১১:২৪ পি.এম
লোডশেডিং, বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি, গ্যাস সংকট নিরসন এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিলের প্রস্তুতিকালে হবিগঞ্জ জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্য সচিব মাহদী হাসানসহ তিনজন আটক হন। আটকের প্রায় ২১ ঘণ্টা পর থানায় মুচলেকা দিয়ে তারা মুক্তি পেয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানা থেকে মুক্তি দেয়া হয় তাদের। মুক্তি পাওয়া অন্য দুজন হলেন মীর্জা সুমন ও রাজু। এর আগে, সোমবার (১৭ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সর্বস্তরের ছাত্র-জনতার ব্যানারে একটি বিক্ষোভ মিছিলের প্রস্তুতিকালে পুলিশ তাদের আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
দীর্ঘ সময় থানায় আটকে রাখার ঘটনায় জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগ ও আলোচনা তৈরি হয়। আটকের বিষয়টি জানতে এবং খোঁজ নিতে ঢাকা থেকে হবিগঞ্জে ছুটে আসেন জাতীয় নারীশক্তি কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সদস্য এবং এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সদস্য সচিব ফারজানা আহমেদ। পরে মঙ্গলবার দুপুরে নানা আলোচনা ও নাটকীয়তার অবসান ঘটিয়ে মুচলেকায় মাহদী হাসান, মীর্জা সুমন ও রাজুকে মুক্তি দেয়া হয়।
আরও পড়ুন: বি আর বি ক্যাবল, ৪৮ বছর বিশ্বাসের পথে সমৃদ্ধির যাত্রা
এ বিষয়ে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল হক জানান, নিরাপত্তাজনিত কারণে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার স্বার্থে তাদের আটক করা হয়েছিল। পরে তারা লিখিত আকারে মুচলেকা দিয়ে জানিয়েছেন, এমন কোনো কর্মসূচি আর করবেন না, জানালে তাদেরকে ছেড়ে দেয়া হয়।
এদিকে, থানা থেকে মুক্তির পর মাহদী হাসান জানান, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে তাদের প্রতিবাদ করার সাংবিধানিক অধিকার রয়েছে। তাকে যেভাবে আটক করা হয়েছে, এতে তার সাংবিধানিক অধিকার লঙ্ঘন করা হয়েছে। এ ঘটনার তিনি তীব্র নিন্দা জানান এবং জনগণের কাছে বিচার প্রার্থনা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন