ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

অভয়নগরে কুপিয়ে হত্যা করা হলো একাধিক মামলার আসামিকে


অভয়নগরে কুপিয়ে হত্যা করা হলো একাধিক মামলার আসামিকে

যশোরের অভয়নগরে রিয়াজ হোসেন (২৯) নামের একাধিক মামলার আসামিকে কুপিয়ে এবং পিটিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার (১৬ জুন) রাত ১টার দিকে উপজেলার প্রেমবাগ ইউনিয়নের ধলিরগাতী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

নিহত ব্যক্তি ওই ইউনিয়নের ধলিরগাতী গ্রামের মনসুর আলীর ছেলে। পুলিশ নিশ্চিত করেছে, তার বিরুদ্ধে অভয়নগর থানায় ডাকাতি, ছিনতাই, মাদকসহ একাধিক মামলা রয়েছে। পুলিশ এবং এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, রিয়াজ হোসেন একজন সন্ত্রাসী প্রকৃতির যুবক ছিলেন। তিনি মাদকের সঙ্গেও সংশ্লিষ্ট ছিলেন।

মঙ্গলবার রাত ১টার দিকে কে বা কারা ধলিরগাতী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে রিয়াজকে পিটিয়ে এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

আরও পড়ুন: ইনানীতে ৪২ ঘণ্টা ধরে জ্বলছে আগুন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিক্যাল কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ সবুজ বলেন, ‘মঙ্গলবার রাত ২টার দিকে রিয়াজ হোসেন নামে এক যুবককে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। তার মাথায় ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে ক্ষতের চিহ্ন রয়েছে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।’

অভয়নগর থানার ওসি মো. নুরুজ্জামান কালের কণ্ঠকে জানান, ‘দুর্বৃত্তদের হামলায় একাধিক মামলার আসামি রিয়াজ নিহত হয়েছেন। তার বিরুদ্ধে অভয়নগর থানায় ডাকাতি, ছিনতাই ও মাদকের ৬টি মামলা রয়েছে। মরদেহের সুরতহাল সম্পন্ন হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের আটকে পুলিশি অভিযান শুরু করা হয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

“শাপলা চত্বর ঘটনা নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদে মুখ খুললেন সাংবাদিক বাবু ও রুপা”

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:১৭ পি.এম


“শাপলা চত্বর ঘটনা নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদে মুখ খুললেন সাংবাদিক বাবু ও রুপা”

রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশের ঘটনায় হওয়া হত্যাযজ্ঞের প্রেক্ষাপটে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় একাত্তর টিভির সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোজাম্মেল বাবু এবং সাংবাদিক ফারজানা রুপাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। তারা দুজনই জানিয়েছেন যে, উপরের নির্দেশে সংবাদ প্রকাশ করেছেন এবং নিজেদের দায় অস্বীকার করেছেন।

বুধবার (১৭ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার সূত্রে এ বিষয়ে তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

ট্রাইব্যুনাল সূত্র জানিয়েছে, শাপলা চত্বর হত্যাযজ্ঞের মামলায় চলতি সপ্তাহে একাত্তর টিভির সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোজাম্মেল বাবু এবং সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রূপাকে একদিন করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তদন্ত সংস্থার কর্মকর্তাদের দ্বারা। জিজ্ঞাসাবাদে, তারা নিজেদের দায় এড়িয়ে বলেন যে, যা কিছু ঘটেছে সবকিছু ওপরের নির্দেশেই হয়েছে।

এছাড়া, ৫ আগস্টের আগে এবং পরে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিভিন্ন সংবাদ সম্মেলনের ভিডিও ফুটেজও তাদের দেখানো হয় এবং মোজাম্মেল বাবু দাবি করেন যে, এসব ভিডিও এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) দিয়ে তৈরি।

একেরা, ৭ জুন রুপা ও বাবুকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অনুমতি প্রদান করেন ট্রাইব্যুনাল-১। প্রসিকিউশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে। পাশাপাশি, এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ১০ আগস্ট দিন ধার্য করা হয়েছে।

বর্তমানে এই মামলার প্রেক্ষিতে ৯ জন গ্রেফতার আছেন। বাবু ও রুপা ছাড়া গ্রেফতার অন্য ব্যক্তিরা হলেন - সাবেক মন্ত্রী ডা. দীপু মনি, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান, পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) একেএম শহিদুল হক, পুলিশের সাবেক উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোল্যা নজরুল ইসলাম, একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির উপদেষ্টা মণ্ডলীর সভাপতি শাহরিয়ার কবির এবং সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল মণ্ডল।

প্রসিকিউশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ঘিরে ঢাকাসহ দেশের চার স্থানে ৫৮ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকায় ৩২, নারায়ণগঞ্জে ২০, চট্টগ্রামে ৫ এবং কুমিল্লায় একজন নিহতের পরিচয় শনাক্ত করেছে তদন্ত সংস্থা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

“সমঝোতাকে বিজয় দাবি করছে ইরান, উঠছে নানা প্রশ্ন”

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:২০ পি.এম


“সমঝোতাকে বিজয় দাবি করছে ইরান, উঠছে নানা প্রশ্ন”

ইরান বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি সম্ভাব্য সমঝোতা স্মারককে সরাসরি 'পিছু হটা' হিসেবে উপস্থাপন না করে বরং 'রাজনৈতিক প্রতিরোধ ও কৌশলগত বিজয়' হিসেবে তুলে ধরার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। ইরান সরকারের এ অবস্থান এমনভাবে গঠন করা হচ্ছে যাতে বোঝানো যায় যে, চাপের মুখে নয়, বরং নিজেদের শর্তে তারা এই পর্যায়ে এসেছে। তবে বাস্তবতা এবং অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতি এই ব্যাখ্যাকে আরও জটিল করে তুলছে।

বর্তমানে ইরান একটি যুদ্ধ-পরবর্তী কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি। সাম্প্রতিক সংঘাতে দেশটির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, অর্থনীতি ব্যাপক সংকটে পড়েছে এবং মুদ্রাস্ফীতি সাধারণ মানুষের জীবনকে কঠিন করে তুলছে। একইসঙ্গে দেশের ভেতরে রাজনৈতিক বিভাজনও তীব্র হয়ে উঠেছে।

ক্ষমতাসীন ইসলামি সরকারটির ভেতরের একটি অংশে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যেকোনো ধরনের সমঝোতার বিরোধিতা চলতে থাকছে। এই বিভক্ত বাস্তবতার মধ্যেই তেহরান চুক্তিটিকে 'গ্রহণযোগ্য সাফল্য' হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। ইরানের শীর্ষ রাজনৈতিক নেতৃত্ব ইতোমধ্যে চুক্তির পক্ষে ইতিবাচক বার্তা দিতে শুরু করেছে। পার্লামেন্ট স্পিকার ও প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাগের গালিবাফ এই সমঝোতাকে চূড়ান্ত বিজয়ের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এই চুক্তিকে 'সম্ভাব্য রূপান্তরকারী' হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তার মতে, এটি কার্যকর হলে ইরানের অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংকটের অনেকাংশই কমে যেতে পারে এবং মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক বাস্তবতায়ও পরিবর্তন আসতে পারে। সরকারের এই অবস্থানের পেছনে বড় একটি যুক্তি হলো যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল তাদের ঘোষিত সব লক্ষ্য অর্জন করতে পারেনি। ইরানের দাবি অনুযায়ী, তাদেরকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করা যায়নি, দেশে সরকার পরিবর্তন ঘটানো যায়নি এবং দেশের পারমাণবিক কর্মসূচি পুরোপুরি বন্ধ করাও সম্ভব হয়নি।

তবে এই 'সাফল্যের বর্ণনা' ইরানের ভেতরেই সমালোচনার সম্মুখীন হয়েছে। কট্টরপন্থি রাজনৈতিক শিবিরের কিছু সদস্য এমনকি চুক্তির খসড়াকে 'মার্কিন প্রভাবাধীন কাঠামো' বলে আখ্যা দিচ্ছেন। জাতীয় নিরাপত্তা কমিটির এক ডেপুটি চেয়ারম্যানের মন্তব্য অনুযায়ী, এটি ইরানকে কার্যত ওয়াশিংটনের ওপর নির্ভরশীল অবস্থায় নিয়ে যেতে পারে।

গত কয়েক মাস যাবত পার্লামেন্টের কট্টরপন্থি অংশ, রাষ্ট্রসমর্থিত গণমাধ্যম এবং কিছু রাজনৈতিক সমাবেশে যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী অবস্থান আরো দৃঢ় হয়েছে। তাদের প্রধান যুক্তি হলো ওয়াশিংটনকে বিশ্বাস করা যায় না, এবং অতীতের আলোচনাগুলো কৌশলগত প্রতারণার অংশ ছিল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে কট্টর বিরোধিতা কিছুটা কমেছে, যা রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে ইঙ্গিত দেয় যে চুক্তিটি শীর্ষ পর্যায়ের অনুমোদন পেয়েছে। যদিও এর মানে এই নয় যে দেশের ভেতরে পূর্ণ ঐকমত্য তৈরি হয়েছে।

অর্থনৈতিক বাস্তবতাও ইরানকে আলোচনার পথে ঠেলে দিচ্ছে। দীর্ঘ যুদ্ধ, কঠোর নিষেধাজ্ঞা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সীমাবদ্ধতা এবং বৈদেশিক মুদ্রার সংকট দেশটিকে কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে ফেলেছে। সাধারণ মানুষের প্রধান উদ্বেগ এখন রাজনৈতিক স্লোগান নয় বরং দ্রব্যমূল্য, আয় এবং ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা।

যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স বলেছেন, ইরান সরাসরি অর্থ না পেলেও যদি নিষেধাজ্ঞা শিথিল হয়, তবে তারা বিপুল অর্থনৈতিক প্রবেশাধিকার পেতে পারে। এই দৃষ্টিকোণ থেকে তেহরান চুক্তিটিকে 'নির্ভরতা' নয় বরং পুনর্গঠন ও বিনিয়োগের সুযোগ হিসেবে উপস্থাপন করতে চাইছে। তবে আলোচনা এখনও অনেক জটিল বিষয় রয়েছে। ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের সীমা, যাচাই প্রক্রিয়া, নিষেধাজ্ঞা শিথিলের শর্ত এবং আঞ্চলিক ইস্যু- এসব কিছুই এখনও চূড়ান্ত হয়নি। আগামী শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে নতুন দফার আলোচনা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

অন্যদিকে, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনাও পরিস্থিতিকে অনিশ্চিত করে রেখেছে। ইসরায়েল ও লেবাননের পরিস্থিতি, গাজা-সংক্রান্ত উত্তেজনা এবং যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান- সব মিলিয়ে এই সমঝোতার ভবিষ্যৎ এখনো ঝুঁকির মধ্যে রয়ে গেছে।

সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখন একটাই- এই সমঝোতা কি সত্যিই একটি স্থায়ী রাজনৈতিক সমাধান হয়ে উঠবে, নাকি এটি কেবল আরেকটি সাময়িক বিরতি হিসেবে ইতিহাসে জায়গা পাবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

“মায়ানমারের সমুদ্রসীমায় নতুন গ্যাসক্ষেত্রের সন্ধান”

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:২৩ পি.এম


“মায়ানমারের সমুদ্রসীমায় নতুন গ্যাসক্ষেত্রের সন্ধান”

মায়ানমার সরকার চারটি নতুন গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কারের ঘোষণা দিয়েছে। এ আবিষ্কারের মধ্যে আয়েয়ারওয়াদি এবং তানিনথারি রিজার্ভের ব্লকগুলোও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয় (এমওআই) সূত্রে জানা গেছে, নতুন ক্ষেত্রগুলোতে সম্মিলিতভাবে আনুমানিক ১০৯ ট্রিলিয়ন ঘনফুট (টিসিএফ) প্রাকৃতিক গ্যাস রয়েছে।

যদিও এমওআই নতুন ক্ষেত্রগুলোর নাম উল্লেখ করেনি, তবে তারা জানিয়েছে, সবচেয়ে বড় গ্যাসক্ষেত্রটি তানিনথারির গভীর সমুদ্র এলাকায় অবস্থিত। প্রাথমিকভাবে মূল্যায়ন অনুযায়ী, সেখানে প্রায় ৯৫ ট্রিলিয়ন ঘনফুট (টিসিএফ) প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুদ থাকার ৯০ শতাংশ সম্ভাবনা রয়েছে। তারা আরও জানায়, নতুন আয়েয়ারওয়াদি গ্যাসক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১৪ ট্রিলিয়ন ঘনফুট (টিসিএফ) প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুদ থাকার সম্ভাবনা থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

গত ডিসেম্বরে বিবিসি নিউজ বার্মিজ জানায়, তানিনথারি গ্যাসক্ষেত্রের এম১৫ ব্লকে আনুমানিক ৯৪ দশমিক ৬ টিসিএফ গ্যাস আবিষ্কৃত হয়েছে। এটি বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম মজুদ হতে পারে। গত সোমবার সরকারের ঘোষণায় সম্ভবত এম-১৫ ব্লকও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। আন্দামান সাগরে তানিনথারি অঞ্চলের দক্ষিণ উপকূলের কাছে কাদান দ্বীপের পাশে ব্লকটির আয়তন ১৩ হাজার বর্গকিলোমিটারের বেশি।

প্রেসিডেন্ট থেইন সেইনের শাসনামলে ২০১৫ সালের ৩০ মার্চ সিঙ্গাপুরভিত্তিক কানাডিয়ান প্রতিষ্ঠান সিএফজি (কানাডিয়ান ফোরসাইট গ্রুপ) এ ব্লকের অনুসন্ধান ও উন্নয়নের নিলামে জয়ী হয়েছিল। পরে তারা রাষ্ট্রায়ত্ত মায়ানমা অয়েল অ্যান্ড গ্যাস এন্টারপ্রাইজের (এমওজিই) সঙ্গে উৎপাদন-বণ্টন চুক্তি (পিএসসি) স্বাক্ষর করে।

বিবিসি বার্মিজের প্রতিবেদনে সিএফজির ২০১৭ সালের একটি অভ্যন্তরীণ প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, এই প্রকল্প থেকে মায়ানমারের মোট বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের প্রায় ৪০ শতাংশের সমান রাজস্ব আসতে পারে। ওই প্রতিবেদনে সিএফজি তখনকার বাজারদর অনুযায়ী ব্লকটির গ্যাসের মজুদের মূল্য প্রায় ২৮০ বিলিয়ন ডলার বলে অনুমান করেছিল।

সিএফজির নেতৃত্ব দিচ্ছেন চীনা বংশোদ্ভূত কানাডিয়ান নাগরিক সংনিং শেন। নতুন গ্যাস প্রকল্পটি সম্পর্কে তথ্যের জন্য ইরাবতী বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয় এবং আয়েয়ারওয়াদি ও তানিনথারি অঞ্চলের প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল, কিন্তু কোনো উত্তর পায়নি।

গত বছর মায়ানমার অয়েল অ্যান্ড গ্যাস এন্টারপ্রাইজ (এমওজিই) এবং থাইল্যান্ডের গালফ পেট্রোলিয়াম মায়ানমার (জিপিএম) একটি উৎপাদন-বণ্টন চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর এটি ছিল মায়ানমারের প্রথম নতুন অফশোর প্রাকৃতিক গ্যাস প্রকল্পের চুক্তি।

মত্তমা উপসাগরে অবস্থিত মিন ইয়ে থু প্রকল্প (ব্লক এম-১০) নিয়ে এই চুক্তি ২০২৫ সালের ৩০ মে নেপিডোতে স্বাক্ষরিত হয়। প্রকল্পটি চালু হলে এটি মায়ানমারের সপ্তম বড় গ্যাসক্ষেত্র হিসেবে যুক্ত হবে। বর্তমানে দেশের প্রধান গ্যাস প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে ইয়াদানা, ইয়েতাগুন, জাওতিকা, শ্বে এবং আরো দুটি ছোট গ্যাসক্ষেত্র।

সরকার দাবি করছে, এই প্রকল্পগুলো বিদ্যুৎ উৎপাদন, সার উৎপাদন এবং শিল্প উৎপাদনের মাধ্যমে জাতীয় অর্থনীতিকে সহায়তা করছে। মায়ানমারের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল-গ্যাস প্রতিষ্ঠান এমওজিই দেশটির সামরিক সরকারের সবচেয়ে বড় বৈদেশিক মুদ্রার উৎস। সামরিক বাহিনীকে অর্থায়নের অভিযোগে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ২০২২ সালে এবং যুক্তরাষ্ট্র ২০২৩ সালে প্রতিষ্ঠানটির ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়।

থাইল্যান্ডভিত্তিক জিপিএম বর্তমানে ইয়েতাগুন গ্যাস প্রকল্প পরিচালনা করছে এবং ২০২৮ সালের মধ্যে মিন ইয়ে থু গ্যাসক্ষেত্র থেকে উৎপাদন শুরু করতে চাচ্ছে। তবে অধিকার সংগঠন জাস্টিস ফর মায়ানমারের দাবি, জিপিএমের মূল কম্পানি বিভিন্ন শেল কম্পানির মাধ্যমে সামরিক সরকারকে অর্থ সহায়তা করে।

২০২১ সালের অভ্যুত্থানের পর মানবাধিকার ও নিরাপত্তা উদ্বেগে টোটাল এনার্জিস, শেভরন ও উডসাইডসহ বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক জ্বালানি কোম্পানি মায়ানমার ছেড়ে গেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

“যুক্তরাষ্ট্রে সড়কে আছড়ে পড়ল ছোট বিমান, প্রাণ গেল ১ জনের”

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:২৫ পি.এম


“যুক্তরাষ্ট্রে সড়কে আছড়ে পড়ল ছোট বিমান, প্রাণ গেল ১ জনের”

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের লারেডো শহরে একটি ছোট বিমান মহাসড়কে বিধ্বস্ত হয়ে আগুন ধরে যায়। এটি মঙ্গলবার রাতে ঘটে। মহাসড়কে এই ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ও যানজট সৃষ্টি হয়।

এদিকে, এ দুর্ঘটনায় একজন নিহত হয়েছেন। তবে, মহাসড়কে থাকা কোনো যানবাহনের যাত্রী আহত হওয়ার খবর তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

লারেডো পুলিশ বিভাগের তদন্তকারী কর্মকর্তা হোসে বায়েজা জানিয়েছেন, রাত ১০টার কিছু পরে বিমানটি লুপ-২০ মহাসড়কে বিধ্বস্ত হয়। দুর্ঘটনা ঘটানোর পর নিরাপত্তার স্বার্থে মহাসড়কটি উভয় দিকেই বন্ধ করে দেওয়া হয়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, বিমানটি মহাসড়কের একটি ব্যারিয়ারের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে একপাশে কাত হয়ে পড়ে আছে এবং আগুন জ্বলছে।

প্রত্যক্ষদর্শী জাইরা গারজা জানিয়েছেন, তিনি সহকর্মীদের বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার পথে দুর্ঘটনাটি দেখেন। ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর তিনি দেখেন, বিমানের ভেতরে থাকা একজন ককপিটের জানালা ভেঙে বের হওয়ার চেষ্টা করছেন। এ সময় আশপাশের লোকজনও জানালা ভেঙে ভেতরে থাকা ব্যক্তিদের উদ্ধারের চেষ্টা করেন।

গারজা বলেন, পরে বিমানের দরজা খুলে যায় এবং কিশোর-কিশোরী বলে মনে হওয়া তিনজন দ্রুত বেরিয়ে আসে। তাদের পেছনে একজন পাইলট হিসেবে চিহ্নিত ব্যক্তি বের হন। এবার আরেকজন ক্রু সদস্য অচেতন অবস্থায় থাকা একজনকে বিমান থেকে বের করার চেষ্টা করতে দেখা যায়।

ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে গারজা বলেন, 'দৃশ্যটা যেন সিনেমার মতো ছিল। আগুন দেখে আমি সবচেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন ছিলাম। কারণ, বিমানটি যেকোনো সময় বিস্ফোরিত হতে পারত।'

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%