বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৩:৪৯ পি.এম
দক্ষিণ আফ্রিকার ইস্টার্ন কেপ প্রদেশে একটি যাত্রীবাহী বাস উল্টে অন্তত ১৬ জন নিহত এবং আরো ২০ জন আহত হয়েছেন। এই দুর্ঘটনাটি বৃহস্পতিবার ভোরে ঘটে।
কর্তৃপক্ষ জানায়, বাসটি ওয়েস্টার্ন কেপের কেপ টাউন থেকে ইস্টার্ন কেপের ইদুত্যুয়া শহরের উদ্দেশ্যে ৭৮ জন যাত্রী নিয়ে যাচ্ছিল। বাসচালক হঠাৎ মোড় নিলে তিনি একটি ডেলিভারি ভ্যানের সঙ্গে সংঘর্ষ এড়াতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। এর ফলে বাসটি উল্টে যায়।
রোড ট্র্যাফিক ম্যানেজমেন্ট কর্পোরেশনের (আরটিএমসি) মুখপাত্র সাইমন জোয়ানে বলেন, প্রথমে ৯ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেলেও পরে তদন্তের পর নিহতের সংখ্যা ১৬ জনে পৌঁছায়।
আহতদের কেপ টাউন থেকে প্রায় ১২০ কিলোমিটার দূরের ওরচেস্টার শহরের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে অন্তত ৪৩ জন যাত্রী চিকিৎসা নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।
দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে আরটিএমসি ও দক্ষিণ আফ্রিকার পুলিশ যৌথভাবে তদন্ত চালাচ্ছে। এছাড়া শীত মৌসুমের কারণে ঘন কুয়াশা ও কম দৃশ্যমানতার কারণে চালকদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
তাদের মতে, কুয়াশা, ধোঁয়া, কালো বরফ এবং কম দৃশ্যমানতার কারণে এ সময় সড়কগুলো বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে।
উল্লেখ্য, বুধবার লিম্পোপো প্রদেশের বেইটব্রিজ সীমান্ত এলাকায় মালাউইয়ের যাত্রী বহনকারী একটি বাস দুর্ঘটনায় চালক নিহত হয়েছিলেন। ফলে এক সপ্তাহের মধ্যেই দক্ষিণ আফ্রিকায় এটি দ্বিতীয় বড় বাস দুর্ঘটনা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিরাজগঞ্জের তাড়াশে বিষমডাঙ্গা স্কুল অ্যান্ড কলেজের কিছু শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের আনিত যৌন হয়রানির (অনাকাঙ্খিত স্পর্শ) অভিযোগের প্রেক্ষিতে, তাড়াশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাত সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন। ইতোমধ্যে তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে।
তদন্ত কমিটির নেতৃত্বে রয়েছেন তাড়াশ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শমিষ্ঠা সেন গুপ্তা। এতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন মেডিক্যাল কর্মকর্তা সিরাজুম মনিরা জুঁই, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুর রহমান, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা খাদিজা নাসরিন, মহিলা ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক মাজহারুল ইসলাম, বিষমডাঙ্গা স্কুল অ্যান্ড কলেজের অভিভাবক সদস্য জিল্লুর রহমান এবং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল কাদের বিশ্বাস।
এই তদন্ত কমিটিকে তদন্ত কাজ শেষ করে সাত কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়। মঙ্গলবার (৩০ জুন) বেলা ১১টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত, তদন্ত কমিটি ৪০ জন শিক্ষার্থী, শিক্ষার্থীদের অভিভাবক ও শিক্ষকদের সাথে কথা বলেছেন। পাশাপাশি, তারা লিখিত বক্তব্যও গ্রহণ করেছেন।
তদন্ত কমিটির প্রধান শমিষ্ঠা সেন গুপ্তা বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, তদন্তের সময় মৌখিক ও লিখিত বক্তব্য দেওয়া অধিকাংশ শিক্ষার্থীই ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর। তবে, তদন্তের স্বার্থে প্রতিবেদন না দেওয়া পর্যন্ত তিনি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দিতে রাজী হননি।
উল্লেখযোগ্য বিষয় হচ্ছে, এর আগে তাড়াশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়, তাড়াশ থানা এবং জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে বিশেষ নারী তদন্ত টিমের সমন্বয়ে ২২ জুন তদন্ত ও গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছিল। পরে, ২৩ জুন সকাল ১১টার দিকে অভিযুক্ত শিক্ষকদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে তাড়াশ উপজেলা পরিষদের সামনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। তারপর থেকেই তাড়াশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাত সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করেন, যা ৩০ জুন তদন্ত কাজ সম্পন্ন করেছে।
জানা গেছে, ১৯৮৬ সালে তাড়াশ উপজেলার দেশিগ্রাম ইউনিয়নের আদিবাসী অধ্যুষিত বিষমডাঙ্গা গ্রামে মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। এই বিদ্যালয়টি ২০১২ সালে স্কুল থেকে কলেজ পর্যন্ত সম্প্রসারিত হয় এবং বর্তমানে ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত প্রায় ৭০০ নারী শিক্ষার্থী এখানে অধ্যয়নরত রয়েছে। বিষমডাঙ্গা স্কুল অ্যান্ড কলেজটি সুষ্ঠুভাবে শিক্ষার মান বজায় রেখে পরিচালিত হয়ে আসছিল এবং এটি উপজেলার মধ্যে অন্যতম আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত ছিল।
কিন্তু সম্প্রতি, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের অভিযোগ আসছে, যে বিষম ডাঙ্গা স্কুল অ্যান্ড কলেজের চারজন শিক্ষক ধারাবাহিকভাবে ছাত্রীদের যৌন হয়রানি করে আসছেন। যৌন নিপীড়নের শিকার অধিকাংশ নারী শিক্ষার্থী দরিদ্র ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী পরিবার থেকে আসা। তারা অভিযোগ করেছেন যে, শিক্ষকদের নিপড়নের বিষয়টি নিয়ে কেউ মুখ খুললে তাকে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। সম্প্রতি কিছু নারী শিক্ষার্থী শিক্ষকদের ধারাবাহিক যৌন নির্যাতনের অভিযোগ নিয়ে প্রকাশ্যে মুখ খুললে, তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযোগের ফলে মানববন্ধনসহ নানা কর্মসূচি শুরু হয়েছে।
তবে, বিষম ডাঙ্গা স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. আবদুল আলীম এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এটি নিছক ষড়যন্ত্র। এক ভাল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার জন্য কোমলমতি শিক্ষার্থীদের উসকে দেওয়া হচ্ছে।
এ প্রসঙ্গে তাড়াশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও বিষমডাঙ্গা স্কুল অ্যান্ড কলেজের পরিচালনা কমিটির সভাপতি নুসরাত জাহান মন্তব্য করেন, নারী শিক্ষার্থীদের শিক্ষক কর্তৃক যৌন নিপীড়নের বিষয়টি অত্যন্ত স্পর্শকাতর। এ কারণে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পেলে সে আলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সেনেগালের মিডফিল্ডার পাপে গুয়ে জানিয়েছেন যে, তিনি বর্তমান কোচিং স্টাফের অধীনে আর খেলার পরিকল্পনা করছেন না।
অনলাইন ডেস্কের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বকাপের রাউন্ড অব ৩২-এ সেনেগাল ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেও ৩-২ ব্যবধানে ম্যাচটি হেরে যায়। নির্ধারিত সময়ের পর অতিরিক্ত সময়ের ১২৪ মিনিটে পেনাল্টি থেকে বেলজিয়ামের হয়ে জয়সূচক গোলটি করেন টিলেমান্স। এর ফলে লুকাকু শেষ ষোলোতে জায়গা করে নেন, যা একটি অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের গল্প তৈরি করে।
তবে, ম্যাচের ফলাফলের চেয়ে বেশি আলোচনা চলছে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত নিয়ে। বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেওয়ার পর পাপে গুয়ে ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্টে জানিয়েছেন, যতদিন এই টেকনিক্যাল স্টাফরা দায়িত্বে থাকবেন, ততদিন তিনি জাতীয় দলের হয়ে খেলবেন না। তার পোস্টে তিনি কোচ পাপে থিয়াওয়ের নাম উল্লেখ করেননি।
২৭ বছর বয়সী গুয়ে, যিনি ভিয়ারিয়ালের খেলোয়াড়, বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে ইরাকের বিরুদ্ধে সেনেগালের ৫-০ ব্যবধানের জয়ে দুটি গোল করেছিলেন। চলতি বছর সেনেগালের জন্য বেশ চ্যালেঞ্জিং ছিল। এর আগে, মরক্কোর বিরুদ্ধে গুয়ের অতিরিক্ত সময়ের গোলে অর্জিত ‘আফ্রিকা কাপ অফ নেশনস’-এর শিরোপা একটি নজিরবিহীন আপিল মামলার মাধ্যমে বাতিল হয়ে গিয়েছিল।
যখন মরক্কোকে স্টপেজ টাইমে পেনাল্টির সুবিধা দেয়া হয়, তখন থিয়াও, তার দলকে মাঠ থেকে তুলে নিয়ে যান। তখন ম্যাচের স্কোর ছিল গোলশূন্য ড্র। ১৫ মিনিট বিরতির পর খেলা আবার শুরু হয় এবং মরক্কোর সেই পেনাল্টিটি ঠেকানো হয়।
ম্যাচ-পরবর্তী শাস্তিমূলক সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মরক্কো আপিল করে। এতে কনফেডারেশন অফ আফ্রিকান ফুটবলের একটি রায় আসে, যা ঘোষণা করে যে সেনেগালকে ওই ম্যাচে হারতে হবে এবং থিয়াওকে পরবর্তী প্রতিযোগিতায় পাঁচটি ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়।
বর্তমানে সেনেগাল সুইজারল্যান্ডে অবস্থিত ‘কোর্ট অফ আরবিট্রেশন ফর স্পোর্ট’-এ তাদের আপিল শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশালের উজিরপুরে শিশু ধর্ষণের মামলায় আদালত আলমগীর সিকদার (৫২) নামে একজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। আদালতের রায়ে মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি আসামির এক লাখ টাকা জরিমানা করাও করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুরে শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক আশরাফ উদ্দিন আসামির উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন। সেই সঙ্গে ধর্ষণের ফলে জন্ম নেওয়া শিশুর ভরণপোষণের দায়িত্ব জেলা প্রশাসনের কাছে দেওয়া হয়েছে।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আলমগীর সিকদার বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার পূর্ব কেসবকাঠি গ্রামের বাসিন্দা।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এ কে এম শামসুল হক জানিয়েছেন, ভুক্তভোগী শিশুটি আসামি আলমগীরের বাড়িতে আসা-যাওয়া করতো। ২০২৩ সালের ৩ মার্চ নবম শ্রেণির ওই মাদরাসাছাত্রী আলমগীরের বাসায় গেলে, সেখানে কেউ না থাকায় শিশুটিকে ধর্ষণ করেন আলমগীর। পরে শিশুটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে আর এ ঘটনায় জন্ম নেওয়া শিশুর বর্তমান বয়স তিন বছর।
এই ঘটনায় ২০২৩ সালের ২১ মে শিশুটির বাবা উজিরপুর থানায় মামলা করেন। এরপর ২০২৪ সালের ৩১ মে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতে আলমগীরকে একমাত্র আসামি করে চার্জশিট দেন।
বৃহস্পতিবার ছয়জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে বিচারক এই রায় দেন। একই সঙ্গে ভুক্তভোগী এবং তার গর্ভে জন্ম নেওয়া শিশুর ভরণপোষণের দায়িত্ব জেলা প্রশাসনকে দেওয়া হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের ফরোয়ার্ড ফোলারিন বালোগুনকে প্রদত্ত লাল কার্ড নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে, তবে সেটির বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ নেই। বিশ্বকাপের নিয়ম অনুযায়ী, ম্যাচ চলাকালে রেফারির সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করা যায় না।
বৃহস্পতিবার ভোরে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনাকে হারিয়ে যুক্তরাষ্ট্র শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে। ম্যাচে প্রথমে বালোগুন গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। পরে মালিক টিলম্যান আরেকটি গোল করেন, যা দলের জয় নিশ্চিত করে।
কিন্তু ম্যাচের ৬৪তম মিনিটে বিপত্তি ঘটে। বলের দখল নিতে গিয়ে বসনিয়ার ডিফেন্ডার তারিক মুহারেমোভিচের গোড়ালিতে বুটের স্টাড লাগিয়ে ফেলেন বালোগুন। প্রথমে রেফারি শুধু ফাউলের বাঁশি বাজালেও ভিডিও সহকারী রেফারির পরামর্শে ঘটনাটি আবার দেখেন এবং সরাসরি লাল কার্ড দেখান।
ফলস্বরূপ, বালোগুন শেষ ষোলোতে বেলজিয়ামের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে খেলতে পারবেন না। অনেক সমর্থকের ধারণা ছিল, যুক্তরাষ্ট্র এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবে। কারণ, এর আগে আর্জেন্টিনার উদ্বোধনী ম্যাচে একই ধরনের একটি চ্যালেঞ্জের জন্য লিওনেল মেসি শাস্তি পাননি।
তবে বিশ্বকাপের নিয়ম অনুযায়ী, যদি কোনো ফুটবলার সরাসরি লাল কার্ড বা দ্বিতীয় হলুদ কার্ডের কারণে মাঠ থেকে বহিষ্কৃত হয়, তবে তিনি স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরবর্তী ম্যাচে নিষিদ্ধ থাকবেন। প্রয়োজনে শৃঙ্খলা কমিটি অতিরিক্ত শাস্তিও দিতে পারে।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়মে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে, খেলার সঙ্গে সম্পর্কিত ঘটনার ক্ষেত্রে রেফারির সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। বিশেষ পরিস্থিতি ছাড়া সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা হয় না।
অতএব, বালোগুনের সম্পর্কে যেহেতু এক ম্যাচের স্বাভাবিক নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং অতিরিক্ত কোনো শাস্তি ইউন্যাদিরিক করা হয়নি, তাই যুক্তরাষ্ট্রের আপিল করার সুযোগ নেই।
এদিকে সাবেক প্রিমিয়ার লিগ রেফারি মার্ক ক্ল্যাটেনবার্গ এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন। তিনি মনে করেন, ঘটনাটি ছিল পুরোপুরি দুর্ঘটনাবশত। ভিডিও সহকারী রেফারির হস্তক্ষেপে লাল কার্ড প্রদর্শন করা ঠিক হয়নি। তাঁর বিশ্বাস, এই সিদ্ধান্ত ম্যাচের গতিপথ পরিবর্তন করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ