০১:০০ পি.এম
ঢাকা, ৩ আগস্ট, ২০২৬ : মিসরের পূর্বাঞ্চলে সুয়েজ শহরের কাছে সোমবার ভোরে ৫ দশমিক ৫ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে জরুরি সাড়া দেওয়ার পরিকল্পনা শুরু করে। তবে, এ ব্যাপারে জরুরি সহায়তার জন্য কোন অনুরোধ তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
কম্পনটি বিস্তীর্ণ এলাকার মধ্যে অনুভূত হয়। কায়রোতে অবস্থানরত এএফপির সাংবাদিকরাও এই কম্পন অনুভব করেছেন। এল-আরিশ শহরের কাছাকাছি গাজা উপত্যকার সীমান্ত পর্যন্ত এই কম্পন পৌঁছে গিয়েছে।
কায়রো থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর সংগ্রহ করেছে। মিসরের ন্যাশনাল রিসার্চ ইনস্টিটিউট অব অ্যাস্ট্রোনমি অ্যান্ড জিওফিজিকস জানিয়েছে, স্থানীয় সময় রাত ৩টা নাগাদ সুয়েজ শহরের প্রায় ৪০ কিলোমিটার উত্তরে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। তাদের পূর্বের তথ্যে ভূমিকম্পের মাত্রা ৫ দশমিক ২ হিসেবে জানানো হলেও পরে তা সংশোধন করে ৫ দশমিক ৫ করে জানানো হয়।
আরও পড়ুন: ইরানকে টেক্কা দিতে সৌদির গোপন প্রস্তুতি, স্যাটেলাইট ছবিতে মিলল চাঞ্চল্যকর দৃশ্য
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) ভূমিকম্পটির মাত্রা ৫ দশমিক ০ হিসেবে জানায়। তারা পূর্বে যে হিসাব দিয়েছিল সেটি পরবর্তীতে সংশোধন করে নতুন তথ্য প্রকাশ করে।
মিসরের স্বাস্থ্যমন্ত্রী খালেদ আবদেল গাফ্ফার দেশের সকল স্থানে জরুরি সাড়া দেওয়ার পরিকল্পনা চালুর নির্দেশ দেন। পাশাপাশি, অ্যাম্বুলেন্স সেবাকে ‘সর্বোচ্চ প্রস্তুতি’ বজায় রাখতে বলা হয়।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং মিসরীয় রেড ক্রিসেন্ট জানিয়েছে, এই মুহূর্তে হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির সম্পর্কিত কোন তথ্য পাওয়া যায়নি।
মিসরীয় রেড ক্রিসেন্ট বাসিন্দাদের পুরোনো এবং জরাজীর্ণ ভবনগুলি থেকে দূরে থাকার জন্য আহ্বান জানায়। কারণ, কায়রোর শ্রমজীবী মানুষের বসবাসকারী কিছু এলাকায় এ ধরনের ভবন বেশি দেখা যায়।
আরও পড়ুন: শুধু ৯ দেশ-ই নয়, বিশ্ব এক হলেও হারবে? কারণ- ইয়েমেনের জন্য নবী (সা.) দোয়া করেছিলেন!
উত্তর-পূর্ব আফ্রিকার দেশ মিসরে শক্তিশালী ভূমিকম্প তুলনামূলকভাবে বিরল ঘটনা। দেশের আধুনিক ইতিহাসে সবচেয়ে প্রাণঘাতী ভূমিকম্পের ঘটনা ঘটে ১৯৯২ সালে অক্টোবরে। সেই সময় ৫ দশমিক ৮ মাত্রার ভূমিকম্পে রাজধানী কায়রো কেঁপে উঠেছিল। এতে ৫০০ জনের বেশি মানুষ প্রাণ হারায় এবং হাজার হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন