ঢাকা শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

শেষ মুহূর্তের জয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে বিদায় নিল তুরস্ক


শেষ মুহূর্তের জয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে বিদায় নিল তুরস্ক

বিশ্বকাপে প্রথম দুই ম্যাচে হারের কারণে আগেই ছিটকে গেছে তুরস্ক। তাই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের ম্যাচটি শুধুমাত্র নিয়মরক্ষার উদ্দেশ্যে ছিল। এই ম্যাচে, সহ-আয়োজক দেশ যুক্তরাষ্ট্রকে শেষ মুহূর্তের গোলে হারিয়ে একটি জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে তুরস্ক।

প্রথম হাফে তুরস্ক ২-১ গোলে এগিয়ে ছিল। কিন্তু বিরতির পর তারা যেন কিছুটা অসতর্ক হয়ে পড়েছিল, ফলে যুক্তরাষ্ট্র সমতায় ফিরতে সক্ষম হয়। ৪৯তম মিনিটে স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে গোলটি করেছেন সেবাস্তিয়ান বারহল্টার।

ম্যাচটি যখন ড্র হয়ে যাওয়ার এমন সম্ভাবনা দেখা দিয়েছিল, ঠিক সেই সময় নাটকীয়ভাবে গোল করে তুরস্ক এক পা এগিয়ে যায়। এর ফলে তুরস্কের জয় হয়ে যায় ৩-২।

আরও পড়ুন: বাকৃবির নবনিযুক্ত ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা ড. মো. আবদুল আলীম

বিস্তারিত আসছে...

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বেনাপোলে বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই আসা ভারতীয় পণ্যবাহী ট্রাক আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ ইং

১০:১৬ এম


বেনাপোলে বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই আসা ভারতীয় পণ্যবাহী ট্রাক আটক

যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দরে কাগজপত্রবিহীন খৈলবাহী একটি ভারতীয় পণ্যবাহী ট্রাক কাস্টমস কর্তৃপক্ষ জব্দ করেছে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) রাত ৯ টার দিকে বন্দরের ৩১ নম্বর শেড ইয়ার্ড থেকে ট্রাকটি জব্দ করা হয়।

বন্দর কর্তৃপক্ষে তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, ভারতের একটি রফতানিকারক প্রতিষ্ঠান থেকে আমদানিকারক মেসার্স আরাফ এন্টারপ্রাইজের নামে সরিষার খৈলবাহী ভারতীয় ট্রাকটি (নম্বর: ডব্লিউবি-২৫কে-৮৪১৫) গত মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাতে বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করে। এরপর বৃহস্পতিবার সকালে কার্গো টার্মিনাল থেকে ট্রাকটি ৩৫ নম্বর শেডে পণ্য খালাসের তথ্য দেখিয়ে বের হয়।

অভিযোগ উঠেছে, ট্রাকটিতে থাকা পণ্য ৩১ নম্বর ইয়ার্ডে ঢোকার আগেই অবৈধভাবে সরিয়ে নেয়া হয়। বিকেল ৪টার দিকে, যখন ট্রাকটি বন্দর কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই ফলের মাঠ এলাকায় (৩১ নম্বর ইয়ার্ড) প্রবেশ করে, তখন সন্দেহ সৃষ্টি হয়। পরে বন্দর কর্তৃপক্ষ কাস্টমসকে অবহিত করলে সহকারী কমিশনার অটল গোস্বামীর উপস্থিতিতে ট্রাকটি তল্লাশি করা হয়।

তল্লাশি কালে ১৪০ বস্তা খৈল ও ৫০টি খালি বস্তা জব্দ করা হয়। পণ্যের মোট ওজন ৭ হাজার ১৫৭ কেজি, আর খৈলের নিট ওজন পাওয়া যায় ৬ হাজার ৯১৩ কেজি।

বেনাপোল কাস্টম হাউসের সহকারী কমিশনার অটল গোস্বামী জানালেন, ‘ঘোষণাপত্র অনুযায়ী ট্রাকটিতে ১০ টন ৯০ কেজি পণ্য থাকার কথা ছিল। কিন্তু বাস্তবে পাওয়া গেছে ৬ হাজার ৯১৩ কেজি। ফলে ঘোষিত পরিমাণের তুলনায় ৩ হাজার ১৭৭ কেজি খৈলের ঘাটতি রয়েছে। এই বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।’

এদিকে, পাচারের সাথে জড়িত চক্রটি ‘মেসার্স প্রত্যয় ইন্টারন্যাশনাল’ নামের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট হিসেবে কৌশল করে ব্যবহার করেছে। তবে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা কাস্টমস, বন্দরের কর্তৃপক্ষ ও সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনে লিখিতভাবে প্রতিবাদ করেছে।

প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী হাফিজুর রহমান হ্যাপি লিখিত আবেদনে দাবি করেছেন, তার প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করে কেউ এ অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। তিনি জানিয়ে দেন, উক্ত ট্রাক বা পণ্যচালান গ্রহণে তাদের কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারী জড়িত ছিলেন না। প্রকৃত দোষীদের শনাক্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান তিনি এবং তার প্রতিষ্ঠান যেন হয়রানি না হয় সেটাও অনুরোধ করেছেন।

বেনাপোল স্থলবন্দরের ৩১ নম্বর শেডের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খলিলুর রহমান জানিয়েছেন, ‘মিথ্যা ঘোষণায় আমদানিকৃত পণ্যচালানটি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে কাস্টমসকে অবহিত করা হয়েছে। পরে সংশ্লিষ্ট দফতরের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে চালানটি জব্দ করা হয়েছে।’

এই ঘটনার প্রেক্ষিতে কাস্টমস ও বন্দর কর্তৃপক্ষ তদন্ত শুরু করে দিয়েছে। পাশাপাশি পাচারের সাথে কি বড় কোনো চোরাচালান চক্র জড়িত রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিজে ফিঙ্গারপ্রিন্ট না দিলেও সবার জন্য বাধ্যতামূলক চান বেরোবির কর্মকর্তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাসফিকুল হাসান,বেরোবি প্রতিনিধি

শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ ইং

১০:২০ এম


নিজে ফিঙ্গারপ্রিন্ট না দিলেও সবার জন্য বাধ্যতামূলক চান বেরোবির কর্মকর্তা

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বায়োমেট্রিক হাজিরা নিশ্চিত করতে ফিঙ্গারপ্রিন্ট ব্যবহারের পক্ষে জোরালো অবস্থান নিয়েছেন ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ এক্সিলেন্সের রিসার্চ কর্মকর্তা ড. মো. রোকনুজ্জামান। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক সূত্রের দাবি, তিনি নিজেই বায়োমেট্রিক হাজিরা ব্যবস্থায় নিবন্ধিত নন এবং ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে হাজিরা দেন না। বিষয়টি নিয়ে ক্যাম্পাসজুড়ে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

গত বুধবার (২৪ জুন) বিশ্ববিদ্যালয় অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের একটি গ্রুপে পাঠানো বার্তায় ড. রোকনুজ্জামান ফিঙ্গারপ্রিন্ট ব্যবহারে সবার জন্য সমতা নিশ্চিত করার দাবি জানান। পাশাপাশি কর্মকর্তাদের বিভিন্ন অধিকার ও প্রশাসনিক বিষয় নিয়ে আলোচনার জন্য একটি সভার আহ্বান করেন।

তার বার্তায় তিনি লেখেন, “ফিঙ্গার, কেউ দিবে কেউ দিবে না, তা হবে না। দিলে এ টু জেড সকলেই দিবে, নয়তো কেউ নয়। পদোন্নতি সকলের অধিকার, নিয়মিত পদোন্নতি বোর্ড করতে হবে। রেজিস্ট্রার/সমমান পদে ইউজিসির নির্দেশনা মোতাবেক অফিসারদের মধ্য থেকে ফুলটাইম দায়িত্ব দিতে হবে।”

পরবর্তীতে নির্ধারিত সময় পরিবর্তন করে বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টায় সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক প্রশাসনিক সূত্র জানায়, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বায়োমেট্রিক হাজিরা ব্যবস্থা চালু থাকলেও ড. রোকনুজ্জামান শুরু থেকেই এতে নিবন্ধন করেননি। ফলে তিনি অফিসে উপস্থিত থাকলেও তার কোনো বায়োমেট্রিক হাজিরার রেকর্ড সংরক্ষিত হয় না।

এদিকে, অফিসে উপস্থিত না থেকেও সরকারি সুবিধা গ্রহণের অভিযোগের অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে গত ৯ জুন দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে কয়েকজন কর্মকর্তার ২০২৪ ও ২০২৫ সালের বায়োমেট্রিক হাজিরার তথ্য চেয়ে চিঠি পাঠায়। চিঠিতে ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ এক্সিলেন্সের কর্মকর্তা ড. মো. রোকনুজ্জামান, প্রসন্নজিৎ সরকার, আবু সায়েম মো. আহসান হাবীব, রুমানা ফেরদৌসী জলীল, আবু সাঈদ মো. আহসান সিদ্দিকী এবং মেহজাবীন ইলাহীর হাজিরা-সংক্রান্ত তথ্য চাওয়া হয়।

প্রশাসনিক সূত্রের দাবি, ড. রোকনুজ্জামানের বায়োমেট্রিক রেকর্ড না থাকায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তার কোনো হাজিরা তথ্য দুদকে সরবরাহ করতে পারেনি। সূত্রগুলো আরও দাবি করে, এ বিষয়টি সামনে আসার পর থেকেই তিনি ফিঙ্গারপ্রিন্ট ব্যবহারের বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আনছেন।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে ড. মো. রোকনুজ্জামানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ফেরদৌস রহমান বলেন, “কর্মকর্তা রোকনুজ্জামান বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে নিবন্ধন করেননি। তিনি অফিসে আসলেও ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে হাজিরা দেন না। দুদক আমাদের কাছে যাদের তথ্য চেয়েছে, তাদের মধ্যে যাদের তথ্য আমাদের কাছে ছিল, সেগুলোই আমরা পাঠিয়েছি।”

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাতক্ষীরায় ভেঙে রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ব্রিজ, চরম ঝুঁকিতে যাতায়াত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ ইং

১০:২৪ এম


সাতক্ষীরায় ভেঙে রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ব্রিজ, চরম ঝুঁকিতে যাতায়াত

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বাঁশদাহা কয়রাবিল ব্রিজটি দীর্ঘদিন ধরে ভেঙে থাকার কারণে স্থানীয় বাসিন্দা ও শিক্ষার্থীরা চরম দুর্ভোগ এবং আতঙ্কের মধ্যে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছেন।

এই ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন চালকরা। দ্রুত সময়ের মধ্যে ব্রিজটি সংস্কার অথবা নতুন করে নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন এলাকার মানুষ।

সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয়দের সাথে কথা বলে এমন অবস্থার চিত্র দেখা গেছে।

এলাকাবাসীরা জানিয়েছেন, এক বছরেরও বেশি সময় ধরে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বাঁশদাহা কয়রাবিল ব্রিজটি ভেঙে পড়ে আছে। প্রতিদিন সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন যানবাহন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই ভাঙা ব্রিজ দিয়ে চলাচল করছে। ব্রিজের ভাঙা অংশে অস্থায়ীভাবে বাঁশ, কাঠ, ইটের রাবিশ এবং মাটিভরা বস্তা ফেলে চলাচলের ব্যবস্থা করা হলেও সেটি এখন অত্যন্ত বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। সামান্য অসাবধানতা অথবা ভারী যানবাহনের চাপে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা করছে তারা।

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার সাথে সীমান্তবর্তী সাতানি, বাঁশদাহা ও কাথন্ডাসহ অন্তত সাত থেকে আটটি গ্রামের মানুষের কলারোয়া উপজেলায় যোগাযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হলো এই কয়রাবিল ব্রিজটি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ব্রিজটির এই বেহাল অবস্থা থাকার পরেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি। ফলে সাধারণ মানুষের প্রতিদিন সীমাহীন ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে। বিশেষ করে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ী, রোগী এবং কর্মজীবীরা সবচেয়ে বেশি সমস্যার মধ্যে পড়ছেন। দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে বহু যানবাহন। তাই দ্রুত বিষয়টি সমাধানে সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধি এবং প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপের দাবি জানানো হয়েছে।

এই বিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের (এলজিইডি) সাতক্ষীরার নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল ইসলাম বলেছেন, ‘পুরনো এই ব্রিজটি এলজিইডি ছাড়া অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের তৈরি। তবে জনদুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে সেখানে নতুনভাবে ব্রিজ নির্মাণের একটি প্রস্তাব ইতোমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সৌদি বাদশাহের খরচে ওমরাহ পালনের সুযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ ইং

১০:২৬ এম


সৌদি বাদশাহের খরচে ওমরাহ পালনের সুযোগ

সৌদি আরবের বাদশাহ সালমান বিন আব্দুল আজিজ আল সৌদ ঘোষণা দিয়েছেন যে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ১,০০০ মুসলিমকে নিজের খরচ নিয়ে ওমরাহ পালনের সুযোগ দেওয়া হবে। নির্বাচন করা মুসল্লিরা এই বিশেষ আতিথেয়তা লাভ করবেন 'গেস্টস অব দ্য কাস্টডিয়ান অব দ্য টু হোলি মস্কস' কর্মসূচির আওতায়। পুরো কার্যক্রমের দায়িত্ব পালন করবে সৌদি আরবের ইসলাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। জানা গেছে সংবাদটি সৌদি গেজেটের মাধ্যমে।

কর্মসূচিটি ১৪৪৮ হিজরি বছরে চারটি ধাপে পরিচালিত হতে যাচ্ছে। প্রথম ধাপে এশিয়ার ১৬টি দেশের ২৫০ জন ওমরাহ যাত্রী এতে অংশগ্রহণ করবে। দেশগুলো মধ্যে রয়েছে— ইন্দোনেশিয়া, তিমুর-লেস্তে, ফিলিপাইন, মালয়েশিয়া, কম্বোডিয়া, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, মায়ানমার, লাওস, সিঙ্গাপুর, চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, হংকং, তাইওয়ান এবং মঙ্গোলিয়া।

এ উপলক্ষে সৌদি ইসলামী বিষয়ক মন্ত্রী ও কর্মসূচির তত্ত্বাবধায়ক আব্দুললতিফ আল-শেখ বাদশাহ সালমান এবং যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, এই উদ্যোগ মুসলিম বিশ্বের মানুষের জন্য ওমরাহ পালন ও পবিত্র স্থানসমূহ জিয়ারত সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করার জন্য সৌদি নেতৃত্বের অব্যাহত প্রচেষ্টারই প্রতিফলন।

তিনি আরও জানান, এ কর্মসূচি মুসলিম উম্মাহর মধ্যে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনকে জোরদার করবে এবং বিশ্বের বিভিন্ন মুসলিম সমাজের আলেম, ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের মধ্যে যোগাযোগ ও সহযোগিতার সেতুবন্ধ গড়ে তুলতে সহায়তা করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৪
মাগরিব ০৫:২১
ইশা ০৬:৩৩
সূর্যোদয় : ০৬:০৩ সূর্যাস্ত : ০৫:২১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%