বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:৩৫ পি.এম
ব্যাংক খাতে সংস্কার এবং ঋণ আদায়ে জোরদার উদ্যোগের ফলস্বরূপ, গত নয় মাসে দেশে খেলাপি ঋণের (এনপিএল) পরিমাণ প্রায় ৩ শতাংশীয় পয়েন্ট কমে গেছে। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরের ৩৫ দশমিক ৭৩ শতাংশ থেকে ২০২৬ সালের জুনে এনপিএল অনুপাত ৩২ দশমিক ৭৮ শতাংশে নেমে এসেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, এনপিএল অনুপাত ২ দশমিক ৯৫ শতাংশীয় পয়েন্ট কমেছে। তবে, খেলাপি ঋণের মোট পরিমাণ এখনো অনেক বেশি রয়েছে। জুন মাসের শেষে শ্রেণিকৃত ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৬ হাজার ৫৫৫ কোটি টাকা, যা ব্যাংক খাতের মোট ঋণের ৩২ দশমিক ৭৮ শতাংশ।
ব্যাংক খাতের বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘদিনের অনিয়ম এবং আড়ালে থাকা খেলাপি ঋণ চিহ্নিত করার প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে এনপিএল অনুপাতে এই উন্নতি সাধিত হয়েছে। এর ফলে, একদিকে খেলাপি ঋণের অনুপাত কিছুটা স্বস্তি এনে দিয়েছে, অন্যদিকে ব্যাংক খাতের প্রকৃত চিত্রও আগের তুলনায় পরিষ্কার হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানিয়েছেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর কেন্দ্রীয় ব্যাংক ব্যাংক খাতের প্রকৃত চিত্র তুলে ধরার জন্য গুরুত্ব প্রদান করেছে। এর ফলে, আগে গোপন থাকা বা পুনঃতফসিলের মাধ্যমে আড়াল করা অনেক ঋণের প্রকৃত অবস্থা সামনে এসেছে।
তিনি আরও বলেন, খেলাপি ঋণ কমাতে এককালীন প্রস্থান নীতি এবং সর্বোচ্চ ১৫ বছর মেয়াদে ঋণ পুনঃতফসিলসহ বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এসব পদক্ষেপের সুফল পুরোপুরি প্রতিফলিত হলে খেলাপি ঋণের অনুপাত আরও কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর শেষে শ্রেণিকৃত ঋণের পরিমাণ ছিল ৬ লাখ ৪ হাজার ৫১৫ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ৩৫ দশমিক ৭৩ শতাংশ। চলতি বছরের জুনে শ্রেণিকৃত ঋণের পরিমাণ সামান্য বেড়ে ৬ লাখ ৬ হাজার ৫৫৫ কোটি টাকা হলেও মোট ঋণের তুলনায় এর অনুপাত কমেছে।
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) বিশিষ্ট ফেলো অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান মন্তব্য করেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে প্রকাশিত খেলাপি ঋণের পরিসংখ্যান ব্যাংক খাতের প্রকৃত চিত্র পুরোপুরি তুলে ধরেনি। ২০০৮ সালে খেলাপি ঋণের পরিমাণ প্রায় ২২ হাজার কোটি টাকা থাকলেও ২০২৪ সালে সরকারি হিসাবে তা প্রায় ২ লাখ কোটি টাকায় দাঁড়ায়। তবে, শ্বেতপত্রে প্রকৃত খেলাপি ও সমস্যাগ্রস্ত ঋণের পরিমাণ প্রায় সাড়ে ৬ লাখ কোটি টাকা বলে উঠে এসেছে।
তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের সংস্কার উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ব্যাংক খাতের সংকট কাটিয়ে বিনিয়োগ পুনরুদ্ধারে এসব সংস্কারের বিকল্প নেই। একই সঙ্গে অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণ বৃদ্ধি এবং খেলাপি ঋণ কমানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, খেলাপি ঋণ কমার বর্তমান প্রবণতা উৎসাহব্যঞ্জক হলেও এটিকে চূড়ান্ত সাফল্য হিসেবে দেখা উচিত নয়। কারণ, প্রকৃত খেলাপি ঋণ চিহ্নিত করার প্রক্রিয়ায় শুরুতে অনুপাত বাড়তেও পারে। তবে ব্যাংকের হিসাব-নিকাশে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে প্রকৃত অবস্থান প্রকাশ করাই টেকসই সংস্কারের প্রথম শর্ত।
সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, ব্যাংক খাতের হিসাব পরিষ্কার করার প্রক্রিয়ায় স্বল্পমেয়াদে কিছু চাপ তৈরি হতে পারে। তবে এর মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদে আরও শক্তিশালী ও স্থিতিশীল ব্যাংকিং ব্যবস্থা গড়ে উঠবে। এ জন্য পেশাদার ব্যবস্থাপনা, যথাযথ ঋণ মূল্যায়ন এবং কার্যকর ঋণ আদায় ব্যবস্থা নিশ্চিত করা জরুরি।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক সমস্যাগ্রস্ত ব্যাংকগুলোর জন্য সংস্কার কাঠামোও জোরদার করেছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিবেদনের মানদণ্ড আইএফআরএস-৯ অনুযায়ী প্রত্যাশিত ঋণক্ষতি (ইসিএল) হিসাব চালু হলে সম্ভাব্য ঋণঝুঁকি আগেভাগে চিহ্নিত করার সুযোগ বাড়বে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
তাদের মতে, এখন শুধু প্রকাশিত খেলাপি ঋণ কমানোর দিকে নজর না দিয়ে এর কাঠামোগত কারণ দূর করতে হবে। ঋণ আদায় জোরদার, সুশাসন প্রতিষ্ঠা, ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে কঠোর যাচাই-বাছাই এবং ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে কার্যকর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, বর্তমান সরকার বড় অঙ্কের খেলাপি ঋণ ও দুর্বল আস্থার একটি ব্যাংকিং ব্যবস্থা পেয়েছে। তাই খেলাপি ও পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধার, আইনের কার্যকর প্রয়োগ এবং রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত ব্যাংক পরিচালনা নিশ্চিত করতে হবে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গত নয় মাসের এনপিএল কমার প্রবণতা ব্যাংক খাতের সংস্কারে একটি ইতিবাচক প্রাথমিক সংকেত। তবে এ অগ্রগতি কতটা টেকসই হয়েছে, তা বোঝার জন্য ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের তথ্য গুরুত্বপূর্ণ হবে। ধারাবাহিক সংস্কার, ঋণ আদায় এবং সুশাসন নিশ্চিত করা গেলে খেলাপি ঋণ আরও কমার পাশাপাশি আমানতকারীদের আস্থা ও ব্যাংক খাতে ঋণশৃঙ্খলা ফিরে আসবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের মধ্যপ্রদেশের রাজধানী ভোপালে এআইএমআইএম প্রধান ও সাংসদ আসাদউদ্দিন ওয়েইসির কনভয়ে একাধিক গাড়ির সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন কয়েকজন বাইক আরোহী।
মঙ্গলবার (১৫ সেম্পেম্বর) শহরের ভিআইপি রোডে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, চার থেকে পাঁচজন বাইক আরোহী আহত হয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আসাদউদ্দিন ওয়েইসির কনভয় ভোপালের ভিআইপি রোড দিয়ে যাচ্ছিল। হঠাৎ একটি বাঁকের কাছে কনভয়ের কয়েকটি গাড়ি ব্রেক করে থেমে যায়। পেছনে থাকা গাড়িগুলো আচমকা থামতে না পারায় একটির সঙ্গে আরেকটির সংঘর্ষ ঘটে। এ সময় ওই সড়ক দিয়ে মোটরসাইকেলে চলাচলকারী কয়েকজনও দুর্ঘটনার কবলে পড়েন। পরপর ধাক্কায় চার থেকে পাঁচ বাইক আরোহী আহত হন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে। পরে আহতদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়। ঘটনাস্থলে পুলিশ দ্রুত পৌঁছায়। কিছু সময়ের জন্য ভিআইপি রোডে যান চলাচল ব্যাহত হয়। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে যান চলাচল স্বাভাবিক করে।
ভোপাল ট্রাফিক পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার বসন্ত কৌল জানান, কনভয় থামার পর কয়েকটি গাড়ির মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে কয়েকজন বাইক আরোহী আহত হয়েছেন। তাদের হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। পুলিশ তদন্ত করছে কেন কনভয়ের কয়েকটি গাড়ি আচমকা ব্রেক করেছিল এবং প্রথম সংঘর্ষের সূত্রপাত কীভাবে হয়েছিল। দুর্ঘটনায় আহতদের শারীরিক অবস্থার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। আসাদউদ্দিন ওয়েইসির ভোপাল সফরকে কেন্দ্র করে ওই এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছিল। এর মধ্যেই ব্যস্ত সড়কে তার কনভয়কে ঘিরে এই দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে কিছু সময়ের জন্য চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানী ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৯৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সময়ে ৪৯টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. আকতার হোসেন।
আরো পড়ুন
মাঝ আকাশে টায়ার ফেটে বিমানে আতঙ্ক, ধসে পড়ল কেবিনের ছাদ।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রমনা বিভাগ থেকে ৪১ জন, লালবাগ বিভাগ থেকে ৩৬, ওয়ারী বিভাগ থেকে ৫৭, মতিঝিল বিভাগ থেকে ৫৬, তেজগাঁও বিভাগ থেকে ৮৬, মিরপুর বিভাগ থেকে ১৩১, গুলশান বিভাগ থেকে ৩৮, উত্তরা বিভাগ থেকে ৪৯ এবং গোয়েন্দা বিভাগ থেকে ৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
অভিযানের সময় ১টি বিদেশি পিস্তল, ১টি ম্যাগাজিন, ৩ রাউন্ড গুলি, ৫টি রাম দা, ২টি তরবারি, ১টি ছোড়া, ৩৯৫ পিস ইয়াবা, ৪৩৮ বোতল ফেনসিডিল, ২ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা, ৪৫ বোতল বিদেশি মদ, ৪টি মোবাইল, ১টি স্বর্ণের কানের দুল, ৯টি ফুয়েল পেপার, ৩টি গ্যাস লাইট, ৩টি ইয়াবা সেবনের প্লাস্টিকের বোতল এবং নগদ ২৫ হাজার টাকা জব্দ করা হয়েছে।
ডিএমপি জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে মামলার হুঁশিয়ারি প্রদান করেছেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফরিদা ইয়াসমিন।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকালে ভেড়ামারায় নিজ বাসভবনে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এমপি ফরিদা ইয়াসমিন এই তথ্য জানান। এ সময় তিনি কুরুচিপূর্ণ ও কটূক্তিমূলক মন্তব্য করার অভিযোগে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
ফরিদা ইয়াসমিন জানালেন, যদি দলের অনুমতি পান, তবে ওই সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ হিসেবে মানহানির মামলা দায়ের করবেন তিনি।
তিনি বলেন, "উনি একজন সংসদ সদস্য এবং আমিও একজন সংসদ সদস্য। প্রত্যেকেরই মর্যাদা ও সম্মান রয়েছে। একজন নারীকে সম্মানিত করে কথা বলা আমাদের রাজনৈতিক কালচার, ভদ্রতা ও আচরণের অংশ। এর বাইরে আমরা যেতে পারি না।"
জনপ্রতিনিধিদের আচরণের একটি নির্দিষ্ট সীমা থাকা উচিত উল্লেখ করে ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, "সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা জনপ্রতিনিধিদের আচার-আচরণের দিকে তাকিয়ে থাকেন। অথচ কুষ্টিয়া অঞ্চলের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা তাকে ও তার দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে নিয়ে অত্যন্ত অপ্রীতিকর কটূক্তি করেছেন, যা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।"
তিনি সবাইকে সম্মান করতে হবে জানিয়ে বলেন, "আমি একজন বয়স্ক নারী। দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সংরক্ষিত আসনের ৩৭ জন মেয়েকে। জেনেশুনেও উনি কেন এই ধরনের কটূক্তি করার স্পর্ধা দেখান?"
আমির হামজার দলের ওপর ঘটনার বিচারভার ছেড়ে দিয়ে ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, "তাকে ও তার দলের নেতৃত্বকে তাচ্ছিল্য ও অপমান করার উপযুক্ত বিচারের দাবি জানাচ্ছি। দলের অনুমতি পেলে এ ঘটনায় আইনি পদক্ষেপ হিসেবে মানহানির মামলা করা হবে।"
এদিকে, সংসদ সদস্য ফরিদা ইয়াসমিনকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ ও কটূক্তিমূলক মন্তব্য করার ঘটনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে পাবলিক লাইব্রেরি প্রাঙ্গণ থেকে ঝাড়ু মিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সন্ধ্যায় ভেড়ামারা উপজেলায় ঝাড়ু মিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের নেতাকর্মীরা। এ সময় বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
সম্প্রতি দৌলতপুর উপজেলায় এক মিটিংয়ে মুফতি আমির হামজা কুষ্টিয়ার সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি ফরিদা ইয়াসমিনকে উদ্দেশ্য করে বলেন, "সংরক্ষিত নারী আসনের এমপির সাংবিধানিক গুরুত্ব নেই এবং তিনি কোনো সরাসরি ভোট পাননি।"
তিনি আরও বলেন, "আমি ১ লাখ ৮৩ হাজার ভোট পেয়েছি। আর আপনার তো কোনো ভোট নেই। আপনাকে দায়িত্ব দিলেও সাংবিধানিকভাবে কোনো গুরুত্ব নেই, কোনো সিস্টেম নেই রাষ্ট্রের।" এছাড়া ফরিদা ইয়াসমিনকে উদ্দেশ্য করে কিছু আপত্তিকর মন্তব্য করার অভিযোগও উঠেছে।
ওই বক্তব্যে কুষ্টিয়ার প্রশাসনের কর্মকর্তাদের পক্ষপাতিত্বের তীব্র সমালোচনা করে আমির হামজা অভিযোগ করেন, "ডিসি অফিসে সার ডিলার নিয়োগের ক্ষেত্রে স্থানীয় সংসদ সদস্যদের পাশ কাটিয়ে বিশেষ কোনো পক্ষকে সুযোগ দেওয়ার চেষ্টা চলছে।"
ডিসি, এসপি, ইউএনও এবং ওসিসহ সরকারি কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, "জনগণের পছন্দের মানুষকে বাদ দিয়ে কোনো বিশেষ গোষ্ঠীকে নিয়ে এলাকা পরিচালনার চেষ্টা করলে তা মেনে নেওয়া হবে না। এ ধরনের পক্ষপাতিত্ব করলে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জনগণকে জানানো হবে।"
এর আগে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী এবং বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নাস্তিক ও ইসলাম বিদ্বেষী আখ্যা দিয়ে বক্তব্য দেওয়ায় কুষ্টিয়া-৩ আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজার নামে ১০০ কোটি টাকার মানহানির মামলা করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) এর বিভাগীয় কার্যালয় রাজশাহীর উদ্যোগে আজ রাজশাহী মহানগরীতে একটি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। আদালতের কার্যক্রমে নগরীর বালিয়াপুকুর এলাকায় অবস্থিত ফিউচার মিনারেল ওয়াটার প্রতিষ্ঠানটিকে ১০,০০০/- (দশ হাজার টাকা মাত্র) জরিমানা করা হয়। প্রতিষ্ঠানটি বিএসটিআই’র গুণগত মানসনদ গ্রহণ না করে অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর ও অনুপযোগী পরিবেশে ‘প্যাকেজড ড্রিংকিং ওয়াটার (১৯ লিটার জার পানি)’ উৎপাদন, বিক্রয় ও বিতরণ করে আসছিল।
রাজশাহী জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ শাহরিয়ার ইসলাম নাসিফ এর নেতৃত্বে উক্ত মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। প্রসিকিউটর হিসেবে বিএসটিআই বিভাগীয় অফিস, রাজশাহীর সার্টিফিকেশন মার্কস উইং কর্মকর্তা প্রকৌশলী জুনায়েদ আহমেদ দায়িত্ব পালন করেন।
এ সময় রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। জনস্বার্থে ভেজাল প্রতিরোধ এবং গুণগত মানসম্পন্ন খাদ্যপণ্য সরবরাহ নিশ্চিতকল্পে বিএসটিআই, রাজশাহীর এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ