ঢাকা রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

তীব্র তাপপ্রবাহে পুড়ছে ইউরোপ, জারি ‘রেড হিট অ্যালার্ট’


তীব্র তাপপ্রবাহে পুড়ছে ইউরোপ, জারি ‘রেড হিট অ্যালার্ট’

ফ্রান্স, স্পেন, জার্মানি ও ইতালিসহ পশ্চিম ও মধ্য ইউরোপের দেশগুলোতে তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে ‘রেড হিট অ্যালার্ট’ বা সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে সাহারা মরুভূমি থেকে ধেয়ে আসা উষ্ণ বায়ুর কারণে। তাপমাত্রা ক্রমাগত বাড়ছে এবং এখানে অনেক স্থানে এটি ৪০ থেকে ৪৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত ছাড়িয়ে গেছে।

আবহাওয়াবিদদের মতে, এটি সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে দীর্ঘতম ও তীব্রতম তাপপ্রবাহ হবে। ইতোমধ্যে তীব্র গরমের কারণে বেশ কয়েকজন মানুষের মৃত্যু হয়েছে এবং বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে শত শত স্কুল।

সোমবার (২২ জুন) ফ্রান্সের বোর্দোতে তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছয়। দক্ষিণ ফ্রান্সে গাড়ির ভেতরে আটকে পড়ে ২ ও ৪ বছর বয়সী দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটেছে।

আরও পড়ুন: মেঘনায় নৌ পুলিশের অভিযানে ৩৩ জেলে আটক, ২২ জনের বিরুদ্ধে মামলা

এ ছাড়া জিরোন্দ অঞ্চলে বয়স্ক ৩ জন মারা গেছেন এবং নদী ও হ্রদে সাঁতার কাটতে গিয়ে আরো ১৩ জন ডুবে মারা গেছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দেশটির ৮৪৫টি স্কুল পুরোপুরি বন্ধ রাখা হয়েছে এবং ১,৮০০টি স্কুল আংশিক বন্ধ রয়েছে। এমনকি জাতীয় উৎসব ‘ফেত দে লা মিউজিক’-এ মদ্যপান নিষিদ্ধ করেছে সরকার, যাতে স্বাস্থ্যকর্মীরা জরুরি চিকিৎসায় মনোযোগ দিতে পারেন।

স্পেনের কিছু এলাকায় তাপমাত্রা ৪৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পৌঁছানোর পূর্বাভাস করা হয়েছে। ইতালির মিলান, রোম ও ভেনিসসহ ১২টি শহরে রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। জার্মানিতে তাপমাত্রা ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছে এবং গরম থেকে বাঁচতে সাঁতার কাটতে গিয়ে ৫ জন মারা গেছেন। যুক্তরাজ্যেও (ইংল্যান্ড ও ওয়েলস) রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। গ্রিসে তীব্র গরমের কারণে দাবানল ছড়িয়ে পড়ার জন্য প্রধান মহাসড়ক বন্ধ করতে হয়েছে। বেলজিয়ামেও রেকর্ড তাপমাত্রার কারণে বেশ কিছু ট্রেন চলাচল বাতিল করা হয়েছে।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, ঘন ঘন এই ধরণের তাপপ্রবাহ বৈশ্বিক উষ্ণায়নের স্পষ্ট লক্ষণ। আবহাওয়া সংস্থা মেটিও-ফ্রান্স জানিয়েছে, ১৯৪৭ সালের পর থেকে ফ্রান্সে মোট ৫১টি তাপপ্রবাহ হয়েছে, যার মধ্যে ৩৪টি ঘটেছে ২০০০ সালের পর। আবহাওয়াবিদরা সতর্ক করেছেন যে, এই সপ্তাহের শেষ দিক পর্যন্ত তাপমাত্রা কমার কোনো সম্ভাবনা নেই।

আরও পড়ুন: সংসদের নিম্নকক্ষের মেয়াদ ৪ ও উচ্চকক্ষের ৬ বছর করার প্রস্তাব

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২৫ কোটি গাছের কার্বন ক্রেডিট বিক্রি করে বিলিয়ন ডলার আয়ের সম্ভাবনা বাংলাদেশের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৩শে জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৫৮ এম


২৫ কোটি গাছের কার্বন ক্রেডিট বিক্রি করে বিলিয়ন ডলার আয়ের সম্ভাবনা বাংলাদেশের

ঢাকা, ২৩ জুন, ২০২৬ : সরকারের ঘোষিত দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচির মাধ্যমে উৎপন্ন কার্বন ক্রেডিট বিক্রি করে বাংলাদেশ বছরে প্রায় ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করতে পারে বলে এক সরকারি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

গত ১৩ জুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী পাঁচ বছরে দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষ রোপণের এই কর্মসূচি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন। এর লক্ষ্য হলো পরিবেশ সুরক্ষা জোরদার করা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা করা।

জলবায়ু অর্থায়ন বাজেট প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই পাঁচ বছর মেয়াদি উদ্যোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো বৃহৎ পরিসরের বনায়নের মাধ্যমে কার্বন ক্রেডিট উৎপাদনের সম্ভাবনা।

আন্তর্জাতিক কার্বন ক্রেডিট ব্যবস্থার আওতায় নির্ধারিত রোপণ এলাকা আগেই সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক সংস্থা ও অংশগ্রহণকারী দেশের কাছে নিবন্ধন ও প্রতিবেদন আকারে দাখিল করতে হয়।

কার্বন শোষণ বৃদ্ধি এবং নিট গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাসে অবদান রাখার মাধ্যমে এই উদ্যোগ কার্বন ক্রেডিট বাণিজ্যের মাধ্যমে আর্থিক লাভ আনতে পারে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের হিসাব উদ্ধৃত করে বলা হয়, কর্মসূচিটি সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে শুধু বৃক্ষ রোপণের মাধ্যমেই বাংলাদেশ বছরে প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার কার্বন ক্রেডিট বিক্রির মাধ্যমে আয় করতে সক্ষম হবে।

অর্থনৈতিক লাভের পাশাপাশি এই উদ্যোগে পরিবেশগতভাবে বড় ধরনের সুফল আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে তাপমাত্রা হ্রাস, বৃষ্টিপাতের ধরন উন্নয়ন, মাটির গুণগত মান বৃদ্ধি এবং বাস্তুতন্ত্রের সহনশীলতা বৃদ্ধি।

ফলে এই কর্মসূচি টেকসই উন্নয়ন ও জলবায়ু কর্মকাণ্ডকে এগিয়ে নেওয়ার সাথে সাথে সবুজ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

২০২৫ সালে বৈশ্বিক কার্বন মূল্য নির্ধারণ বাজার থেকে আয় দাঁড়িয়েছে ১০৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা ২০২৪ সালের তুলনায় বাস্তব মূল্যে প্রায় ২ শতাংশ বেশি। বর্তমান বাজার সক্ষমতা প্রায় ২৫০ বিলিয়ন ডলার, যা ২০৫০ সালের মধ্যে ১ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছতে পারে। এই খাতে প্রধান বিনিয়োগ আসবে বেসরকারি খাত থেকে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশগুলোকে এসব প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রমাণযোগ্য অগ্রগতি দেখাতে হবে যাতে অতিরিক্ত বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা যায়।

কার্বন হ্রাস কর্মসূচি সঠিকভাবে নকশা ও বাস্তবায়ন করা গেলে বাংলাদেশ বৈশ্বিক কার্বন বাণিজ্য থেকে উল্লেখযোগ্য আয় করতে পারবে, কারণ বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম কম মাথাপিছু গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনকারী দেশ।

তবে প্রতিবেদনে বলা হয়, এই সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশ এখনো আন্তর্জাতিক কার্বন বাজারে পূর্ণভাবে অংশ নিতে প্রস্তুত নয়। এর প্রধান ঘাটতিগুলোর মধ্যে রয়েছে আর্টিকেল ৬ ব্যবস্থার বিষয়ে সীমিত প্রযুক্তিগত জ্ঞান, কার্বন ক্রেডিট ইস্যু ও বাণিজ্যের জন্য দুর্বল আইনগত ও নিয়ন্ত্রক কাঠামো এবং এমআরভি ও প্রকল্প সনদায়নের ক্ষেত্রে সরকারি ও বেসরকারি খাতের অপর্যাপ্ত সক্ষমতা।

এই ঘাটতিগুলো দূর করতে নিয়ন্ত্রক সংস্কার, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকে কৌশলগত অগ্রাধিকার হিসেবে দেখা প্রয়োজন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

একটি কার্বন ক্রেডিট হলো এক মেট্রিক টন কার্বন ডাই-অক্সাইড বা তার সমতুল্য গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাস, অপসারণ বা প্রতিরোধের যাচাইকৃত একক।

কার্বন ক্রেডিট সাধারণত নবায়নযোগ্য জ্বালানি, জ্বালানি দক্ষতা, বনায়ন এবং মিথেন নিয়ন্ত্রণের মতো কার্যক্রমের মাধ্যমে তৈরি হয় এবং তা নিয়ন্ত্রিত বা স্বেচ্ছা কার্বন বাজারে বাণিজ্য করা যায়।

এটি সরকার, প্রতিষ্ঠান ও কোম্পানিগুলোকে তাদের নির্গমন ক্ষতিপূরণ করতে অন্যদের থেকে যাচাইকৃত নির্গমন হ্রাস ক্রয় করার সুযোগ দেয়, যা নিম্ন-কার্বন বিনিয়োগে অর্থনৈতিক উৎসাহ তৈরি করে।

এই ব্যবস্থাগুলো প্যারিস চুক্তির আর্টিকেল ৬ এবং স্বেচ্ছা মানদণ্ডের অধীনে পরিচালিত হয়, যেখানে শক্তিশালী পর্যবেক্ষণ, প্রতিবেদন ও যাচাই (এমআরভি) ব্যবস্থা প্রয়োজন।

বাংলাদেশের কার্বন বাজারে পূর্ব অভিজ্ঞতা রয়েছে। ২০০৬ সালে ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড (আইডিসিওএল) জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সংস্থায় বাংলাদেশের প্রথম ক্লিন ডেভেলপমেন্ট মেকানিজম (সিডিএম) প্রকল্প নিবন্ধন করে। এরপর থেকে আইডিসিওএল ২.৫৩ মিলিয়ন কার্বন ক্রেডিট বিক্রি করেছে, যার মাধ্যমে ১৬.২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় হয়েছে (বর্তমান বিনিময় হার অনুযায়ী প্রায় ১৭০ কোটি টাকা), যা সৌরবিদ্যুৎ ও উন্নত চুলা প্রকল্প থেকে এসেছে।

এই অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের কার্বন প্রকল্প উন্নয়নে প্রযুক্তিগত সক্ষমতার প্রমাণ দেয় এবং কার্বন বাজারে অংশগ্রহণ সম্প্রসারণের জন্য একটি বিশ্বাসযোগ্য ভিত্তি তৈরি করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মিরপুরে বিভিন্ন অপরাধে ২১ জন গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৩শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:০৬ এম


মিরপুরে বিভিন্ন অপরাধে ২১ জন গ্রেফতার

রাজধানীর মিরপুর মডেল থানা এলাকায় পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন ধরনের অপরাধে জড়িত ২১ জনকে গ্রেফতার করেছে।

সোমবার (২২ জুন) রাতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) নিয়াজ মেহেদী এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, রবিবার, মিরপুর মডেল থানা পুলিশ থানার বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ২১ জনকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন মিরপুর থানা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এবং মিরপুর থানা শাখা ইমারত শ্রমিক লীগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, যিনি সেলিম আজাদ নামে পরিচিত (৪৮), মোহন মিয়া (৩৩), মেহেদী হাসান (২৬), নুরুল হক ফরাজী (৩০), সৌরভ সরদার (২১), রানা (২৬), ইউনুস ইসলাম ইভান (২৩), নিরব (২৯), আরমান শেখ (২৩), রাফসান করিম (২৫), রাসেল মিয়া (২৬), সাকিব (১৯), আকিফুর রহমান (২২), শ্যামল (২৫), জোনায়েদ আল হাবিব (৪১), রোকন ডালি (২৬), কাউসার হোসেন (২৩), রাজিব (২৩), মানছুরা, তাসলিমা চৌধুরী এবং মজিবুর রহমান (৬৩)।

তিনি আরও জানান, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে নিয়মিত ও পরোয়ানাভুক্ত মামলার আসামিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিরা রয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাতারে ভয়াবহ বিস্ফোরণে ভারতীয়-পাকিস্তানিসহ নিহত ১৩, আহত ৬৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৩শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:০৮ এম


কাতারে ভয়াবহ বিস্ফোরণে ভারতীয়-পাকিস্তানিসহ নিহত ১৩, আহত ৬৬

কাতারের রাস লাফান শিল্পনগরীতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় অন্তত ১৩ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ভারতীয় এবং পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ব্যক্তিরা রয়েছেন বলে জানিয়েছেন দেশটির জ্বালানিমন্ত্রী সাদ বিন শ্রেদা আল-কাবি।

সোমবার আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কাতারের রাষ্ট্রীয় জ্বালানি প্রতিষ্ঠান কাতার এনার্জির প্রধান নির্বাহী আল-কাবি জানান, রোববার সন্ধ্যায় রাস লাফান শিল্পনগরীর বারজান স্থানীয় গ্যাস সরবরাহ কেন্দ্রে পরিচালন কার্যক্রম শুরু করার সময় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এর পর সেখানে অগ্নিকাণ্ডেরও সূচনা হয়।

স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, আহতদের মধ্যে ভারত, কাতার, তানজানিয়া, পাকিস্তান, গিনি, নেপাল, বাংলাদেশ, কেনিয়া ও নাইজেরিয়ার নাগরিক রয়েছেন। আল-কাবি জানান, নিহত ১৩ জন ভারতীয় এবং পাকিস্তানি নাগরিক হলেও, তাদের মধ্যে কোন দেশের কতজন রয়েছেন তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

এদিকে দোহায় অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস এক বিবৃতিতে নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত বার্তায় দূতাবাস বলেছে, রাস লাফানের মর্মান্তিক ঘটনায় প্রাণ হারানো ব্যক্তিদের স্বজনদের প্রতি তারা গভীর সহানুভূতি প্রকাশ করছে।

নিহত ও আহতদের পরিবারের সহায়তার জন্য দূতাবাস দুটি সহায়তা নম্বর চালু করেছে। সেইসাথে যোগাযোগের জন্য একটি ডাকযোগে বার্তা গ্রহণের ঠিকানাও প্রকাশ করা হয়েছে। এর আগে ভারতীয় দূতাবাস ঘটনাটিকে অত্যন্ত উদ্বেগজনক আখ্যা দিয়ে জানিয়েছিল, এতে বহু মানুষ আহত হয়েছেন এবং বেশ কয়েকজন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, এই কঠিন সময়ে কাতার সরকারের পাশাপাশি দেশটির জনগণের প্রতি ভারতীয় দূতাবাস ও কাতারে বসবাসরত ভারতীয় সম্প্রদায় পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করছে। একই সাথে আহতদের দ্রুত আরোগ্য এবং নিখোঁজদের নিরাপদে ফিরে আসার কামনাও করা হয়েছে।

কাতার এনার্জি জানিয়েছে, বিস্ফোরণের পরপরই জরুরি সেবাদানকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সূত্র: দ্য হিন্দু।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুয়ারেজকে ছাড়া ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপে জয়ের দেখা পায়নি উরুগুয়ে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৩শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:১১ এম


সুয়ারেজকে ছাড়া ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপে জয়ের দেখা পায়নি উরুগুয়ে

বর্তমান শতাব্দীতে উরুগুয়ে দল বলতে লুইস সুয়ারেজ ও দিয়েগো ফোরলানের নামই সকলেই শোনে থাকে। এই দুই কিংবদন্তী ফুটবলার উরুগুয়েকে পুরো বিশ্ব মঞ্চে পরিচয় করিয়েছেন গেল দুই দশকে। ২০১০ বিশ্বকাপে উরুগুয়ে চতুর্থ হয়েছিল। বর্তমানে বিশ্বকাপের প্রথম দুইবারের বিজয়ীদের জৌলুশ আর নেই। এবার কেপ ভার্দের মতো ছোট দলের বিপক্ষে তারা ড্র করেছে। আর এতে একটি অভাবও ফুটে উঠেছে তাদের। সেই ব্যক্তির নাম লুইস সুয়ারেজ। রবিবার কেপ ভার্দের সঙ্গে অনুষ্ঠিত ২-২ গোলে ড্র হওয়া ম্যাচটি উরুগুয়ে জাতীয় দল এবং তাদের অন্যতম সেরা আইডল লুইস সুয়ারেজকে ঘিরে একটি চমকপ্রদ পরিসংখ্যান সামনে এনেছে। ১৯৭৪ সালের পর থেকে বিশ্বকাপ ম্যাচে লুইস সুয়ারেজকে ছাড়া লা সেলেস্তেরা মাত্র একটি জয় পেয়েছে। মিয়ামিতে এই ড্র ২০২৬ বিশ্বকাপে উরুগুয়ের হারের ধারাকে আরও দীর্ঘায়িত করেছে। কেপ ভার্দের মুখোমুখি হওয়ার আগে মার্সেলো বিয়েলসার দল তাদের উদ্বোধনী ম্যাচে সৌদি আরবের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করেছিল এবং এখন স্পেনের মুখোমুখি হওয়ার চাপ নিয়ে চূড়ান্ত পর্বে পৌঁছাতে হবে। এই তথ্যটি আরও বেশি চমকপ্রদ কারণ, এই সময়ে সুয়ারেজকে ছাড়া উরুগুয়ের একমাত্র বিশ্বকাপ জয়টি এসেছিল ১৯৯০ সালে। যখন লা সেলেস্তে ইতালিতে হওয়া ওই বিশ্বকাপে দক্ষিণ কোরিয়াকে ১-০ গোলে পরাজিত করে। এরপর থেকে উরুগুয়ের অন্যান্য সব বিশ্বকাপ জয়েও সুয়ারেজ স্ট্রাইকার হিসেবে মাঠে ছিলেন। ১৯৯৪ ও ১৯৯৮ বিশ্বকাপে খেলার সুযোগই পায়নি উরুগুয়ে। ২০০২ বিশ্বকাপে কোন ম্যাচ না জিতেই গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নেয় কিন্তু ২০০৬ সালে আবার বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ হারায়। এরপর ২০১০ সাল থেকে তারা টানা বিশ্বকাপে খেলছে এবং সুয়ারেজও দলে ছিলেন ২০২২ সাল পর্যন্ত। উরুগুয়ে জাতীয় দলের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা লুইস সুয়ারেজ চারটি বিশ্বকাপে (২০১০, ২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২২) খেলেছেন এবং উরুগুয়ের সেরা খেলোয়াড় হিসেবেই ম্যাচগুলোতে অংশ নিয়েছেন। ২০২৬ বিশ্বকাপে খেলতে চেয়েছিলেন তিনি। যদিও তিনি সুযোগ পাননি। দল থেকে বাদ পড়ায় এই ৯ নম্বর জার্সিধারী খেলোয়াড় গ্যালারি থেকে কেপ ভার্ডের বিপক্ষে দলের ড্র করা ম্যাচটি দেখেছেন। আফ্রিকান দলটির বিপক্ষে পিছিয়ে পড়ার পর ম্যাক্সি আরাউহো এবং কানোবিওর গোলে উরুগুয়ে খেলায় ফিরে এলেও আবার রক্ষণভাগের ভুলের শিকার হয়ে দ্বিতীয়ার্ধে হেলিও ভারেলার কাছে একটি সমতাসূচক গোল হজম করে। এই ফলাফলের কারণেই দলটি প্রতিযোগিতায় জয়হীন থাকে এবং স্পেনের বিপক্ষে ফাইনালের জন্য চাপ আরও বৃদ্ধি পায়। বাছাইপর্ব যদি আগে থেকেই কঠিন মনে হয়ে থাকে, তবে সুয়ারেজকে ছাড়া দলের রেকর্ড উরুগুয়ের দলটির জন্য উদ্বেগের আরেকটি কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সর্বোপরি, সাম্প্রতিক বিশ্বকাপের ইতিহাস এই বিষয়টি প্রমাণ করে যে, উরুগুয়ে যেমন লুইসি টোর উপর নির্ভর করে, তেমনিভাবে অনেক কম দলই আছে যারা ড্র এবং পরাজয়কে জয়ের রূপান্তর করতে ‘একজন’ খেলোয়াড়ের উপর এতটা নির্ভর করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৬
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%