রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:৩৪ পি.এম
রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে চারজন শিক্ষকের। এর মধ্যে তিনজন শিক্ষককে বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনটি আবাসিক হলের প্রভোস্ট হিসেবে এবং একজনকে ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমান কর্তৃক সই করা পৃথক অফিস আদেশের মাধ্যমে তাদের এই দায়িত্ব প্রদান করা হয়।
অফিস আদেশ অনুযায়ী, নতুন দায়িত্ব গত ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখ থেকে কার্যকর হয়েছে।
আদেশ অনুসারে, রসায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. হারুন-আল-রশীদকে বিজয়-২৪ হলের প্রভোস্ট হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তিনি পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই দায়িত্ব পালন করবেন।
দুর্যোগ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. এ টি এম জিন্নাতুল বাশারকে শহীদ মুখতার ইলাহী হলের প্রভোস্ট হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনিও পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এ দায়িত্ব পালন করবেন।
এছাড়া, ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মহসিনা আহসানকে শহিদ ফেলানী হলের প্রভোস্ট হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তিনিও পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই দায়িত্ব পালন করবেন।
অন্যদিকে, ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. মাসুদ রানাকে ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এর আগে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ, তথ্য ও প্রকাশনা বিভাগের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সম্প্রতি তিনি নিজেই ওই পদ থেকে পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকরা নিজ নিজ পদে দায়িত্ব পালন করবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়নের আদমখাঁ পাড়া এলাকায় রাস্তার সংস্কারকাজ বন্ধ থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সংস্কারকাজ অসম্পূর্ণ অবস্থায় পড়ে থাকায় রাস্তার ওপর ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে পাথর, কণা, বালি, রড, সিমেন্টসহ বিভিন্ন নির্মাণসামগ্রী। এতে সড়কটির স্বাভাবিক চলাচল ব্যবস্থা ব্যাহত হয়ে পড়েছে। অনেক জায়গায় রাস্তার ওপর নির্মাণসামগ্রী থাকায় কোনো যানবাহনই স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতে পারছে না।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রাস্তার সংস্কারকাজ শুরু হওয়ায় তারা আশাবাদী ছিলেন যে, দ্রুত সড়কটি চলাচলের উপযোগী হয়ে উঠবে। কিন্তু কাজ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বর্তমানে তাদের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। রাস্তার ওপর পড়ে থাকা পাথর, বালি ও অন্যান্য নির্মাণসামগ্রীর কারণে পথচারীদের পাশাপাশি মোটরসাইকেল, অটোরিকশাসহ বিভিন্ন যানবাহন চলাচলে মারাত্মক সমস্যা হচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, রাস্তার ওপর নির্মাণসামগ্রী পড়ে থাকায় নিয়মিত ছোট-বড় দুর্ঘটনাও ঘটছে। বিশেষ করে মোটরসাইকেল চালক ও পথচারীদের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। সন্ধ্যার পর পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে বলে জানান তারা।
কেন বন্ধ রয়েছে সংস্কারকাজ?
রাস্তার সংস্কারকাজ বন্ধ থাকার বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা আল আমিন জানান, তাদের বিল সংক্রান্ত সমস্যার কারণে বর্তমানে রাস্তার কাজ বন্ধ রয়েছে। তবে সমস্যাটি দ্রুত সমাধান করে অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে পুনরায় কাজ শুরু করা হবে বলে জানান তিনি।
নিম্নমানের কাজের অভিযোগ, ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানাল এলজিইডি
অন্যদিকে, রাস্তার কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা এলজিইডির (LGED) প্রকৌশলী সাইফুল ইসলাম। তিনি জানান, কাজের মানের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং মন্ত্রণালয় থেকে তাদের শাস্তির আওতায় এনে চিঠি দেওয়া হয়েছে।
প্রকৌশলী সাইফুল ইসলামের বক্তব্যে কাজের মান নিয়ে কর্তৃপক্ষের নজরদারি ও ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি উঠে এসেছে। ফলে রাস্তার সংস্কারকাজ পুনরায় শুরু হলে কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
নির্মাণসামগ্রীতে বন্ধ স্বাভাবিক যান চলাচল
এলাকাবাসী জানান, রাস্তার ওপর পাথর, কণা, বালি, রড ও সিমেন্টসহ বিভিন্ন নির্মাণসামগ্রী পড়ে থাকায় সড়কের অনেক অংশ ব্যবহার করা যাচ্ছে না। ফলে যানবাহন চলাচল প্রায় বন্ধের উপক্রম হয়েছে। জরুরি প্রয়োজনে রোগী নিয়ে যাওয়া কিংবা প্রয়োজনীয় যানবাহন চলাচলেও সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে।
স্থানীয়দের দাবি, সংস্কারকাজ যত দ্রুত সম্ভব শেষ করার পাশাপাশি কাজ চলাকালীন রাস্তার ওপর নির্মাণসামগ্রী এমনভাবে রাখা হোক, যাতে সাধারণ মানুষের চলাচলে বাধা সৃষ্টি না হয়।
দ্রুত সমাধান চান এলাকাবাসী
রহমতপুর আদমখাঁ পাড়ার বাসিন্দাদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে সড়কের এমন অবস্থার কারণে তারা ভোগান্তিতে রয়েছেন। একদিকে রাস্তার ওপর নির্মাণসামগ্রী, অন্যদিকে অসম্পূর্ণ সংস্কারকাজ—সব মিলিয়ে প্রতিদিনই তাদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করে বলেন, বিল সংক্রান্ত জটিলতা কিংবা কাজের মানসংক্রান্ত যে সমস্যাই থাকুক, তা দ্রুত সমাধান করে রাস্তার সংস্কারকাজ সম্পন্ন করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে রাস্তার ওপর পড়ে থাকা নির্মাণসামগ্রী সরিয়ে নিরাপদ ও স্বাভাবিক যান চলাচলের ব্যবস্থা করারও দাবি জানিয়েছেন তারা।
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান দ্রুত সমন্বয়ের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করে অসম্পূর্ণ কাজটি শেষ করবে। এতে সন্দ্বীপের রহমতপুর আদমখাঁ পাড়া এলাকার দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান হবে এবং সড়কটি আবারও স্বাভাবিক যান চলাচলের উপযোগী হয়ে উঠবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. জাহিদুল ইসলাম বশিরের দখলি জমিতে থাকা টিনের সীমানা প্রাচীর জোরপূর্বক ভেঙে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার লেবুবুনিয়া গ্রামের নুরুজ্জামান (জামাল) আকনের ছেলে মো. আলামিন আকনের বিরুদ্ধে এই আইনবহির্ভূত কাজের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, কাঠালিয়া উপজেলার লেবুবুনিয়া মৌজার ১৮৬ নং খতিয়ান এবং ০৭ নং দাগে অবস্থিত ১২.৭৬ শতাংশ জমিতে দীর্ঘদিন ধরে ঘর তুলে ও টিনের দেওয়াল দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মৃত সুলতান আহম্মেদ খানের ছেলে ও বটতলা ক্যাডেট মাদ্রাসার নির্ধারিত স্থানের জমির মালিক উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. জাহিদুল ইসলাম বশির।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বিবাদী মো. আলামিন আকন দলবল নিয়ে বেআইনিভাবে ওই জমিতে গিয়ে বাদানবাদে জড়ান। একপর্যায়ে তিনি জাহিদুল ইসলাম বশিরের বসতঘরের টিনের দেওয়াল ও সীমানা প্রাচীর ভেঙে ফেলেন এবং জোরপূর্বক জমিতে অনুপ্রবেশ করেন।
ভুক্তভোগী জাহিদুল ইসলাম বশির তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "আলামিন আকন বেআইনিভাবে আমার দখলি জমির সীমানা প্রাচীর ভেঙে অনুপ্রবেশ করেছে এবং আমাকে নানাভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করছে। আমি এর বিচার চাই এবং এ বিষয়ে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছি।"
এ বিষয়ে অভিযুক্ত আলামিন আকনের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বাসিন্দা ও এলাকার সচেতন মহল তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাঁরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুরে (বেরোবি) চার শিক্ষক পেলো নতুন দায়িত্ব এর মধ্যে তিনজনকে বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনটি আবাসিক হলের প্রভোস্ট এবং একজনকে ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমান স্বাক্ষরিত পৃথক অফিস আদেশে তাদের এ দায়িত্ব দেওয়া হয়। অফিস আদেশ অনুযায়ী, গত ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে নতুন দায়িত্ব কার্যকর হয়েছে।
আদেশ অনুযায়ী, রসায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. হারুন-আল-রশীদকে বিজয়-২৪ হলের প্রভোস্ট হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তিনি এ দায়িত্ব পালন করবেন।
দুর্যোগ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. এ.টি.এম. জিন্নাতুল বাশারকে শহীদ মুখতার ইলাহী হলের প্রভোস্ট হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনিও পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এ দায়িত্ব পালন করবেন।
এছাড়া, ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মহসিনা আহসানকে শহিদ ফেলানী হলের প্রভোস্ট হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনিও পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এ দায়িত্ব পালন করবেন।
অন্যদিকে, ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. মাসুদ রানাকে ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এর আগে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ, তথ্য ও প্রকাশনা বিভাগের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সম্প্রতি ওই পদ থেকে তার পদত্যাগের বিষয়টি মো. মাসুদ রানা নিজেই নিশ্চিত করেছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট অফিস আদেশে বলা হয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকরা নিজ নিজ পদে দায়িত্ব পালন করবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশাল নগরীতে মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করেছে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ (বিএমপি)। এরই ধারাবাহিকতায় নগরীর বেলস পার্ক এলাকায় সাঁড়াশি মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করেছে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ।
রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে পরিচালিত এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন কোতোয়ালি মডেল থানার সহকারী পুলিশ কমিশনার অলক কান্তি শর্মা এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম। অভিযানে কোতোয়ালি মডেল থানার একাধিক পুলিশ সদস্য অংশ নেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নগরীর বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানকে আরও গতিশীল করার অংশ হিসেবে বেলস পার্ক এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। সন্ধ্যার পর জনসমাগমপূর্ণ এ এলাকায় পুলিশের উপস্থিতি ও তৎপরতা ছিল চোখে পড়ার মতো।
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের পুলিশ কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্ দায়িত্ব গ্রহণের পর নগরীতে মাদকবিরোধী অভিযান জোরদারের ঘোষণা দেন। এরপর থেকে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, মাদকদ্রব্যের বিস্তার রোধ, মাদক সংশ্লিষ্টদের শনাক্ত করা এবং নগরীর সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিতভাবে এসব অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম *তালাশ বিডিকে* বলেন, “পুলিশ কমিশনার স্যারের কঠোর নির্দেশনার পর বরিশাল নগরীতে মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন স্থানে পরিচালিত অভিযানে অনেকে আটক হয়েছেন। মাদক সংশ্লিষ্ট কিছু ব্যক্তি এলাকা ছেড়ে অন্যত্র চলে যাওয়ার চেষ্টা করছেন বলেও তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। মাদক নির্মূলে আমাদের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।”
তিনি আরও বলেন, নগরীর কোথাও মাদকসংক্রান্ত কর্মকাণ্ডের তথ্য পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিকভাবে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
বেলস পার্কসহ নগরীর বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী পুলিশের এমন তৎপরতাকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের প্রত্যাশা, শুধু অভিযান পরিচালনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থেকে মাদকের উৎস, সরবরাহ ও সংশ্লিষ্ট নেটওয়ার্ক শনাক্ত করে কার্যকর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নগরীতে মাদকের বিস্তার রোধে নিয়মিত অভিযান, গোয়েন্দা নজরদারি এবং স্থানীয়দের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ। পুলিশের চলমান তৎপরতা অব্যাহত থাকলে মাদকবিরোধী কার্যক্রম আরও কার্যকর হবে বলে প্রত্যাশা স্থানীয়দের।
বরিশাল নগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান বাস্তবায়নে কোতোয়ালি মডেল থানার এ ধরনের অভিযান ধারাবাহিকভাবে চলবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ