ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সিংড়ায় আগুনে পুড়ে ভ্যানচালকের ঘর, খাদ্যসহায়তা দিলেন ইউএনও


সিংড়ায় আগুনে পুড়ে ভ্যানচালকের ঘর, খাদ্যসহায়তা দিলেন ইউএনও

নাটোরের সিংড়ায় বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটের কারণে শুকুর আলী নামের একটি অসহায় ভ্যানচালকের দুটি টিনশেড ঘর পুড়ে গেছে। মঙ্গলবার দুপুরে শেরকোল ইউনিয়নের সোনাপুর গ্রামে অগ্নিকাণ্ডের এ ঘটনা ঘটে। এতে মুহূর্তের মধ্যেই ওই ভ্যানচালকের সমিতি থেকে উত্তোলনকৃত নগদ এক লাখ বিশ হাজার টাকাসহ ঘরের সকল আসবাবপত্র পুড়ে সম্পূর্ণরূপে ছাই হয়ে যায়।

এদিকে, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে দ্রুত ছুটে যান সিংড়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল্লাহ আল রিফাত ও শেরকোল ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন। উক্ত সময় তাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মধ্যে তাৎক্ষণিক শুকনো খাবার বিতরণ করেন ইউএনও এবং পরবর্তীতে ঢেউটিন ও নগদ অর্থসহায়তার আশ্বাস দেন।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুরে অল্প সময়ের জন্য ভ্যানচালক শুকুর আলীর টিনশেড বাড়িতে হঠাৎ করে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। পরবর্তীতে স্থানীয়দের প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও ঘরের সকল আসবাবপত্র ও সমিতি থেকে উত্তোলনকৃত নগদ অর্থ পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এতে পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী প্রায় ৫ লাখ টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার সূত্রে জানা গেছে।

আরও পড়ুন: নকলায় এসবিসি প্রকল্পের এমএনসিএএইচ বিষয়ে জনসংলাপ

ইউএনও আব্দুল্লাহ আল রিফাত বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। আপাতত ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে এবং পরবর্তীতে ঢেউটিন ও নগদ অর্থসহায়তা প্রদান করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইলিশ নিয়ে এল সুখবর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:১১ পি.এম


ইলিশ নিয়ে এল সুখবর

 

চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনায় ইলিশের আমদানি বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে দাম কিছুটা কমতে শুরু করেছে। কিছুদিন আগে যে এক কেজি ওজনের ইলিশের বিক্রয় মূল্য ছিল ৩ হাজার ২০০ টাকা, বর্তমানে তা নেমে এসেছে ২ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার ৬০০ টাকায়। ব্যবসায়ীরা জানান, ভরা মৌসুমে ইলিশের সরবরাহ আরও বৃদ্ধি পেলে দাম আরও কমতে পারে।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বিকেলে চাঁদপুর সদর উপজেলার হানারচর ইউনিয়নের হরিণা ফেরিঘাটের কাছে ইলিশের আড়ত পরিদর্শন করে এমন দৃশ্য দেখা গেছে। সেখানে জেলেরা পদ্মা-মেঘনা থেকে আহরণ করা ইলিশ এবং বিভিন্ন মাছ সরাসরি এনে বরফ ছাড়াই বিক্রি করছেন।

হরিণা আড়তে গিয়েও দেখা যায়, জেলে ও ব্যবসায়ীরা ইলিশের কেনাবেচায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। তবে মাত্র এক সপ্তাহ আগেও পরিস্থিতি ছিল ভিন্ন। নদীতে ইলিশের উপস্থিতি কম থাকায় জেলেরা অনেক সময় খালি হাতে ফিরেছেন এবং আড়তেই ক্রেতার সংখ্যা ছিল তুলনামূলক কম।

হরিণা ঘাটসংলগ্ন বহরিয়া এলাকার জেলে রনি বলেন, 'গত বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরে জ্বালানি খরচ না ওঠায় তারা নদীতে মাছ ধরতে যেতে পারেননি। তবে গত দুই দিন ধরে নদীতে ইলিশের বিচরণ বাড়তে শুরু করেছে। তাই আবারও মাছ ধরতে নদীতে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তারা।'

তাজা ইলিশ কিনতে আসা একজন ক্রেতা জানান, তিনি ৮০০ থেকে ৯০০ গ্রাম ওজনের চারটি ইলিশ ৯ হাজার টাকায় কিনেছেন। এছাড়া মোট ১৮ হাজার টাকার মাছ কিনেছেন, যার মধ্যে বিভিন্ন আকারের ইলিশ রয়েছে। এই ঘাটে আসার মূল কারণ হলো বরফ ছাড়াই পদ্মা-মেঘনার তাজা ইলিশ সরাসরি পাওয়া যায়।

ঘাটের একজন পাইকারি ইলিশ বিক্রেতা বলেন, এক সপ্তাহ আগে ইলিশের আমদানি ছিল খুবই কম। তবে গত কয়েকদিন ধরে জেলেদের জালে বিভিন্ন আকারের ইলিশ ধরা পড়ছে। তিনি জানান, বর্তমানে এক কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার ৬০০ টাকায়, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল প্রায় ৩ হাজার ২০০ টাকা। এছাড়াও ৮০০ থেকে ৯০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ১ হাজার ৮০০ থেকে ২ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে এবং ছোট আকারের ইলিশের দাম প্রতি কেজি ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা।

একই আড়তের আরেক মাছ বিক্রেতা বলেন, বর্তমানে নদীতে পর্যাপ্ত পানি রয়েছে এবং ইলিশের ভরা মৌসুম চলছে। এ অবস্থায় যদি অব্যাহত থাকে, নদীতে ইলিশের বিচরণ ও আহরণ আরও বৃদ্ধি পাবে এবং সরবরাহ বাড়লে দামও কমবে।

চাঁদপুর সদর উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মির্জা ওমর ফারুক জানান, বর্তমানে ইলিশের ভরা মৌসুম চলছে এবং নদীতে ইলিশের বিচরণ আরও বাড়বে, ফলে জেলেরা ভালো পরিমাণে ইলিশ পাবেন। তিনি বলেন, 'ইলিশ নিয়ে হতাশ হওয়ার কোনো কারণ নেই। মৌসুমের বাকি সময়ে ইলিশের আহরণ আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।'

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৫ ধরনের ভাতা দিচ্ছে সরকার, বাড়ানো হলো আবেদনের সময়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:১৭ পি.এম


৫ ধরনের ভাতা দিচ্ছে সরকার, বাড়ানো হলো আবেদনের সময়

সরকার সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় পাঁচ ধরনের ভাতা ও শিক্ষা উপবৃত্তির অনলাইন আবেদনের সময়সীমা বাড়িয়েছে। প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে নির্ধারিত সময়ে আবেদন করতে না পারা ব্যক্তিদের জন্য নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আবেদন করার সময় ৩১ আগস্ট পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।

সামাজিক নিরাপত্তা অধিদপ্তরের অধিশাখা থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। অধিদপ্তরের পরিচালক মো. মোশাররফ হোসেনের স্বাক্ষরে বিজ্ঞপ্তিটি প্রকাশ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে যে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় ভাতা ও শিক্ষা উপবৃত্তির অনলাইনে আবেদন গ্রহণের জন্য প্রথমে ১ আগস্ট থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত সময় নির্ধারিত ছিল।

তবে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা এবং সাধারণ আবেদনকারীদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী সফটওয়্যার জটিলতা, ইন্টারনেট সংযোগের সমস্যা এবং বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে অনেকেই আবেদনের জন্য নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন সম্পন্ন করতে পারেননি। এই বিষয়টি বিবেচনা করে সরকার আবেদনের সময়সীমা আরও ১৬ দিন বাড়িয়ে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত করেছে।

অনুদানগুলোর মধ্যে রয়েছে: বয়স্ক ভাতা, বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা ও শিক্ষা উপবৃত্তি, হিজড়া, বেদে ও অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জন্য জীবনমান উন্নয়নমূলক ভাতা ও উপবৃত্তি এবং চা-শ্রমিকদের জন্য নির্ধারিত ভাতা ও শিক্ষা উপবৃত্তি।

যোগ্য প্রার্থীদের সমাজসেবা অধিদপ্তরের নির্ধারিত অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। সমাজসেবা অধিদপ্তর জানিয়েছে যে, পূর্বের আবেদন গ্রহণের সময় যে নির্দেশনা ও শর্তাবলি দেওয়া হয়েছিল, বাড়ানো সময়েও সেগুলো বহাল থাকবে। এছাড়া বিভাগীয় ও মাঠপর্যায়ের সব সমাজসেবা কার্যালয়কে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

অতএব, কাঙ্ক্ষিত ভাতা বা শিক্ষা উপবৃত্তি পেতে আগ্রহী ও যোগ্য আবেদনকারীদের আগামী ৩১ আগস্টের মধ্যে অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফ্যাসিস্টের বদলে দেওয়া নাম বদলে চট্টগ্রামের ‘মিনি বাংলাদেশ’ ফিরে পেল পুরোনো নাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:২২ পি.এম


ফ্যাসিস্টের বদলে দেওয়া নাম বদলে চট্টগ্রামের ‘মিনি বাংলাদেশ’ ফিরে পেল পুরোনো নাম

ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের হাতে বদলে ফেলা চট্টগ্রামের বহদ্দারহাটে অবস্থিত ঐতিহাসিক ‘জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্স’ অবশেষে আবার নিজের নাম ফিরে পেয়েছে। ২০০৬ সালে তৎকালীন বিএনপি জোট সরকারের আমলে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নামে প্রতিষ্ঠিত ‘জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্স’টি ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান। কিন্তু ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার পরে আওয়ামী লীগ সরকারের কয়েক বছর পর সেটির নাম পরিবর্তন করে ‘স্বাধীনতা কমপ্লেক্স’ রাখা হয়েছিল।

বর্তমান সরকারের ক্ষমতায় আসার পর গত ৬ জুন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমদ আযম খান চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলো পরিদর্শনকালে বিষয়টি নিয়ে বক্তব্য প্রদানের সময় বলেন, ‘ফ্যাসিবাদী সময়ে ‘জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্স’-এর নাম পরিবর্তন করা হয়েছিল এবং সেটি ‘স্বাধীনতা কমপ্লেক্স’ নামে পরিচিত ছিল; যা ছিল প্রতিহিংসামূলক রাজনীতির এক প্রদর্শনী। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে সেই নাম পরিবর্তন করা হবে এবং সেটি আবারও ‘শহীদ জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্স’ হিসেবে পরিচিত হবে।

এ প্রসঙ্গে, গত ১২ আগস্ট মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উন্নয়ন শাখা একটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই কমপ্লেক্সটির নতুন নাম ‘জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্স’ হিসেবে পুনর্নির্ধারণ করেছে। প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘চট্টগ্রাম জেলার ঐতিহাসিক কালুরঘাটস্থ ‘স্বাধীনতা কমপ্লেক্স’টি এখন থেকে ‘জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্স’ নামে অভিহিত হবে এবং এর বিস্তারিত ঠিকানা ও জমির পরিমাণও উল্লেখ করা হয়েছে।

এর আগে, গত ২৪ মার্চ সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র এবং শহীদ জিয়াউর রহমানের স্মৃতি সংরক্ষণ ও উন্নয়নের জন্য পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিল।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ও চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ এরশাদ উল্লাহ আজ বাসসকে বলেন, ‘জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্স-এর নাম পুনর্বহালের জন্য মহানগর বিএনপির পক্ষ থেকে আমরা মন্ত্রণালয়ে একটি চিঠি দিয়েছিলাম। তার পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রণালয় এই নাম পরিবর্তন করেছে। এজন্য আমি আল্লাহর কাছে শুকরিয়া জানাই এবং মন্ত্রী মহোদয় ও মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের ধন্যবাদ জানাই।’

তিনি বলেন, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিধন্য কালুরঘাট বেতার কেন্দ্রের পাশে পরিত্যক্ত জায়গায় তৎকালীন বিএনপির সরকার এই কমপ্লেক্সটি নির্মাণ করেছিল। এখানে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ও ঐতিহ্যবাহী সকল স্থাপনার রেপ্লিকা তৈরি করা হয়েছিল এবং এটি চট্টগ্রামের মানুষের জন্য একটি চমৎকার বিনোদন কেন্দ্র হিসেবেও কাজ করেছিল। কিন্তু গত বিগত আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকার শহীদ জিয়াউর রহমানের নাম মুছে ফেলার যে ষড়যন্ত্র করেছিল, সেই রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অংশ হিসেবে এটির নাম বদলে দেওয়া হয়েছিল।’

এমনকি, এরশাদ উল্লাহ এমপি আরও বলেন, ‘চট্টগ্রামের মানুষ ঐতিহ্যগতভাবেই এটিকে ‘জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্স’ হিসেবেই চেনে এবং জানে। যদিও বিগত সরকার নাম পরিবর্তন করেছিল, স্থানীয় মানুষের মধ্যে এটি কখনোই ওই নামে পরিচিতি পায়নি এবং তারা সবসময় এটি জিয়া কমপ্লেক্স নামেই অভিহিত করে এসেছে।’

প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের দিন পর্যন্ত পার্কটি পরিচালনায় তখনকার আওয়ামী লীগ (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সরকারের একজন সংসদ সদস্যের ভাইয়ের একটি প্রতিষ্ঠান ইজারার মাধ্যমে দায়িত্ব পালন করছিল। সরকার পতনের পর ওই দিন রাতে শতশত বিক্ষুব্ধ মানুষ পার্কটিতে প্রবেশ করে বিভিন্ন স্থাপনায় ভাঙচুর চালায় এবং এরপর থেকে পার্কটি খুলে দেওয়া হয়নি।

চট্টগ্রামে ‘মিনি বাংলাদেশ’ :

চট্টগ্রামের মহানগরীর বহদ্দারহাট বাস টার্মিনালের বিপরীতে কালুরঘাট বেতার কেন্দ্রসংলগ্ন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ১৬ দশমিক ৩৭ একর পরিত্যক্ত জায়গায় ২০০৬ সালে তৎকালীন বিএনপি সরকার ‘জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্স’ প্রতিষ্ঠা করেছিল। প্রায় ৫৬ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত কমপ্লেক্সটি ২০০৬ সালের ২৯ আগস্ট উদ্বোধন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া।

দেশের ঐতিহাসিক ও ঐতিহ্যবাহী স্থানগুলোকে দর্শনার্থীদের জন্য এক নজরে দর্শনীয় করার লক্ষ্যে সেখানে নির্মাণ করা হয়েছিল ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থাপনার ক্ষুদ্র প্রতিরূপ, যার মধ্যে রয়েছে জাতীয় সংসদ ভবন, আহসান মঞ্জিল, কার্জন হল, লালবাগ কেল্লা, কান্তজিউ মন্দির, বড় কুঠি, ছোট সোনা মসজিদ, পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার উল্লেখযোগ্য।

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং ’৫২ এর ভাষা আন্দোলনের স্মরণে এখানে নির্মাণ করা হয়েছে একটি রিভলভিং বা ঘূর্ণায়মান টাওয়ার; যেটির উপরে একটি রেস্টুরেন্ট রয়েছে। টাওয়ারটির উচ্চতা ৭১ মিটার এবং ব্যাস ৫২ মিটার। বিনোদন কেন্দ্র হিসেবে এ কমপ্লেক্সে দর্শনার্থীরা বাংলাদেশের বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থাপনার বিষয়ে জানা সুযোগ পেতেন এবং সেই কারণেই এটি ‘মিনি বাংলাদেশ’ নামে পরিচিত হয়ে উঠেছিল।

পার্কটি নির্মাণের চুক্তি অনুযায়ী, নির্মাণ-পরবর্তী সময়ে ২০১০ সাল পর্যন্ত এটি পরিচালনা করেছিল কনকর্ড এন্টারটেইনমেন্ট গ্রুপ। পরে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে ইজারা নিয়ে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) কমপ্লেক্সটির পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করে। ২০১৫ সালের এপ্রিলে মেয়াদ শেষ হওয়ার পর চসিক নতুন করে ইজারা নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেনি। পরে একই বছরের নভেম্বরে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান কমপ্লেক্সটির ইজারা নেয় এবং সেই সময় পার্কে প্রবেশের মূল্য ১৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়। সর্বশেষ ইজারা নেওয়া প্রতিষ্ঠানের একজন পরিচালক নগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহসভাপতি হেলাল উদ্দিন, যিনি সাবেক সংসদ সদস্য মো. মহিউদ্দিন বাচ্চুর ভাই। গত বছরের ৯ ডিসেম্বর জানানো হয়েছে, ওই প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে ইজারার চুক্তি শেষ হয়ে গেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হবিগঞ্জে মুচলেকায় ২১ ঘণ্টা পর ছাত্রনেতা মাহদীসহ ৩ জনের মুক্তি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:২৪ পি.এম


হবিগঞ্জে মুচলেকায় ২১ ঘণ্টা পর ছাত্রনেতা মাহদীসহ ৩ জনের মুক্তি

লোডশেডিং, বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি, গ্যাস সংকট নিরসন এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিলের প্রস্তুতিকালে হবিগঞ্জ জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্য সচিব মাহদী হাসানসহ তিনজন আটক হন। আটকের প্রায় ২১ ঘণ্টা পর থানায় মুচলেকা দিয়ে তারা মুক্তি পেয়েছেন।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানা থেকে মুক্তি দেয়া হয় তাদের। মুক্তি পাওয়া অন্য দুজন হলেন মীর্জা সুমন ও রাজু। এর আগে, সোমবার (১৭ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সর্বস্তরের ছাত্র-জনতার ব্যানারে একটি বিক্ষোভ মিছিলের প্রস্তুতিকালে পুলিশ তাদের আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

দীর্ঘ সময় থানায় আটকে রাখার ঘটনায় জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগ ও আলোচনা তৈরি হয়। আটকের বিষয়টি জানতে এবং খোঁজ নিতে ঢাকা থেকে হবিগঞ্জে ছুটে আসেন জাতীয় নারীশক্তি কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সদস্য এবং এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সদস্য সচিব ফারজানা আহমেদ। পরে মঙ্গলবার দুপুরে নানা আলোচনা ও নাটকীয়তার অবসান ঘটিয়ে মুচলেকায় মাহদী হাসান, মীর্জা সুমন ও রাজুকে মুক্তি দেয়া হয়।

এ বিষয়ে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল হক জানান, নিরাপত্তাজনিত কারণে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার স্বার্থে তাদের আটক করা হয়েছিল। পরে তারা লিখিত আকারে মুচলেকা দিয়ে জানিয়েছেন, এমন কোনো কর্মসূচি আর করবেন না, জানালে তাদেরকে ছেড়ে দেয়া হয়।

এদিকে, থানা থেকে মুক্তির পর মাহদী হাসান জানান, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে তাদের প্রতিবাদ করার সাংবিধানিক অধিকার রয়েছে। তাকে যেভাবে আটক করা হয়েছে, এতে তার সাংবিধানিক অধিকার লঙ্ঘন করা হয়েছে। এ ঘটনার তিনি তীব্র নিন্দা জানান এবং জনগণের কাছে বিচার প্রার্থনা করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%