ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বাংলাদেশি হজযাত্রীদের ব্যয় কমাতে সহযোগিতার আশ্বাস সৌদি রাষ্ট্রদূতের


বাংলাদেশি হজযাত্রীদের ব্যয় কমাতে সহযোগিতার আশ্বাস সৌদি রাষ্ট্রদূতের

সোমবার সচিবালয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রীর দপ্তরে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানমের সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশের হজযাত্রীদের ব্যয় কমাতে সৌদি আরব কর্তৃক আরোপিত হজ ফ্লাইট-সংক্রান্ত কর ও চার্জ কমানোর জন্য বাংলাদেশ আহ্বান জানিয়েছে। এ ব্যাপারে ইতিবাচকভাবে বিবেচনার আশ্বাস প্রদান করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত, ড. আবদুল্লাহ ইবন ধাফের ইবন উবাইয়া।

সাক্ষাৎকালে, আফরোজা খানম এবং প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাতের সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূত এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। উভয়ের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ়, গতিশীল এবং বহুমাত্রিকভাবে সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। এছাড়া, পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, বিশেষ করে বেসামরিক বিমান চলাচল, পর্যটন ও হজ ব্যবস্থাপনা-সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে কথা হয়।

আরও পড়ুন: জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করছে সরকার: হুইপ দুলু

মন্ত্রী আফরোজা খানম এই সাক্ষাতে বলেন, বাংলাদেশের হজযাত্রীদের ব্যয় কমানোর উদ্দেশ্যে সৌদি সরকারের দ্বারা আরোপিত হজ ফ্লাইট-সংক্রান্ত কর ও চার্জ হ্রাস করা হলে, তা বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি হজযাত্রীদের জন্য খুবই উপকারী হবে। তিনি এ বিষয়ে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সহযোগিতা চাইলে, সৌদি রাষ্ট্রদূত বিষয়টি ইতিবাচকভাবে বিবেচনার আশ্বাস দেন।

এদিকে, বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানান, বাংলাদেশি হজযাত্রীদের জন্য আবাসনের ক্যাটাগরি ‘ডি’ সুবিধা না থাকার কারণে প্রতি যাত্রীর আবাসন ব্যয় উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। এর ফলস্বরূপ, তিনি ক্যাটাগরি ‘ডি’ পুনর্বহালে সৌদি কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা কামনা করেন।

সৌদি রাষ্ট্রদূত উল্লেখ করেন, বাংলাদেশি হজযাত্রীদের সেবার মানোন্নয়ন, সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি এবং হজের ব্যয় যৌক্তিক পর্যায়ে রাখতে সৌদি সরকার আন্তরিক। তিনি এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান এবং উদ্যোগ গ্রহণের ব্যাপারে প্রতিশ্রুতি দেন।

সাক্ষাৎ শেষে উভয় পক্ষ আবারও দৃঢ় করেন যে, বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি হজ ব্যবস্থাপনা, বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণে একযোগে কাজ করবেন।

আরও পড়ুন: আজকের শিক্ষার্থীরাই জাতির ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে দক্ষ হতে হবে : রাষ্ট্রপতি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশ হবে ‘ডিস্যাবিলিটি ইনক্লুসিভ সোসাইটির’ রোল মডেল: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৩০ পি.এম


বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশ হবে ‘ডিস্যাবিলিটি ইনক্লুসিভ সোসাইটির’ রোল মডেল: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত আশা প্রকাশ করেছেন যে, সমস্ত মন্ত্রণালয় এক হয়ে কাজ করলে, উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ বিশ্বমঞ্চে ডিস্যাবিলিটি ইনক্লুসিভ সোসাইটির একটি অনন্য রোল মডেল ও পজিটিভ ব্র্যান্ড হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে।

সোমবার (১৩ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদফতরে ‘শিশুস্বর্গ মডেল’ বাস্তবায়ন শীর্ষক পাইলট প্রজেক্ট প্রণয়নে অংশীজন পরামর্শ সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, দেশের প্রতিটি জেলায় সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ব্যবস্থাপনায় ‘শিশুস্বর্গ’ নামক বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান ও স্পেস গড়ে তোলার সক্ষমতা রয়েছে।এই কেন্দ্রগুলো হবে দীর্ঘমেয়াদী পুনর্বাসন, কারিগরি প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির মূল কেন্দ্রবিন্দু।

অন্যদিকে, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিশাল মাঠকর্মী বাহিনী, তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে প্রাথমিক মেডিকেল অ্যাটেনশন ও থেরাপির মাধ্যমে এই ‘শিশুস্বর্গ’ এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে প্রাতিষ্ঠানিক লিঙ্কেজ বা সংযোগ তৈরি করে দেবে। ফলস্বরূপ, চিকিৎসার সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদী পুনর্বাসনের একটি নিখুঁত সমন্বয় ঘটবে।

প্রতিমন্ত্রী ড. মুহিত জানালেন, দেশে বর্তমানে ৪৬ লাখ প্রতিবন্ধী ব্যক্তি সরকারি ডেটাবেজের আওতায় আছে, তবে প্রকৃত সংখ্যা বিবেচনায় অন্তত ১ কোটি মানুষের দোরগোড়ায় রাষ্ট্রীয় সেবা ও অধিকার পৌঁছে দেয়ার মেগা টার্গেট নিয়েছে নতুন সরকার। প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রাকে সহজ করতে কোনো দয়া বা চ্যারিটি মডেল নয়, বরং পূর্ণাঙ্গ অধিকারভিত্তিক সমাজ গঠনে কার্যক্রম শুরু হয়েছে।এই লক্ষ্যে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে উচ্চপর্যায়ের নীতিনির্ধারণী স্টিয়ারিং কমিটি গঠিত হয়েছে।

আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয়ের ঘাটতি দূর করতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত আগ্রহে দুটি বিশেষ কমিটি গঠনের কথা উল্লেখ করে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী এই বিষয়টিকে অত্যন্ত হৃদয় দিয়ে উপলব্ধি করেন।তিনি পরিষ্কার জানিয়েছেন, রাষ্ট্র এদের দয়া করছে এমন পরিবেশ তিনি চান না, বরং অন্য সব নাগরিকের মতো সমঅধিকার যেন তারা উপভোগ করতে পারেন।

‘প্রতিবন্ধীদের অধিকার ও সেবা সুরক্ষা নীতি নির্ধারণ স্টিয়ারিং কমিটি’ প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি সভাপতিত্বে গঠন করা হয়েছে, যেখানে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বিকল্প সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া, নীতিসমূহ মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়নের জন্য গঠিত ‘প্রতিবন্ধী অধিকার ও সেবা সুরক্ষা বাস্তবায়ন কমিটি’র সভাপতি করা হয়েছে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীকে এবং সহ-সভাপতি হিসেবে রয়েছেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী।কমিটিগুলো গঠনের মাত্র ১৫ দিনের মধ্যে প্রথম এবং এক মাসের মধ্যে দ্বিতীয় মিটিং সম্পন্ন করে কাজের গতিশীলতা প্রমাণ করেছে।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, শীর্ষ পর্যায়ের এই সমন্বয়ের ফলে ইতোমধ্যেই বিভিন্ন মন্ত্রণালয় কাজ শুরু করেছে। সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং रেলপথ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে মেট্রোরেলে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য অর্ধেক ভাড়া বা বিনামূল্যে যাতায়াতের ঘোষণা দেয়া হয়েছে।এছাড়া প্রতিটি মন্ত্রণালয় তাদের নিজস্ব উন্নয়ন পরিকল্পনাকে ‘ডিস্যাবিলিটি ইনক্লুসিভ’ বা প্রতিবন্ধীবান্ধব করার উদ্যোগ নিচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সেবাপ্রদান প্রক্রিয়াকে একটি ‘কনভেয়ার বেল্ট’ বা রিলে রেসের সঙ্গে তুলনা করেন।তিনি বলেন, একজন প্রতিবন্ধী শিশু যখন জন্মায়, তখন তার এক ধরনের চিকিৎসা ও থেরাপির প্রয়োজন হয়।৬ বছর বয়সে তার চাহিদা ভিন্ন হয়, ১২ বছর বয়সে প্রতিবন্ধী কিশোরীর প্রয়োজন আলাদা এবং যৌবনে তার দরকার কর্মসংস্থান।জন্ম থেকে কর্মসংস্থান পর্যন্ত জীবনের প্রতিটি ধাপে রাষ্ট্র তার পাশে থাকবে এবং কনভেয়ার বেল্টের মতো ধাপে ধাপে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় তার চাহিদা পূরণ করবে।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. ফোয়ারা তাসমীম, অধ্যাপক ডা. জাহিদ রায়হান, পরিচালক অধ্যাপক ডা. জালাল উদ্দীন মোহাম্মদ রুমীসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আসুন মিলেমিশে দেশের জন্য ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করি : প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৩০ পি.এম


আসুন মিলেমিশে দেশের জন্য ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করি : প্রধানমন্ত্রী

 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, ‘কদিন আগে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলে মিলে এ দেশ থেকে স্বৈরাচার হটিয়েছি। এবার আসুন সবাই মিলেমিশে দেশের জন্য কাজ করি।’

তিনি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধ যখন হয়েছিল, দল নির্বিশেষে সকলে মিলে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে আমরা যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছিলাম। এইমাত্র ক’দিন আগের কথা, আমরা এই দেশ থেকে স্বৈরাচারকে বিদায় করেছি। সকল শ্রেণি-পেশা, সকল ধর্ম-মত নির্বিশেষে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ রাজপথে নেমে এসে এই দেশটাকে হটিয়েছে। তার মানে আমরা সকলে মিলে যদি কাঁধে কাঁধ রেখে দেশের জন্য, মানুষের জন্য যদি ভালো কাজগুলো করি, তাহলে সকলে মিলে উপকৃত হবো।’

আজ বরিশালের ত্রিশ গোডাউন বধ্যভূমি এলাকায় সাগরদী খালের পাড়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনের আগে প্রধানমন্ত্রী জনসাধারণের প্রতি এ আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী একটি নারিকেল গাছের চারা রোপণ করে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। বৃক্ষরোপণ শেষে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

পরিবেশ রক্ষায় সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পরিবেশ রক্ষা সরকারের একার দায়িত্ব নয়, সিটি কর্পোরেশনের একার দায়িত্ব নয়। আমাদের সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। আসুন, আজকে বৃক্ষরোপণের দিনে আমরা সকলে মিলে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হই — সকলে মিলে দেশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখব, ঠিক রাখব। এটাই হোক আমাদের অঙ্গীকার।’

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা প্রত্যেকে চেষ্টা করব আমাদের আশেপাশের এলাকা, আমাদের ঘরবাড়ির আশেপাশের এলাকা, আমাদের অফিস আদালতের আশেপাশের এলাকা, আমাদের স্কুল-কলেজের আশেপাশের এলাকা, আমাদের হাসপাতালের আশেপাশের এলাকাগুলো প্রত্যেকে আমরা চেষ্টা করব সেখানের পরিবেশটা যাতে নষ্ট না হয়, পরিবেশটা যাতে সুন্দর থাকে, ভালো থাকে।’

ত্রিশ গোডাউনে সাগরদী খালের প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সাগরদী খালটি এই এলাকার জন্য নিশ্চয়ই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটা খাল। এই খালটার যত্ন করাও কিন্তু শুধু সিটি কর্পোরেশনের একার দায়িত্ব না। এই খালটা যত্ন করা খালের দু’পাশে যে সকল মানুষ আছেন, তাদের সকলকে এই খালটার যত্ন করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘এই খালের পানির মধ্যে অনেক সময় অনেক প্লাস্টিকের বোতল, পলিথিনের কাগজ, টিস্যু পেপারসহ আরো বিভিন্ন জিনিস ভাসতে থাকে। অর্থাৎ আমরা যারা এখানে পার্কে আসি, হয়তো পানি খেলাম আর বোতলটা ফেলে দিলাম খালের মধ্যে। আপনাদের কাছে আমার বিনীত অনুরোধ থাকবে, এখানে আপনারা যারা উপস্থিত আছেন সকলের কাছে, আপনারা যখনই যার সাথে দেখা হবে— দয়া করে প্রত্যেককে বলবেন যে, খালের মধ্যে আমরা এগুলো ফেলবো না।’

সিটি কর্পোরেশনের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এখানে একটা ময়লা ফেলার বিন লাগানো আছে। সবাইকে আপনারা দয়া করে মাইকেও প্রচার করবেন, যারা এই খালের পাশে বসবেন, বিকেল বেলায় অনেকে বেড়াতে আসেন তারা যেন বিনের মধ্যে ময়লা ফেলেন। খাল পরিষ্কার রাখতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘দেখুন, খালের অপরপাড়ে একটা পাইপ লাগানো হয়েছে, এটা কীসের পাইপ? যা খালের সাথে এসে যুক্ত হয়েছে। বাসা-বাড়ির ব্যবহারের পানি? সিটি কর্পোরেশনের কাছে আমি অনুরোধ করব, আপনারা বাসা-বাড়ির পানির ড্রেনেজ সিস্টেম করুন। কিন্তু পানি বা সুয়ারেজ লাইনের কানেকশনগুলো খালের মধ্যে না রাখাই ভালো। এগুলো থাকলে পরিবেশ নষ্ট হয়ে যায়, পানি দূষিত হয়ে যায়। কাজেই আমাদের নিজেদের পরিবেশ আমাদের নিজেদেরকে রক্ষা করতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা যদি আমাদের নিজের ঘর নিজেরা গুছিয়ে না রাখি, তাহলে ঘরটা যেমন ময়লা হয়ে যায়। ঠিক একইভাবে আমরা যদি আমাদের এলাকা, আমাদের এরিয়া, আমাদের পাড়া, আমাদের দেশ যদি আমরা নিজে পরিষ্কার না রাখি, নিজেরা যদি পরিবেশের খেয়াল না রাখি, তাহলে ভুক্তভোগী আমরাই হবো। অন্য দেশের সুন্দর সুন্দর জায়গা নিয়ে আমরা আফসোস করব, কিন্তু নিজের দেশের জায়গাগুলো সব আমরা নষ্ট করে দিব।’

পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, নৌ প্রতিমন্ত্রী রাজীব আহসান, বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য মজিবুর রহমান সারোয়ার, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, মাসুদ আহমেদ তালুকদার, সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক বিলকিস জাহান শিরিনসহ নেতৃবৃন্দরা খালের দুই পাড়ে একটি করে গাছ রোপণ করেন।

এসময় নেতাকর্মীরা স্লোগান ধরেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর আগমন, শুভেচ্ছা স্বাগতম, এক জিয়া লোকান্তরে, লক্ষ জিয়া ঘরে ঘরে, জিয়ার সৈনিক এক হও, এক হও।’

প্রধানমন্ত্রী বৃক্ষরোপণের এই কর্মসূচি শেষ করে সার্কিট হাউসে গিয়ে মধ্যাহ্নভোজ ও জোহরের নামাজ আদায় করেন। বরিশাল সফরে প্রধানমন্ত্রীর শেষ কর্মসূচি শিল্পকলা একাডেমিতে দলীয় নেতাদের সাথে মতবিনিময়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারী বৃষ্টিতে পানিতে তলিয়ে ৩৯৮ পুকুরের মাছের ক্ষয়ক্ষতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৩২ পি.এম


ভারী বৃষ্টিতে পানিতে তলিয়ে ৩৯৮ পুকুরের মাছের ক্ষয়ক্ষতি

কোটির টাকার ক্ষতি। ৭০ শতাংশই হচ্ছে ময়মনসিংহের।

কামরান পারভেজ, ময়মনসিংহ।

১৩ জুলাই, ২০২৬, ১৮:২৮ প্রকাশিত।

টানা বৃষ্টিতে বহু পুকুরের মাছ ভেসে গেছে। এটি ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলায় ডুবে যাওয়া একটি পুকুরের পাশে তোলা একটি ছবি। সোমবার তোলা ছবিটি। -কালের কণ্ঠ।

গত বুধবার রাত থেকে আজ সোমবার (১৩ জুলাই) পর্যন্ত ময়মনসিংহ বিভাগের চার জেলায় কখনো ভারি এবং কখনো মাঝারি বৃষ্টিপাত অব্যহত রয়েছে। যার কারণে ভেসে গেছে বহু পুকুরের মাছ।

মৎস্য অধিদপ্তরের ময়মনসিংহ বিভাগীয় কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বিভাগের মোট ৩৯৮টি পুকুর ডুবে মাছ ভেসে গেছে। এর মধ্যে অন্তত ৭০ শতাংশ পুকুর ময়মনসিংহ এবং ২০ শতাংশ নেত্রকোনা জেলার। বাকি ১০ শতাংশ পুকুর শেরপুর ও জামালপুর জেলার অন্তর্ভুক্ত। আজ সোমবার পর্যন্ত বিভাগে বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে।

এ অবস্থায় আরো বেশি ক্ষতির শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

বৃষ্টি থামলে জেলাভিত্তিক ক্ষতির পরিমাণ এবং ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুতির পরিকল্পনা করা হয়েছে বলে সূত্র জানিয়েছে।

বিভাগীয় কার্যালয় সূত্র আরো জানিয়েছে, ময়মনসিংহ বিভাগে ডুবে যাওয়া ৩৯৮টি পুকুরের আয়তন প্রায় ৫০ হেক্টর। এসব পুকুরের মধ্যে মোট ৪২ টন মাছ ভেসে গেছে, যার বাজার মূল্য ৯৭ লাখ টাকা।

এছাড়া, ওইসব পুকুর থেকে অন্তত তিন লাখ পোনা ভেসে গেছে, যার মূল্য পাঁচ লাখ টাকা।

বিভাগের চার জেলার বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত বুধবার রাত থেকে বৃষ্টি শুরু হয়। বুধবার রাতভর বৃষ্টির কারণে ময়মনসিংহ শহর ও জেলার বিভিন্ন উপজেলার পুকুর ও রাস্তাঘাট তলিয়ে যায়। এতে অন্যান্য এলাকায় ছাড়াও দুর্ভোগে পড়ে ময়মনসিংহ নগরের বাসিন্দারা। নগরের বেশিরভাগ এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়।

মানুষের বসত ঘরেও ঢুকে পড়ে বৃষ্টির পানি।

ময়মনসিংহে অবস্থিত বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাত থেকে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত ময়মনসিংহে ১৭৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছিল। এ বৃষ্টিপাত থেমে থেমে আজ সোমবার (১৩ জুলাই) পর্যন্ত অব্যাহত রয়েছে। সমুদ্রে নিম্নচাপের কারণে টানা বৃষ্টিপাত হচ্ছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ময়মনসিংহের ত্রিশাল, ফুলাবিড়য়া, গৌরীপুর, মুক্তাগাছা, তারাকান্দা ও ফুলপুরে গত বুধবার রাত থেকে বৃহস্পতিবার সকালের মধ্যে অনেক পুকুর ডুবে যায়। মধ্যরাত থেকে বৃষ্টি শুরু হওয়ায় পুকুর রক্ষা করতে পারেননি চাষিরা।

ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার সাহেব কাচারি এলাকার মাছ চাষি নুরুল হক বলেছেন, বৃষ্টিতে গৌরীপুর উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে চাষের পুকুর ভেসে মাছ বের হয়ে গেছে। এতে চাষিরা ক্ষতির মুখে পড়েছেন। গভীর রাতে বৃষ্টি শুরু হওয়ায় অনেক চাষি তাদের পুকুর রক্ষা করতে পারেননি।

মৎস্য অধিদপ্তরের ময়মনসিংহ বিভাগীয় পরিচালকের কার্যালয়ের উপপরিচালক রিপন কুমার পাল কালের কণ্ঠকে বলেন, ভেসে যাওয়া মাছ নিয়ে পুকুরের তালিকা প্রস্তুতির কাজ চলছে। বৃষ্টি না থামা পর্যন্ত আমরা বিভাগে খোঁজ রাখছি।

এদিকে, কৃষি বিভাগ জানায় যে, টানা বৃষ্টির ফলে পুকুর ডুবে মাছ বের হয়ে গেলেও ময়মনসিংহ বিভাগের কৃষিতে তেমন ক্ষতিকর প্রভাব পড়েনি।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ময়মনসিংহ বিভাগীয় কার্যালয়ের কর্মকর্তা মশিউর রহমান জানিয়েছেন, বর্তমানে মাঠে আউশ ধান, কিছু সবজি এবং আমনের বীজতলা রয়েছে। বৃষ্টিতে এসব ফসলের কোনো ক্ষতি এখন পর্যন্ত হয়নি।

মশিউর রহমান জানান, আমনের বীজতলা সাধারণত একটু উঁচু জমিতে স্থাপন করা হয়, এ কারণে ময়মনসিংহ বিভাগের কোথাও আমনের বীজতলা ডুবে যাওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। তবে আজ (সোমবার) পর্যন্ত বৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। তিনি বলছেন, 'আমাদের কর্মীরা মাঠপর্যায়ে নিয়মিত খোঁজ রাখছেন। ফসলের ক্ষতি হলে সে তথ্য সংগ্রহ করে আমাদের জানাবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ক্রপ করা এআই ছবি ধরতে পারছে না মেটার নতুন শনাক্তকরণ টুল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৩৪ পি.এম


ক্রপ করা এআই ছবি ধরতে পারছে না মেটার নতুন শনাক্তকরণ টুল

মেটা প্রকাশ করেছে একটি নতুন এআই ছবি শনাক্তকারী টুল, যা নিজেদের নির্মিত কিছু এআই ছবি শনাক্ত করতে ব্যর্থ হয়েছে। বিশেষ করে ছবি ক্রপ করার পর টুলটির কার্যকারিতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে বলে জানিয়েছে রয়টার্স।

যুক্তরাষ্ট্রের বার্তা সংস্থা রয়টার্সের শুক্রবার, ১০ জুলাই তারিখের এক প্রতিবেদনে বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। সম্প্রতি মেটা তাদের নতুন তৈরি ছবি তৈরির এআই মডেল মিউজ ইমেজ এর সাথে একটি পরীক্ষামূলক এআই শনাক্তকারী টুল উন্মুক্ত করেছে। রয়টার্স ৪০টি এআই-তৈরি ছবি নিয়ে পরীক্ষা পরিচালনা করে। পরীক্ষায় দেখা যায়, টুলটি মূল ছবিগুলোর সবগুলোই শনাক্ত করতে পারে।

কিন্তু একই ছবিগুলো যখন আকারে ছোট করা হয় বা ক্রপ করা হয়, তখন টুলটি ৫৫ শতাংশ ছবি শনাক্ত করতে অক্ষম হয়। এআই চাহিদায় টিএসএমসির রেকর্ড আয় বেড়েছে, এটি উল্লেখ করাও প্রয়োজন।

মেটা তাদের প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানিয়েছে, তাদের এআই-তৈরি প্রতিটি ছবিতে একটি কনটেন্ট সিল নামে অদৃশ্য ওয়াটারমার্ক যুক্ত থাকে। এই বিশেষ ওয়াটারমার্কের মাধ্যমে বোঝা যায় ছবিটি এআই দ্বারা নির্মিত কি না।

তবে কোম্পানিটি স্বীকার করেছে, যদি ছবি অধিক পরিমাণে ক্রপ করা হয় তবে ওয়াটারমার্কের সংকেত দুর্বল হয়ে যেতে পারে, যার ফলে শনাক্তকারী টুলটি সব ক্ষেত্রে কার্যকরি নাও থাকতে পারে। এরই সাথে তারা জানিয়েছে, টুলটি এখনো পরীক্ষামূলক অবস্থায় রয়েছে এবং এটি উন্নয়নশীল অবস্থায় রয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধুমাত্র ওয়াটারমার্কের উপর নির্ভর করলে এআই ছবি শনাক্ত করা একটি সীমাবদ্ধতা দেখা দেয়। ছবি ক্রপ করা, আকার পরিবর্তন করা, অতিরিক্ত কমপ্রেস করা অথবা সম্পাদনা করার ফলে শনাক্তকরণ অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে। এ বিষয়ে গুগল ও ওপেনএআই পূর্বে সতর্ক করে দিয়েছে যে, তাদের এআই শনাক্তকারী টুলগুলোও ছবি পরিবর্তন করার পর সব সময় নির্ভুলভাবে কাজ করে না।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিপফেক এবং বিভ্রান্তিকর এআই-তৈরি কনটেন্ট শনাক্ত করতে আরো শক্তিশালী প্রযুক্তি উন্নয়ন করার প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%