প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
আর্জেন্টিনার ফুটবল মহাতারকা লিওনেল মেসিকে সম্মান জানাতে নিউকুয়েন প্রদেশে নির্মিত বিশ্বের সর্ববৃহৎ মেসির ভাস্কর্য উদ্বোধনের পর থেকেই তুমুল বিতর্ক শুরু হয়েছে। এটি বিশাল আকৃতির একটি ভাস্কর্য যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।
ভাস্কর্যটির উচ্চতা ২৬ মিটার এবং এর ওজন প্রায় ৭০ টন। ভাস্কর্যটি কাট্রাল কো শহরের জাতীয় মহাসড়ক ২২ ও ম্যানুয়েল সাভিও সড়কের সংযোগস্থলে স্থাপন করা হয়েছে। নির্মাতাদের দাবি, এটি ভারতের ২১ মিটার উঁচু মেসি ভাস্কর্যের রেকর্ডকে ভেঙে বিশ্বের সবচেয়ে বড় মেসি ভাস্কর্য হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
এটি আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের জার্সি পরিহিত মেসিকে হাঁটু গেড়ে বসা অবস্থায় প্রদর্শিত করেছে। তার দুই পায়ের মাঝখানে ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি রাখা হয়েছে এবং তিনি এক হাত আকাশের দিকে নির্দেশ করছেন।
ভাস্কর্যটির নির্মাতা ভাস্কর অ্যালদো বেরোইসা জানান, শুরুতে পরিকল্পনা ছিল ২০২২ বিশ্বকাপ জয়ের ঐতিহাসিক মুহূর্তের আদলে মেসির হাতে ট্রফি তুলে ধরা হবে। কিন্তু প্রায় ৭০ টন ওজনের স্টিল এবং কংক্রিটের কাঠামোর ভারসাম্য ও নিরাপত্তার কারণে শেষ পর্যন্ত ট্রফিটি মাটিতে স্থানান্তরিত করা হয়।
কিন্তু এই নকশাই বিতর্কের সৃষ্টি করেছে। বিভিন্ন কোণ থেকে ভাস্কর্যটি দেখা হলে সেটি অনিচ্ছাকৃতভাবে আপত্তিকর ও ইঙ্গিতপূর্ণ মনে করা হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অসংখ্য ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে যা এই বিষয়কে সমর্থন করছে। বিষয়টি নিয়ে হাজার হাজার মন্তব্য, সমালোচনা এবং রসিকতা করছেন নেটিজেনরা।
একজন ব্যবহারকারী মন্তব্য করেছেন, এই কোণ থেকে দেখলে বিষয়টি অদ্ভুত মনে হচ্ছে। অন্য একজন বলেছেন, ভাস্কর্যটির পেছনে একটি দেওয়া তৈরি করা উচিত ছিল। কিছু ব্যবহারকারী আবার মেসির নামের সঙ্গে ইংরেজি শব্দ Messy (অগোছালো) এর মিল তুলে ধরে ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য করেছেন।
এদিকে, ভাস্কর্যটির মুখাবয়ব নিয়েও প্রশ্ন করা হয়েছে। দর্শকেরা দাবি করেছেন, মুখের আদল মেসির সঙ্গে পুরোপুরি মেলে না। তবে এসব সমালোচনার জবাবে ভাস্কর অ্যালদো বেরোইসা বলেন, মেসির মুখের অবয়ব যতটা সম্ভব নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলতে তিনি প্রায় তিন মাস ব্যয় করেছেন।
যদিও ভাস্কর্যটির নিয়ে বিতর্ক থেমে থাকেনি, তবে এটি ইতোমধ্যে আর্জেন্টিনার নতুন একটি দর্শনীয় স্থাপনা হিসেবে ব্যাপক আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন