ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ক্যান্সারে আক্রান্ত মুয়াজের চিকিৎসার জন্য অর্থের প্রয়োজন


ক্যান্সারে আক্রান্ত মুয়াজের চিকিৎসার জন্য অর্থের প্রয়োজন

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির বিভাগের ২০০৬ সেশনের শিক্ষার্থী জুলকারনাইন রাদ। তার বড় ছেলে মুহাম্মাদ মুয়াজ আব্দুল্লাহর জন্ম ২০২১ সালের ডিসেম্বরে।

মুহাম্মাদ মুয়াজ মাত্র আড়াই বছর বয়সে প্রথমবার ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়। দেড় বছর ধরে ৮ সাইকেল কেমোথেরাপি, ৩৯ সেশন রেডিওথেরাপি এবং ৬টি অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে মুয়াজ ক্যান্সারকে পরাস্ত করতে সক্ষম হয়েছিল, যা সবার দোয়া, ভালোবাসা এবং সহযোগিতার ফলস্বরূপ।

মুয়াজের জীবন তখন মনে হয়েছিল স্বাভাবিক ও সুন্দর হয়ে উঠবে। কিন্তু বাস্তবতা তাকে আবারও কঠিন পরীক্ষার সম্মুখীন করেছে।

আরও পড়ুন: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক দুপুর ২টায় পদত্যাগের ঘোষণা দেবেন

সম্প্রতি দাঁতের মাড়ি থেকে রক্ত পড়া এবং জ্বরের কারণে পরীক্ষা করা হলে রিপোর্টে দেখা যায়– হিমোগ্লোবিনের মাত্রা ৫ দশমিক ৮, প্লাটিলেটের মাত্রা ১০ হাজার এবং ডব্লিউবিসি (WBC) দেড় লাখ। অন্যান্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর শিশুটির শরীরে ব্লাড ক্যান্সার ধরা পড়ে।

এরপর বোনম্যারো টেস্ট, এনজিএস, ক্যারিওটাইপিং, এমআরআই, হিস্টোপ্যাথলজিসহ রক্তের অন্যান্য পরীক্ষা করা হয়। অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ (Internal Bleeding) চলতে থাকায় প্রাথমিক অবস্থায় জটিল এ চিকিৎসার দায়িত্ব নিতে কেউ রাজি হননি। বর্তমানে মুয়াজ রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে নিবিড় তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

মুয়াজের জন্য ইতোমধ্যে BFM 2004 প্রোটোকল অনুযায়ী কেমোথেরাপি শুরু হয়েছে। এই চিকিৎসা পদ্ধতির আওতায় ৫টি ইন্ডাকশন বা কেমোথেরাপি সাইকেলের প্রয়োজন, যার মধ্যে প্রথম সাইকেলটি বর্তমানে চলছে। শুধু এই অংশের হাসপাতাল খরচ আনুমানিক ৭৫ লাখ টাকা।

ক্যান্সারকে শরীর থেকে পুরোপুরি নির্মূল করতে বোনম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্টের প্রয়োজন হবে। মুয়াজকে ভারতের বেঙ্গালুরুতে নিয়ে যেতে হবে, যেখানে অন্ততপক্ষে আরও ৫০ লাখ টাকা ব্যয় হবে। সব মিলিয়ে এই দীর্ঘ ও জটিল চিকিৎসার জন্য আনুমানিক সোয়া কোটি টাকার প্রয়োজন।

আরও পড়ুন: আমি খুবই চিন্তিত: নেতানিয়াহু আসন্ন নির্বাচনে জয় নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন

এতো বিপুল অঙ্কের অর্থ সংগ্রহ করা মুয়াজের পরিবারের পক্ষে প্রায় অসম্ভব। তাই মুয়াজের পরিবার সমাজের হৃদয়বান ও বিত্তশালী মানুষের কাছে সাহায্যের আবেদন জানাচ্ছে।

মুয়াজ করুণার পাত্র নয়, সে কেবল আরও একবার নতুন করে সুস্থভাবে বাঁচার সুযোগ চায়।

সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা—

ব্যাংকের মাধ্যমে সহযোগিতা:

আরও পড়ুন: আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি, ৪৭.৪২% পরিবার ঋণের চাপের মধ্যে

Dutch-Bangla Bank PLC

Account Name: K. M. ZULKERNINE

Account No: 2551580020269

Branch: Panthapath

আরও পড়ুন: ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে ইউপি নির্বাচনের তফসিলের সম্ভাবনা

Routing No: 090270424

SWIFT: DBBLBDDH

BRAC Bank PLC

Account Name: K.M. ZULKERNINE

আরও পড়ুন: নিহতদের পরিচয় নিশ্চিত করতে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য স্বজনদের দীর্ঘ অপেক্ষা

Account No: 1082583500001

Branch: Gulshan Branch

Routing No: 060261726

SWIFT: BRAKBDDH

আরও পড়ুন: ধর্মীয় উৎসব শিশুদের নৈতিকতা ও আদর্শের শিক্ষা দেয়: ডেপুটি স্পিকার

Mutual Trust Bank PLC

Account Name: K.M. ZULKERNINE

Account No: 1311004548413

Branch: Tejgaon

Routing No: 145264480

SWIFT: MTBLBDDH

মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে সহযোগিতা:

বিকাশ

মুয়াজের বাবা: 01551618574

মুয়াজের মা: 01533054254

মুয়াজের মামা: 01683997324

নগদ

মুয়াজের বাবা: 01917195064

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাকিস্তানি নাটক 'নশতর' ও 'মিট্টি দে বাওয়ে' দুই পর্বেই ৫০ মিলিয়ন ভিউয়ে নতুন রেকর্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪৮ পি.এম


পাকিস্তানি নাটক

পাকিস্তানি নাটকগুলো এখন আর শুধুমাত্র তাদের নিজস্ব দেশের সীমানার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। ভারত, মধ্যপ্রাচ্যসহ সারা বিশ্বে দর্শকরা এই নাটকগুলোর আবেগঘন কাহিনী, রোমান্টিক দৃশ্য এবং অসাধারণ অভিনয়ে মুগ্ধ হচ্ছেন। সম্প্রতি ইউটিউবে দুটি পাকিস্তানি নাটক অভূতপূর্ব এক রেকর্ড স্থাপন করেছে।

‘নশতর’ ও ‘মিট্টি দে বাওয়ে’— এই দুটি নাটক প্রথম দুই পর্বের মাধ্যমেই ইউটিউবে অতি দ্রুত ৫০ মিলিয়ন (৫ কোটি) ভিউ অর্জন করার অসাধারণ রেকর্ড গড়েছে। 'নশতর' নাটকটি মাত্র দুই পর্বে এই ৫০ মিলিয়নের মাইলফলক স্পর্শ করে। অন্যদিকে 'মিট্টি দে বাওয়ে' নাটকটি প্রচারের মাত্র পাঁচ দিনের মধ্যে একই রেকর্ড গড়ে।

‘নশতর’ নাটকের ডিজিটাল ঝড়

দানিশ তাইমুর ও আনমোল বালোচ অভিনীত 'নশতর' নাটকটি শুরু থেকেই দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক উন্মাদনা সৃষ্টি করেছে। প্রথম দুই পর্বেই ৫০ মিলিয়ন ভিউ অর্জনের পর এর জনপ্রিয়তা থামেনি; নাটকটি মাত্র চার পর্বের মধ্যেই ১০০ মিলিয়ন (১০ কোটি) ভিউ অতিক্রম করে।

২০২৬ সালের ২১ আগস্ট 'হর পল জিও' চ্যানেলে নাটকটি সম্প্রচার শুরু হয়। প্রতি শুক্র ও শনিবার রাত ৮টায় নাটকটি প্রচারিত হয়। দানিশ ও আনমোলের অসাধারণ অভিনয় বিশেষ করে হিন্দি ও উর্দুভাষী আন্তর্জাতিক দর্শকদের দারুণভাবে আকৃষ্ট করেছে।

গ্রিন টিভির দ্রুততম নাটক ‘মিট্টি দে বাওয়ে’

‘নশতর’-এর পর দ্রুততম ৫০ মিলিয়ন ভিউয়ের ক্লাবে যোগ দিয়েছে ওয়াহাজ আলী ও মহিরা খান অভিনীত নাটক 'মিট্টি দে বাওয়ে'। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বিনোদনধর্মী পেজগুলোর তথ্য অনুযায়ী, গ্রিন এন্টারটেইনমেন্ট চ্যানেলে প্রচারিত এই নাটকটি দুই পর্ব প্রকাশের মাত্র পাঁচ দিনের মধ্যে ৫০ মিলিয়ন ভিউ অর্জন করে ইতিহাস গড়েছে। ২০২৬ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর সম্প্রচার শুরু হওয়া এই নাটকটি প্রতি বুধ ও বৃহস্পতিবার রাত ৮টায় দেখানো হয়। ওয়াহাজ আলী ও মহিরা খানের নতুন জুটিকে ঘিরে নাটকটির মুক্তির আগে থেকেই দর্শকদের প্রবল আগ্রহ ছিল।

ইউটিউবে পাকিস্তানি নাটকের জয়জয়কার

এই দুটি নাটকের অভাবনীয় সাফল্য প্রমাণ করে যে দর্শকরা এখন ডিজিটাল মাধ্যমে নাটক দেখতে বেশি পছন্দ করছেন। ইউটিউবের মাধ্যমে পাকিস্তানি নাটক ভৌগোলিক সীমানা পেরিয়ে আন্তর্জাতিক দর্শকদের কাছে সহজেই পৌঁছে যাচ্ছে। বিশেষ করে ভারতীয় দর্শকদের কাছে এই সিরিয়ালগুলো ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেছে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এসব নাটক নিয়ে প্রতিনিয়ত রিলস, এডিট ও আলোচনার ঝড় উঠছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বৈঠার ছন্দে মাতল ব্রহ্মপুত্রের পাড়, নৌকাবাইচ দেখতে হাজির হাজারও মানুষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪৯ পি.এম


বৈঠার ছন্দে মাতল ব্রহ্মপুত্রের পাড়, নৌকাবাইচ দেখতে হাজির হাজারও মানুষ

কিশোরগঞ্জ, ১ অক্টোবর, ২০২৬ : ব্রহ্মপুত্র নদীর বুকে একের পর এক নৌকা ছুটছিল। মাঝিদের বৈঠার ছন্দময় টানে মুহূর্তেই গতি বৃদ্ধি পাচ্ছিল। নদীর দুই পাড়জুড়ে তখন হাজার হাজার মানুষের ভিড় ছিল। কিছু মানুষের হাতে মুঠোফোন, আবার কেউ তাদের পছন্দের নৌকার নাম ধরে উৎসাহ দিচ্ছিলেন।

নৌকার দৌড়, বৈঠার ছন্দ এবং দর্শকদের উচ্ছ্বাসে যেন ফিরে এসেছিল গ্রামবাংলার পুরনো এক চেনা দৃশ্য।

আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার দক্ষিণ চরটেকী মিনি কক্সবাজার এলাকায় ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ অনুষ্ঠিত হয়।

দক্ষিণ চরটেকী গ্রামের স্থানীয়দের উদ্যোগে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতা দেখতে নদীর দুই পাড়ে হাজার হাজার মানুষ ভিড় করেন।

দীর্ঘ সময় পর এলাকায় নৌকাবাইচ অনুষ্ঠিত হওয়ায় আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ ছুটে আসেন। কেউ পরিবার নিয়ে, কেউ স্বজনদের সঙ্গে। শিশু থেকে শুরু করে বয়োজ্যেষ্ঠ, সবার মধ্যেই ছিল উৎসাহ। নৌকাবাইচকে কেন্দ্র করে অনেকেই আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে আসেন।

প্রতিযোগিতায় ছোট-বড় মিলিয়ে মোট আটটি নৌকা অংশগ্রহণ করে। তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার পর প্রথম স্থান অর্জন করে কটিয়াদী উপজেলার করগাঁওয়ের দুলাল চেয়ারম্যানের নৌকা। দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে একই এলাকার হাবিবুর রহমান জালাল মিয়ার নৌকা। তৃতীয় স্থানে আসে পাকুন্দিয়ার বাহাদিয়া এলাকার ইসমাইলের নৌকা।

বিজয়ী দলের জন্য পুরস্কার হিসেবে একটি মোটরসাইকেল প্রদান করা হয়। দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারী দলগুলো পায় একটি করে রেফ্রিজারেটর এবং এলইডি টেলিভিশন। প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী অন্যান্য দলগুলোও সান্ত্বনা পুরস্কার পায়।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে নৌকাবাইচ উপভোগ করেন কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. জালাল উদ্দিন। প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন পাকুন্দিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রূপম দাস।

উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ভিপি মো. কামাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম আরিফুর রহমান, উপজেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক তৌফিকুল ইসলাম, যুগ্ম আহ্বায়ক আতিকুর রহমান মাসুদ এবং পৌর বিএনপির সভাপতি এসএএম মিনহাজ উদ্দিন।

নারান্দী এলাকা থেকে নৌকাবাইচ দেখতে আসা মেহেদী আলম বলেন, "এখানে আমার নানার বাড়ি। আমার জন্ম এখানেই। বৌ-বাচ্চা নিয়ে নৌকাবাইচ দেখতে আসছি। খুব ভালো লাগছে।"

এগারসিন্দুর থেকে আসা সবেদ আলী বলেন, "আগে অনেক নৌকাবাইচ হইতো এখন আর হয় না। আজকে হচ্ছে শুনে দেখতে আসলাম। দুই পাড়ে অনেক মানুষের ভিড় হয়েছে। অনেক দিন পর নৌকাবাইচ উপভোগ করলাম খুবই ভালো লাগলো।"

বৃদ্ধ আলিম উদ্দিন বলেন, "আমার কাছে স্মৃতিময়। আজকে নৌকাবাইচ দেখে অতীতের স্মৃতি ফিরিয়ে এসেছে। এক সময় প্রচুর নৌকাবাইচ হতো। এখন অনেকটাই কমে গেছে। লোকমুখে শুনে এখানে নৌকাবাইচ দেখতে এসেছি।"

আয়োজক কমিটির সদস্য কুতুব উদ্দিন কিরণ বলেন, "নৌকাবাইচ গ্রামবাংলার হারিয়ে যেতে বসা ঐতিহ্য। গ্রামের মানুষকে বিনোদনের সুযোগ করে দেওয়ার পাশাপাশি পুরোনো এই সংস্কৃতির সঙ্গে নতুন প্রজন্মকে পরিচিত করাই আয়োজনের উদ্দেশ্য। ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে নৌকাবাইচ আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।"

বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা নামার পরও নদীর দুই পাড়ে মানুষের ভিড় ছিল। নৌকার দৌড় শেষ হলেও ব্রহ্মপুত্রের পাড়ে তখনও চলছিল আয়োজনের গল্প। পুরোনো ঐতিহ্যের টানে একসঙ্গে হওয়া মানুষের উপস্থিতিতে দক্ষিণ চরটেকীর নদীপাড় হয়ে ওঠে উৎসবের মিলনমেলা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিরামপুরে ডোবার পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৫০ পি.এম


বিরামপুরে ডোবার পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু

আজ বৃহস্পতিবার(১ অক্টোবর) বিরামপুর উপজেলায় ২নং কাটলা ইউনিয়নের উত্তর কাটলা গ্রামের হুমায়ুন কবিরের শিশু কন্যা তাহিয়া জান্নাত হুজাইফা(৩) এবং তরিকুল ইসলামের শিশু কন্যা মেহের জামিন আক্তার(২) বাড়ির পাশে খেলাধুলা করতে গিয়ে ডোবার পানিতে পড়ে মারা যায়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একই গ্রামের তরিকুল ইসলামের কন্যা মেহের জামিন আক্তার এবং হুমায়ুন কবীরের শিশুকন্যা তাহিয়া জান্নাত হুজাইফা দুইজন মিলে বাড়ির পাশে খেলাধুলা করার সময় দৌড়াদৌড়ি করতে গিয়ে অসাবধানবশত ডোবার পানিতে পড়ে যায়। পরিবারের সদস্যরা শিশু দুজনকে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করে।

প্রতিবেশীরা দুই শিশুকে ডোবার পানিতে ভাসতে দেখে তাদের উদ্ধার করে। ঘটনাস্থলে শিশু মেহজাবিন আক্তারের মৃত্যু ঘটে। অপর শিশু তাহিয়া জান্নাত হুজাইফাকে অশাঙ্ক জনক অবস্থায় বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়। অসময়ের কোমলমতি দুটি শিশুর প্রাণ ঝরে যাওয়ায় পরিবারের স্বজনদের আহাজারি আকাশ বাতাস ভারী করে তুলেছে।

এ ব্যাপারে বিরামপুর থানার ওসি আব্দুর রাজ্জাক ঘটনার সততা স্বীকার করে দৈনিক ইনকিলাবকে জানান, সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ দুই শিশুর সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেছে। তিনি আরও জানান, দুই শিশুর মরদেহ তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তরুণদের জলবায়ু নীতিনির্ধারণে অংশগ্রহণ নিশ্চিতের আহ্বান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৫০ পি.এম


তরুণদের জলবায়ু নীতিনির্ধারণে অংশগ্রহণ নিশ্চিতের আহ্বান

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলার জন্য জাতীয় নীতিনির্ধারণী প্রক্রিয়ায় তরুণদের অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন বক্তারা। বক্তারা উল্লেখ করেছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা তরুণদের মতামত এবং দাবিকে গুরুত্ব দিয়ে জলবায়ু নীতি প্রণয়ন করা প্রয়োজন। পাশাপাশি, তরুণদের উদ্যোগ এবং নেতৃত্বকে জলবায়ু মোকাবিলায় উৎসাহিত করতে হবে।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাজধানীর বাংলা একাডেমিতে অনুষ্ঠিত দুই দিনব্যাপী ‘তরুণদের স্থানীয় সম্মেলন বাংলাদেশ ২০২৬’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রায় ৩০০ তরুণ-তরুণী অংশগ্রহণ করে এবং জাতীয় তরুণ জলবায়ু অবস্থানপত্র প্রকাশ করা হয়। পরে এই অবস্থানপত্রটি সরকারের প্রতিনিধিদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম মনি। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. সাইমুম পারভেজ।

নুরুল ইসলাম মনি বলেন, ‘সরকার তরুণদের স্বাগত জানায়। পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ে তরুণরা আরও সোচ্চার হোক এবং নিজেদের মতামত ও উদ্যোগের মাধ্যমে সক্রিয় ভূমিকা রাখুক। সরকার তাদের পাশে থাকবে।’

ড. সাইমুম পারভেজ বলেন, ‘সারা দেশের তরুণদের তৈরি এই অবস্থানপত্রকে আমরা গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। তরুণদের জলবায়ু অগ্রাধিকারগুলো সরকারের পক্ষ থেকে যথাযথ জায়গায় তুলে ধরার চেষ্টা করা হবে। এ ধরনের উদ্যোগে সরকার সব সময় তরুণদের সহযোগিতা করবে।’

সম্মেলনে জলবায়ু ন্যায়বিচার, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতি ও ক্ষতিপূরণ, জলবায়ু অর্থায়ন, অভিযোজন, সবুজ কর্মসংস্থান এবং জলবায়ু নীতিনির্ধারণে তরুণদের অংশগ্রহণের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আলোচনা করা হয়। এসব বিষয়ে তরুণেরা তাঁদের দাবি ও সুপারিশ তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ইউনেসকোর বাংলাদেশ প্রতিনিধি ড. সুসান ভাইজ, প্র্যাকটিক্যাল অ্যাকশনের কান্ট্রি ডিরেক্টর ইশরাত শবনম, ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশের সমন্বয়ক শরীফ জামিল, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. আইনুন নিশাত এবং ব্রাইটার্স ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক সাইদুর রহমান সিয়াম।

ব্রাইটার্সের চেয়ার ফারিয়া সুলতানা অমির সঞ্চালনায় সম্মেলনটি ৩০ সেপ্টেম্বর ও ১ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হয়। ব্রাইটার্স ফাউন্ডেশনসহ ৩০টি যুব সংগঠন এই আয়োজনে সহযোগিতা করে। আয়োজনে সহযোগী হিসেবে ছিল অ্যাকশনএইড, কেয়ার, ইউনিসেফ বাংলাদেশ ও ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশ।

আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দেশের বিভিন্ন জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলের তরুণদের অংশগ্রহণে প্রণীত এই অবস্থানপত্র আগামী আন্তর্জাতিক জলবায়ু সম্মেলনে বাংলাদেশের তরুণদের অগ্রাধিকার, দাবি ও সুপারিশ তুলে ধরার ভিত্তি হিসেবে ব্যবহৃত হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%