ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

শিল্প ও অর্থনীতির স্থায়িত্বে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির বিকল্প নেই: শিল্পমন্ত্রী


শিল্প ও অর্থনীতির স্থায়িত্বে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির বিকল্প নেই: শিল্পমন্ত্রী

ঢাকা, ১ অক্টোবর, ২০২৬ : বাংলাদেশের অর্থনীতি বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে যে গভীর সংযুক্তি তৈরি করেছে, তা থেকে হঠাৎ করে বেরিয়ে আসা সম্ভব নয়। এই বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের শিল্প ও অর্থনীতির স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির কোন বিকল্প নেই।

জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে ন্যাশনাল প্রোডাক্টিভিটি অর্গানাইজেশন (এনপিও) এবং দৈনিক যুগান্তর যৌথভাবে আয়োজিত ‘বাংলাদেশে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি : চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ করণীয়’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এ কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে শিল্পসচিব আব্দুন নাসের খান, এফবিসিসিআই’র প্রশাসক ফজলুল হক, দৈনিক যুগান্তর সম্পাদক আব্দুল হাই শিকদার, সিপিডির নির্বাহী পরিচালক নাজনিন আহমেদ, এনপিও'র মহাপরিচালক মোহা. নায়েব আলী, এসএমই ফাউন্ডেশনের পরিচালক খালিদ মাহমুদ খান, ট্যুরিজম রিসার্চ ডেভেলপমেন্টের পরিচালক আবু সুফিয়ান বক্তব্য রাখেন। আলোচনা সভায় প্রশাসনের কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্ট খাতের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: আরটিভির নিউজের পর পূজার জন্য সহায়তা পেল জগন্নাথপুরের নৌকাডুবি নিহতদের পরিবার

আলোচনা সভায় শিল্পমন্ত্রী প্রযুক্তি ও দক্ষতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব আরোপ করে বলেন, বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে দেশের উৎপাদনশীলতা বাড়াতে সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর মধ্যে ওভারল্যাপিং বা একই ধরনের কার্যক্রমের পুনরাবৃত্তি বন্ধ করা উচিত। এ জন্য এডিপির আওতায় নতুন প্রকল্প গ্রহণের পূর্বে বিদ্যমান প্রকল্পগুলোর উদ্দেশ্য ও কার্যক্রমের ওভারল্যাপিং রয়েছে কি না, তা প্রযুক্তিনির্ভরভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।

শিল্পমন্ত্রী আরও বলেন, এনএসডি মূলত একটি রেগুলেটরি বিষয়, আর উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি একটি নীতিগত বিষয়। এই দুটি বিষয়কে একইভাবে দেখা যাবে না। যদি সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রকল্পে একই ধরনের কার্যক্রম থাকে, তাহলে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জন বাধাগ্রস্ত হতে পারে।

তিনি উল্লেখ করেন, এডিপির নতুন প্রকল্প প্রস্তাবগুলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-ভিত্তিক ব্যবস্থার মাধ্যমে যাচাই করা যেতে পারে। নতুন প্রকল্প প্রস্তাব পাওয়ার পর সফ্টওয়্যার ব্যবহার করে একই উদ্দেশ্যে অন্য কোনো মন্ত্রণালয় বা সংস্থার প্রকল্প চলমান আছে কি না, তা শনাক্ত করা সম্ভব হলে সরকারি ব্যয়ের দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে এবং অপচয় কমবে।

শিল্পমন্ত্রী বলেন, সরকারি প্রকল্পে ডুপ্লিকেশন বা ওভারল্যাপিং কমানো গেলে এডিপির বাস্তবায়নে যে ধরনের অদক্ষতা তৈরি হয়, তার একটি বড় অংশ মোকাবিলা করা সম্ভব হবে।

আরও পড়ুন: দেবহাটায় গণপিটুনিতে যুবক হত্যার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

বিশ্ববাজারের বাস্তবতা তুলে ধরে তিনি বলেন, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির বিষয়টি শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, বরং প্রতিটি দেশের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। যদি কোনো পণ্য প্রতিযোগিতামূলকভাবে উৎপাদন করা না যায়, তাহলে আন্তর্জাতিক বাজারে অন্য দেশ সেই বাজার দখল করবে। তাই কৃত্রিমভাবে বাজার সুরক্ষা দেওয়ার পাশাপাশি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দেশীয় শিল্পকে প্রতিযোগিতার সক্ষমতা অর্জন করতে হবে।

মুক্তাদির বলেন, উৎপাদনশীলতা কেবল শিল্পকারখানার উৎপাদন বৃদ্ধির বিষয় নয়, বরং এটি একটি সংস্কৃতিতে পরিণত করতে হবে। কম শ্রম ও কম সম্পদ ব্যবহার করে অধিক ও উন্নতমানের উৎপাদন নিশ্চিত করাই উৎপাদনশীলতার মূল লক্ষ্য। আধুনিক প্রযুক্তি ও যন্ত্রপাতির ব্যবহার মানুষের দৈনন্দিন জীবনেও উৎপাদনশীলতা বাড়িয়েছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত প্রমাণ করেছে যে উচ্চশিক্ষার সুযোগ সীমিত থাকলেও প্রযুক্তি ও দক্ষতা অর্জনের সক্ষমতা থাকলে সাধারণ শ্রমিকরাও উৎপাদনশীলতা বাড়াতে পারেন। তাই আমাদের মূল ঘাটতি শুধু দক্ষতার নয়; নেতৃত্ব, সঠিক পরিকল্পনা এবং দৃঢ় সংকল্পের ঘাটতিও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির পথে বড় চ্যালেঞ্জ।

তিনি আরও বলেন, দেশের শিল্প ও অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনা, প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার, দক্ষ মানবসম্পদ এবং জবাবদিহিমূলক নেতৃত্ব নিশ্চিত করতে হবে।

আরও পড়ুন: জনগণকে সঙ্গে নিয়ে নব্য ফ্যাসিবাদের পতন ঘটানোর ঘোষণা জামায়াত আমিরের

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে অতিরিক্ত বাস ভাড়া প্রত্যাহারের জন্য ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪৬ পি.এম


ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে অতিরিক্ত বাস ভাড়া প্রত্যাহারের জন্য ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম

ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে অতিরিক্ত বাস ভাড়া প্রত্যাহার এবং শিক্ষার্থীদের জন্য হাফ পাস চালুর দাবিতে সাত ছাত্র সংগঠনের জোট ‘পরিবহন সিন্ডিকেট বিরোধী ছাত্র ঐক্য’ ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়েছে। ৩ অক্টোবরের মধ্যে সরকারি প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী সর্বোচ্চ ৫৫ টাকা ভাড়া নির্ধারণ ও শিক্ষার্থীদের জন্য সাশ্রয়ী হাফ পাস চালুর জন্য দৃশ্যমান পদক্ষেপ না নেওয়া হলে ৬ অক্টোবর থেকে সড়ক অবরোধের মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জে বাস চলাচল বন্ধ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জোটের নেতারা।

বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টায় নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ আলটিমেটামসহ পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। জোটভুক্ত সংগঠনগুলোর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন, জাতীয় ছাত্রশক্তি, বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিস, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ, ইসলামী ছাত্র মজলিস, ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে নেতারা উল্লেখ করেন, গত ২০ সেপ্টেম্বর সরকার জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর পর প্রজ্ঞাপন জারির আগেই ২২ সেপ্টেম্বর থেকে ‘উৎসব’ ও ‘বন্ধন’ পরিবহন ৫৫ টাকার পরিবর্তে ৬০ টাকা এবং শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা ভাড়া আদায় শুরু করে। তাঁদের দাবি, বিআরটিএর নির্ধারিত হার ও দূরত্বের হিসাব অনুযায়ী ফ্লাইওভারের টোলসহ এ রুটে ভাড়া কোনোভাবেই ৫৫ টাকার বেশি হওয়ার কথা নয়।

ভাড়া কমানোর দাবি তোলার পর মালিকপক্ষ বাস চলাচল বন্ধ করে সাধারণ যাত্রীদের জিম্মি করার কৌশল নিয়েছে বলেও সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন ছাত্রনেতারা।

তাঁরা ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে নন-এসি বাসের ভাড়া অবিলম্বে সর্বোচ্চ ৫৫ টাকা কার্যকর করার দাবি জানান। পাশাপাশি সপ্তাহের সাত দিন যেকোনো সময় পরিচয়পত্র দেখালে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে সর্বোচ্চ ৩০ টাকা ভাড়া নেওয়া এবং নিঃশর্ত হাফ পাস চালুর দাবি জানান।

এ ছাড়া বাস ও কাউন্টারে নির্ধারিত ভাড়ার নোটিশ টাঙানো, যাত্রীদের রসিদ প্রদান এবং ভাড়া নির্ধারণে খরচ ও টোলের হিসাব জনসমক্ষে প্রকাশের দাবি জানানো হয়। পরিবহন খাতে প্রতিযোগিতা বাড়াতে বিআরটিসি বাসের সংখ্যা এবং রেলপথে ট্রেন ও বগির সংখ্যা বাড়ানোর দাবিও জানান তাঁরা।

ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, ৩ অক্টোবরের মধ্যে দাবি বাস্তবায়নে দৃশ্যমান পদক্ষেপ না নেওয়া হলে ৪ অক্টোবর শহরে বিক্ষোভ মিছিল, ৫ অক্টোবর গণস্বাক্ষর কর্মসূচি এবং ৬ অক্টোবর থেকে সড়ক অবরোধ পালন করবে ‘পরিবহন সিন্ডিকেট বিরোধী ছাত্র ঐক্য’। সংবাদ সম্মেলনে নেতারা অভিযোগ করেন, বেসরকারি পরিবহন মালিকদের সুবিধা দিতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিআরটিসি বাস সার্ভিস সীমিত রাখা এবং ট্রেনের বগির সংখ্যা কমিয়ে রাখা হয়েছে।

পরিবহন খাতে চাঁদাবাজির বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ছাত্রনেতারা জানান, বাস মালিকেরা বৈঠকে চাঁদা দেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করলেও বাস্তবে তাঁরা নিজেরাই ‘মাফিয়াতন্ত্র ও সিন্ডিকেট’ গড়ে তুলে যাত্রীদের পকেট কাটছেন।

দলীয় মতপার্থক্য ভুলে সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ে এ ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন শুরু হয়েছে উল্লেখ করে নেতারা বলেন, ছাত্রদলের স্থানীয় একটি অংশ শিক্ষার্থীদের দাবির বিপক্ষে অবস্থান নিলেও প্রগতিশীল ও নাগরিক সমাজকে সঙ্গে নিয়ে তাঁরা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের জেলা সাধারণ সম্পাদক সৌরভ সেন, সহ-সাধারণ সম্পাদক মৌমিতা নূর, জাতীয় ছাত্রশক্তির মহানগর আহ্বায়ক আমিনুল ইসলাম, জেলা আহ্বায়ক মাহফুজ খান, বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিসের মহানগর সভাপতি আতিকুর রহমান, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিসের জেলা সম্পাদক কামরুল হাসান মিরাজ, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের জেলা সাধারণ সম্পাদক সাইদুল ইসলাম সিয়াম, ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশের জেলা আহ্বায়ক আবুল হাসানাত মেহরাব ও বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনার সংগঠক মো. আসাদুজ্জামানসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ক্যান্সারে আক্রান্ত মুয়াজের চিকিৎসার জন্য অর্থের প্রয়োজন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪৭ পি.এম


ক্যান্সারে আক্রান্ত মুয়াজের চিকিৎসার জন্য অর্থের প্রয়োজন

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির বিভাগের ২০০৬ সেশনের শিক্ষার্থী জুলকারনাইন রাদ। তার বড় ছেলে মুহাম্মাদ মুয়াজ আব্দুল্লাহর জন্ম ২০২১ সালের ডিসেম্বরে।

মুহাম্মাদ মুয়াজ মাত্র আড়াই বছর বয়সে প্রথমবার ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়। দেড় বছর ধরে ৮ সাইকেল কেমোথেরাপি, ৩৯ সেশন রেডিওথেরাপি এবং ৬টি অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে মুয়াজ ক্যান্সারকে পরাস্ত করতে সক্ষম হয়েছিল, যা সবার দোয়া, ভালোবাসা এবং সহযোগিতার ফলস্বরূপ।

মুয়াজের জীবন তখন মনে হয়েছিল স্বাভাবিক ও সুন্দর হয়ে উঠবে। কিন্তু বাস্তবতা তাকে আবারও কঠিন পরীক্ষার সম্মুখীন করেছে।

সম্প্রতি দাঁতের মাড়ি থেকে রক্ত পড়া এবং জ্বরের কারণে পরীক্ষা করা হলে রিপোর্টে দেখা যায়– হিমোগ্লোবিনের মাত্রা ৫ দশমিক ৮, প্লাটিলেটের মাত্রা ১০ হাজার এবং ডব্লিউবিসি (WBC) দেড় লাখ। অন্যান্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর শিশুটির শরীরে ব্লাড ক্যান্সার ধরা পড়ে।

এরপর বোনম্যারো টেস্ট, এনজিএস, ক্যারিওটাইপিং, এমআরআই, হিস্টোপ্যাথলজিসহ রক্তের অন্যান্য পরীক্ষা করা হয়। অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ (Internal Bleeding) চলতে থাকায় প্রাথমিক অবস্থায় জটিল এ চিকিৎসার দায়িত্ব নিতে কেউ রাজি হননি। বর্তমানে মুয়াজ রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে নিবিড় তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

মুয়াজের জন্য ইতোমধ্যে BFM 2004 প্রোটোকল অনুযায়ী কেমোথেরাপি শুরু হয়েছে। এই চিকিৎসা পদ্ধতির আওতায় ৫টি ইন্ডাকশন বা কেমোথেরাপি সাইকেলের প্রয়োজন, যার মধ্যে প্রথম সাইকেলটি বর্তমানে চলছে। শুধু এই অংশের হাসপাতাল খরচ আনুমানিক ৭৫ লাখ টাকা।

ক্যান্সারকে শরীর থেকে পুরোপুরি নির্মূল করতে বোনম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্টের প্রয়োজন হবে। মুয়াজকে ভারতের বেঙ্গালুরুতে নিয়ে যেতে হবে, যেখানে অন্ততপক্ষে আরও ৫০ লাখ টাকা ব্যয় হবে। সব মিলিয়ে এই দীর্ঘ ও জটিল চিকিৎসার জন্য আনুমানিক সোয়া কোটি টাকার প্রয়োজন।

এতো বিপুল অঙ্কের অর্থ সংগ্রহ করা মুয়াজের পরিবারের পক্ষে প্রায় অসম্ভব। তাই মুয়াজের পরিবার সমাজের হৃদয়বান ও বিত্তশালী মানুষের কাছে সাহায্যের আবেদন জানাচ্ছে।

মুয়াজ করুণার পাত্র নয়, সে কেবল আরও একবার নতুন করে সুস্থভাবে বাঁচার সুযোগ চায়।

সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা—

ব্যাংকের মাধ্যমে সহযোগিতা:

Dutch-Bangla Bank PLC

Account Name: K. M. ZULKERNINE

Account No: 2551580020269

Branch: Panthapath

Routing No: 090270424

SWIFT: DBBLBDDH

BRAC Bank PLC

Account Name: K.M. ZULKERNINE

Account No: 1082583500001

Branch: Gulshan Branch

Routing No: 060261726

SWIFT: BRAKBDDH

Mutual Trust Bank PLC

Account Name: K.M. ZULKERNINE

Account No: 1311004548413

Branch: Tejgaon

Routing No: 145264480

SWIFT: MTBLBDDH

মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে সহযোগিতা:

বিকাশ

মুয়াজের বাবা: 01551618574

মুয়াজের মা: 01533054254

মুয়াজের মামা: 01683997324

নগদ

মুয়াজের বাবা: 01917195064

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাকিস্তানি নাটক 'নশতর' ও 'মিট্টি দে বাওয়ে' দুই পর্বেই ৫০ মিলিয়ন ভিউয়ে নতুন রেকর্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪৮ পি.এম


পাকিস্তানি নাটক

পাকিস্তানি নাটকগুলো এখন আর শুধুমাত্র তাদের নিজস্ব দেশের সীমানার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। ভারত, মধ্যপ্রাচ্যসহ সারা বিশ্বে দর্শকরা এই নাটকগুলোর আবেগঘন কাহিনী, রোমান্টিক দৃশ্য এবং অসাধারণ অভিনয়ে মুগ্ধ হচ্ছেন। সম্প্রতি ইউটিউবে দুটি পাকিস্তানি নাটক অভূতপূর্ব এক রেকর্ড স্থাপন করেছে।

‘নশতর’ ও ‘মিট্টি দে বাওয়ে’— এই দুটি নাটক প্রথম দুই পর্বের মাধ্যমেই ইউটিউবে অতি দ্রুত ৫০ মিলিয়ন (৫ কোটি) ভিউ অর্জন করার অসাধারণ রেকর্ড গড়েছে। 'নশতর' নাটকটি মাত্র দুই পর্বে এই ৫০ মিলিয়নের মাইলফলক স্পর্শ করে। অন্যদিকে 'মিট্টি দে বাওয়ে' নাটকটি প্রচারের মাত্র পাঁচ দিনের মধ্যে একই রেকর্ড গড়ে।

‘নশতর’ নাটকের ডিজিটাল ঝড়

দানিশ তাইমুর ও আনমোল বালোচ অভিনীত 'নশতর' নাটকটি শুরু থেকেই দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক উন্মাদনা সৃষ্টি করেছে। প্রথম দুই পর্বেই ৫০ মিলিয়ন ভিউ অর্জনের পর এর জনপ্রিয়তা থামেনি; নাটকটি মাত্র চার পর্বের মধ্যেই ১০০ মিলিয়ন (১০ কোটি) ভিউ অতিক্রম করে।

২০২৬ সালের ২১ আগস্ট 'হর পল জিও' চ্যানেলে নাটকটি সম্প্রচার শুরু হয়। প্রতি শুক্র ও শনিবার রাত ৮টায় নাটকটি প্রচারিত হয়। দানিশ ও আনমোলের অসাধারণ অভিনয় বিশেষ করে হিন্দি ও উর্দুভাষী আন্তর্জাতিক দর্শকদের দারুণভাবে আকৃষ্ট করেছে।

গ্রিন টিভির দ্রুততম নাটক ‘মিট্টি দে বাওয়ে’

‘নশতর’-এর পর দ্রুততম ৫০ মিলিয়ন ভিউয়ের ক্লাবে যোগ দিয়েছে ওয়াহাজ আলী ও মহিরা খান অভিনীত নাটক 'মিট্টি দে বাওয়ে'। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বিনোদনধর্মী পেজগুলোর তথ্য অনুযায়ী, গ্রিন এন্টারটেইনমেন্ট চ্যানেলে প্রচারিত এই নাটকটি দুই পর্ব প্রকাশের মাত্র পাঁচ দিনের মধ্যে ৫০ মিলিয়ন ভিউ অর্জন করে ইতিহাস গড়েছে। ২০২৬ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর সম্প্রচার শুরু হওয়া এই নাটকটি প্রতি বুধ ও বৃহস্পতিবার রাত ৮টায় দেখানো হয়। ওয়াহাজ আলী ও মহিরা খানের নতুন জুটিকে ঘিরে নাটকটির মুক্তির আগে থেকেই দর্শকদের প্রবল আগ্রহ ছিল।

ইউটিউবে পাকিস্তানি নাটকের জয়জয়কার

এই দুটি নাটকের অভাবনীয় সাফল্য প্রমাণ করে যে দর্শকরা এখন ডিজিটাল মাধ্যমে নাটক দেখতে বেশি পছন্দ করছেন। ইউটিউবের মাধ্যমে পাকিস্তানি নাটক ভৌগোলিক সীমানা পেরিয়ে আন্তর্জাতিক দর্শকদের কাছে সহজেই পৌঁছে যাচ্ছে। বিশেষ করে ভারতীয় দর্শকদের কাছে এই সিরিয়ালগুলো ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেছে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এসব নাটক নিয়ে প্রতিনিয়ত রিলস, এডিট ও আলোচনার ঝড় উঠছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বৈঠার ছন্দে মাতল ব্রহ্মপুত্রের পাড়, নৌকাবাইচ দেখতে হাজির হাজারও মানুষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪৯ পি.এম


বৈঠার ছন্দে মাতল ব্রহ্মপুত্রের পাড়, নৌকাবাইচ দেখতে হাজির হাজারও মানুষ

কিশোরগঞ্জ, ১ অক্টোবর, ২০২৬ : ব্রহ্মপুত্র নদীর বুকে একের পর এক নৌকা ছুটছিল। মাঝিদের বৈঠার ছন্দময় টানে মুহূর্তেই গতি বৃদ্ধি পাচ্ছিল। নদীর দুই পাড়জুড়ে তখন হাজার হাজার মানুষের ভিড় ছিল। কিছু মানুষের হাতে মুঠোফোন, আবার কেউ তাদের পছন্দের নৌকার নাম ধরে উৎসাহ দিচ্ছিলেন।

নৌকার দৌড়, বৈঠার ছন্দ এবং দর্শকদের উচ্ছ্বাসে যেন ফিরে এসেছিল গ্রামবাংলার পুরনো এক চেনা দৃশ্য।

আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার দক্ষিণ চরটেকী মিনি কক্সবাজার এলাকায় ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ অনুষ্ঠিত হয়।

দক্ষিণ চরটেকী গ্রামের স্থানীয়দের উদ্যোগে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতা দেখতে নদীর দুই পাড়ে হাজার হাজার মানুষ ভিড় করেন।

দীর্ঘ সময় পর এলাকায় নৌকাবাইচ অনুষ্ঠিত হওয়ায় আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ ছুটে আসেন। কেউ পরিবার নিয়ে, কেউ স্বজনদের সঙ্গে। শিশু থেকে শুরু করে বয়োজ্যেষ্ঠ, সবার মধ্যেই ছিল উৎসাহ। নৌকাবাইচকে কেন্দ্র করে অনেকেই আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে আসেন।

প্রতিযোগিতায় ছোট-বড় মিলিয়ে মোট আটটি নৌকা অংশগ্রহণ করে। তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার পর প্রথম স্থান অর্জন করে কটিয়াদী উপজেলার করগাঁওয়ের দুলাল চেয়ারম্যানের নৌকা। দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে একই এলাকার হাবিবুর রহমান জালাল মিয়ার নৌকা। তৃতীয় স্থানে আসে পাকুন্দিয়ার বাহাদিয়া এলাকার ইসমাইলের নৌকা।

বিজয়ী দলের জন্য পুরস্কার হিসেবে একটি মোটরসাইকেল প্রদান করা হয়। দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারী দলগুলো পায় একটি করে রেফ্রিজারেটর এবং এলইডি টেলিভিশন। প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী অন্যান্য দলগুলোও সান্ত্বনা পুরস্কার পায়।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে নৌকাবাইচ উপভোগ করেন কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. জালাল উদ্দিন। প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন পাকুন্দিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রূপম দাস।

উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ভিপি মো. কামাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম আরিফুর রহমান, উপজেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক তৌফিকুল ইসলাম, যুগ্ম আহ্বায়ক আতিকুর রহমান মাসুদ এবং পৌর বিএনপির সভাপতি এসএএম মিনহাজ উদ্দিন।

নারান্দী এলাকা থেকে নৌকাবাইচ দেখতে আসা মেহেদী আলম বলেন, "এখানে আমার নানার বাড়ি। আমার জন্ম এখানেই। বৌ-বাচ্চা নিয়ে নৌকাবাইচ দেখতে আসছি। খুব ভালো লাগছে।"

এগারসিন্দুর থেকে আসা সবেদ আলী বলেন, "আগে অনেক নৌকাবাইচ হইতো এখন আর হয় না। আজকে হচ্ছে শুনে দেখতে আসলাম। দুই পাড়ে অনেক মানুষের ভিড় হয়েছে। অনেক দিন পর নৌকাবাইচ উপভোগ করলাম খুবই ভালো লাগলো।"

বৃদ্ধ আলিম উদ্দিন বলেন, "আমার কাছে স্মৃতিময়। আজকে নৌকাবাইচ দেখে অতীতের স্মৃতি ফিরিয়ে এসেছে। এক সময় প্রচুর নৌকাবাইচ হতো। এখন অনেকটাই কমে গেছে। লোকমুখে শুনে এখানে নৌকাবাইচ দেখতে এসেছি।"

আয়োজক কমিটির সদস্য কুতুব উদ্দিন কিরণ বলেন, "নৌকাবাইচ গ্রামবাংলার হারিয়ে যেতে বসা ঐতিহ্য। গ্রামের মানুষকে বিনোদনের সুযোগ করে দেওয়ার পাশাপাশি পুরোনো এই সংস্কৃতির সঙ্গে নতুন প্রজন্মকে পরিচিত করাই আয়োজনের উদ্দেশ্য। ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে নৌকাবাইচ আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।"

বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা নামার পরও নদীর দুই পাড়ে মানুষের ভিড় ছিল। নৌকার দৌড় শেষ হলেও ব্রহ্মপুত্রের পাড়ে তখনও চলছিল আয়োজনের গল্প। পুরোনো ঐতিহ্যের টানে একসঙ্গে হওয়া মানুষের উপস্থিতিতে দক্ষিণ চরটেকীর নদীপাড় হয়ে ওঠে উৎসবের মিলনমেলা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%