ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

হত্যাচেষ্টা মামলায় দিলীপ আগারওয়ালাকে গ্রেপ্তারসহ ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন


হত্যাচেষ্টা মামলায় দিলীপ আগারওয়ালাকে গ্রেপ্তারসহ ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন

মানি লন্ডারিং মামলায় এক দিনের রিমান্ড শেষে, এবার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থী আ. জব্বারকে গুলি করে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে উত্তরা পশ্চিম থানায় দায়ের করা মামলায় ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দিলীপ কুমার আগরওয়ালকে গ্রেপ্তার দেখানোর পাশাপাশি ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে।

বুধবার, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও উত্তরা পশ্চিম থানার উপপরিদর্শক মো. সুমন মিয়া দুটি আলাদা আবেদন করেন। এ বিষয়ে দুপুরে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, আসামি দিলীপকে গুলশান থানার মামলায় একদিনের রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করা হবে। এরপর এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো এবং রিমান্ডের বিষয়ে শুনানি হবে।

আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের লড়াই বদলে দিচ্ছে সুপ্রিম কোর্ট

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর, ২০২৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বর, ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দিলীপ কুমার আগরওয়ালকে তখনকার র‌্যাব গ্রেপ্তার করেছিল। পরে, তিনি ২০২৫ সালের ১ অক্টোবর অত্যন্ত গোপনীয়তার সঙ্গে জামিন পেয়ে কারামুক্ত হন। তার জামিনের বিষয়টি নিয়ে দেশব্যাপী সমালোচনার ঝড় ওঠে। এক বছর পর, ১৯ অক্টোবর সন্ধ্যায় বনানী থেকে মানি লন্ডারিং মামলায় তাকে আবার গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন, ২০ অক্টোবর, তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়।

মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শেষ দিন ৫ আগস্ট দুপুর ১২টার দিকে উত্তরা পশ্চিম থানার ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ওপর বিএনএস সেন্টারের সামনে আ. জব্বার গুলিবিদ্ধ হন। তিনি ২০২৪ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। কিছুটা সুস্থতা অনুভব করার পর, ২০২৫ সালের ২৭ মার্চ আ. জব্বার বাদী হয়ে উত্তরা পশ্চিম থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেন। এতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৫০ জনের নাম উল্লেখ করা হয় এবং ১০০-১৫০ জনকে অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইউরোপে উগ্রপন্থার উত্থান, মধ্যপন্থি রাজনীতির জনসমর্থন দুর্বল হচ্ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:২০ পি.এম


ইউরোপে উগ্রপন্থার উত্থান, মধ্যপন্থি রাজনীতির জনসমর্থন দুর্বল হচ্ছে

ইউরোপের প্রধান দেশগুলোতে মধ্যপন্থি রাজনৈতিক দলগুলোর জনসমর্থন ক্রমাগত হ্রাস পাচ্ছে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মন্থর গতি, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, সরকারি ঋণের বোঝা এবং তরুণদের কর্মসংস্থান ও ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা সাধারণ জনগণকে উগ্র ডান ও বামপন্থি দলগুলোর দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

ফ্রান্সে শিক্ষা খাতে অর্থায়নের ঘাটতি নিয়ে শুরু হওয়া বিক্ষোভ দেশজুড়ে সহিংস দাঙ্গায় রূপ নেওয়ার ঘটনা এই সংকটের একটি বড় উদাহরণ। তবে এই প্রবণতা দীর্ঘ সময় ধরে বাড়ছে। বিশেষ করে তরুণ ও বেতনভোগী শ্রমজীবী মানুষের মধ্যে ধারণা তৈরি হয়েছে যে, উদার গণতন্ত্র উন্নত জীবন ও সমৃদ্ধির যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, মধ্য-বাম ও মধ্য-ডানপন্থি দলগুলোকে এখন অনেকেই একই ধরনের রাজনীতির ধারক হিসেবে দেখছেন। এসব দলের নেতৃত্বে থাকা শিক্ষিত অভিজাত শ্রেণি সাধারণ শ্রমজীবী মানুষের সমস্যা ও আকাঙ্ক্ষা থেকে বিচ্ছিন্ন—এমন ধারণা জোরালো হচ্ছে। অন্যদিকে বাজেট ঘাটতি, ঋণের ব্যয় ও সুদের হার বৃদ্ধির কারণে সরকারগুলোর পক্ষে জনজীবনের সংকট মোকাবিলায় বড় পদক্ষেপ নেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।

ফলস্বরূপ, ফ্রান্সে মেরিন লো পেনের উগ্র ডানপন্থি ন্যাশনাল র‍্যালি ও জ্যঁ-লুক মেলঁশোঁর উগ্র বামপন্থি ফ্রান্স আনবোড—দুই ধারার দলই জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। জার্মানিতে উগ্র ডানপন্থি অল্টারনেটিভ ফর জার্মানি (এএফডি) ও বামপন্থি ডি লিংকের সমর্থন বাড়ছে।

আগামী এক বছরে স্পেন, ফ্রান্স, ইতালি ও পোল্যান্ডে গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, যা ইউরোপের রাজনৈতিক অস্থিরতা আরো বাড়াতে পারে। ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জ মেলোনিকেও কট্টরপন্থি প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে পড়তে হচ্ছে।

গণতন্ত্রের প্রতি আস্থা কমছে

পিউ রিসার্চ সেন্টারের জরিপ অনুযায়ী, গণতন্ত্রের কার্যক্রম নিয়ে ইউরোপের বড় দেশগুলোতে অসন্তোষ বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফ্রান্সে ৬৯ শতাংশ, স্পেনে ৬৮ শতাংশ, ইতালিতে ৬২ শতাংশ এবং পোল্যান্ডে ৪৭ শতাংশ মানুষ গণতন্ত্রের কার্যক্রমে অসন্তুষ্ট। যুক্তরাষ্ট্রেও এই হার ৬৯ শতাংশ।

অর্থনীতিতে নোবেলজয়ী ও যুক্তরাষ্ট্রের এমআইটির অধ্যাপক ড্যারন অ্যাসেমোগলুর মতে, গণতন্ত্রের সংকটের পেছনে দুটি বড় ব্যর্থতা রয়েছে। প্রথমত, সাধারণ মানুষের মধ্যে সমৃদ্ধি সুষমভাবে বণ্টনে ব্যর্থতা। দ্বিতীয়ত, রাজনীতিতে শিক্ষিত অভিজাত শ্রেণির আধিপত্য বৃদ্ধি।

বিশ্বায়ন, স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তির বিস্তার ও আয়বৈষম্যের কারণে শ্রমজীবী মানুষের নিরাপত্তা কমেছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অগ্রগতিও চাকরি ও জীবিকা নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি করছে। একই সঙ্গে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, সড়ক ও অন্যান্য মৌলিক সেবার মান বজায় রাখতে সরকারগুলোর ব্যর্থতা নিয়ে অসন্তোষ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

অ্যাসেমোগলুর মতে, উদার গণতন্ত্রকে পুনরুজ্জীবিত করতে হলে শ্রমজীবী মানুষের স্বার্থকে রাজনীতির কেন্দ্রে ফিরিয়ে আনতে হবে।

জার্মানিতে মধ্যপন্থিদের সংকট

ইউরোপের বৃহত্তম অর্থনীতি জার্মানিতেও মধ্যপন্থি রাজনীতির ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়ছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে দেশটির রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তারকারী মধ্য-ডানপন্থি ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্র্যাটিক ইউনিয়ন (সিডিইউ) এবং মধ্য-বামপন্থি সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি (এসপিডি) বর্তমানে জনসমর্থন ধরে রাখতে হিমশিম খাচ্ছে।

অভিবাসন, চীনের বাজারে রপ্তানি হ্রাস, রাশিয়ার সঙ্গে উত্তেজনা এবং মন্থর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিয়ে সরকারের ভূমিকার সমালোচনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। সাবেক চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেলের মধ্যপন্থি নীতি ও ব্যাপক অভিবাসন গ্রহণের সিদ্ধান্তে সিডিইউর রক্ষণশীল সমর্থকদের একটি অংশ দূরে সরে যায়। সেই জায়গা দখল করেছে এএফডি।

বর্তমান জনমত জরিপের গড় হিসাবে জার্মানিতে এএফডির সমর্থন প্রায় ২৮ শতাংশ। সিডিইউ ও তাদের জোটসঙ্গী সিএসইউর সমর্থন ১৯ দশমিক ৮ শতাংশ, গ্রিন পার্টির ১৫ শতাংশ এবং এসপিডির ১৩ দশমিক ১ শতাংশ। বামপন্থী ডি লিংকের সমর্থনও ১১ দশমিক ৩ শতাংশে পৌঁছেছে।

এ পরিস্থিতিতে কার্যকর সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন কঠিন হয়ে পড়ছে। একই সঙ্গে মূলধারার দলগুলোর মধ্যে উগ্র ডানপন্থিদের মোকাবিলায় কী ধরনের নীতি গ্রহণ করা উচিত, তা নিয়েও মতবিরোধ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

ইউরোপের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তনের আভাস

বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, আসন্ন নির্বাচনগুলো ইউরোপের রাজনৈতিক কাঠামোয় বড় পরিবর্তন আনতে পারে। বিভক্ত পার্লামেন্ট ও জোট সরকারে ছোট উগ্র ডানপন্থি দলগুলোর প্রভাব বৃদ্ধি পেতে পারে। এতে মূলধারার দলগুলো আরো কট্টর অবস্থান নিতে বাধ্য হতে পারে এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের কার্যক্রমও জটিল হয়ে উঠতে পারে।

আগামী বসন্তে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন এ ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। মেরিন লো পেন জয়ী হলে ইউরোপীয় ইউনিয়নের নীতি, ইউরোর ভবিষ্যৎ, ন্যাটো ও ইউক্রেনের প্রতি ইউরোপের সমর্থনে বড় প্রভাব পড়তে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই সংকট মোকাবিলায় শুধু রাজনৈতিক বক্তব্য যথেষ্ট নয়। প্রয়োজন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, মজুরি বৃদ্ধি, বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি নেই এমন মানুষের জন্যও উন্নতির সুযোগ এবং প্রযুক্তির সুফল সবার মধ্যে বণ্টনের কার্যকর পরিকল্পনা।

আরএ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টঙ্গীতে গ্যাস লিকেজের বিস্ফোরণে একই পরিবারের ৩ সদস্য দগ্ধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৪১ পি.এম


টঙ্গীতে গ্যাস লিকেজের বিস্ফোরণে একই পরিবারের ৩ সদস্য দগ্ধ

গাজীপুরের টঙ্গী চেরাগআলী মার্কেটের একটি আবাসে গ্যাস লিকেজের কারণে বিস্ফোরণের ফলে একই পরিবারের তিন সদস্য দগ্ধ হয়েছেন।

বুধবার (২১ অক্টোবর) তাদেরকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।

বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. সুলতান মাহমুদ সিকদার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

স্বজনদের বক্তব্য অনুযায়ী, টঙ্গীর চেরাগআলী এলাকার একটি বাড়ির নিচ তলায় ভাড়া থাকতেন গার্মেন্টস কর্মী দম্পতি লাল চান ও নাসিমা খাতুন, এবং তাদের ১৬ বছর বয়সী মেয়ে স্কুলছাত্রী তানিশা আক্তার।

ভোরের সময় ঘুমন্ত অবস্থায় বাড়িতে বিস্ফোরণ ঘটে, যার ফলে তিনজনের শরীরে আগুন লেগে যায়। তাদের চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তাদের শ্বাসনালীসহ শরীরের ৮৫ থেকে ৯৫ শতাংশ পুড়ে গেছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘চেহারায় নয়, যোগ্যতায় নজর দিন’: কেটি জাকারিয়া বিতর্কে ট্রাম্পকে স্পাইসার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৪১ পি.এম


‘চেহারায় নয়, যোগ্যতায় নজর দিন’: কেটি জাকারিয়া বিতর্কে ট্রাম্পকে স্পাইসার

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের নতুন প্রেস সেক্রেটারি নিয়োগের প্রক্রিয়ায় তার প্রথম প্রেস সেক্রেটারি শন স্পাইসার পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, কেটি জাকারিয়ার স্থলাভিষিক্ত কাউকে নিয়োগের সময় বাহ্যিক চেহারার পরিবর্তে যোগ্যতার দিকে নজর দেওয়া উচিত।

গত ১৬ অক্টোবর, দায়িত্ব গ্রহণের এক সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প কেটি জাকারিয়াকে সরিয়ে দেন। প্রথম সংবাদ সম্মেলনে তার অপেশাদারিত্ব এবং যোগ্যতা নিয়ে বিতর্কের কারণে গণমাধ্যমের প্রশ্নের মুখে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

জাকারিয়া এর আগে ট্রাম্পের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ জ্যেষ্ঠ যোগাযোগ উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করেছেন। ক্যারোলিন লেভিটের স্থলাভিষিক্ত হয়ে তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। লেভিট আগস্টের শেষে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর জন্য পদত্যাগ করেন।

স্পাইসার বলেন, ট্রাম্পের উচিত, কোনো ব্যক্তির নীতির প্রতি সমর্থন রয়েছে কি না তা না দেখে, ওই পদের জন্য প্রয়োজনীয় যোগ্যতার দিকে নজর দেওয়া।

অস্ট্রেলীয় সংবাদমাধ্যম ‘নিউজ২৪’-এর সাংবাদিক অ্যান্ড্রু বোল্ট স্পাইসারের কাছে জানতে চান, ট্রাম্প কি কাজের ক্ষেত্রে যোগ্যদের পরিবর্তে এমন কাউকে বেছে নিচ্ছেন, যারা দেখতে সুন্দর এবং তার মতাদর্শের সঙ্গে একমত পোষণ করেন?

জাকারিয়ার পক্ষে সাফাই গেয়ে স্পাইসার বলেন, তিনি (জাকারিয়া) ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ এজেন্ডার পক্ষে লড়াই করার ক্ষেত্রে দারুণ কাজ করছেন। তবে তিনি এও উল্লেখ করেন, বাহ্যিক রূপ ও আনুগত্য—এই বিষয়গুলো কাজের মাত্র প্রায় ২০ শতাংশ।

তিনি বলেন, ‘আমি হোয়াইট হাউসকে, বিশেষ করে প্রেসিডেন্টকে সতর্ক করতে চাই, যেন দায়িত্বের জন্য শুধু এই দিকটির ওপরই নজর না রাখেন।’

একইসঙ্গে প্রেস সেক্রেটারির অন্যান্য দায়িত্বের কথাও বলেন স্পাইসার। তিনি বলেন, গণমাধ্যমের সাথে কাজ করার ক্ষেত্রে বিভিন্ন ব্যবস্থাপনাগত বিষয় সামলানো প্রয়োজন। কোনো দায়িত্ব গ্রহণের আগে প্রার্থীদের বোঝা উচিত যে সেই কাজের জন্য কী প্রয়োজন। তাদের নিজেদের শক্তি ও দুর্বলতা সম্পর্কেও সচেতন থাকা উচিত।

ক্যারোলিন লেভিটের স্থলাভিষিক্ত হয়ে কেটি জাকারিয়া ১২ অক্টোবর কাজ শুরু করেন। তার প্রথম আনুষ্ঠানিক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি খুবই নার্ভাস ছিলেন। তিনি নোটবুক দেখে কথা বলছিলেন এবং সাংবাদিকদের মধ্যে থেকে মাত্র তিনজনের প্রশ্নের উত্তর দেন। এমনকি বক্তব্য দেয়ার এক পর্যায়ে তিনি ভুলবশত নিজের স্বামীকে ‘প্রেসিডেন্ট’ বলে সম্বোধন করেন।

২০১৭ সালের জুলাই মাসে ছয় মাস প্রেস সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর স্পাইসার পদত্যাগ করেন। গত আগস্ট মাসে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, সামরিক বাহিনীতে ২৭ বছর কাটালেও, প্রেস সেক্রেটারি হিসেবে ছয় মাস দায়িত্ব পালনই তার জীবনের সবচেয়ে কঠিন কাজ ছিল।

সূত্র: এনডিটিভি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস মামলায় বিএআরসির সোহাগ ফকির গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৪১ পি.এম


নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস মামলায় বিএআরসির সোহাগ ফকির গ্রেফতার

মাদারীপুরের রাজৈর বদরপাশা ইউনিয়নের দুর্গাবর্দী গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে যুব উন্নয়ন অধিদফতরের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় দায়ের করা মামলার আসামি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের (বিএআরসি) সহকারী পরিচালক সোহাগ ফকির (৩৮) কে গ্রেফতার করেছে সিআইডি।

বুধবার (২১ অক্টোবর) সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) মো. ছুফি উল্লাহ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সিআইডি জানিয়েছে, মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টার সময় সিআইডির একটি চৌকস দল রাজৈর বদরপাশা ইউনিয়নের দুর্গাবর্দী গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে। তিনি আব্দুল হালিম ফকির ও বিউটি বেগমের সন্তান। তার স্থায়ী ঠিকানা হলো—সুতারকান্দি, ২ নম্বর ওয়ার্ড, বাজিতপুর ইউনিয়ন, থানা—রাজৈর, জেলা—মাদারীপুর। এ সময় তার হেফাজত থেকে দুটি স্মার্টফোন জব্দ করা হয়েছে।

গত ১০ অক্টোবর যুব উন্নয়ন অধিদফতরের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগের কারণে পরীক্ষাটি স্থগিত করা হয়। এ ঘটনায় গত ১১ অক্টোবর মতিঝিল থানায় মামলা দায়ের করা হয়।

মামলাটির তদন্তের ধারাবাহিকতায় প্রাপ্ত তথ্য ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সোহাগ ফকিরের অবস্থান শনাক্ত করে সিআইডি। পরবর্তীতে অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামিকে আদালতে পাঠানোর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে সিআইডি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%