বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৯:৪৪ পি.এম
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৪ হাজার ৫২৭ কোটি ৭৪ লাখ টাকার প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষণা করেছে। এটি বিগত অর্থবছরের তুলনায় ১ হাজার ৫৪২ কোটি টাকা কম।
এ বাজেট বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর গুলশান-২ নম্বরের নগর ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে উপস্থাপন করেন ডিএনসিসির প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান।
গত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মোট বাজেটের আকার ছিল ৬ হাজার ৬৯ কোটি ৯৫ লাখ টাকা।
প্রস্তাবিত বাজেটের আয়ের খাত তুলে ধরে প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান জানান, নতুন বাজেটে রাজস্ব আয় ধরা হয়েছে ২ হাজার ৫৩১ কোটি টাকা। তার বাহিরে প্রারম্ভিক স্থিতি ৬৬০ কোটি টাকা, সরকারি ও বৈদেশিক সাহায্যপুষ্ট প্রকল্প থেকে আয় ৯৬৫ কোটি টাকা, আবর্তক খাতে সাহায্য ও মঞ্জুরি ২১৫ কোটি এবং সরকারি উন্নয়ন অনুদান ধরা হয়েছে ১৫০ কোটি টাকা।
অপরদিকে ব্যয়ের খাতে রাজস্ব ব্যয় ১ হাজার ৭৭ কোটি টাকা এবং নিজস্ব উৎস থেকে উন্নয়ন ব্যয় ১ হাজার ৯৬৬ কোটি টাকা ধার্য করা হয়েছে। এই পাশাপাশি, সরকারি ও বৈদেশিক সাহায্যপুষ্ট প্রকল্পে ৯৬৫ কোটি টাকা, সরকারি উন্নয়ন সহায়তায় ৮৩ কোটি টাকা এবং অন্যান্য খাতে ৭ কোটি টাকা ব্যয়ের প্রস্তাব করা হয়েছে। বছর শেষে সমাপনী স্থিতি ধরা হয়েছে ৪২৭ কোটি টাকা।
ঢাকা শহরকে নতুনভাবে সাজানোর প্রেক্ষাপট তুলে ধরে প্রশাসক এ কথা বলেন যে, এটি হচ্ছে একটি অপরিকল্পিতভাবে গড়ে ওঠা ঘনবসতিপূর্ণ নগরী। পর্যাপ্ত রাস্তা ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকা, খাল ভরাট করে আবাসন গড়ে তোলার কারণে নানা নাগরিক সংকট তৈরি হয়েছে। দীর্ঘদিনের এসব পুঞ্জীভূত সমস্যা রাতারাতি সমাধান সম্ভব নয় উল্লেখ করে তিনি নগরবাসীর ধৈর্য ও সহযোগিতা কামনা করেন।
দায়িত্ব গ্রহণের চার মাসের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে শফিকুল ইসলাম বলেন, বাজেটে ঘাটতি থাকার পরেও সরকারের সহযোগিতায় রাস্তাঘাট নির্মাণ ও সংস্কার, জলাবদ্ধতা দূরীকরণ, পরিচ্ছন্নতা জোরদার, মশা নিধন এবং ফুটপাত দখলমুক্ত করার মতো সেবামূলক কাজগুলো চালাতে সক্ষম হয়েছেন।
নতুন বাজেটের অগ্রাধিকার প্রসঙ্গে ডিএনসিসি প্রশাসক জানান, এডিস মশা নিয়ন্ত্রণ, জলাবদ্ধতা নিরসন, সড়ক ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। এছাড়া, আমিনবাজার ল্যান্ডফিল সম্প্রসারণ, বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন কার্যক্রম দ্রুত বাস্তবায়ন, গাবতলী ও মহাখালী বাস টার্মিনাল সংস্কার এবং খাল দখলমুক্ত করার উদ্যোগ নতুন বাজেটে প্রাধান্য পাবে।
‘ক্লিন ঢাকা, গ্রিন ঢাকা’ রূপরেখা প্রসঙ্গে তিনি জানান, প্রথমে এলাকাগুলোতে অভিযান চালিয়ে পরিষ্কার করা হবে এবং তারপর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পরিচালনা করা হবে। ঢাকা শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখতে নাগরিকদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান এবং প্রধান প্রকৌশলী সৈয়দ রাকিবুল হাসানসহ সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আমজাদ হোসেন।
আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবদুল্লাহ আল মামুন, সন্দ্বীপ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুজন হাওলাদার, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলমগীর হোসেন ঠাকুর, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আতিকুল্লাহ, পৌরসভা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মোশারফ হোসেন, উপজেলা বিএনপির সদস্য আসিফ আকতার, এনজিও প্রতিনিধি মাকছুদুর রহমান, সন্দ্বীপ প্রেস ক্লাবের সভাপতি মোজাম্মেল হোসেন, জামায়াতের যুব বিভাগের সভাপতি মাকছুদুর রহমান, এনসিপি নেতা শরিফুল ইসলাম ও মুজাহিদুল ইসলাম, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা সন্দ্বীপ শাখার সভাপতি ইলিয়াছ সুমন এবং মুছাপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান সুরাইয়া বেগমসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের প্রতিনিধিরা।
বক্তারা জুলাই শহীদদের আত্মত্যাগের কথা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (স্কুল-কলেজ) শিক্ষক-কর্মচারীদের জুলাই মাসের এমপিও’র অর্থ ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফারের (ইএফটি) মাধ্যমে পাঠানোর লক্ষ্যে, আগামী ২১ জুলাইয়ের মধ্যে বিল দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। আজ, মাউশি অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক আদেশে সংশ্লিষ্ট সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানদের এই নির্দেশনা দেওয়া হয়। আদেশে জানানো হয়, মাউশি অধিদপ্তরাধীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিও’র অর্থ ১ জানুয়ারি ২০২৫ থেকে ইএফটি’র মাধ্যমে প্রদান করা হচ্ছে। এ লক্ষ্যে, প্রতিষ্ঠান প্রধানকে তার প্রতিষ্ঠানের এমপিও কাজের জন্য বরাদ্দকৃত আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে ইএমআইএস সিস্টেমের এমপিও-ইএফটি মডিউলে লগ-ইন করে বিল সাবমিট করতে হবে। প্রতিষ্ঠান প্রধানগণ নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের প্রত্যেক শিক্ষক-কর্মচারীর জন্য আলাদা আলাদাভাবে বিধি মোতাবেক প্রাপ্য এমপিও’র অর্থ সঠিকভাবে নির্ধারণ করে এই বিল দাখিল করবেন। আদেশে সতর্ক করে বলা হয়েছে, শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিও’র অর্থ ইএফটি-তে প্রেরণের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠান প্রধানের দাখিলকৃত তথ্যই চূড়ান্ত হিসেবে বিবেচিত হবে। কোনো ভুল তথ্যের কারণে কোনো শিক্ষক-কর্মচারীর এমপিও’র অর্থ ইএফটি-তে প্রেরিত না হলে কিংবা কোনো অতিরিক্ত অর্থ চলে গেলে, তার দায়ভার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধানের ওপর বর্তাবে। মাউশি জানিয়েছে, অসাবধানতাবশত কোনো ভুল তথ্য প্রদান বা অন্য কোনো কারণে কোনো শিক্ষক-কর্মচারী যদি অতিরিক্ত অর্থ পেয়ে থাকেন, তবে সেই অর্থ ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে জমা দিয়ে চালানের কপি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে সংরক্ষণ করতে হবে। আদেশে আরো উল্লেখ করা হয়, শুধু আইবাসে তথ্য যাচাইয়ের মাধ্যমে বৈধ হিসেবে প্রমাণিত শিক্ষক-কর্মচারীদের তথ্যই বিল সাবমিট অপশনে যুক্ত হয়েছে। যাদের তথ্যে এখনো ভুল বা অসঙ্গতি রয়েছে, তাদের সঠিক তথ্য প্রাপ্তি এবং তা যাচাই সাপেক্ষে পরবর্তীতে বিল সাবমিট অপশনে যুক্ত করা হবে। নির্ধারিত সময়সীমা অনুযায়ী, আগামী ২১ জুলাইয়ের মধ্যে জুলাই মাসের এমপিও বিল দাখিল সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনতে ডিজিটাল প্রযুক্তির ওপর সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত।
তিনি আরও বলেন, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা আরও শক্তিশালী ও যুগোপযোগী করে গড়ে তুলতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা ‘এআই চালিত স্বাস্থ্য অপারেটিং সিস্টেম’ চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে, বহু প্রতীক্ষিত ‘ই-হেলথ কার্ড’ ও ‘ডিজিটাল প্রেসক্রিপশন’ ব্যবস্থা বর্তমানে বাস্তবায়নের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) কনফারেন্স রুমে স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটের উদ্যোগে আয়োজিত ‘এআই চালিত স্বাস্থ্য অপারেটিং সিস্টেম’ বিষয়ক এক জাতীয় কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান সরকার দেশের সামগ্রিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নতুন করে সাজানোর লক্ষ্যে একটি পরিকল্পিত ডিজিটাল রোডম্যাপ নিয়ে কাজ করছে। নির্বাচনি ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী স্বাস্থ্য খাতের রিমডেলিং বা নতুন রূপদানের প্রক্রিয়া অনেক দূর এগিয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেন, গত দেড়-দুই বছর ধরে দেশি-বিদেশি স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে অংশগ্রহণমূলক প্রক্রিয়ায় এই পরিকল্পনাগুলো চূড়ান্ত করা হয়েছে।
প্রযুক্তির দ্রুতগতির পরিবর্তনের বিষয়টি তুলে ধরে ডা. মুহিত বলেন, ‘বিগত দুই বছরে প্রযুক্তি যে গতিতে এগিয়েছে, তা আগে এক দশকেও দেখা যায়নি। আড়াই বছর আগেও স্বাস্থ্য খাতে এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে আমরা যে পর্যায়ে চিন্তা করতাম, এখন তার গুরুত্ব বহুগুণ বেড়েছে। আমাদের লক্ষ্য হলো ই-হেলথ কার্ড এবং ডিজিটাল প্রেসক্রিপশনের মতো অত্যাধুনিক সেবাকে তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়া।’
কর্মশালায় স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) ড. মোহাম্মদ এনামুল হক, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. ফোয়ারা তাসমীমসহ স্বাস্থ্য খাতের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন পর্যায়ের বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি ও ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে মালয়েশিয়ার ঐতিহাসিক অবস্থান নতুন কিছু নয়। গতকালের ঘটনাবলী থেকে বোঝা গেছে যে, সম্প্রতি দেশটির জোহর রাজ্যে এক ইসরায়েলি নাগরিকের পরোক্ষ ব্যবসার গুঞ্জনকে কেন্দ্র করে প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের কঠোর হুঁশিয়ারি দেশটির পররাষ্ট্রনীতিতে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম বলেন, ‘আমরা যদি কোনো ইসরায়েলি নাগরিককে খুঁজে পাই, তাহলে তাকে সঙ্গে সঙ্গেই বহিষ্কার করা হবে। কারণ, আমরা ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দিই না।’ এই খবরটি আনাদোলু এজেন্সির মাধ্যমে পরিবেশন করা হয়েছে।
সম্প্রতি জোহর রাজ্যের ফরেস্ট সিটি এলাকার একটি স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠান ‘নেটওয়ার্ক স্কুল’কে ঘিরে এই বিতর্কের সূত্রপাত ঘটে। অভিযোগ ওঠে, এই প্রতিষ্ঠানের পেছনে একজন ইসরায়েলি নাগরিকের প্রত্যক্ষ অবদান বা মালিকানা রয়েছে। এই অভিযোগ সামনে আসার পরপরই জোহর রাজ্য সরকার পুরো বিষয়টি কেন্দ্রীয় পর্যায়ে তদন্তের জন্য কুয়ালালামপুরের প্রতি আহ্বান জানায়। রাজ্য প্রশাসনের এই উদ্বেগের পর মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অত্যন্ত তৎপরতার সঙ্গে আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করেছে।
কূটনৈতিকভাবে মালয়েশিয়া ও ইসরায়েলের মধ্যে কোনো ধরনের সম্পর্ক নেই। মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ মালয়েশিয়া শুরু থেকেই ফিলিস্তিনিদের অধিকারের পক্ষে আন্তর্জাতিক মঞ্চে অত্যন্ত জোরালো কণ্ঠস্বর হিসেবে পরিচিত। ইসরায়েলকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি না দেওয়ায় বিশেষ অনুমতি ছাড়া কোনো ইসরায়েলি পাসপোর্টধারী নাগরিকের মালয়েশিয়ায় প্রবেশাধিকার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। ফলে এই ধরনের স্পর্শকাতর অভিযোগ ওঠার পর থেকেই দেশজুড়ে এক ধরনের তুলপাড় শুরু হয়েছে।
এদিকে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগ স্থানীয় ফরেস্ট সিটির একটি আন্তর্জাতিক কমিউনিটিতে বিশেষ অভিযান চালিয়েছে। সেখানে অবস্থানরত ২৬৬ জন বিদেশি নাগরিকের নথিপত্র পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা করেছে অভিবাসন পুলিশ। তবে, তল্লাশি চালানো সেই সব বিদেশি নাগরিকের প্রত্যেকের কাছেই মালয়েশিয়ায় অবস্থানের জন্য বৈধ পাসপোর্ট ও অভিবাসন-সংক্রান্ত শতভাগ সঠিক নথিপত্র পাওয়া গেছে। সেখানে অবৈধ কোনো নাগরিক বা ইসরায়েলি পাসপোর্টের সন্ধান মেলেনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ