বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১০:৪৯ পি.এম
কিশোরগঞ্জ, ১ অক্টোবর, ২০২৬ : ব্রহ্মপুত্র নদীর বুকে একের পর এক নৌকা ছুটছিল। মাঝিদের বৈঠার ছন্দময় টানে মুহূর্তেই গতি বৃদ্ধি পাচ্ছিল। নদীর দুই পাড়জুড়ে তখন হাজার হাজার মানুষের ভিড় ছিল। কিছু মানুষের হাতে মুঠোফোন, আবার কেউ তাদের পছন্দের নৌকার নাম ধরে উৎসাহ দিচ্ছিলেন।
নৌকার দৌড়, বৈঠার ছন্দ এবং দর্শকদের উচ্ছ্বাসে যেন ফিরে এসেছিল গ্রামবাংলার পুরনো এক চেনা দৃশ্য।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার দক্ষিণ চরটেকী মিনি কক্সবাজার এলাকায় ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ অনুষ্ঠিত হয়।
দক্ষিণ চরটেকী গ্রামের স্থানীয়দের উদ্যোগে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতা দেখতে নদীর দুই পাড়ে হাজার হাজার মানুষ ভিড় করেন।
দীর্ঘ সময় পর এলাকায় নৌকাবাইচ অনুষ্ঠিত হওয়ায় আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ ছুটে আসেন। কেউ পরিবার নিয়ে, কেউ স্বজনদের সঙ্গে। শিশু থেকে শুরু করে বয়োজ্যেষ্ঠ, সবার মধ্যেই ছিল উৎসাহ। নৌকাবাইচকে কেন্দ্র করে অনেকেই আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে আসেন।
প্রতিযোগিতায় ছোট-বড় মিলিয়ে মোট আটটি নৌকা অংশগ্রহণ করে। তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার পর প্রথম স্থান অর্জন করে কটিয়াদী উপজেলার করগাঁওয়ের দুলাল চেয়ারম্যানের নৌকা। দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে একই এলাকার হাবিবুর রহমান জালাল মিয়ার নৌকা। তৃতীয় স্থানে আসে পাকুন্দিয়ার বাহাদিয়া এলাকার ইসমাইলের নৌকা।
বিজয়ী দলের জন্য পুরস্কার হিসেবে একটি মোটরসাইকেল প্রদান করা হয়। দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারী দলগুলো পায় একটি করে রেফ্রিজারেটর এবং এলইডি টেলিভিশন। প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী অন্যান্য দলগুলোও সান্ত্বনা পুরস্কার পায়।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে নৌকাবাইচ উপভোগ করেন কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. জালাল উদ্দিন। প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন পাকুন্দিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রূপম দাস।
উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ভিপি মো. কামাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম আরিফুর রহমান, উপজেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক তৌফিকুল ইসলাম, যুগ্ম আহ্বায়ক আতিকুর রহমান মাসুদ এবং পৌর বিএনপির সভাপতি এসএএম মিনহাজ উদ্দিন।
নারান্দী এলাকা থেকে নৌকাবাইচ দেখতে আসা মেহেদী আলম বলেন, "এখানে আমার নানার বাড়ি। আমার জন্ম এখানেই। বৌ-বাচ্চা নিয়ে নৌকাবাইচ দেখতে আসছি। খুব ভালো লাগছে।"
এগারসিন্দুর থেকে আসা সবেদ আলী বলেন, "আগে অনেক নৌকাবাইচ হইতো এখন আর হয় না। আজকে হচ্ছে শুনে দেখতে আসলাম। দুই পাড়ে অনেক মানুষের ভিড় হয়েছে। অনেক দিন পর নৌকাবাইচ উপভোগ করলাম খুবই ভালো লাগলো।"
বৃদ্ধ আলিম উদ্দিন বলেন, "আমার কাছে স্মৃতিময়। আজকে নৌকাবাইচ দেখে অতীতের স্মৃতি ফিরিয়ে এসেছে। এক সময় প্রচুর নৌকাবাইচ হতো। এখন অনেকটাই কমে গেছে। লোকমুখে শুনে এখানে নৌকাবাইচ দেখতে এসেছি।"
আয়োজক কমিটির সদস্য কুতুব উদ্দিন কিরণ বলেন, "নৌকাবাইচ গ্রামবাংলার হারিয়ে যেতে বসা ঐতিহ্য। গ্রামের মানুষকে বিনোদনের সুযোগ করে দেওয়ার পাশাপাশি পুরোনো এই সংস্কৃতির সঙ্গে নতুন প্রজন্মকে পরিচিত করাই আয়োজনের উদ্দেশ্য। ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে নৌকাবাইচ আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।"
বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা নামার পরও নদীর দুই পাড়ে মানুষের ভিড় ছিল। নৌকার দৌড় শেষ হলেও ব্রহ্মপুত্রের পাড়ে তখনও চলছিল আয়োজনের গল্প। পুরোনো ঐতিহ্যের টানে একসঙ্গে হওয়া মানুষের উপস্থিতিতে দক্ষিণ চরটেকীর নদীপাড় হয়ে ওঠে উৎসবের মিলনমেলা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আজ বৃহস্পতিবার(১ অক্টোবর) বিরামপুর উপজেলায় ২নং কাটলা ইউনিয়নের উত্তর কাটলা গ্রামের হুমায়ুন কবিরের শিশু কন্যা তাহিয়া জান্নাত হুজাইফা(৩) এবং তরিকুল ইসলামের শিশু কন্যা মেহের জামিন আক্তার(২) বাড়ির পাশে খেলাধুলা করতে গিয়ে ডোবার পানিতে পড়ে মারা যায়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একই গ্রামের তরিকুল ইসলামের কন্যা মেহের জামিন আক্তার এবং হুমায়ুন কবীরের শিশুকন্যা তাহিয়া জান্নাত হুজাইফা দুইজন মিলে বাড়ির পাশে খেলাধুলা করার সময় দৌড়াদৌড়ি করতে গিয়ে অসাবধানবশত ডোবার পানিতে পড়ে যায়। পরিবারের সদস্যরা শিশু দুজনকে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করে।
প্রতিবেশীরা দুই শিশুকে ডোবার পানিতে ভাসতে দেখে তাদের উদ্ধার করে। ঘটনাস্থলে শিশু মেহজাবিন আক্তারের মৃত্যু ঘটে। অপর শিশু তাহিয়া জান্নাত হুজাইফাকে অশাঙ্ক জনক অবস্থায় বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়। অসময়ের কোমলমতি দুটি শিশুর প্রাণ ঝরে যাওয়ায় পরিবারের স্বজনদের আহাজারি আকাশ বাতাস ভারী করে তুলেছে।
এ ব্যাপারে বিরামপুর থানার ওসি আব্দুর রাজ্জাক ঘটনার সততা স্বীকার করে দৈনিক ইনকিলাবকে জানান, সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ দুই শিশুর সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেছে। তিনি আরও জানান, দুই শিশুর মরদেহ তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলার জন্য জাতীয় নীতিনির্ধারণী প্রক্রিয়ায় তরুণদের অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন বক্তারা। বক্তারা উল্লেখ করেছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা তরুণদের মতামত এবং দাবিকে গুরুত্ব দিয়ে জলবায়ু নীতি প্রণয়ন করা প্রয়োজন। পাশাপাশি, তরুণদের উদ্যোগ এবং নেতৃত্বকে জলবায়ু মোকাবিলায় উৎসাহিত করতে হবে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাজধানীর বাংলা একাডেমিতে অনুষ্ঠিত দুই দিনব্যাপী ‘তরুণদের স্থানীয় সম্মেলন বাংলাদেশ ২০২৬’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রায় ৩০০ তরুণ-তরুণী অংশগ্রহণ করে এবং জাতীয় তরুণ জলবায়ু অবস্থানপত্র প্রকাশ করা হয়। পরে এই অবস্থানপত্রটি সরকারের প্রতিনিধিদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম মনি। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. সাইমুম পারভেজ।
নুরুল ইসলাম মনি বলেন, ‘সরকার তরুণদের স্বাগত জানায়। পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ে তরুণরা আরও সোচ্চার হোক এবং নিজেদের মতামত ও উদ্যোগের মাধ্যমে সক্রিয় ভূমিকা রাখুক। সরকার তাদের পাশে থাকবে।’
ড. সাইমুম পারভেজ বলেন, ‘সারা দেশের তরুণদের তৈরি এই অবস্থানপত্রকে আমরা গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। তরুণদের জলবায়ু অগ্রাধিকারগুলো সরকারের পক্ষ থেকে যথাযথ জায়গায় তুলে ধরার চেষ্টা করা হবে। এ ধরনের উদ্যোগে সরকার সব সময় তরুণদের সহযোগিতা করবে।’
সম্মেলনে জলবায়ু ন্যায়বিচার, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতি ও ক্ষতিপূরণ, জলবায়ু অর্থায়ন, অভিযোজন, সবুজ কর্মসংস্থান এবং জলবায়ু নীতিনির্ধারণে তরুণদের অংশগ্রহণের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আলোচনা করা হয়। এসব বিষয়ে তরুণেরা তাঁদের দাবি ও সুপারিশ তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ইউনেসকোর বাংলাদেশ প্রতিনিধি ড. সুসান ভাইজ, প্র্যাকটিক্যাল অ্যাকশনের কান্ট্রি ডিরেক্টর ইশরাত শবনম, ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশের সমন্বয়ক শরীফ জামিল, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. আইনুন নিশাত এবং ব্রাইটার্স ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক সাইদুর রহমান সিয়াম।
ব্রাইটার্সের চেয়ার ফারিয়া সুলতানা অমির সঞ্চালনায় সম্মেলনটি ৩০ সেপ্টেম্বর ও ১ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হয়। ব্রাইটার্স ফাউন্ডেশনসহ ৩০টি যুব সংগঠন এই আয়োজনে সহযোগিতা করে। আয়োজনে সহযোগী হিসেবে ছিল অ্যাকশনএইড, কেয়ার, ইউনিসেফ বাংলাদেশ ও ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশ।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দেশের বিভিন্ন জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলের তরুণদের অংশগ্রহণে প্রণীত এই অবস্থানপত্র আগামী আন্তর্জাতিক জলবায়ু সম্মেলনে বাংলাদেশের তরুণদের অগ্রাধিকার, দাবি ও সুপারিশ তুলে ধরার ভিত্তি হিসেবে ব্যবহৃত হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খুলনা, ১ অক্টোবর, ২০২৬ : খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু জানিয়েছেন, ডুমুরিয়া উপজেলার সলুয়ায় নির্মাণাধীন বর্জ্য রিসাইকিং প্লান্টের মেশিনারিজ আজ প্রথমবারের মতো পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হয়েছে।
ত্রিশ ঘণ্টা পর এর ফলাফল জানা যাবে এবং প্রথম পরীক্ষামূলক চালু করায় প্রকৌশলীগণ একটি রিপোর্ট প্রদান করবেন। প্লান্টের কার্যক্রম সফল হলে খুলনার বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে নতুন দ্বার উম্মোচিত হবে।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন শেষে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
প্রকল্পটির সফলতার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি আরও বলেন, "বর্জ্য বোঝা নয়, সম্পদে পরিণত হবে" এবং "এটি দেশের অন্যন্য সিটি কর্পোরেশন ও জেলা শহরের জন্য একটি মডেল প্রকল্প হিসেবে বিবেচিত হবে।"
সিআরডিপি-২ প্রকল্পের টিম লিডার মো. শফিকুর রহমান, বাংলাদেশ শিল্প কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র (বিটাক) এর সাবেক চেয়ারম্যান ডক্টর এসানুল হক, কেসিসি’র প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মো. আনিসুর রহমান, সহকারী প্রকৌশলী মো. ওবায়দুল্লাহ খান, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মাহবুব ব্রাদার্সের স্বত্ত্বাধিকারী মো. মাহবুবুর রহমান, কোয়ালিটি কন্ট্রোল ইঞ্জিনিয়ার শামসুদ্দিন মোল্লা, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের প্রজেক্ট ম্যানেজার মিন্টু মণ্ডল, ফিল্ড ইঞ্জিনিয়ার মো. সোহেল রানাসহ টেকনিক্যাল টিমের সদস্যবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, সিটি কর্পোরেশন ও স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) নগর অঞ্চল উন্নয়ন প্রকল্প-২ (সিআরডিপি) এর আওতায় ৫৩ কোটি টাকা ব্যয়ে সলুয়া ল্যান্ডফিলে বর্জ্য রিসাইকিং প্লান্টটি স্থাপন করা হয়েছে।
প্রকৌশলীগণ আশা প্রকাশ করেছেন যে, আগামী ডিসেম্বর মাসের মধ্যে প্লান্টটি সম্পূর্ণরূপে চালু করা সম্ভব হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কলারোয়ায় মেধাবী ও দরিদ্র শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করার লক্ষ্যে ৮০ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে বিনামূল্যে বাইসাইকেল বিতরণ করা হয়েছে। সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের উদ্যোগে উপজেলার আটটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য এই বাইসাইকেলগুলো প্রদান করা হয়।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে কলারোয়া সরকারি জিকেএমকে পাইলট হাইস্কুলের চত্বরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিব শিক্ষার্থীদের হাতে বাইসাইকেল তুলে দেন।
কলারোয়া সরকারি জিকেএমকে পাইলট হাইস্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সুদীপ বিশ্বাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম মাহফুজুর রহমান।
জানা গেছে, উপজেলার আটটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির প্রতি শ্রেণির প্রথম ও দ্বিতীয় রোলধারী মেধাবী শিক্ষার্থীদের মধ্যে শ্রেণিপ্রতি দুটি করে মোট ১০টি বাইসাইকেল বিতরণ করা হয়। এর মধ্যে ৪৩ জন ছাত্রী এবং ৩৭ জন ছাত্র রয়েছে।
বাইসাইকেল বিতরণ করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো হলো—কলারোয়া সরকারি জিকেএমকে পাইলট হাইস্কুল, গার্লস পাইলট হাইস্কুল, মডেল হাইস্কুল, বেত্রবতী হাইস্কুল, সোনাবাড়িয়া হাইস্কুল, বামনখালী হাইস্কুল, চন্দনপুর হাইস্কুল ও কাজিরহাট হাইস্কুল।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হাবিবুল ইসলাম হাবিব বলেন, "সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের উদ্যোগে মেধাবী ও দরিদ্র শিক্ষার্থীদের মধ্যে উপবৃত্তি, বাইসাইকেল বিতরণ ও বৃক্ষরোপণসহ বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা যেন পড়াশোনায় আরও উৎসাহিত হয় এবং নিজেদের মেধার বিকাশ ঘটাতে পারে, সে জন্য আমরা তাদের পাশে আছি।"
পাইলট হাইস্কুলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শেখ তামিম আজাদ মেরিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রকিব মোল্লা, যুগ্ম সম্পাদক শেখ আব্দুল কাদের বাচ্চু, পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ শরীফুজ্জামান তুহিন, বেত্রবতী হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক শেখ রাশেদুল হাসান কামরুল, সোনাবাড়িয়া হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক আক্তার আসাদুজ্জামান চান্দু ও উপজেলা কৃষকদলের আহ্বায়ক মাস্টার মনিরুজ্জামান।
এ সময় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ