বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং
১০:৫১ পি.এম
‘বই পড়ি, দেশ গড়ি’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শুরু হওয়া ‘সেরা পাঠকের খোঁজে’ বইপড়া কর্মসূচিতে কসবা উপজেলার ৪২টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ২৩টি মাদ্রাসা ও ৮টি কলেজসহ মোট ৭৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করবে।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ছামিউল ইসলাম।
পরিদর্শনকালে ইউএনও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বই পড়ার আগ্রহ ও পাঠাভ্যাস নিয়ে মতবিনিময় করেন। এ সময় সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষকেরা উপস্থিত ছিলেন। শিক্ষার্থীদের বই পড়ার প্রতি আগ্রহ বাড়ানোর পাশাপাশি শিক্ষার মানোন্নয়নে বিভিন্ন বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।
কসবা উপজেলার কুটি ইউনিয়নের কুটি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কুটি অটল বিহারী উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন ইউএনও মো. ছামিউল ইসলাম। এ সময় শিক্ষার্থীরা বই পড়ার প্রতি তাদের আগ্রহের কথা জানান। শিক্ষার্থীরা বলেন, এ ধরনের কর্মসূচি আয়োজন করা হলে বই পড়ার প্রতি তাদের আগ্রহ আরও বাড়বে।
‘সেরা পাঠকের খোঁজে’ কর্মসূচিটি কসবা উপজেলার কসবা মহিলা ডিগ্রি কলেজে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক মো. আবু সাঈদ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক শিক্ষার্থীদের সঙ্গে শিক্ষামূলক কুইজে অংশ নেন এবং তাদের মধ্যে বই উপহার দেন।
কর্মসূচির আওতায় কসবা উপজেলার ৪২টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ২৩টি মাদ্রাসা ও ৮টি কলেজের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করবে। প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষার্থী বাছাই করে তাদের পরবর্তী ধাপে চূড়ান্ত পর্যায়ে নেওয়া হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ছামিউল ইসলাম বলেন, বইপড়া কর্মসূচি শিক্ষার্থীদের মোবাইল আসক্তি কমাবে, তাদের মধ্যে পাঠাভ্যাস গড়ে উঠবে এবং জ্ঞান অর্জনের প্রতি আগ্রহ তৈরি হবে। শিক্ষার মানোন্নয়নে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা থাকবে বলেও জানান তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে সন্ত্রাসীরা নুর আলম (৪৬) নামে এক ওয়ার্কশপ মালিককে গুলি করে হত্যার চেষ্টা করেছে। এই ঘটনার সময় তার ভাইয়ের একটি মোটরসাইকেলও ছিনতাই করা হয়। বুধবার রাত ১১টার দিকে আলাইয়ারপুর আশ্বাদ ব্যাপারী বাড়ির মসজিদের সামনে এই ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী নুর আলম জানান, তার ছেলে অসুস্থ হওয়ায় তিনি পার্শ্ববর্তী বাহাদুরপুর গ্রামের রাহুল ডাক্তারের চেম্বারে নিয়ে যাচ্ছিলেন। সেই সময় এলাকার সন্ত্রাসী রুবেল ও রায়হান তাদের দলবল নিয়ে উৎপেতে ছিল এবং তারা এলোপাতাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে। প্রাণের ভয়ে নুর আলম আশ্বাদ ব্যাপারী বাড়িতে আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করলে সন্ত্রাসীরা তার ডান হাতের বাহুতে গুলি করে। রক্তাক্ত অবস্থায় তিনি চিৎকার করলে পার্শ্ববর্তী লোকজন তাকে উদ্ধার করে বেগমগঞ্জ ৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করে।
এদিকে, গত ১৫ দিনের মধ্যে বেগমগঞ্জের পশ্চিমাঞ্চলে ৯ জন গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। চুরি, ডাকাতি, চাঁদাবাজি, অপহরণ, দখলবাজি এবং অস্ত্রবাজির মতো বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের ফলে এলাকার জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। গুলি ও বোমার আওয়াজে মানুষের রাতের ঘুম হারাম হয়ে গেছে। দিবা-রাত্রি কয়েকটি বাহিনীর অস্ত্রের মহড়ায় আতঙ্কে দিনাতিপাত করছে। বর্তমানে বেগমগঞ্জের আইন শৃঙ্খলার চরম অবনতি ঘটার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
বেগমগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ সামছুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে তিনি সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে যান এবং এলাকার লোকজনের সাথে কথা বলেন। অনেকেই গুলির শব্দের মতো আওয়াজ শুনেছে বলে জানান। সন্ত্রাসীরা নুর আলমকে মারধর করেছে, তবে ডাক্তাররা আঘাতের স্থান গুলির কিনা তা ভালো করে নিশ্চিত করতে পারবেন। আগামী ৩ দিনের মধ্যে সন্ত্রাসী রুবেল ও রায়হানকে ধরার জন্য পুলিশ জোর অভিযান চালাবে। ভুক্তভোগীকে থানায় লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাভার ও আশুলিয়ায় পৃথক অভিযান চালিয়ে আট মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। এ সময় তাদের কাছ থেকে প্রায় ৩০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে।
বুধবার আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় এবং বৃহস্পতিবার সকালে সাভারের কাঞ্চনপুর বেঁদেপাড়া এলাকায় এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরে বৃহস্পতিবার দুপুরে পৃথক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে অভিযানের তথ্য জানানো হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন আশুলিয়ার মধ্য গাজীরচট এলাকার আসলাম ভূইয়া (৩১), রংপুরের মিঠাপুকুরের মিঠুন মিয়া (২৯), আশুলিয়ার উত্তর গাজীরচটের সুমন (২২), খুলনার সোনাডাঙ্গার দুলাল শেখ (৪৪), সাভারের বেঁদেপাড়া এলাকার ললিতা আক্তার (৩০), মহসীন (২৯), জাকিরুল ইসলাম (৩০) ও শেরাওয়ানা আক্তার (২৪)।
আশুলিয়া থানা পুলিশ জানায়, ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার শামীমা পারভীনের নির্দেশনায় পুলিশের পৃথক তিনটি দল অভিযান চালায়। বুধবার দুপুরে বগাবাড়ি বসুন্ধরা নতুনবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে আসলাম ভূইয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার কাছ থেকে ১৬ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
একই দিন রাতে গাজীরচট এলাকার ভূইয়াপাড়ায় একটি নির্মাণাধীন ভবনের ছাদে অভিযান চালিয়ে মিঠুন মিয়া ও সুমনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে ৫৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
পরে রাত সাড়ে ১০টার দিকে ধামসোনা ইউনিয়নের আড়িয়ারা মোড় নলিরপাড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুলাল শেখকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মাদক নির্মূল, সন্ত্রাস দমন ও সার্বিক অপরাধ নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
অন্যদিকে সাভারের কাঞ্চনপুর বেঁদেপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ললিতা আক্তার, মহসীন, জাকিরুল ইসলাম ও শেরাওয়ানা আক্তারকে গ্রেপ্তার করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ঢাকা জেলা কার্যালয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ২০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে সাভার থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেত্রকোনার দুর্গাপুরে ১৪ বছর ৩ মাস বয়সী এক কিশোরীর বিয়ের আয়োজন করা হয়েছিল। তবে খবর পেয়ে বিয়ে বাড়িতে হানা দেয় প্রশাসন। পরে যাচাই-বাছাইয়ে বাল্যবিবাহের বিষয়টি নিশ্চিত হন তারা। পরে বিয়ে বন্ধ করে দেওয়ার পাশাপাশি কিশোরীর বাবাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন তারা।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুর উপজেলার চন্ডিগড় ইউনিয়নের কেরনখলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কনের বাড়িতে বিয়ের সব আয়োজনই ছিল। প্রতিবেশী ও অতিথিদের খাবারের আয়োজন করা হয়। শুধু অপেক্ষা ছিলো বরযাত্রীর। তবে বাল্যবিবাহের খবর পেয়ে ওই বাড়িতে উপস্থিত হন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মিজানুর রহমান।
জানতে চাইলে তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাল্যবিবাহের বিষয়টির তথ্য পেয়ে তাৎক্ষণিক ওই এলাকায় গিয়ে বিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে না দেওয়ার বিষয়ে আইনি নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। কোথাও বাল্যবিবাহের ঘটনা ঘটলে প্রশাসনকে জানানোর আহ্বান করেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জেলা ক্রীড়া সংস্থা এবং ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব) চাঁদপুর জেলা শাখার মধ্যে চাঁদপুর জেলা স্টেডিয়াম ব্যবহারের জটিলতা ও অনিশ্চয়তা দূর করার লক্ষ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই ফলপ্রসূ আলোচনা শেষে কোয়াব তাদের পূর্বঘোষিত কর্মসূচি স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে জেলা ক্রীড়া সংস্থার অফিস রুমে এই যৌথ সভার আয়োজন করা হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব জয়নাল আবেদীন জনু, ফুটবল কমিটির সম্পাদক আনোয়ার হোসেন মানিক, ক্রিকেট বোর্ডের কাউন্সিলর আহমেদ হাসান আল জায়েদ রিফাই, এবং সাবেক কৃতি ফুটবলার আমিনুল। কোয়াবের প্রতিনিধিত্ব করেন জাতীয় দলের ক্রিকেটার ও কোয়াবের সিনিয়র সহ-সভাপতি মেহেদী হাসান রানা, কোয়াব চাঁদপুর ইনচার্জ মোরসালিন খান, সদস্য সাদ্দাম হোসাইন, আল ফাহাদ, সাদ্দাম হোসেন মিঠু ও ফয়সাল হোসেন নকীবসহ স্থানীয় উদীয়মান ক্রিকেট খেলোয়াড়রা।
জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব জয়নাল আবেদিন জনু মন্তব্য করেন, “আমরা চাই চাঁদপুরে ফুটবল, ক্রিকেট, অ্যাথলেটিক্স ও কাবাডিসহ সকল ইভেন্টের খেলাধুলা সচল থাকুক। স্থানীয় সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহম্মেদ মানিক চাঁদপুরের খেলাধুলার উন্নয়নে অত্যন্ত আন্তরিক।” তিনি আরও জানান, স্থানীয় খেলোয়াড়দের স্বার্থ রক্ষার জন্য এবং ফুটবলের পাশাপাশি সপ্তাহে ১-২ দিন ম্যাচ বাদ দিয়ে বাকি দিনগুলোতে ক্রিকেটারদের মাঠ ব্যবহারের সুযোগ দেওয়ার জন্য সুব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। কোয়াবের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও জাতীয় দলের ক্রিকেটার মেহেদী হাসান রানা বলেন, “অক্টোবর থেকে মার্চ-এপ্রিল পর্যন্ত আমাদের মূল ক্রিকেট মৌসুম। এই সময়ে মাঠ না পেলে স্থানীয় ক্রিকেটারদের ভবিষ্যৎ ও টুর্নামেন্ট মারাত্মভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।” তবে জেলা ক্রীড়া সংস্থার আশ্বাসের কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, স্থানীয় সংসদ সদস্যের সাথে আলোচনা করে সমাধান না হওয়া পর্যন্ত কোয়াব তাদের মানববন্ধনের কর্মসূচি স্থগিত রেখেছে।
জেলা ক্রীড়া সংস্থার পক্ষ থেকে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে স্থানীয় সংসদ সদস্যের সাথে আলোচনা করে একটি সন্তোষজনক ও মধ্যস্থতামূলক সমাধানের জোরালো আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। আলোচনা ও পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমে চাঁদপুর স্টেডিয়ামে ফুটবল ও ক্রিকেট-উভয় খেলার সুস্থ পরিবেশ বজায় রাখা সম্ভব হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদী। উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) অনুকূলে ‘স্বাধীনতা কাপ ২০২৬’, ‘সুপার কাপ ২০২৬’, ‘ফেডারেশন কাপ ২০২৬-২৭’ এবং ‘বাংলাদেশ ফুটবল লিগ ২০২৬-২৭’-এর খেলা আয়োজনের জন্য চাঁদপুর জেলা স্টেডিয়াম বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে আসন্ন বাংলাদেশ ফুটবল লিগে অংশগ্রহণকারী ঐতিহ্যবাহী ঢাকা ওয়ান্ডারার্স ক্লাব স্টেডিয়ামটিকে তাদের ‘হোম ভেন্যু’ হিসেবে ব্যবহারের আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এরই প্রেক্ষিতে গত ২২ আগস্ট ২০২৬ থেকে আগামী ৩০ জুন ২০২৭ পর্যন্ত মাঠ, ড্রেসিং রুমসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বাফুফের অনুকূলে ব্যবহারের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। দীর্ঘসময় মাঠ ফুটবলকে দেওয়ায় স্থানীয় ক্রিকেট চর্চা ব্যাহত হওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ