বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৬:৩১ পি.এম
ঢাকার আশুলিয়ার শিমুলিয়া এলাকায় শাশুড়িকে গলা টিপে হত্যার পর ঘটনা ধামাচাপা দিতে লাশ দাফনের ঘটনায় পুত্রবধূকে গ্রেপ্তার করেছে আশুলিয়া থানা পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুরে গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানায় পুলিশ।
আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম জানান, মঙ্গলবার (৩০ জুন) আশুলিয়ার থানার শিমুলিয়া ইউনিয়নের পাড়াগ্রাম এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত সখিনা বেগম (৬০) শিমুলিয়ার পাড়াগ্রাম এলাকার মো. মনছের আলীর স্ত্রী। গ্রেপ্তারকৃত পুত্রবধূ ডাক্তার মুক্তা আক্তার (২২) গাজীপুরে কালিয়াকৈর থানার আশাপুর গ্রামের বাসিন্দা।
মামলা সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে শাশুড়ি-বৌয়ের মধ্যে ঝগড়া হয়। এক পর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে মুক্তা আক্তার শাশুড়িকে গলাটিপে ধরলে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে শাশুড়ি অজ্ঞান হয়ে পড়েন। এরপর বিষয়টিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করে স্বামীকে ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে তাকে ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করার পর মরদেহ বাড়িতে এনে স্বাভাবিকভাবে দাফন কাজ সম্পন্ন করা হয়।
ঘটনার পরের দিন মৃত্যুর বিষয়টি সন্দেহ হলে, নিহতের ছেলে ঘটনার বিষয় সবাইকে বলে। পরে বিষয়টি আশুলিয়া থানা পুলিশকে জানালে, পুলিশ পুত্রবধূ মুক্তাকে থানায় নিয়ে যায়। আজ দুপুরে গ্রেপ্তার মুক্তাকে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সারা দেশের মতো বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের অধীনেও উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়েছে। ২০২৬ সালের ২ জুলাই, বরিশালে মোট ৬০ হাজার ৪৩৬ পরীক্ষার্থী এই পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে।
বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টা থেকে বাংলা প্রথম পত্রের মধ্যদিয়ে পরীক্ষা শুরু হয়েছে। বরিশাল শিক্ষাবোর্ডের অধীন ৬০ হাজার ৪৩৬ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করছেন। এর মধ্যে ২৮ হাজার ৩০ জন ছাত্র এবং ৩২ হাজার ৪০৬ জন ছাত্রী রয়েছেন।
এবছর প্রথম বারের মত অভিন্ন প্রশ্নপত্রে সবগুলো শিক্ষা বোর্ডে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, যদি প্রস্তুতি ভালো থাকে, তাহলে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে কোন সমস্যা থাকার কথা নয়।
বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ইউনুস আলি সিদ্দীকি বাসস’কে জানিয়েছেন, প্রতিটি কক্ষে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে এবং প্রশাসন কাজ করছে। পরীক্ষার জন্য ২১ টি ভিজিলেন্স টিম কাজ করছে।
বরিশালে মোট ১৪২ টি কেন্দ্রে ৩৫০ টি কলেজের শিক্ষার্থীরা অংশ নিচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরান ও ওমান হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের কাছ থেকে ফি আদায়ের পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র এই উদ্যোগের বিরোধিতা করছে।
কূটনৈতিক সূত্রগুলোর মতে, পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হলে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে দীর্ঘদিনের ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আসবে।
হরমুজ প্রণালি পারস্য উপসাগরকে বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত করেছে। যুদ্ধের আগে এই পথ দিয়ে জাহাজগুলো বিনা খরচে চলাচল করত। বিশ্বের বড় অংশের তেল ও গ্যাস এই পথ দিয়ে পরিবহন করা হয়।
তবে সাম্প্রতিক সংঘাতের সময় ইরান এই নৌপথে প্রভাব বিস্তার করে, যার ফলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়ে যায়।
কূটনৈতিক সূত্র জানায়, ওমান যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা দেশগুলোর কাছে একটি প্রস্তাব দিয়েছে। এতে প্রণালি ব্যবহারকারী জাহাজ ও শিপিং কোম্পানির কাছ থেকে সেবা ফি নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। ওমানের দাবি, এটি বাধ্যতামূলক টোল নয়, বরং স্বেচ্ছাভিত্তিক ফি।
তবে ইরানের কিছু কর্মকর্তা বলছেন, এই অর্থ প্রদান বাধ্যতামূলক হওয়া উচিত।
ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গরিবাবাদি বলেছেন, তেহরান চায় ওমানের সঙ্গে এ বিষয়ে একটি সমঝোতা হোক। কিন্তু সমঝোতা না হলে ইরান নিজস্ব পরিকল্পনা নিয়ে এগোতে পারে। ওমান দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করে আসছে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশটি কঠিন কূটনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।
মে মাসে ওমান ও ইরানের যৌথ উদ্যোগে ফি আদায়ের সম্ভাবনা প্রকাশ্যে আসার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এর তীব্র সমালোচনা করেন। গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, হরমুজ প্রণালি ব্যবহার করে চলাচলের জন্য কোনো ধরনের ফি, টোল বা অনুদান আদায়ের ব্যবস্থা যুক্তরাষ্ট্র সমর্থন করবে না। তার মতে, প্রণালিকে যুদ্ধের আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়া উচিত। তবে ইরানের অবস্থান ভিন্ন।
দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, হরমুজ প্রণালি আর আগের অবস্থায় ফিরবে না। ইরানের কর্মকর্তারা মনে করেন, এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে তাদের বর্তমান প্রভাব একটি বড় কৌশলগত শক্তি। এদিকে ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আল-বুসাইদি বলেছেন, প্রণালিতে নিরাপদ নৌ চলাচল, দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং জরুরি সহায়তা নিশ্চিত করতে বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় হয়। তাই স্বেচ্ছাভিত্তিক অর্থ সংগ্রহের একটি ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা করা যেতে পারে।
তিনি মালাক্কা ও সিঙ্গাপুর প্রণালির উদাহরণ দেন, যেখানে নিরাপদ নৌচলাচলের জন্য স্বেচ্ছা অনুদান সংগ্রহ করা হয়। আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থার মহাসচিব আর্সেনিও ডোমিঙ্গুয়েজও বলেছেন, বাধ্যতামূলক টোল আন্তর্জাতিক আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তবে স্বেচ্ছাভিত্তিক একটি তহবিল গঠনের বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে। তবে ওমানের এই প্রস্তাব উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে।
সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সাল বিন ফারহান বলেছেন, হরমুজ প্রণালিকে যুদ্ধের আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়া উচিত এবং নতুন কোনো ব্যবস্থা চাপিয়ে দেওয়া উচিত নয়। বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালির ভবিষ্যৎ এখন শুধু নৌপরিবহন নয়, বরং মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা, কূটনীতি ও বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে উঠেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে মাদক বিক্রি ও সেবনের অভিযোগে চার যুবককে ছয় মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জয়।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, রূপসী প্রধানবাড়ি এলাকার আলী হোসেনের ছেলে মুন্না, বারিয়ারটেক এলাকার মেহের উদ্দিনের ছেলে মৃদুল হাসান, টেকনোয়াদ্দা এলাকার ইসমাইলের ছেলে সাকিব এবং একই এলাকার সিরাজুল ইসলামের ছেলে যুবরাজ মিয়া।
পুলিশ জানায়, দণ্ডপ্রাপ্ত চারজন দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা ও গাঁজা বিক্রি এবং সেবনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ইয়াবা ও গাঁজাসহ তাদের আটক করা হয়। পরে তাদের ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে অভিযুক্তরা অভিযোগ স্বীকার করেন।
শুনানি শেষে আদালত প্রত্যেককে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন। পরে তাদের নারায়ণগঞ্জ জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গুচ্ছভুক্ত (জিএসটি) ২০টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষের ক্লাস ১৫ জুলাই থেকে একযোগে শুরু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর আগে ৮ থেকে ১৩ জুলাই পর্যন্ত চূড়ান্ত ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করার কথা রয়েছে।
গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার কোর কমিটির (২০২৫–২৬) সদস্যসচিব ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মনজুরুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি আরও জানান, বর্তমানে চতুর্থ পর্যায়ের প্রাথমিক ভর্তি সম্পন্ন হয়েছে এবং ৪ ও ৫ জুলাই আরেকটি মেধাতালিকা প্রকাশের সম্ভাবনা রয়েছে। এই তালিকার ভিত্তিতে প্রাথমিক ভর্তি শেষ হলে ৮ থেকে ১৩ জুলাই চূড়ান্ত ভর্তি কার্যক্রম চলবে। এর পরে, ১৫ জুলাই থেকে গুচ্ছভুক্ত সব বিশ্ববিদ্যালয়ে একযোগে প্রথম বর্ষের ক্লাস শুরু হবে।
চূড়ান্ত ভর্তির পর মাইগ্রেশন চালু থাকবে কি না, সে বিষয়ে অধ্যাপক মনজুরুল হক বলেন, এটি নির্ভর করবে চূড়ান্ত ভর্তি শেষে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে কতটি আসন ফাঁকা থাকে। বর্তমানে ৬ থেকে ৭টি বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো আসন ফাঁকা নেই। অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ১০ থেকে ১২টি করে আসন শূন্য রয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন যে আরেক দফা মাইগ্রেশনের পর সেগুলোও পূরণ হয়ে যাবে।
অধ্যাপক মনজুরুল হক আরও জানান, পরবর্তী মাইগ্রেশনের পর যদি মাত্র দুই-তিনটি আসন ফাঁকা থাকে, তাহলে নতুন করে ভর্তি কার্যক্রম নাও নেওয়া হতে পারে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। গুচ্ছ ভর্তি কমিটির পরবর্তী সভায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ