মামুন বিল্লাহ (কালিগঞ্জ)সাতক্ষীরা
০৫:৩১ পি.এম
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার নলতা এলাকায় নিজেকে চিকিৎসক পরিচয় দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসাসেবা প্রদানের অভিযোগে ইয়াসিন আলী ওরফে পলাশ নামে এক ব্যক্তিকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে নলতা মানব স্বপ্ন হেলথ কেয়ার সেন্টারে অভিযান পরিচালনা করে এ দণ্ডাদেশ প্রদান করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন কালিগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাইনুল ইসলাম খান।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ইয়াসিন আলী বৈধ চিকিৎসক না হওয়া সত্ত্বেও নিজেকে ডাক্তার হিসেবে পরিচয় দিয়ে রোগীদের চিকিৎসাসেবা দিয়ে আসছিলেন। অভিযানের সময় তিনি চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনার বৈধ সনদ, নিবন্ধন কিংবা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রদর্শন করতে ব্যর্থ হন। এ কারণে ভ্রাম্যমাণ আদালত তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।
স্থানীয় সূত্রে অভিযোগ রয়েছে, তিনি নলতা ডায়াবেটিক হাসপাতালের একজন চিকিৎসকের নাম ও পদবি ব্যবহার করে সাধারণ রোগীদের চিকিৎসা দিতেন। এছাড়া বিভিন্ন উপায়ে নিজেকে চিকিৎসক হিসেবে পরিচিত করে চিকিৎসাসেবা প্রদান করতেন। অভিযোগকারীদের দাবি, তার ভুল চিকিৎসার কারণে একাধিক রোগী স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়েছেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক তদন্ত ও প্রমাণের ভিত্তিতেই চূড়ান্ত সত্যতা নির্ধারিত হবে।
অভিযানকালে প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং ভুয়া চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের এ অভিযানে স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে বলে জানা গেছে। জনস্বার্থে স্বাস্থ্যখাতে অনিয়ম ও প্রতারণা রোধে প্রশাসনের এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হওয়া চুক্তিকে ‘শান্তির পথে একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
তিনি সোমবার এই মন্তব্য করেছেন, যখন তার সরকার কয়েক সপ্তাহ ধরে যুদ্ধরত দুই পক্ষের মধ্যে মধ্যস্থতার ভূমিকা পালন করেছে।
শেহবাজ শরিফ এর আগে ঘোষণা করেছেন যে, আগামী ১৯ জুন জেনেভায় চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হবে। ইসলামাবাদ থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এই খবর জানিয়েছে।
পাকিস্তানের আইনপ্রণেতাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আজ বিশ্ব শান্তির পথে একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ দেখেছে। যুদ্ধের অন্ধকারের পর শান্তির সূর্য উদিত হয়েছে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) এবং বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মধ্যে ৫৭তম সীমান্ত সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই সম্মেলনে হত্যাকাণ্ড, পুশ ইন এবং ভারতীয় গণমাধ্যমের বিভ্রান্তিমূলক তথ্য সংক্রান্ত উদ্বেগসহ একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
শুক্রবার (১২ জুন) বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলামের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, নয়াদিল্লিতে সোমবার (৮ জুন) থেকে বৃহস্পতিবার (১১ জুন) পর্যন্ত চার দিনের জন্য ৫৭তম বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের সীমান্ত সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্মেলনে বিজিবির ১৪ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন সংস্থাটির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী। বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলে বিজিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দের পাশাপাশি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, ভূমি জরিপ অধিদফতর, যৌথ নদী কমিশন এবং অন্যান্য সংস্থার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
অন্যদিকে, ভারতের ১২ সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন বিএসএফের মহাপরিচালক প্রবীণ কুমার।
সম্মেলনে গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহের মধ্যে ছিল:
সীমান্তে হত্যা ও সহিংসতা প্রতিরোধ। সম্মেলনের সময় বিজিবির মহাপরিচালক সীমান্তে বিএসএফ সদস্যদের দ্বারা প্রাণঘাতী ও অপ্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারের মাধ্যমে নিরস্ত্র এবং নিরীহ বাংলাদেশি নাগরিকদের মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি মানবাধিকার লঙ্ঘনের উদাহরণ উল্লেখ করে সীমান্ত এলাকায় হত্যার সংখ্যাকে শূন্যে নামিয়ে আনার জন্য বিএসএফ মহাপরিচালককে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান।
তিনি সীমান্তে শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং স্বাভাবিক অবস্থা নিশ্চিত করতে ধারাবাহিক প্রচেষ্টা এবং কঠোর জবাবদিহিতার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। উভয় পক্ষই অভিমত ব্যক্ত করেছে যে, এসব বিষয় আন্তরিক, সৎ ও সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে, প্রচলিত আইন অনুসরণ করে এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি দ্বারা পরিচালিত হয়ে সমাধান করা সম্ভব। উভয় পক্ষ সম্মত হয় সীমান্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার, যৌথ টহল বৃদ্ধি, সীমান্ত এলাকায় নজরদারি বাড়ানো এবং অবৈধভাবে আন্তর্জাতিক সীমান্ত অতিক্রম প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম গ্রহণের বিষয়ে, যাতে অনুপ্রবেশ, সীমান্ত হত্যা ও হামলার ঘটনা শূন্যে নামিয়ে আনা যায়। তারা আরও একমত হয়েছে যে, নিজেদের দেশের নাগরিকদের ওপর সংঘটিত হত্যা ও হামলার ঘটনাসমূহ তদন্ত করা হবে এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পুশ ইন ঘটনা। বিজিবির মহাপরিচালক রোহিঙ্গা বা মায়ানমারের নাগরিকদের বাংলাদেশে সাম্প্রতিক পুশ ইন ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন, যা সীমান্ত বিষয়ক যৌথ নির্দেশিকা, সমন্বিত সীমান্ত ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা, পূর্ববর্তী মহাপরিচালক পর্যায়ের বৈঠকে গৃহীত পারস্পরিক সিদ্ধান্ত এবং বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় নীতি ও প্রটোকলের পরিপন্থী। তিনি বলেন, সীমান্তে এসব পুশ ইন হওয়া ব্যক্তিদের দুর্ভোগ অত্যন্ত ব্যাপক। অনেকেই চরম দুর্দশায় রয়েছেন।
বিজিবির মহাপরিচালক পুনর্ব্যক্ত করেন, যদি কোনো ব্যক্তিকে বাংলাদেশি নাগরিক হিসেবে যাচাইকৃত হয় তবে তাঁকে প্রচলিত দ্বিপক্ষীয় প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দ্রুত গ্রহণ করা হবে। একই সাথে বিএসএফ মহাপরিচালক বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে সব অনিষ্পন্ন জাতীয়তা যাচাইকরণ বিষয়ে দ্রুত সম্পন্ন করার আহ্বান জানান। উভয় পক্ষ দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে গৃহীত পদ্ধতি ও বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় ব্যবস্থার ভিত্তিতে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে সম্মত হয়। তারা পারস্পরিক আস্থা, সহযোগিতা এবং সুপ্রতিবেশীসুলভ সম্পর্কের চেতনায় এসব প্রক্রিয়ার কার্যকর বাস্তবায়নে তাদের অভিন্ন অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
সীমান্ত নিরাপত্তা, মাদক ও চোরাচালান। বিজিবির মহাপরিচালক ভারত থেকে বাংলাদেশে হেরোইন, ফেনসিডিল, ইয়াবা, গাঁজা এবং অন্যান্য নেশাজাতীয় দ্রব্যের চোরাচালান বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং মাদক বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির উল্লেখ করেন। তিনি সীমান্ত দিয়ে আগ্নেয়াস্ত্র, গোলাবারুদ এবং অন্যান্য অবৈধ পণ্যের চোরাচালানের বিষয়টিও তুলে ধরেন। বিজিবির মহাপরিচালক মাদক পাচার রোধে উভয় দেশের মাদক নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক মহাপরিচালকদের নিয়মিত দ্বিপক্ষীয় বৈঠক আয়োজনে প্রস্তাব দেন। বিএসএফ মহাপরিচালক জানান, ভারত সরকার মাদক, নেশাজাতীয় দ্রব্য এবং আন্তঃসীমান্ত অপরাধের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করে। উভয় পক্ষই মাদকবিরোধী কঠোর ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির প্রতি অঙ্গীকার ব্যক্ত করে। তারা গবাদিপশু চোরাচালান প্রতিরোধের বিষয়ে একমত হয়।
অবৈধ অভিবাসন, মানবপাচার ও রোহিঙ্গা বিষয়। বাংলাদেশি নাগরিকদের অবৈধ অভিবাসন এবং রোহিঙ্গা অবৈধ অভিবাসীদের ভারতে প্রবেশ নিয়ে বিএসএফ মহাপরিচালকের উদ্বেগের জবাবে বিজিবির মহাপরিচালক দৃঢ়ভাবে উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ রোহিঙ্গা বা মিয়ানমারের নাগরিকদের তার ভূখণ্ড ব্যবহার করে ভারতে অবৈধভাবে চলাচলের অনুমতি দেয় না। উভয় পক্ষই অবৈধ আন্তঃসীমান্ত চলাচল প্রতিরোধে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে সম্মত হয়।
সীমান্ত বেড়া ও অবকাঠামো। বিএসএফ মহাপরিচালকের সীমান্ত বেড়া এবং সিকিউরিটি রিলেটেড কাজ সম্পর্কে বিজিবির মহাপরিচালক বলেন, নির্মিত এআরএফ প্যাচগুলোতে কিছু বিচ্যুতি লক্ষ্য করা গেছে। মহাপরিচালক বললেন, আন্তর্জাতিক সীমান্তের ১৫০ গজের মধ্যে ভারতের পক্ষ থেকে কোন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি নেওয়া আবশ্যক।
জাল মুদ্রা ও স্বর্ণ চোরাচালান। বিএসএফ মহাপরিচালককে বিজিবির মহাপরিচালক জানান, জাল ভারতীয় মুদ্রা এবং স্বর্ণ চোরাচালান উভয় দেশের জন্য ক্ষতিকর। উভয় পক্ষই আন্তঃসীমান্ত অপরাধীদের তথ্য আদান-প্রদান জোরদার করতে এবং এ ধরনের অপরাধে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণে সম্মত হয়।
পার্বত্য অঞ্চলের বিচ্ছিন্নতাবাদী ও সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর কার্যক্রম। বিজিবি মহাপরিচালক ভারতের মিজোরাম রাজ্যে বিচ্ছিন্নতাবাদী ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর অবস্থান নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বিএসএফ মহাপরিচালক জানান, ভারত সরকার জাতীয়তা নির্বিশেষে সকল সশস্ত্র গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে 'জিরো টলারেন্স' নীতি অনুসরণ করে।
সীমান্ত নির্ধারণ ও সীমান্ত পিলার। বিজিবির মহাপরিচালক বলেন, মুহুরী চর এলাকায় স্থায়ী সীমান্ত পিলার নির্মাণের বিষয়টি উত্থাপন করেছেন।
সীমান্তবর্তী নদীর পানি ব্যবহার ও তীর সংরক্ষণ। বিজিবির মহাপরিচালক জানান, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে পানি উত্তোলনের বিষয়গুলো যৌথ মনিটরিং টিমের মাধ্যমে সমাধান করা উচিত।
অননুমোদিত নির্মাণ ও সীমান্ত অবকাঠামো সংক্রান্ত বিধি-নিষেধ। বিএসএফ মহাপরিচালক জানান, বিদ্যুতের কাজ সীমান্তবর্তী ভারতীয় জনগণের নাগরিক সুবিধার জন্য করা হয়।
গণমাধ্যম প্রতিবেদন ও বিভ্রান্তিমূলক তথ্য সংশ্লিষ্ট উদ্বেগ। বিজিবির মহাপরিচালক বাংলাদেশ ও ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়াবলীর কিছু নির্দিষ্ট গণমাধ্যমে বিভ্রান্তিমূলক তথ্যের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।\n
সম্মেলনের শেষের দিকে উভয় মহাপরিচালক বাংলাদেশ–ভারত সীমান্তে শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং নিরাপত্তা বজায় রাখতে যৌথভাবে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন-এর ওয়ার্ড সচিব এসোসিয়েশনের আয়োজনে রবিবার রাতে নগরীর একটি রেস্তোরাঁর কনফারেন্স কক্ষে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন।
সভায় রাসিক প্রশাসক ওয়ার্ড পর্যায়ে নাগরিক সেবা আরও জোরদারভাবে প্রদান, সেবার মান বৃদ্ধি, জনগণের দোরগোড়ায় কার্যকর সেবা পৌঁছে দেওয়া এবং জনসেবায় দায়িত্বশীলতা ও সমন্বয় বৃদ্ধির বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন। একই সঙ্গে প্রতিটি ওয়ার্ডে বৃক্ষরোপণের আহবান জানান রাসিক প্রশাসক।
মতবিনিময় সভায় রাসিক ওয়ার্ড সচিব এসোসিয়েশনের সভাপতিঃ মোঃ আহাদ আলী, সাধারণ সম্পাদক মোঃ জুবায়ের হোসেনসহ রাসিকের ৩০টি ওয়ার্ডের সচিববৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় অংশগ্রহণকারী ওয়ার্ড সচিববৃন্দ নাগরিক সেবা কার্যক্রম আরও গতিশীল ও কার্যকর করতে বিভিন্ন মতামত তুলে ধরেন। এ সময় রাসিক প্রশাসক নগরবাসীর প্রত্যাশা পূরণে আন্তরিকতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।
দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করে তিনি বলেন, সমাজ ও প্রতিষ্ঠান থেকে সব ধরনের দুর্নীতি সমূলে উৎখাত করা হবে। অতীতে কারা কী ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতি করেছে, তার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ জানাতে তিনি সাধারণ মানুষ ও সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান।
এর আগে আনুষ্ঠানিকভাবে নথিতে স্বাক্ষর করে নিজের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন আবুল কালাম আজাদ সুইট। দায়িত্ব গ্রহণ উপলক্ষে আয়োজিত দোয়া ও মোনাজাত শেষে তিনি উপস্থিত অতিথি এবং অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ফুলেল শুভেচ্ছা গ্রহণ করেন। পরে তিনি আরডিএ অফিস চত্বরে একটি গাছের চারা রোপণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ