শুক্রবার, ১১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:৫৭ এম
ঢাকা, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বিরোধী ডেমোক্র্যাট দলকে ‘ঘৃণার দল’ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। তিনি একই সঙ্গে আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে রিপাবলিকানদের সমর্থনে জনমত গড়ে তোলার জন্য দলীয় সমর্থকদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
বৃহস্পতিবার টেক্সাসে অনুষ্ঠিত এক সম্মেলনে বক্তৃতা দিতে গিয়ে ভ্যান্স বলেন, ‘ডেমোক্র্যাটরা ঘৃণার দল। তারা আমেরিকা ও এই দেশকে গড়ে তোলা মানুষদের প্রতি ঘৃণা পোষণ করে। এমনকি ৯/১১-এর সন্ত্রাসী হামলাকারীদের প্রতিও তারা সহানুভূতি দেখাতে পারে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কলারোয়া উপজেলার গদখালী সরদারপাড়া জামে মসজিদে শিশুদের কোরআন শিক্ষার প্রতি উৎসাহিত করার জন্য একটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। মসজিদের ইমামের উদ্যোগে এবং গদখালীর প্রবাসীদের সহযোগিতায় কোরআন শিক্ষা গ্রহণকারী ৯৮ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে উপহার বিতরণ করা হয়েছে। একইসাথে, কোরআন শরীফ পড়া শেখা ২২ শিশুর হাতে পবিত্র কোরআন শরীফ তুলে দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকালে গদখালী সরদারপাড়া জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করা হয়।
দীর্ঘ সময় ধরে মসজিদের ইমামের আন্তরিক প্রচেষ্টার ফলে এলাকার ৯৮ জন ছাত্রছাত্রী নিয়মিত কোরআন শিক্ষা গ্রহণ করে আসছে। এর মধ্যে যারা কোরআন শরীফ পড়া শেখার পর্যায় সম্পন্ন করেছে, তাদের মধ্যে ২২ শিশুকে পবিত্র কোরআন শরীফ প্রদান করা হয়।
এছাড়া, শিশুদের কোরআন শিক্ষার প্রতি আরও আগ্রহী করে তুলতে ৯৮ জন শিক্ষার্থীর প্রত্যেককে উপহার হিসেবে একটি করে প্লেট দেওয়া হয়।
পবিত্র কোরআন শরীফ হাতে পেয়ে শিশুদের মধ্যে আনন্দ ও উচ্ছ্বাস দেখা যায়। এই ব্যতিক্রমী আয়োজনে স্থানীয় গ্রামবাসী ও সচেতন মহল খুশি।
স্থানীয়রা জানান, ছোটবেলা থেকেই শিশুদের কোরআন ও নৈতিক শিক্ষার প্রতি আগ্রহী করে তুলতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। মসজিদের ইমামের প্রচেষ্টা এবং প্রবাসীদের সহযোগিতায় ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষায় আরও এগিয়ে যাবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।
শিশুদের কোরআন শিক্ষায় উৎসাহিত করার জন্য এ ধরনের মহৎ উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে—এমন প্রত্যাশা স্থানীয়দের।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফেনীতে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে, যাদের মধ্যে মলম পার্টির সদস্য, মাদক কারবারি, চোর-ডাকাত চক্রের সক্রিয় সদস্য এবং ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি রয়েছেন। গ্রেপ্তারকৃতদের পরে আদালতে সোপর্দ করা হয়।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিকেল পর্যন্ত ফেনী মডেল থানা পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে।
পুলিশের সূত্রে জানা যায়, ফেনী মডেল থানার এলাকায় পরিচালিত অভিযানে স্টারলাইন বাস কাউন্টার ও তার আশপাশ থেকে মলম পার্টির সদস্য লিটন মিয়াকে (৩৭) আটক করা হয়। তার বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় প্রায় ১৫টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এই চক্রটি বিদেশফেরত যাত্রী ও সাধারণ পথচারীদের চেতনানাশক দ্রব্য খাইয়ে মলম লাগিয়ে সর্বস্ব লুটে নিত।
এছাড়া, মহিপাল থেকে লেমুয়াগামী সিএনজি যাত্রীদের নকল সোনার বার দেখিয়ে ও চেতনানাশক দ্রব্য ব্যবহার করে অলংকার ও নগদ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার সঙ্গে জড়িত চক্রের সন্ধান পাওয়ার কথা জানিয়েছে পুলিশ।
ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম জানান, অভিযানে উদ্ধার হওয়া মালামাল ও অপরাধের ঘটনায় ফেনী মডেল থানায় পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। ফেনীকে অপরাধ ও মাদকমুক্ত রাখতে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদের পানি আবার দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে, যার ফলে বাঁধের স্পিলওয়ের ১৬টি জলকপাট খুলে দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়েছে প্রতিটি জলকপাট ৬ ইঞ্চি করে খুলে পানি নিষ্কাশন। বর্তমানে হ্রদের পানির উচ্চতা ১০৫ দশমিক ৫১ ফুট এমএসএল।
কাপ্তাই কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান জানিয়েছেন, হ্রদের পানির দ্রুত বৃদ্ধির কারণে আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে ১৬টি জলকপাট খুলে দেওয়া হয়েছে। পানি ১০৫ ফুট এমএসএলে নেমে এলে জলকপাটগুলো বন্ধ করা হবে।
এর আগে, টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে গত ২৯ আগস্ট কাপ্তাই হ্রদের পানি দ্রুত বাড়তে শুরু করে। তখন প্রথমে ১৬টি জলকপাট ৬ ইঞ্চি করে খুলে প্রায় ৯ হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলী নদীতে ছাড়া হয়। পরে পানি আরও বৃদ্ধি পাওয়ায় পর্যায়ক্রমে জলকপাটের খোলার পরিমাণ বাড়িয়ে সর্বোচ্চ ৩ ফুট করা হয়। এতে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৫৮ হাজার কিউসেক পানি নিষ্কাশন করা হয়।
পানি কমে আসার পর গত ৬ সেপ্টেম্বর রাত ৯টায় ১৬টি জলকপাট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। সেই সময় হ্রদের পানির উচ্চতা ছিল ১০৪ দশমিক ৯৮ ফুট এমএসএল। মাত্র কয়েক দিনের মধ্যে পানি আবার ১০৫ দশমিক ৫১ ফুটে পৌঁছেছে।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কাপ্তাই হ্রদের সর্বোচ্চ পানি ধারণক্ষমতা ১০৯ ফুট এমএসএল। পানি দ্রুত বাড়তে থাকায় বাঁধের ওপর চাপ কমানোর জন্য এবং হ্রদের তীরবর্তী এলাকায় প্লাবনের ঝুঁকি এড়াতে আগাম ব্যবস্থা হিসেবে জলকপাট খুলে পানি নিষ্কাশন করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চলতি শীত মৌসুমেই সিলেটের পাথর কোয়ারি থেকে পাথর উত্তোলন শুরু হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। আরিফুল হক সিলেট-৪ আসনের সংসদ সদস্য। কোম্পানীগঞ্জ, গোয়াইনঘাট ও জৈন্তাপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত এই সংসদীয় এলাকায়ই সিলেটের বেশির ভাগ পাথর কোয়ারি। বন্ধ থাকা পাথর কোয়ারি খুলে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েই গত সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হন সিলেট সিটি করর্পোরেশনের সাবেক এই মেয়র।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ইং) ফেসবুক ভিত্তিক একটি সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আরিফুলহ হক চৌধুরী বলেন, এই মৌসুমেই সিলেটের পাথর কোয়ারিগুলো চালু হবে বলে আমার আশা।
তিনি বলেন, সিলেটের পর্যটন ও পরিবেশ সংকটাপন্ন এলাকা জাফলংকে সংরক্ষিত রেখে বাকি এলাকা গুলোতে পাথর উত্তোলনের অনুমতি দেওয়ার বিষয়ে নীতিগত ভাবে এগোচ্ছে সরকার। চলতি মৌসুমেই এ বিষয়ে সুখবর আসতে পারে।
মন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশনায় পাথর উত্তোলন নিয়ে একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ লক্ষ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নেতৃত্বে ছয়জন মন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট সচিবদের নিয়ে একটি আন্তমন্ত্রণালয় কমিটি গঠন করা হয়েছিল।
তিনি জানান, আদালতের আদেশে সংরক্ষিত জাফলং এলাকাকে অক্ষত রেখে বাকি এলাকা গুলোতে হস্তচালিত পদ্ধতিতে পাথর উত্তোলনের পক্ষে এই কমিটি একটি নীতিগত সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে।
তবে মন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, এ বিষয়ে একটি মামলা বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন রয়েছে এবং সরকার আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছে। আদালত থেকে যে সিদ্ধান্তই আসুক, তার পরদিন থেকেই সরকার সেই অনুযায়ী পদক্ষেপ নেবে।
চলতি মৌসুমে পাথর উত্তোলন শুরু হবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, মামলার বাদীপক্ষ আদালতের সামনে তাদের বক্তব্য যথাযথ ভাবে উপস্থাপন করেছেন। তবে সরকারপক্ষও নিজেদের অবস্থান যথাযথভাবে তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা বিশ্বাস করি এই মৌসুমেই পাথর উত্তোলন শুরু হবে।
দীর্ঘ দিন থেকে সিলেট অঞ্চলের পাথর কোয়ারি গুলো থেকে পাথর ও বালু উত্তোলন বন্ধ রয়েছে। পরিবেশ ও প্রাণ ঝুঁকিতে পড়ায় অনেক গুলো কোয়ারি থেকে বালু-পাথর উত্তোলনে উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞাও আছে।
তবে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও প্রমিকরা দীর্ঘ দিন ধরেই পাথর উত্তোলনের দাবি জানিয়ে আসছেন। এ নিয়ে তারা বিভিন্ন সময় আন্দোলনও করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ