসান রাজীব প্রধান, চা-বাগানের উদ্যোক্তা শাহান আরা বেগম সোমা, ফেরদৌস আলমসহ স্থানীয় অন্যরা বক্তব্য দেন। মন্ত্রী চা-শিল্পের বিকাশে সরকারের পক্ষ থেকে সম্ভব সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে বলেন, চা শুধু একটি কৃষিপণ্য নয়—এটি গ্রামীণ অর্থনীতির গতিশীলতা বাড়ানোর পাশাপাশি নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টি ও স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থানের বড় ক্ষেত্র হতে পারে। এ শিল্পের সঙ্গে কৃষক, শ্রমিক, উদ্যোক্তা, পরিবহন ও বিপণনসহ বহু মানুষ সম্পৃক্ত হওয়ার সুযোগ রয়েছে। উল্লেখ্য, রংপুর বিভাগের পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁওয়ের পাশাপাশি সাম্প্রতিক সময়ে চা-শিল্পে সম্ভাবনাময় জেলা হিসেবে এগিয়ে আসছে লালমনিরহাট। জেলার পাঁচটি উপজেলায় বর্তমানে প্রায় ২০০ একর জমিতে চা-বাগান গড়ে উঠেছে। এসব বাগানে প্রতিবছর প্রায় ১ হাজার ৪০০ টন চা পাতা উৎপাদিত হচ্ছে। স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত চা পাতার প্রক্রিয়াজাতকরণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক ও স্থানীয় চা-বাগান মালিকদের যৌথ উদ্যোগে ‘সোমা অ্যান্ড সোমা টি প্রসেসিং লিমিটেড’ নামে একটি চা প্রক্রিয়াজাতকরণ প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। এর ফলে স্থানীয় পর্যায়ে উৎপাদিত চা পাতার মূল্য সংযোজন ও বাজারজাতকরণের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাসপাতালে সিন্ডিকেট নির্মূল করা হবে: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:০৭ পি.এম


হাসপাতালে সিন্ডিকেট নির্মূল করা হবে: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেছেন, "হাসপাতালে চিকিৎসা ক্ষেত্রে কেউ সিন্ডিকেট করলে তা নির্মূল করা হবে।" তিনি আরও জানান, "তারা যতই শক্তিশালী হোক, সবাইকে সঙ্গে নিয়ে সেই সিন্ডেকেট ভেঙে দেওয়া হবে।" শনিবার দুপুরে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের নতুন ভবনের সামনে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটি ও অংশীজনদের নিয়ে মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, "প্রধানমন্ত্রী মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থসেবা পৌঁছে দিতে চান।" তিনি উল্লেখ করেন, "সরকারি হাসপাতালগুলোতে সরকারের সরাসরি সম্পৃক্ত থাকতে হবে।" পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের নতুন ভবনে সেবা চালুর বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী আশ্বস্ত করেছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, "শিগগিরই আমরা নতুন বহুতল ভবনে সেবা চালু করতে পারব।" আরো পড়ুন নিখোঁজের চার দিন পর নদীতে মিলল যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ। পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ জানিয়েছেন, "সরকারি হাসপাতালে ধনী থেকে দিনমজুর সবাই যেন সমান সুযোগ-সুবিধা পায়।" সেজন্য তিনি সিভিল সার্জনসহ চিকিৎসকদের নির্দেশ দেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, জেলা প্রশাসক শুকরিয়া পারভীন, পুলিশ সুপার আবু সাইম, সিভিল সার্জন ডা. মিজানুর রহমান, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জাহিরুল ইসলাম কাচ্চু ও জেলা জামায়াতের আমির ইকবাল হোসাইন প্রমুখ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হ্যাজলউডের ৩০০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:০৮ পি.এম


হ্যাজলউডের ৩০০

জশ হ্যাজলউড গত অ্যাশেজেই মাইলফলকটি ছুঁতে পেরেছিলেন। কেবল ৫টি উইকেটের ব্যাপারই ছিল! কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে টেস্টে ৩০০ উইকেটের মাইলফলকটি সামনে রেখে হ্যামস্ট্রিং ও অ্যাকিলিস টেন্ডন ইনজুরির কারণে তিনি অ্যাশেজ সিরিজ থেকে ছিটকে যান।

৩৫ বছর বয়সি এই পেসার এখন দলে ফিরেছেন বাংলাদেশের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের মধ্য দিয়ে। ডারউইন টেস্টের একাদশে জায়গা করে নিয়ে তিনি এই মাইলফলকটিও ছুঁয়ে ফেলেছেন। তিনি নবম অস্ট্রেলিয়ান হিসেবে টেস্টে ৩০০ উইকেট নিয়েছেন। তার সামনে রয়েছেন শেন ওয়ার্ন, নাথান লায়ন, গ্লেন ম্যাকগ্রা, মিচেল স্টার্ক, ডেনিস লিলি, প্যাট কামিন্স, মিচেল জনসন ও ব্রেট লি। বর্তমানে ৭০৮ উইকেট নিয়ে শীর্ষে আছেন শেন ওয়ার্ন।

৩০০ উইকেট নিতে হ্যাজলউডের ৭৭টি ম্যাচের প্রয়োজন হয়েছে। ২৪.০২ গড়ের ক্যারিয়ারে তিনি ১৪ বার ফাইফার পেয়েছেন। তিন ফরম্যাট মিলিয়ে তার উইকেটসংখ্যা ৫২২। এই হিসেবে অজিদের মধ্যে হ্যাজলউড আছেন ৮ নম্বরে। এখানেও প্রথম স্থানে রয়েছেন শেন ওয়ার্ন (৯৯৯ উইকেট)। এরপর আছেন ম্যাকগ্র্যা, স্টার্ক, লি, লায়ন, জনসন ও কামিন্স।

টেস্টে হ্যাজলউডের ৩০০তম উইকেটের শিকার হয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। হ্যাজলউড পরবর্তীতে এবাদত হোসেনকেও শিকার করেন। সব মিলিয়ে ৬ উইকেট নিতে তিনি ২৮ওভার খরচ করেছেন ৮৯ রান।

মিরাজ হ্যাজলউডের শিকার হওয়ার আগে অস্ট্রেলিয়াকে বেশ ভুগিয়েছেন। বাংলাদেশের ৪২৬ রান করার ইনিংসে টেলএন্ডারদের নিয়ে মিরাজ ৬৫ রান করেছেন। তানজিদ তামিম ১০১ রান ও নাজমুল হোসেন শান্ত ৮৪ রান করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে ডিএনসিসি প্রশাসকের শ্রদ্ধা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:০৯ পি.এম


বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে ডিএনসিসি প্রশাসকের শ্রদ্ধা

সাবেক প্রধানমন্ত্রী, বিএনপি চেয়ারপারসন ও গণতন্ত্রের আপসহীন নেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে, সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।

আজ দুপুরে, প্রশাসকের নেতৃত্বে ডিএনসিসির কর্মকর্তারা রাজধানীর জিয়া উদ্যানে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের পাশে সমাহিত বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

এ সময়, মরহুমার রুহের মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

শ্রদ্ধা নিবেদনকালে, ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ রাকিবুল হাসান এবং প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরীসহ ডিএনসিসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ১৯৪৫ সালের ১৫ আগস্ট জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ২০২৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুর পর, তিনি ঢাকার জিয়া উদ্যানে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সমাধির পাশে সমাহিত করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%