ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চন্দনাইশে আগুনে ৬টি বসতঘরের ক্ষতি


চন্দনাইশে আগুনে ৬টি বসতঘরের ক্ষতি

 

উপজেলার বরকল এলাকায় ভয়াবহ একটি অগ্নিকাণ্ডের ফলে ৬টি বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। শনিবার রাত ১২টার দিকে ঘটে যাওয়া এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা স্থানে স্থানীয়দের মতে, মুন্নি আকতারের রান্নাঘরের চুলা থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং পার্শ্ববর্তী ৬ জনের বসতঘর সম্পূর্ণরূপে পুড়ে যায়।

যাদের বসতঘর পুড়ে গেছে তাদের মধ্যে মুন্নি আকতার, আব্দুস সবুর, শাহা আলম, মো. হোসেন, আবুল হাশেম এবং সাইফুদ্দিন অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

আরও পড়ুন: মধুপুরে আকাশী গ্রন্থাগার ও বিজ্ঞান ক্লাবের বৃত্তি পরীক্ষার পুরস্কার ও চারা বিতরণ

পুড়ে যাওয়ার খবর পাওয়ার পর চন্দনাইশ ফায়ার সার্ভিস অফিসের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

চন্দনাইশ ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ কামরুল হাসান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান যে, এই অগ্নিকাণ্ডের ফলে পরিবারের তথ্য অনুযায়ী প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকানোর প্রযুক্তিতে বড় অগ্রগতি ভারতের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:৫৯ পি.এম


ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকানোর প্রযুক্তিতে বড় অগ্রগতি ভারতের

টানা তিনটি সফল পরীক্ষার মাধ্যমে ভারত বহুমুখী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা (বিএমডি) ব্যবস্থার সক্ষমতা প্রদর্শন করেছে। দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ১০ ও ১১ জুন পরিচালিত এসব পরীক্ষার সাফল্যের মাধ্যমে ভারত এমন দেশগুলোর কাতারে আরও দৃঢ়ভাবে অবস্থান নিয়েছে, যাদের কাছে উন্নত প্রযুক্তি রয়েছে, যা দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে পারে।

শনিবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, ধারাবাহিক এই পরীক্ষাগুলোর উদ্দেশ্য ছিল সম্ভাব্য বিভিন্ন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র হুমকির বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা সক্ষমতা যাচাই করা। তিনটি পরীক্ষায় আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (আইসিবিএম) প্রতিরোধ প্রযুক্তি এবং মাঝারিপাল্লার জাহাজ বিধ্বংসী সক্ষমতার কার্যকারিতা মূল্যায়ন করা হয়েছে।

পরপর তিনটি পরীক্ষার মাধ্যমে নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুর দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে তার কার্যকারিতা ও লক্ষ্যভেদের ধারাবাহিক সক্ষমতা যাচাই করা হয়। ভারতের প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা (ডিআরডিও) পরিচালিত এই কর্মসূচিকে দেশটির সামরিক সক্ষমতার গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। নতুন ব্যবস্থায় দুই ধরনের বিশেষায়িত ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে, যা ২ হাজার থেকে ৫ হাজার কিলোমিটারের মধ্যম-পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (আইআরবিএম) ধ্বংস করতে সক্ষম।

এ প্রযুক্তির আরেকটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো, এটি বায়ুমণ্ডলের ভেতরে ও বাইরে—উভয় পরিবেশেই লক্ষ্যবস্তু প্রতিহত করতে পারে। ফলে মহাকাশ থেকে আসা সম্ভাব্য হুমকির বিরুদ্ধেও একটি নমনীয় ও বহুস্তরবিশিষ্ট প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গভীর রাতে সীমান্ত দিয়ে পুশইনচেষ্টা বিএসএফের, প্রতিহত করল বিজিবি ও স্থানীয় জনতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৫ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:০২ এম


গভীর রাতে সীমান্ত দিয়ে পুশইনচেষ্টা বিএসএফের, প্রতিহত করল বিজিবি ও স্থানীয় জনতা

ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্তে সপ্তাহখানেক শান্ত থাকার পর আবারও ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) পুশইনের চেষ্টা চালিয়েছে। তবে স্থানীয় বাসিন্দা ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) যৌথ প্রতিরোধের ফলে সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, গত এক মাস ধরে পুশইন আতঙ্ক চলছিল। তবে গত সাতদিন মহেশপুর সীমান্তের পরিস্থিতি ছিল স্বাভাবিক। কিন্তু, রোববার (১৪ জুন) রাতে ৪ থেকে ৬ জনের একটি দল বিএসএফের মাধ্যমে সীমান্তের কাছে গাড়িতে করে নিয়ে আসা হয়। এরপর রাতের আঁধারে ওই দলের সদস্যদের কাঁটাতারের এপারে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। সীমান্তবর্তী বাসিন্দারা বিষয়টি বুঝতে পেরে তাৎক্ষণিকভাবে জড়ো হন এবং বিজিবিকে অবহিত করেন। পরে, গ্রামবাসী ও বিজিবির সম্মুখীন হওয়ায় পুশইনকারীরা পিছু হটতে বাধ্য হয়।

বিজিবি জানায়, এই ঘটনার পর সীমান্ত এলাকায় টহল এবং গোয়েন্দা নজরদারি অতিরিক্ত জোরদার করা হয়েছে। যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিজিবি সর্বদা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। মহেশপুর বিজিবি কমান্ডার বলেন যে, রাতদিন সীমান্তের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘অযৌক্তিকভাবে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের প্রবণতা রোধে সম্মিলিত উদ্যোগ জরুরি’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৫ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:০২ এম


‘অযৌক্তিকভাবে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের প্রবণতা রোধে সম্মিলিত উদ্যোগ জরুরি’

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার। এ লক্ষ্যে জনসাধারণ এবং প্রাণীর স্বাস্থ্যের জন্য অযৌক্তিকভাবে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের প্রবণতা রোধে সম্মিলিতভাবে পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি।

রবিবার রাজধানীর একটি হোটেলে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর এবং অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স মাল্টি-পার্টনার ট্রাস্ট ফান্ড প্রকল্পের সহযোগিতায় আয়োজিত ‘ভেটেরিনারি অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল স্টুয়ার্ডশিপ গাইডলাইন (ভিএজি) বাস্তবায়ন বিষয়ক সচেতনতামূলক কর্মশালা’য় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, অ্যান্টিবায়োটিকের অপ্রয়োজনীয় ব্যবহার মানবদেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে। একইভাবে, প্রাণিসম্পদ খাতেও এর অপব্যবহার দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে।

তিনি আরো বলেন, প্রান্তিক খামারিদের অনেকেই তাৎক্ষণিকভাবে রোগ নিরাময়ের আশায় অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করেন, যদিও এর দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে তারা যথেষ্ট সচেতন নন। ফলে সচেতনতার অভাব একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে।

ভেটেরিনারি চিকিৎসকদের অপরিহার্য ভূমিকার ওপর জোর দিয়ে প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, কোনো ভেটেরিনারি চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার নিরুৎসাহিত করতে হবে। একই সঙ্গে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাদেরও এ বিষয়ে কঠোরভাবে তদারকি ও সচেতনতা কার্যক্রম পরিচালনা করার নির্দেশ দিতে হবে।

সুলতান সালাউদ্দিন টুকু আরও বলেন, যদি আমরা একটি সমন্বিত চেইনের মাধ্যমে ভেটেরিনারি চিকিৎসক, মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং খামারিদের একসঙ্গে নিয়ে কাজ করতে পারি, তখন বরিশালের মতো সাফল্য দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও অর্জন সম্ভব হবে।

তিনি খাদ্য নিরাপত্তা ও নিরাপদ প্রাণিজ খাদ্য উৎপাদনে সরকারের পাশাপাশি সকল অংশীজনের একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন প্রশাসনিক অফিস পরিদর্শন করলেন উপাচার্য অধ্যাপক তাহ্‌মিনা আখতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সাব্বির হাসানাত, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

সোমবার, ১৫ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:০৬ এম


রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন প্রশাসনিক অফিস পরিদর্শন করলেন উপাচার্য অধ্যাপক তাহ্‌মিনা আখতার

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক তাহ্‌মিনা আখতার আজ দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন প্রশাসনিক অফিস পরিদর্শন করেছেন।

পরিদর্শনকালে তিনি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এ সময় তিনি সংশ্লিষ্ট দপ্তরসমূহের কার্যক্রম, দায়িত্ব পালনের অগ্রগতি, কর্মপরিবেশ এবং চলমান প্রশাসনিক কার্যাবলি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। উপাচার্য মহোদয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সেবা কার্যক্রমকে আরও গতিশীল, কার্যকর ও শিক্ষার্থী-বান্ধব করে তোলার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। পাশাপাশি তিনি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিষ্ঠা, সততা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করার আহ্বান জানান।

পরিদর্শনের সময় সংশ্লিষ্ট অফিসগুলোর কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা তাদের কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে উপাচার্যকে অবহিত করেন। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. সুমন কান্তি বড়ুয়া, ট্রেজারার প্রফেসর ড. ফিরোজ আহমদসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%