০৫:৩৯ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ নদীপথ যোগাযোগ কেন্দ্র গৌরিপুর নৌকাঘাটে যাত্রীসেবার মানোন্নয়নে যাত্রী ছাউনি নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। এ লক্ষ্যে মঙ্গলবার সরেজমিনে নৌকাঘাট এলাকা পরিদর্শন করেন ভৈরব পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কে এম মামুনুর রশীদ।
পরিদর্শনকালে ইউএনও নৌকাঘাটের সার্বিক অবস্থা, যাত্রীদের চলাচলের সুবিধা-অসুবিধা এবং যাত্রী ছাউনি নির্মাণের সম্ভাব্য স্থান পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় তিনি স্থানীয় বাসিন্দা ও নৌপথ ব্যবহারকারীদের সঙ্গে কথা বলে তাদের মতামত ও প্রত্যাশার বিষয়গুলোও শোনেন।
স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল গৌরিপুর নৌকাঘাটে একটি আধুনিক যাত্রী ছাউনি নির্মাণের। প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক যাত্রী এই নৌপথ ব্যবহার করলেও বৃষ্টি ও তীব্র রোদে অপেক্ষমাণ যাত্রীদের জন্য পর্যাপ্ত আশ্রয়ের ব্যবস্থা না থাকায় তাদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়। যাত্রী ছাউনি নির্মিত হলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি অনেকাংশে কমে আসবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন ভৈরব উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম, ভৈরব পৌরসভার সচিব ফারুক আহমেদসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা। তারা যাত্রীসেবার উন্নয়নে এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানান।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, যাত্রীদের নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় যাতায়াত নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসন বিভিন্ন জনবান্ধব অবকাঠামো উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। গৌরিপুর নৌকাঘাটে যাত্রী ছাউনি নির্মাণের উদ্যোগও সেই ধারাবাহিক প্রচেষ্টার অংশ।
এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে নৌপথ ব্যবহারকারী হাজারো মানুষের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা হিসেবে কাজ করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সম্প্রতি মুক্তিপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র ‘পেডি’র সাফল্যের আনন্দের মধ্যে জীবনের আরেকটি বিশেষ মুহূর্ত উদযাপন করলেন তেলুগু সুপারস্টার রাম চরণ ও তাঁর স্ত্রী উপাসনা কোনিডেলা। ১৪ জুন তারা তাদের ১৪তম বিবাহবার্ষিকী উপলক্ষে প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে আনলেন সদ্যোজাত যমজ সন্তানের ঝলক।
চলতি বছরের ৩১ জানুয়ারি দ্বিতীয়বারের মতো বাবা-মা হন এই তারকা দম্পতি। সে সময় তাদের ঘর আলো করে যায় এক পুত্র ও এক কন্যাসন্তান। এই পরিবারের নতুন অতিথিদের আগমনের সুখবর প্রথম জানিয়েছিলেন রাম চরণের বাবা ও কিংবদন্তি অভিনেতা চিরঞ্জীবী।
বিবাহবার্ষিকীর বিশেষ দিনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি আবেগঘন ছবি শেয়ার করেন রাম চরণ ও উপাসনা। ছবি তে তিন সন্তানের ছোট্ট ছোট্ট হাত একসঙ্গে দেখা যায়। মূলত এর মধ্য দিয়েই প্রথমবার প্রকাশ্যে আসে যমজ সন্তান শিব রাম ও অনবিরার ঝলক। একই ছবিতে দেখা যায় বড় মেয়ে ক্লারা কোনিডেলার হাতও।
ছবির ক্যাপশনে উপাসনা লিখেছেন, ‘আমার মন সত্যিই ভরে গেছে।’
এই পোস্টটি প্রকাশের পর শুভেচ্ছা ও ভালোবাসায় ভরে ওঠে মন্তব্যের ঘর। অভিনেত্রী কাজল আগরওয়াল, হুমা কুরেশিসহ বিনোদন অঙ্গনের অনেক তারকাই এই দম্পতিকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। ভক্তরাও নবজাতকদের জন্য শুভকামনা জানিয়েছেন।
দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব থেকে প্রেম, এরপর ২০১১ সালের ডিসেম্বরে বাগদান এবং ২০১২ সালের জুনে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হন রাম চরণ ও উপাসনা। এর পর থেকে তারা দক্ষিণ ভারতীয় চলচ্চিত্র অঙ্গনের অন্যতম জনপ্রিয় দম্পতি হিসেবে পরিচিত।
রাম চরণের ও উপাসনার বড় মেয়ে ক্লারা কোনিডেলার জন্ম ২০২৩ সালের জুন মাসে হয়। এরপর ২০২৬ সালের শুরুতে যমজ সন্তানের জন্ম দেওয়ার মাধ্যমে তাদের পরিবারে সদস্যসংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় পাঁচজনে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সোমবার জাতীয় ক্রীড়াসেবী কল্যাণ ফাউন্ডেশন কর্তৃক আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী এবং জাতীয় ক্রীড়াসেবী কল্যাণ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মোঃ আমিনুল হক অর্থিক সহায়তা প্রদান করেন।
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীনে জাতীয় ক্রীড়াসেবী কল্যাণ ফাউন্ডেশন অসচ্ছল, অসুস্থ, আহত ও অসমর্থ ক্রীড়াসেবীদের ক্রীড়া ভাতা, প্রতিভাবান ও উদীয়মান ক্রীড়া শিক্ষার্থীদের "ক্রীড়া শিক্ষা বৃত্তি" এবং অসুস্থ ও অসচ্ছল ক্রীড়াসেবীদের "চিকিৎসা ও আর্থিক সহায়তা" প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সম্মেলনকক্ষে জাতীয় ক্রীড়াসেবী কল্যাণ ফাউন্ডেশন কর্তৃক আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী এবং জাতীয় ক্রীড়াসেবী কল্যাণ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মোঃ আমিনুল হক। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন যুব ও ক্রীড়া সচিব এবং ফাউন্ডেশনের ভাইস-চেয়ারম্যান মোঃ মাহবুব-উল-আলম।
"ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা" এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ক্রীড়া ভাতা, ক্রীড়া শিক্ষা বৃত্তি এবং চিকিৎসা ও আর্থিক সহায়তা বাবদ মোট ৮ কোটি ৪১ লক্ষ ৭৪ হাজার টাকা প্রদান করা হয়েছে। এর মধ্যে রাজস্ব বাজেট থেকে ১,৭৯৭ জন ক্রীড়াসেবীকে ক্রীড়া ভাতা বাবদ ৫ কোটি ৩৯ লক্ষ ১০ হাজার টাকা এবং সিডমানির লভ্যাংশ থেকে অসচ্ছল ও অসুস্থ ৪২ জন ক্রীড়াসেবীকে চিকিৎসা ও আর্থিক সহায়তা বাবদ ৩২ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা বিইএফটিএন পদ্ধতিতে সরাসরি প্রদান করা হয়। এছাড়া প্রতিভাবান ও উদীয়মান ১,৪২৩ জন ক্রীড়া শিক্ষার্থীকে মোট ২ কোটি ৭০ লক্ষ ২৪ হাজার টাকা ক্রীড়া শিক্ষা বৃত্তি হিসেবে প্রদান করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত থাকা দেশের সকল জেলা প্রশাসক ও জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল হক বলেন, যারা সত্যিকার অর্থে এই ক্রীড়া ভাতার প্রাপ্য এবং लंबेদিন যাবৎ খেলাধুলার সাথে জড়িত ছিলেন, তাদেরকে সহায়তা প্রদান করতে আমরা আগ্রহী। আগামী বছরগুলোতে এই কার্যক্রমকে আরও সুশৃঙ্খল ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করার দৃঢ় প্রত্যয় তিনি ব্যক্ত করেন।
সাবেক খেলোয়াড়দের কল্যাণে মন্ত্রণালয়ের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী জানান, সাবেক খেলোয়াড়দের মধ্যে যারা বর্তমানে অসচ্ছল অবস্থায় দিন যাপন করছেন, দেশের সকল ফেডারেশনের সাথে কথা বলে তাদের একটি সঠিক তালিকা তৈরি করা হবে। সেই তালিকার ভিত্তিতে যোগ্য ক্রীড়াসেবীদের স্থায়ীভাবে ক্রীড়া ভাতার আওতায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এই লক্ষ্যে মন্ত্রণালয় থেকে একটি নতুন নীতিমালা তৈরি করা হচ্ছে এবং সামনের দিনগুলোতে ক্রীড়াসেবী ভাতা প্রদানের নীতিমালায় কিছু যুগোপযোগী পরিবর্তন আনা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দিনাজপুরের হাকিমপুর (হিলি) উপজেলায় গ্রাম আদালত সম্পর্কে ব্যাপক জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে স্থানীয় সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহের অংশগ্রহণে সমন্বিত পরিকল্পনা প্রণয়ন বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (১৫ জুন) সকাল ১১টায় উপজেলা প্রশাসন, হাকিমপুরের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। কর্মশালাটি বাংলাদেশ গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (তৃতীয় পর্যায়) প্রকল্পের আওতায় স্থানীয় সরকার বিভাগের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাকিমপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জর্জ মিত্র।
হাকিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অসি মোঃ জাকির হোসেন
ও সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক, শিক্ষক, এনজিও প্রতিনিধি ও সুশীল সমাজের সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।
কর্মশালায় তারা বলেন, গ্রাম আদালত স্থানীয় পর্যায়ে দ্রুত, সহজ ও স্বল্প ব্যয়ে বিরোধ নিষ্পত্তির একটি কার্যকর ব্যবস্থা। গ্রাম আদালতের কার্যক্রম সম্পর্কে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং এর সেবাকে আরও জনবান্ধব করতে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
আলোচনা শেষে অংশগ্রহণকারীরা গ্রাম আদালতের সেবাকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সমন্বিত পরিকল্পনা প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ