ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, খসড়ায় মন্ত্রিসভার অনুমোদন


সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, খসড়ায় মন্ত্রিসভার অনুমোদন

সম্পত্তি দান করার পরও দাতা তার জীবদ্দশায় ওই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের আইনি অধিকার বজায় রাখতে পারবেন- এই বিধান সংযুক্ত করে সংশ্লিষ্ট আইনের সংশোধনী খসড়ার নীতিগত এবং চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ।

সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়। বর্তমানে প্রচলিত ‘সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এ বলা হয়েছে, কেউ সম্পত্তি দান করলে সেটির মালিকানা ও ভোগদখলের অধিকার গ্রহীতার কাছে চলে যায়। তবে নতুন সংশোধনীর মাধ্যমে দেখা যাচ্ছে, সম্পত্তির মালিকানা হস্তান্তর হলেও দাতা তার জীবদ্দশায় তা ভোগ ও ব্যবহার করার আইনি অধিকার সংরক্ষণ করতে পারবেন।

একই বৈঠকে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৬’ আইনের খসড়াও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই আইনটির উদ্দেশ্য হলো গুম প্রতিরোধ করা, দায়ী ব্যক্তিদের বিচার করা, গুম হওয়া ব্যক্তির সন্ধান ও ভুক্তভোগী এবং তাদের পরিবারের অধিকার, ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করার জন্য একটি সমন্বিত আইনগত কাঠামো প্রতিষ্ঠা করা।

আরও পড়ুন: ৬০ হাজার কোটি টাকায় কুমিল্লা–ঢাকা নতুন রেলপথ নির্মাণের পরিকল্পনা

আইনটিতে গুম হওয়া ব্যক্তিকে উদ্ধারের জন্য আদালতের মাধ্যমে তল্লাশি পরোয়ানা জারি, অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার, ডিজিটাল সাক্ষ্যের গ্রহণযোগ্যতা এবং সাক্ষী, অভিযোগকারী, তথ্য প্রকাশকারী ও ভুক্তভোগীর গোপনীয়তা ও নিরাপত্তার বিধান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

ভুক্তভোগীদের তদন্তের অগ্রগতি, ঘটনার প্রকৃত তথ্য এবং গুম হওয়া ব্যক্তির অবস্থান বা পরিণতি জানার অধিকার স্বীকৃত হয়েছে। তাদের জন্য সরকারি আইনগত সহায়তা, চিকিৎসা, পুনর্বাসন এবং ক্ষতিপূরণ তহবিল গঠন করার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে; আর দণ্ডিত ব্যক্তির সম্পত্তি থেকে ক্ষতিপূরণ আদায় সম্ভব না হলে রাষ্ট্র কর্তৃক ক্ষতিপূরণ প্রদানের বিধানও যুক্ত করা হয়েছে।

এছাড়া, ‘অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা ২০২৬’ এবং ‘ঔষধের মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি ২০২৬’ বাতিলের প্রস্তাবও মন্ত্রিসভা অনুমোদন করেছে। তবে ১৯৯৪ সালের অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা ও সরকারি মূল্য নির্ধারণ ব্যবস্থা বহাল থাকবে।

আরও পড়ুন: ৩৬ জেলায় ১০১ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করেছে ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কর্তৃপক্ষের অবহেলাতেই কমনওয়েলথে পাকিস্তানের ভরাডুবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৪৭ পি.এম


কর্তৃপক্ষের অবহেলাতেই কমনওয়েলথে পাকিস্তানের ভরাডুবি

সদ্য সমাপ্ত গ্লাসগো কমনওয়েলথ গেমসে পাকিস্তানের ভরাডুবি ঘটেছে। ৩৬ সদস্যের পাকিস্তান দলকে মাত্র একটি ব্রোঞ্জ পদক নিয়েই ঘরে ফিরতে হয়েছে।

১৯৯০ সালের পরের কমনওয়েলথ গেমসে এটি পাকিস্তানের সবচেয়ে খারাপ পারফরম্যান্স। এই ভরাডুবির জন্য পাকিস্তানের ক্রীড়া কর্তৃপক্ষের অবহেলাকেই দায়ী করা হচ্ছে।

পাকিস্তানের বড় ভরসা জ্যাভলিন থ্রোয়ার আরশাদ নাদিমই সবচেয়ে বেশি হতাশ করেছেন। ২০২২ সালের বার্মিংহাম কমনওয়েলথ গেমসে ৯০ দশমিক ১২ মিটার ছুঁড়িয়ে স্বর্ণপদক জেতা আরশাদ এবারের গেমসে ৮০ মিটারের গণ্ডিও পার করতে পারেননি। তিনি নবম হয়ে ৮ জনের ফাইনাল রাউন্ডেও উঠতে ব্যর্থ হয়েছেন, আর অলিম্পিকে ৯২ দশমিক ৯৭ মিটারের রেকর্ড থ্রো করে স্বর্ণপদক জেতা এই তারকাকে ৮০ মিটার পার করতেই এভাবে সংগ্রাম করতে দেখা তার ভক্তদের জন্য ছিল এক মস্ত বড় ধাক্কা।

আরশাদের এই ব্যর্থতার জন্য তার অনুশীলনের ঘাটতি ও পাকিস্তান ক্রীড়া কর্তৃপক্ষের অবহেলা আর উপেক্ষাকেই দায়ী করা হচ্ছে। আরশাদের দীর্ঘদিনের কোচ সালমান বাট স্বীকার করেছেন যে, কমনওয়েলথ গেমসে আরশাদ কোনোভাবেই তার সেরা ফর্মে ছিলেন না এবং তার প্রস্তুতিতে ঘাটতি ছিল।

তার এই ছন্দপতনের জন্য আংশিকভাবে আরশাদ নিজেও দায়ী, কারণ ফাইনালের সময় তাকে শতভাগ ফিট মনে হচ্ছিল না। তবে ট্র্যাকের বাইরেও তাকে অনেক সমস্যার সাথে লড়াই করতে হয়েছে।

আরশাদের এবারের ফলাফল মোটেই অপ্রত্যাশিত ছিল না। কারণ এবারের কমনওয়েলথ গেমসের প্রস্তুতি হিসেবে আরশাদ সুইজারল্যান্ডে মাত্র একটি ইভেন্টে অংশ নিতে পেরেছিলেন। এছাড়া তিনি কোনো বিদেশী কোচ বা ট্রেইনারের সরাসরি সাহায্য ছাড়াই লাহোরের তীব্র গরমের মধ্যে একা একা অনুশীলন করে পুরো সময় পার করেন।

আরশাদ আগে দক্ষিণ আফ্রিকান কোচ টারসিয়াস লিবেনবার্গের অধীনে প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন, এবার তিনি স্থানীয় কোচ সালমান বাট এবং স্থানীয় ট্রেইনারদের সাথেই অনুশীলন করেন। লাহোরের তীব্র গরমে অনুশীলনের ফলে গ্লাসগোর আবহাওয়ার সাথে মানিয়ে নেয়ার কোনো সুযোগই পাননি তিনি।

গ্লাসগো কমনওয়েলথ গেমসে জ্যাভলিন থ্রো ইভেন্টে স্বর্ণপদক জিতেছেন শ্রীলঙ্কার রুমেশ পাথিরাগে। ভারতের নীরজ চোপড়া ও যশবীর সিং যথাক্রমে দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকার করেন। আরশাদ লাহোরের তীব্র গরমে একা একা অনুশীলন করতে গিয়ে দেশের বাইরে উন্নত প্রশিক্ষণ সুবিধা পাওয়া ভারতীয় প্রতিদ্বন্দ্বীদের তুলনায় পিছিয়ে পড়েন। ভারতের নীরজ সুইজারল্যান্ডের বিয়েনে তার প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে চূড়ান্ত প্রস্তুতি এবং রিহ্যাবিলিটেশন ক্যাম্প করেছেন। এবং তার সতীর্থ রোহিত যাদব ও যশবীর সিং পোল্যান্ডের স্পালায় বিদেশী কোচ ও ট্রেইনারদের অধীনে প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন।

পাকিস্তান ক্রীড়া কর্তৃপক্ষের সাথে আরশাদের মূল বিরোধটা কোচ হিসেবে সালমান বাটকে বহাল রাখা নিয়ে। এ বিরোধের কারণে পাকিস্তান অ্যামেচার অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশন আরশাদকে পুরোপুরি ত্যাগ করে। আরশাদের ঘনিষ্ঠ একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, গত বছরের শেষের দিকে কমনওয়েলথ গেমসের প্রস্তুতি শুরু করার সময় অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশন এবং পাকিস্তান স্পোর্টস বোর্ড এই জ্যাভলিন থ্রোয়ারের পাশে দাড়াননি। উক্ত সূত্রটি আরও জানায়, ফেডারেশন আরশাদের প্রস্তুতি থেকে নিজেদের সম্পূর্ণ দূরে সরিয়ে নেয় এবং তাকে তার ভাগ্যের ওপর ছেড়ে দেয়। এখান পর্যন্ত, তার প্রশিক্ষণের ব্যাপারে করা কয়েকটি অনুরোধও তারা রাখেনি। একইভাবে, লাহোরে নিজের মত অনুশীলনের সময়ও আরশাদের জন্য কোনো বিদেশী কোচ বা ট্রেইনারের তহবিলের অর্থ ছাড় করেনি পাকিস্তান স্পোর্টস বোর্ড।

পাকিস্তানের সাবেক অলিম্পিক বক্সিং ব্রোঞ্জ পদক জয়ী হুসেন শাহ হতাশ কণ্ঠে বলেন, 'তিনি (আরশাদ) এমন একজন ক্রীড়াবিদ, যিনি সম্পূর্ণ নিজের চেষ্টায় গড়ে উঠেছেন। একটি গ্রাম থেকে উঠে এসেছেন এবং একটি নিম্ন আয়ের পরিবারের সন্তান। তারপরও নিজের স্বর্ণপদক দিয়ে তিনি পাকিস্তানের জন্য এত গৌরব বয়ে এনেছেন। অথচ তিনি কমনওয়েলথ গেমসের জন্য ঠিকমতো প্রস্তুতিই নিতে পারলেন না। এটি আমাদের ক্রীড়া কাঠামোর একটি দুঃখজনক প্রতিফলন।'

হতাশা পাকিস্তানের হয়ে একমাত্র পদকজয়ী নারী বক্সার ফাতিমা জেহরার কণ্ঠেও। ফাতিমার দাবি, আরও ভালো প্রশিক্ষণ এবং আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার সুযোগ পেলে, তিনি তার ওজন শ্রেণীতে স্বর্ণপদক জিততে পারতেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ফাতিমাকে ব্রোঞ্জ নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়।

অলিম্পিক রেকর্ডধারী জ্যাভলিন থ্রোয়ার নাদিম কমনওয়েলথ গেমসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পাকিস্তানের পতাকা বহন করলেও সমাপনী অনুষ্ঠানে দেশের পতাকা ছিল ফাতিমার হাতে। ফাতিমা কমনওয়েলথ গেমসে পাকিস্তানের ইতিহাসে সর্বপ্রথম নারী পদকজয়ী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভোমরা বন্দর দিয়ে এলো ১০০ টন ভারতীয় কাঁচা মরিচ, কমছে বাজারদর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৪৯ পি.এম


ভোমরা বন্দর দিয়ে এলো ১০০ টন ভারতীয় কাঁচা মরিচ, কমছে বাজারদর

ভারত থেকে প্রথম চালানে ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে প্রায় ১০০ মেট্রিক টন কাঁচা মরিচ আমদানি করা হয়েছে সাতক্ষীরায়। ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, আমদানি অব্যাহত থাকলে আগামী এক-দুই দিনের মধ্যে কাঁচা মরিচের দাম আরও কমে আসবে বাজারে।

সোমবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ১০টি ট্রাকের মাধ্যমে কাঁচা মরিচের প্রথম চালান ভোমরা বন্দর দিয়ে দেশে প্রবেশ করেছে। এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভোমরা কাস্টমস কমিশনার মো. মোস্তাফিজুর রহমান।

ভোমরা সিঅ্যান্ডএফ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আবু হাসান জানিয়েছেন, বাজারে কাঁচা মরিচের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ভারত থেকে আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও, আমদানির ওপর বিদ্যমান শুল্ক ও কর কমানোর সিদ্ধান্তের বিষয়টি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা গেছে।

সাতক্ষীরা শহরের বড়বাজার কাঁচা-পাকা মাল ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক রজব আলী উল্লেখ করেন, মাত্র ১৫ দিন আগেও জেলার বাজারগুলোতে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ ৬০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল। তবে টানা বৃষ্টির কারণে সাতক্ষীরাসহ আশপাশের জেলার মরিচখেত পানিতে তলিয়ে গিয়ে উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফলে বাজারে সরবরাহ কমে গিয়ে দাম ৩০০ টাকারও বেশি ওঠে।

তিনি আরও বলেন, ভারত থেকে আমদানি শুরু হওয়ার পর মঙ্গলবার সকাল থেকেই সাতক্ষীরা বড়বাজারে কাঁচা মরিচ ২৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ধারাবাহিকভাবে আমদানি অব্যাহত থাকলে দাম আরও কমবে বলে প্রত্যাশা।

ভোমরা সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক অহিদুল ইসলাম বলেন, সোমবার প্রথম চালানে ১০ ট্রাক কাঁচা মরিচ এসেছে এবং মঙ্গলবার ও বুধবার আরও বেশি পরিমাণ কাঁচা মরিচ আমদানির প্রস্তুতি রয়েছে। এতে বাজারে সরবরাহ বৃদ্ধি পাবে এবং মূল্য স্বাভাবিক পর্যায়ে ফিরে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুমিল্লায় প্রবাসীর ৫ ফুট চওড়া বাড়ি দেখতে মানুষের ভিড়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৫০ পি.এম


কুমিল্লায় প্রবাসীর ৫ ফুট চওড়া বাড়ি দেখতে মানুষের ভিড়

কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার স্বল্প পেন্নাই গ্রামে এক শতাংশ জমিতে নির্মাণ করেছেন একজন প্রবাসী একটি ঘর। ঘরটির চওড়া মাত্র পাঁচ ফুট, তবে লম্বায় ৮৫ ফুট। এই বাড়িতে রান্নাঘর, শোবার ঘর, জিনিসপত্র রাখার জায়গা এবং শৌচাগারসহ প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা বিদ্যমান।

সৌদি আরব প্রবাসী মো. শাহজালাল এই ঘরটি নির্মাণ করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে ঘরটির ছবি ও ভিডিও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ার ফলে প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ এটি দেখতে আসছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, যে জায়গার ওপর ঘরটি নির্মিত হয়েছে, সেটি পূর্বে একটি নিচু ডোবা ছিল। জায়গাটি ভরাট করে চলতি বছরের জুন মাসে প্রায় আড়াই লাখ টাকার ব্যয়ে টিনের ছাউনি এবং টিনের বেড়া ব্যবহার করে ঘরটি নির্মাণ করা হয়েছে। বর্তমানে, এটি শাহজালালের পরিবারের একমাত্র বসত ঘর হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে।

সরেজমিনে পরিদর্শনে দেখা যায়, ঘরের সামনের অংশে রান্নাঘর নির্মিত। এর পরেই আছে খাবার রাখার এবং খাওয়ার জায়গা। এরপর রয়েছে শোবার কক্ষ, যেখানে একটি ছোট চৌকি বসানো আছে। আরও ভিতরে কাপড় রাখার জন্য আলমারি ও ওয়্যারড্রোবের স্থান রয়েছে। সর্বশেষ, প্রান্তে পানি উত্তোলনের জন্য মোটর এবং একটি শৌচাগার নির্মাণ করা হয়েছে।

শাহজালালের স্ত্রী খাদিজা আক্তার জানিয়েছেন, ২০১৩ সালে তাঁদের বিয়ে হয়। তখন শাহজালাল দেশে মাইক্রোবাস চালিয়ে তাঁদের জীবিকা নির্বাহ করতেন। পারিবারিক বিভিন্ন সমস্যা ও জমি নিয়ে মামলা থাকার কারণে তাঁদের পৈতৃক বাড়িতে স্থায়ীভাবে বসবাস করা সম্ভব হয়নি। ফলে দীর্ঘ দিন ধরে পরিবারের সদস্যদের আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে এবং কখনো কখনো খোলা আকাশের নিচেও কাটাতে হয়েছে।

এরপর ২০২০ সালে শাহজালাল সৌদি আরবে যাওয়ার পর তাঁর পাঠানো অর্থে অবশেষে তাঁরা এই ছোট্ট ঘরটি নির্মাণ করতে সক্ষম হন। বর্তমানে এই ঘরেই খাদিজা আক্তার তাঁর দুই মেয়ে এবং এক ছেলের সঙ্গে বসবাস করছেন।

প্রতিবেশী মো. রিয়াজ উদ্দিন মন্তব্য করেন, দীর্ঘ সময় ধরে পরিবারটির নিজস্ব কোনো বসবাসের জায়গা ছিল না। অনেক কষ্টের পর অবশেষে তারা মাথাগোঁজার একটি স্থায়ী ঠিকানা পেয়েছে। যদিও ঘরটি ছোট, কিন্তু এটি তাদের জন্য একটি বড় স্বস্তির জায়গা।

গৌরীপুর ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত নারী সদস্য জাহানারা আক্তার বলেন, এলাকার জমির দাম খুব বেশি হওয়ার কারণে সীমিত আয়ের মানুষের পক্ষে বড় জায়গা কেনার সুযোগ নেই। এজন্য শাহজালাল বাধ্য হয়ে সীমিত জায়গার মধ্যেই পরিবারের জন্য একটি বসতঘর নির্মাণ করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নভেম্বরে শাবিপ্রবির আন্তর্জাতিক সাহিত্য সম্মেলন, আসছেন কাজী নজরুলের নাতনি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৫৩ পি.এম


নভেম্বরে শাবিপ্রবির আন্তর্জাতিক সাহিত্য সম্মেলন, আসছেন কাজী নজরুলের নাতনি

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) বাংলা বিভাগের উদ্যোগে আগামী ২৭ ও ২৮ নভেম্বর প্রথম আন্তর্জাতিক ভাষা ও সাহিত্য সম্মেলন (আইসিবিএলএল-২০২৬) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

‘শতবর্ষে মুসলিম সাহিত্য সমাজ ও সিলেটে নজরুল: মুক্তচিন্তা ও দ্রোহের উত্তরাধিকার’ এই প্রতিপাদ্যে আয়োজিত আন্তর্জাতিক সম্মেলনে দেশ-বিদেশের ভাষা ও সাহিত্য গবেষক, শিক্ষক এবং বিশিষ্ট সাহিত্যিকরা অংশ নেবেন। সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের নাতনি খিলখিল কাজী।

সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সম্মেলনের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. রিজাউল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এ সময় তিনি সম্মেলনের ওয়েবসাইটের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনও করেন।

অধ্যাপক ড. মো. রিজাউল ইসলাম বললেন, ‘‘আগামী ২৭ ও ২৮ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে এই আন্তর্জাতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। সিলেট অঞ্চলের লোকসাহিত্য ও সংস্কৃতির সঙ্গে কাজী নজরুল ইসলাম এবং মুসলিম সাহিত্য সমাজের মুক্তচিন্তা ও দ্রোহের ঐতিহ্যের সংযোগ, সমন্বয় ও বিকাশকে সামনে রেখেই এ আয়োজন করা হচ্ছে। সম্মেলনে উপস্থাপিত নির্বাচিত গবেষণা প্রবন্ধগুলো পরবর্তী সময়ে বাংলা বিভাগের জার্নাল অথবা গ্রন্থ আকারে প্রকাশ করা হবে।’’

সম্মেলনে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. সৈয়দ আজিজুল হক। ভার্চুয়াল বক্তা হিসেবে যুক্ত থাকবেন ভারতের কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকসংস্কৃতি বিভাগের সাবেক প্রধান অধ্যাপক ড. বরুণকুমার চক্রবর্তী। মূল प्रবন্ধ উপস্থাপন করবেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ও বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আজম, ভারতের বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. সুমিতা চক্রবর্তী এবং ভারতের আসাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. বেলা দাস। বিশেষ অতিথি হিসেবে সম্মেলনে উপস্থিত থাকবেন প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী এবং জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের নাতনি খিলখিল কাজী।

সম্মেলনে অংশগ্রহণের জন্য দেশ-বিদেশের গবেষক, শিক্ষক, লেখক ও চিন্তাবিদদের কাছ থেকে গবেষণা প্রবন্ধ আহ্বান করা হয়েছে। ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি; তুলনামূলক ও উত্তর-উপনিবেশিক সাহিত্য; প্রগতি ও নারীমুক্তি; ধর্ম, দর্শন ও বিজ্ঞান; সমাজ, রাষ্ট্র, অর্থনীতি; প্রকৃতি ও পরিবেশের বিষয়ে বাংলা অথবা ইংরেজি ভাষায় গবেষণা প্রবন্ধ জমা দেওয়া যাবে।

রেজিস্ট্রেশনের বিষয়ে অধ্যাপক ড. মো. রিজাউল ইসলাম জানান, গবেষণা প্রবন্ধের সারাংশ জমা দেওয়ার শেষ তারিখ আগামী ১ অক্টোবর ২০২৬। সারসংক্ষেপ ৩০০ থেকে ৫০০ শব্দের মধ্যে হতে হবে এবং ৮ থেকে ১০টি মূলশব্দ সংযুক্ত করতে হবে। পূর্ণাঙ্গ গবেষণা প্রবন্ধের শব্দসংখ্যা ৩ হাজার ৫০০ থেকে ৬ হাজারের মধ্যে নির্ধারণ করা হয়েছে।

নিবন্ধন ফি হিসেবে জাতীয় পর্যায়ের শিক্ষার্থী (গবেষণাপত্র উপস্থাপনকারী বা অংশগ্রহণকারী) ১ হাজার ৫০০ টাকা এবং শাবিপ্রবির বাংলা বিভাগের নিয়মিত শিক্ষার্থীদের জন্য ১ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য ৫০ মার্কিন ডলার, জাতীয় শিক্ষক ও গবেষকদের জন্য ২ হাজার ৫০০ টাকা এবং আন্তর্জাতিক শিক্ষক ও গবেষকদের জন্য ৭৫ মার্কিন ডলার ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।

অধ্যাপক রিজাউল ইসলাম বলেন, আগ্রহীরা কনফারেন্সের ওয়েবসাইটে নিবন্ধন করতে পারবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%