ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মিসরের সুয়েজ শহরের কাছে ৫ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্প


মিসরের সুয়েজ শহরের কাছে ৫ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্প

ঢাকা, ৩ আগস্ট, ২০২৬ : মিসরের পূর্বাঞ্চলে সুয়েজ শহরের কাছে সোমবার ভোরে ৫ দশমিক ৫ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে জরুরি সাড়া দেওয়ার পরিকল্পনা শুরু করে। তবে, এ ব্যাপারে জরুরি সহায়তার জন্য কোন অনুরোধ তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

কম্পনটি বিস্তীর্ণ এলাকার মধ্যে অনুভূত হয়। কায়রোতে অবস্থানরত এএফপির সাংবাদিকরাও এই কম্পন অনুভব করেছেন। এল-আরিশ শহরের কাছাকাছি গাজা উপত্যকার সীমান্ত পর্যন্ত এই কম্পন পৌঁছে গিয়েছে।

কায়রো থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর সংগ্রহ করেছে। মিসরের ন্যাশনাল রিসার্চ ইনস্টিটিউট অব অ্যাস্ট্রোনমি অ্যান্ড জিওফিজিকস জানিয়েছে, স্থানীয় সময় রাত ৩টা নাগাদ সুয়েজ শহরের প্রায় ৪০ কিলোমিটার উত্তরে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। তাদের পূর্বের তথ্যে ভূমিকম্পের মাত্রা ৫ দশমিক ২ হিসেবে জানানো হলেও পরে তা সংশোধন করে ৫ দশমিক ৫ করে জানানো হয়।

আরও পড়ুন: ইরানকে টেক্কা দিতে সৌদির গোপন প্রস্তুতি, স্যাটেলাইট ছবিতে মিলল চাঞ্চল্যকর দৃশ্য

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) ভূমিকম্পটির মাত্রা ৫ দশমিক ০ হিসেবে জানায়। তারা পূর্বে যে হিসাব দিয়েছিল সেটি পরবর্তীতে সংশোধন করে নতুন তথ্য প্রকাশ করে।

মিসরের স্বাস্থ্যমন্ত্রী খালেদ আবদেল গাফ্ফার দেশের সকল স্থানে জরুরি সাড়া দেওয়ার পরিকল্পনা চালুর নির্দেশ দেন। পাশাপাশি, অ্যাম্বুলেন্স সেবাকে ‘সর্বোচ্চ প্রস্তুতি’ বজায় রাখতে বলা হয়।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং মিসরীয় রেড ক্রিসেন্ট জানিয়েছে, এই মুহূর্তে হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির সম্পর্কিত কোন তথ্য পাওয়া যায়নি।

মিসরীয় রেড ক্রিসেন্ট বাসিন্দাদের পুরোনো এবং জরাজীর্ণ ভবনগুলি থেকে দূরে থাকার জন্য আহ্বান জানায়। কারণ, কায়রোর শ্রমজীবী মানুষের বসবাসকারী কিছু এলাকায় এ ধরনের ভবন বেশি দেখা যায়।

আরও পড়ুন: শুধু ৯ দেশ-ই নয়, বিশ্ব এক হলেও হারবে? কারণ- ইয়েমেনের জন্য নবী (সা.) দোয়া করেছিলেন!

উত্তর-পূর্ব আফ্রিকার দেশ মিসরে শক্তিশালী ভূমিকম্প তুলনামূলকভাবে বিরল ঘটনা। দেশের আধুনিক ইতিহাসে সবচেয়ে প্রাণঘাতী ভূমিকম্পের ঘটনা ঘটে ১৯৯২ সালে অক্টোবরে। সেই সময় ৫ দশমিক ৮ মাত্রার ভূমিকম্পে রাজধানী কায়রো কেঁপে উঠেছিল। এতে ৫০০ জনের বেশি মানুষ প্রাণ হারায় এবং হাজার হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জলবায়ু-সহিষ্ণু নারীকেন্দ্রিক উদ্যোগে জোর দিচ্ছে সরকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:০৯ পি.এম


জলবায়ু-সহিষ্ণু নারীকেন্দ্রিক উদ্যোগে জোর দিচ্ছে সরকার

জলবায়ু পরিবর্তনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব মোকাবেলা করার উদ্দেশ্যে নারীদের কেন্দ্রে রেখে অভিযোজন কৌশল বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ। সরকার ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে, এবং এর জন্য জলবায়ু-সংবেদনশীল কর্মসূচি ও অবকাঠামো উন্নয়নে বিনিয়োগ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা হচ্ছে।

সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, লবণাক্ততার বিস্তার এবং ঘন ঘন প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে উপকূলীয় ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের নারীরা ঝুঁকির মধ্যে আছে। সেক্ষেত্রে তাদের সহনশীলতা বৃদ্ধি, জীবিকা সুরক্ষা এবং নিরাপদ জীবনযাপন নিশ্চিত করার জন্য লক্ষ্যভিত্তিক বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব সব মানুষের ওপর সমানভাবে পড়ে না। তাই নারীদের জন্য বিশেষভাবে পরিকল্পিত উদ্যোগ প্রয়োজন, যা টেকসই অভিযোজন নিশ্চিত করবে। তাদের মতে, বিদ্যমান সামাজিক-অর্থনৈতিক বাস্তবতা ও শ্রমের লিঙ্গভিত্তিক বিভাজনের কারণে দুর্যোগের সময় নারীদের ওপর দায়িত্ব ও চাপ তুলনামূলকভাবে বেশি পড়ে।

সরকারের সর্বশেষ জলবায়ু বাজেটেও এ অঙ্গীকারের প্রতিফলন ঘটেছে। এতে নারীর ক্ষমতায়ন, জলবায়ু অভিযোজন এবং সহনশীল অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য পৃথক বরাদ্দ রাখা হয়েছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ‘জলবায়ু পরিবর্তন প্রশমন ও অভিযোজনে নারীর সক্ষমতা বৃদ্ধি’ শীর্ষক কর্মসূচির জন্য ৬ হাজার ৮৮৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে জলবায়ুজনিত চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় নারীদের প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় উপকূলীয় অঞ্চলের নারীদের সহনশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিশেষ অভিযোজন প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। জলবায়ু পরিবর্তনের সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়া এসব অঞ্চলে নারীদের পরিবর্তিত পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে, জীবিকা রক্ষা করতে এবং দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এসব প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার মতো লবণাক্ততাপ্রবণ এলাকায় সরকার জলবায়ু-সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ করছে। এর অংশ হিসেবে ব্রি ধান-৬৭ চাষে উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে, যেন লবণাক্ত পানির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত একফসলি কৃষির পরিবর্তে গ্রামীণ নারীরা আবার খাদ্য উৎপাদন ও পারিবারিক আয় পুনরুদ্ধার করতে পারেন।

সরকারের অভিযোজন কৌশল শুধুমাত্র জীবিকা উন্নয়নেই সীমাবদ্ধ নয়; নারীদের বিশেষ প্রয়োজন বিবেচনায় জলবায়ু-সহনশীল অবকাঠামো নির্মাণেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। জলবায়ু অভিযোজনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যয়বহুল খাত হিসেবে অবকাঠামো উন্নয়নকে বিবেচনায় নিয়ে ‘প্রত্যন্ত এলাকায় নারীদের জন্য অবকাঠামো নির্মাণ’ খাতে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ২২ হাজার ১৬৪ কোটি ১০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় নবনির্মিত ও সংস্কার করা ঘূর্ণিঝড় ও দুর্যোগ আশ্রয়কেন্দ্রে নারীদের জন্য পৃথক স্যানিটেশন ব্যবস্থা, ওয়াশ ব্লক এবং নির্ধারিত নিরাপদ স্থান রাখা হচ্ছে, যেন জরুরি পরিস্থিতিতে তাদের নিরাপত্তা, গোপনীয়তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করা যায়।

স্থানীয় সরকার বিভাগ দুর্যোগপ্রবণ এলাকায় নারী শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ সুপেয় পানির ব্যবস্থা এবং পৃথক শৌচাগার নির্মাণও সম্প্রসারণ করছে। এর মাধ্যমে শিক্ষা কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখা এবং স্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতার মান উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

জলবায়ুজনিত প্রতিবন্ধকতার মধ্যেও নারীদের অর্থনৈতিক অংশগ্রহণ বাড়াতে সরকার গ্রামীণ হাট-বাজারে নারীদের জন্য পৃথক বিপণন এলাকা গড়ে তুলছে। এর ফলে নারী উদ্যোক্তারা তাদের ব্যবসা পরিচালনা ও পারিবারিক আয় ধরে রাখার সুযোগ পাচ্ছেন। এসব উদ্যোগ জলবায়ু সহনশীলতা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নকে একীভূত করার বৃহত্তর জাতীয় কৌশলের অংশ।

জলবায়ু বাজেট প্রতিবেদন ২০২৬-২৭-এর ভূমিকায় অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ‘বাংলাদেশ এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে, যেখানে জলবায়ু ঝুঁকি টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের লক্ষ্যের সঙ্গে মিলিত হয়েছে। তাই জলবায়ু-সহনশীল ও জলবায়ু-সংবেদনশীল উন্নয়ন নিশ্চিত করা এখন অত্যন্ত জরুরি।’

জাতীয় বাজেট বক্তব্যে সরকারের দীর্ঘমেয়াদি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘এবারের বাজেটটি দশটি কৌশলগত অগ্রাধিকারকে কেন্দ্র করে প্রণয়ন করা হয়েছে। এর মধ্যে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব থেকে দেশকে সুরক্ষিত করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য টেকসই, সবুজ, জলবায়ু-সহনশীল ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তোলা অন্যতম।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়ার রূপান্তরমূলক যাত্রা শুরু করেছি, যা হবে প্রতিযোগিতামূলক, উৎপাদনশীল, ন্যায়সম্মত, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং মর্যাদাপূর্ণ।’

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি ক্রমাগত পরিবর্তিত হওয়ার প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ সহনশীল অবকাঠামো, জীবিকা সহায়তা এবং নারীর ক্ষমতায়নকে সমন্বিত করে লক্ষ্যভিত্তিক বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে। এর মাধ্যমে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জলবায়ু-সহনশীল ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার সরকারের অঙ্গীকার আরো সুদৃঢ় হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১৫ টাকা কেজি দরে চাল পাচ্ছে ৫৫ লাখ পরিবার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:১০ পি.এম


১৫ টাকা কেজি দরে চাল পাচ্ছে ৫৫ লাখ পরিবার

ঢাকা, ৩ আগস্ট, ২০২৬ : নিম্ন আয়ের মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় ১৫ টাকা কেজি দরে চাল বিতরণ শুরু হয়েছে। এই বিতরণ কার্যক্রম গত ১ আগস্ট থেকে শুরু হয়েছে। দেশের ৪৯৫টি উপজেলার ৫৫ লাখ কার্ডধারী পরিবার প্রতি মাসে ৩০ কেজি করে চাল পাচ্ছেন।

আজ এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উপকারভোগীরা বছরে মোট ছয় মাস- আগস্ট, সেপ্টেম্বর, অক্টোবর, নভেম্বর এবং পরবর্তী বছরের মার্চ ও এপ্রিল মাসে এই সুবিধা পাবেন। প্রতিটি পরিবার মাসে ৩০ কেজি করে চাল সংগ্রহ করতে পারবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, দরিদ্র জনগোষ্ঠীর অপুষ্টি দূর করা এবং বিশেষ করে নারী ও শিশুদের পুষ্টির মান উন্নয়নের লক্ষ্যে কর্মসূচির আওতায় ২৪৮টি উপজেলায় প্রায় ২৫ লাখ ২৯ হাজার উপকারভোগীর মধ্যে পুষ্টিচাল (ফর্টিফায়েড রাইস) বিতরণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি ২৪৭টি উপজেলায় ২৯ লাখ ৭১ হাজার উপকারভোগীর মধ্যে সাধারণ চাল বিতরণ করা হচ্ছে।

এ ছাড়া সারা দেশে ১ হাজার ১০৮টি কেন্দ্র (দোকান ও ট্রাক) থেকে খোলা বাজারে বিক্রয় (ওএমএস) কর্মসূচির আওতায় নিয়মিত চাল ও আটা বিক্রি অব্যাহত রয়েছে, যাতে সাধারণ মানুষ সাশ্রয়ী মূল্যে খাদ্যশস্য সংগ্রহ করতে পারেন।

খাদ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বর্তমানে দেশের সরকারি খাদ্য মজুত অত্যন্ত সন্তোষজনক এবং অতীতের যে কোনো সময়ের তুলনায় সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। একই সঙ্গে অভ্যন্তরীণ খাদ্যশস্য সংগ্রহ কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।

গত ২ আগস্ট পর্যন্ত সরকারি গুদামে মোট খাদ্যশস্যের মজুত ছিল ২৩ লাখ ৪৯ হাজার ৩৮৫ মেট্রিক টন। এর মধ্যে চাল রয়েছে ১৯ লাখ ৬৬ হাজার ১৪৮ মেট্রিক টন, গম ২ লাখ ৮০ হাজার ১০ মেট্রিক টন এবং ধান (চালে রূপান্তরিত হিসাব অনুযায়ী) রয়েছে ১ লাখ ৫২ হাজার ১০৯ মেট্রিক টন।

খাদ্য মন্ত্রণালয় আরও জানায়, দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অপুষ্টি হ্রাস এবং সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিকে আরও কার্যকর ও সম্প্রসারণে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ লক্ষ্যেই খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি ও ওএমএস কার্যক্রম নিয়মিতভাবে পরিচালিত হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খুলনা বিভাগীয় স্টেডিয়াম সংস্কারে প্রধানমন্ত্রীর ১৩৭ কোটি টাকা বরাদ্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:১১ পি.এম


খুলনা বিভাগীয় স্টেডিয়াম সংস্কারে প্রধানমন্ত্রীর ১৩৭ কোটি টাকা বরাদ্দ

খুলনা, ৩ আগস্ট, ২০২৬ : বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড-বিসিবি’র পরিচালক ও খুলনা মহানগর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক মো. শফিকুল আলম তুহিন বলেন, প্রধানমন্ত্রী খুলনা বিভাগীয় স্টেডিয়াম সংস্কার এবং আন্তর্জাতিক মানের ভেন্যু হিসেবে গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে ১৩৭ কোটি টাকা বরাদ্দ প্রদান করেছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন যে, আগামী বছর থেকে এই স্টেডিয়ামে বিপিএলসহ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট আয়োজন সম্ভব হবে।

গতকাল রোববার বিএনপি কার্যালয়ে বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির পক্ষ থেকে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এই কথা বলেছেন।

এ সময় খুলনা মহানগর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক মো. শফিকুল আলম তুহিন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড-বিসিবি’র পরিচালক হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।

উন্নয়ন কমিটির নেতৃবৃন্দ তাকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে খুলনা বিভাগীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামটি অব্যবস্থাপনার কারণে করুণ অবস্থায় রয়েছে। এর ডানা ভেঙে আন্তর্জাতিক ভেন্যুর মর্যাদা হারিয়ে ফেলেছে। তারা জানান, এই স্টেডিয়ামটি দ্রুত সংস্কার করতে হবে এবং আন্তর্জাতিক ক্রিকেট আয়োজনের মাধ্যমে খুলনাবাসীসহ ক্রীড়ামোদিদের প্রত্যাশা পূরণ করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। উন্নয়ন কমিটির নেতৃবৃন্দ বিসিবি পরিচালক হিসেবে তার সাফল্য কামনা করেন।

বিসিবি পরিচালক তুহিন জানান, খুলনার উন্নয়নের জন্য বন্ধ শিল্প কলকারখানা পুনরায় চালু করায় কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অসমাপ্ত প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের লক্ষ্যে উন্নয়ন কমিটির আন্দোলনে আমি পাশে থেকে কাজ করব। তার দায়িত্ব পালনের সময় খুলনাবাসীর সহযোগিতা কামনার অনুরোধ করেন।

এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির সভাপতি শেখ আশরাফ উজ জামান, মহাসচিব এড. শেখ হাফিজুর রহমান হাফিজ, সিনিয়র সহ সভাপতি মো. নিজাম উর রহমান লালু, সহ-সভাপতি অধ্যাপক মো. আবুল বাসার, মিজানুর রহমান বাবু, মো. খলিলুর রহমান, অর্থ সম্পাদক শেখ গোলাম সরোয়ার, সাংস্কৃতিক সম্পাদক মো. হায়দার আলী, মৎস্য ও বন বিষয়ক সম্পাদক এস এম মুর্শিদুর রহমান লিটন, এড. এস এম মারুফ আহমেদ, বিএনপি নেতা ও সাবেক কাউন্সিলর মো. হাফিজুর রহমান মনি, কে এম হুমায়ুন কবীর, ক্রীড়া সংগঠক একরামুল কবীর মিল্টন, মো. আজিম উর রহমান মুরাদ প্রমুখ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তালাশ বিডি ডট কম-এর ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন মোঃ শরীফ উদ্দিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ শরীফ উদ্দিন (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি

সোমবার, ৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:১৪ পি.এম


তালাশ বিডি ডট কম-এর ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন মোঃ শরীফ উদ্দিন

তালাশ বিডি ডট কম-এর ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন মোঃ শরীফ উদ্দিন
ঢাকা, ৩ আগস্ট ২০২৬: ঢাকা থেকে প্রকাশিত জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল তালাশ বিডি ডট কম-এর ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি হিসেবে সাংবাদিক মোঃ শরীফ উদ্দিন-কে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।
তালাশ বিডি ডট কম কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ৩ আগস্ট ২০২৬ থেকে তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। এ দায়িত্বের আওতায় তিনি জেলার প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা, উন্নয়ন কর্মকাণ্ড, শিক্ষা, সংস্কৃতি, অর্থনীতি, জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা বস্তুনিষ্ঠতা, নিরপেক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে সংবাদ আকারে পরিবেশন করবেন।
তালাশ বিডি ডট কম কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশের বিভিন্ন প্রান্তের নির্ভরযোগ্য ও সময়োপযোগী সংবাদ পাঠকের কাছে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে তাদের সংবাদ নেটওয়ার্ক আরও শক্তিশালী করা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় সংবাদ সংগ্রহ ও পরিবেশনের দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে সাংবাদিক মোঃ শরীফ উদ্দিনের ওপর।
কর্তৃপক্ষ আশা প্রকাশ করেছে, সাংবাদিক মোঃ শরীফ উদ্দিন তাঁর সততা, দক্ষতা, পেশাগত নৈতিকতা ও দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ দ্রুত ও নির্ভুলভাবে পাঠকদের কাছে পৌঁছে দিতে সক্ষম হবেন।
এ উপলক্ষে তালাশ বিডি ডট কম পরিবারের পক্ষ থেকে মোঃ শরীফ উদ্দিনকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে। পাশাপাশি তাঁর সফল সাংবাদিকতা জীবন এবং সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%