০৫:২২ পি.এম
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পেশাগত এবং কারিগরি দক্ষতা বাড়ানোর উদ্দেশ্যে, শিল্পখাতের চাহিদার সঙ্গে শিক্ষাক্রমের সমন্বয় করতে এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অভিবাস টেকনিক্যাল ট্রেইনিং ইনস্টিটিউটের (ওটিটিআই) সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যায় রাজধানীর ধানমণ্ডিতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর কার্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলরের কনফারেন্স হলে এ সমঝোতা স্মারকটি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ এবং অভিবাস টেকনিক্যাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের পক্ষে মালেকা পারভীন মোলি সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।
আরও পড়ুন: ডেঙ্গু প্রতিরোধে তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মোল্লা মাহফুজ আল-হোসেন, শারীরিক শিক্ষা ও সংস্কৃতিবিষয়ক দপ্তরের পরিচালক মোহাম্মদ শফিউল করিম, অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা দপ্তরের পরিচালক মো. জসিম উদ্দিন, ইন্টারন্যাশনাল ডেস্কের পরিচালক রাজ বিন কাসেম, কমিউনিকেশনস এক্সপার্ট গৌতম বড়ুয়া, এবং মাল্টি-ল্যাঙ্গুয়েজ লার্নিং ইনস্টিটিউটের কোঅর্ডিনেটর মো. সাইফুল ইসলাম শাহীন। অভিবাস টেকনিক্যাল ট্রেইনিং ইনস্টিটিউটের পরিচালক তামান্না রহমান উপস্থিত ছিলেন।
সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের আরো দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে। শিল্পখাতের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষতা অর্জনের সুযোগ তৈরি করা গেলে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দেশের শ্রমবাজারের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারেও নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণ করতে পারবেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সংযোগ আরো জোরদার করবে। এই ধরনের সহযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের আধুনিক ও বাজারমুখী দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে প্রবেশের সক্ষমতা তৈরির সুযোগ সৃষ্টি হবে।’
সমঝোতার অধীনে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য শ্রমবাজারের চাহিদাভিত্তিক বিভিন্ন পেশাগত এবং কারিগরি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে। পাশাপাশি শিল্পখাতের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে একাডেমিক কারিকুলাম উন্নয়ন ও হালনাগাদে দুই প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে কাজ করবে।
আরও পড়ুন: ডেঙ্গু মোকাবেলায় হাসপাতাল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী
এই সহযোগিতার আওতায় প্রশিক্ষণের সুযোগ তৈরি হবে, যেমন: জাপানি ভাষা, কেয়ারগিভিং, তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি), ডিজিটাল মার্কেটিং, বিউটিফিকেশন এবং হসপিটালিটি। প্রশিক্ষণ সফলভাবে শেষ করা শিক্ষার্থীদের সার্টিফিকেশনের মাধ্যমে স্বীকৃতি প্রদান করা হবে।
শিক্ষার্থীদের বাস্তব কর্মক্ষেত্রের সঙ্গে পরিচিত করতে ইন্টার্নশিপ এবং অ্যাপ্রেন্টিসশিপ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। সম্ভাব্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতেও দুই প্রতিষ্ঠান সহযোগিতা করবে। এতে শিক্ষার্থীরা একাডেমিক জ্ঞানের পাশাপাশি কর্মক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ব্যবহারিক ও পেশাগত দক্ষতা অর্জনের সুযোগ পাবেন।
সমঝোতার আওতায় শ্রমবাজারের পরিবর্তিত চাহিদা, দক্ষতার প্রয়োজনীয়তা এবং কর্মসংস্থান নিয়ে যৌথ গবেষণা, সেমিনার এবং কর্মশালার আয়োজন করা হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং শিল্পখাতের মধ্যে কার্যকর যোগাযোগ ও সহযোগিতা গড়ে তুলতেও এই অংশীদারিত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
আরও পড়ুন: ড. ইউনূসকে হেনস্তায় রিটায়ার্ড বিসিএস অফিসার্স প্ল্যাটফর্মের ক্ষোভ ও নিন্দা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন