বৃহস্পতিবার, ১৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৭:২৯ পি.এম
সৌদি আরবে সাম্প্রতিক হুতিদের হামলার প্রেক্ষাপটে ফিফা ও সৌদি ই-স্পোর্টস ফেডারেশন ফিফা-ই ফাইনালস ২০২৬ স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এবারের আসর জেদ্দায় ১৬ থেকে ২৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।
শনিবার রিয়াদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সংঘটিত এক হামলায় অন্তত ১২ জন নিহত এবং ৩০০ জনের বেশি আহত হয়েছেন। ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি আন্দোলন এই হামলার দায় স্বীকার করেছে। এটি সৌদি আরবে এক দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামলা বলে বিবেচিত হচ্ছে।
ফিফা-ই ফাইনালস হলো ফিফার অফিসিয়াল ই-স্পোর্টস বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ। এখানে বাস্তব মাঠে ফুটবল খেলা হয় না, বরং খেলোয়াড়রা ভিডিও গেমে ফুটবল প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন।
এতে সাধারণত ফিফার লাইসেন্সপ্রাপ্ত ফুটবল ভিডিও গেম, বর্তমানে ইএ স্পোর্টস এফসি সিরিজের গেম, প্রতিযোগিতামূলকভাবে খেলা হয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সেরা ই-স্পোর্টস খেলোয়াড় ও দল এতে অংশগ্রহণ করে।
বিশ্বব্যাপী ভিডিও গেম প্রতিযোগিতাটির আয়োজকরা এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, “অঞ্চলের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি এবং টুর্নামেন্ট আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় লজিস্টিক ব্যবস্থার ওপর এর প্রভাব মূল্যায়নের পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”
তারা আরও উল্লেখ করেন, “ফিফা-ই ফাইনালস সম্পর্কে পরবর্তী ঘোষণা যথাসময়ে জানানো হবে।”
সৌদির নিরাপত্তা পরিস্থিতি মূল্যায়নের পর শনিবার জাপান ও ব্রাজিল তাদের ই-স্পোর্টস দল টুর্নামেন্ট থেকে প্রত্যাহার করে নিয়েছে।
নিরাপত্তা অনিশ্চয়তার কারণে সৌদি আরবের অন্যান্য ক্রীড়া আয়োজনগুলোও চাপের মধ্যে রয়েছে।
আগেই প্রদর্শনী টেনিস টুর্নামেন্ট সিক্স কিংস স্ল্যাম অক্টোবর থেকে পিছিয়ে ডিসেম্বর মাসে নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, এশিয়ান ট্যুর গলফ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগামী মাসে রিয়াদে অনুষ্ঠিতব্য সৌদি ইন্টারন্যাশনাল টুর্নামেন্টের আগে তারা পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে।
এদিকে, এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি) জানিয়েছে, প্রয়োজন হলে এশিয়ান কাপ ২০২৮ সাল পর্যন্ত পিছিয়ে দেওয়ার বিষয়টি তারা বিবেচনা করতে প্রস্তুত। বর্তমানে টুর্নামেন্টটি আগামী বছরের ৭ জানুয়ারি রিয়াদ, জেদ্দা ও আল-খোবারে শুরু হওয়ার সূচি রয়েছে।
কোরিয়া ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (কেএফএ) জানিয়েছে, তারা এ বিষয়ে এএফসির সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে।
এক বিবৃতিতে কেএফএ বলেছে, “আমরা সৌদি আরবের পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি এবং সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।”
সর্বশেষ এশিয়ান কাপও এক বছর পিছিয়ে গিয়েছিল। কোভিড-১৯ বিধিনিষেধের কারণে চীন স্বাগতিকের দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ালে কাতার ২০২৪ সালের শুরুর দিকে টুর্নামেন্টটি আয়োজন করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আবুধাবিতে সদ্য সমাপ্ত বাংলাদেশ-আফগানিস্তান সিরিজের একমাত্র টেস্টে আচরণবিধি লঙ্ঘনের কারণে শাস্তি পেয়েছেন আফগানিস্তানের ব্যাটার আফসার জাজাই।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) কর্তৃক নির্ধারিত আচরণবিধির লেভেল-১ ভঙ্গ করার জন্য জাজাইকে আনুষ্ঠানিকভাবে তিরস্কার করা হয়েছে।
জাজাই আইসিসির আচরণবিধির ২.৪ ধারা ভঙ্গ করেছেন, যা আন্তর্জাতিক ম্যাচে আম্পায়ারের নির্দেশ অমান্য করার সঙ্গে সম্পর্কিত।
বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্টের একাদশে জাজাই ছিলেন না। তিনি দ্বাদশ খেলোয়াড়ের দায়িত্ব পালন করছিলেন।
অনফিল্ড আম্পায়াররা জাজাইকে মাঠে প্রবেশ না করতে এবং সময় নষ্ট বন্ধ করতে একাধিকবার নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি আম্পায়ারদের নির্দেশ অমান্য করেন।
আফগানিস্তানের দ্বিতীয় ইনিংসের ১৩৯তম ওভারে জাজাই অনফিল্ড আম্পায়ারদের অনুমতি ছাড়া মাঠে প্রবেশ করেন। এটি আন্তর্জাতিক ম্যাচে আম্পায়ারের নির্দেশ অমান্য করার সঙ্গে সম্পর্কিত। ফলে তিনি শাস্তির মুখে পড়েছেন।
তিরস্কার পাওয়ার পাশাপাশি জাজাইয়ের আচরণবিধিতে একটি ডিমেরিট পয়েন্ট যুক্ত হয়েছে। গত ২৪ মাসের মধ্যে এটি তার প্রথম অপরাধ।
জাজাইয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন আম্পায়ার আহসান রাজা, আলাউদ্দিন পালেকার, তৃতীয় আম্পায়ার আসিফ ইয়াকুব এবং চতুর্থ আম্পায়ার ইজতুল্লাহ সাফি।
ম্যাচ রেফারি ডেভ গিলবার্টের দেওয়া শাস্তি জাজাই মেনে নিয়েছেন। এজন্য কোনো আনুষ্ঠানিক শুনানির প্রয়োজন হয়নি।
আইসিসির আচরণবিধির লেভেল-১ অপরাধের জন্য সর্বনিম্ন শাস্তি হলো আনুষ্ঠানিক তিরস্কার। সর্বোচ্চ শাস্তি হতে পারে ম্যাচ ফির ৫০ শতাংশ জরিমানা। পাশাপাশি অপরাধের প্রকৃতি অনুযায়ী এক বা দুই ডিমেরিট পয়েন্টও যোগ হতে পারে।
সূত্র: বাসস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্দেশনা দিয়েছেন, জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণের পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা, সবুজায়ন ও গাছপালার যথাযথ পরিচর্যা এবং প্রয়োজনীয় সংস্কারকাজ সম্পন্ন করার জন্য।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণ পরিদর্শনকালে তিনি সংশ্লিষ্টদের এই নির্দেশনা প্রদান করেন।
পরিদর্শনের সময় প্রধানমন্ত্রী সংসদ ভবন প্রাঙ্গণের মাঠ, বাগান ও বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি সংসদ ভবনসংলগ্ন এলাকার সার্বিক পরিবেশ, অবকাঠামোগত অবস্থা ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন।
প্রধানমন্ত্রী জাতীয় সংসদ প্লাজার সৌন্দর্য ও পরিবেশ অক্ষুণ্ণ রাখতে নিয়মিত পরিচর্যা এবং যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। মাঠ ও বাগান পরিচ্ছন্ন রাখার পাশাপাশি সবুজায়ন এবং বিদ্যমান গাছপালার সঠিক পরিচর্যায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন তিনি।
এছাড়া, সংসদ প্লাজা ও এর আশপাশের যেসব স্থানে সংস্কার প্রয়োজন, সেগুলো চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় সংস্কারকাজ সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী।
জাতীয় সংসদ ভবনের স্থাপত্যশৈলী ও নান্দনিক পরিবেশ বজায় রাখতে প্লাজা এবং এর সংলগ্ন এলাকার নিয়মিত তদারকি ও রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করার ওপরও তিনি গুরুত্ব দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় খুলনা মহানগর ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক খান সাইফুলের শারীরিক অবস্থার পর্যালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রীর সহকারী ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. আ ন ম মনোয়ারুল কাদির বিটু।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হাসপাতালে গিয়ে তিনি সাইফুলের চিকিৎসার সার্বিক বিষয় সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।
হাসপাতালে অবস্থানকালে, ডা. বিটু সাইফুলের চিকিৎসায় নিয়োজিত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সঙ্গে তার বর্তমান শারীরিক অবস্থা, চলমান চিকিৎসা এবং চিকিৎসার অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। এ সময় সাইফুলের পরবর্তী চিকিৎসা পরিকল্পনা ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ সম্পর্কে মেডিক্যাল বোর্ডের সদস্যদের সঙ্গে কথাও বলেন।
এদিকে, নিজের চিকিৎসার জন্য প্রধানমন্ত্রীর আন্তরিক উদ্যোগ ও সহযোগিতার জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন খান সাইফুল। তিনি তার চিকিৎসায় নিয়োজিত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও সংশ্লিষ্ট সবার প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানান।
উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে খান সাইফুলের অসুস্থতার খবর সামনে আসে। বিষয়টি জানার পর থেকেই ডা. মনোয়ারুল কাদির বিটু তার চিকিৎসার অগ্রগতি সম্পর্কে নিয়মিত খোঁজখবর রাখছেন এবং চিকিৎসাসংক্রান্ত বিষয়গুলো ধারাবাহিকভাবে তদারকি করছেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. নুরুজ্জামান, সহযোগী অধ্যাপক ডা. মাসুম আলী, আরপি ডা. মো. মাজহারুল ইসলামসহ মেডিক্যাল বোর্ডের সদস্য, সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও কর্মকর্তাগণ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালীতে টাকা চুরির অভিযোগের প্রেক্ষিতে এক প্রতিবন্ধী যুবককে হত্যা করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাংবাদিক এমবি আলমের বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য প্রচার ও অপপ্রচারের অভিযোগ তুলে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে স্থানীয় এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে। এই মানববন্ধনের মাধ্যমে সাংবাদিক এমবি আলমের বিরুদ্ধে ছড়ানো বিভিন্ন অভিযোগের প্রতিবাদ জানানো হয়েছে এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে নোয়াখালী সদর উপজেলার দাদপুর ইউনিয়নের প্রধান সড়কের পাশে মানববন্ধনটি অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা উল্লেখ করেন, প্রতিবন্ধী যুবক হত্যার মতো একটি স্পর্শকাতর ঘটনার প্রেক্ষিতে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের পরিবর্তে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হলে তা জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে। তাঁরা এ ধরনের প্রচারণার সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। বক্তারা আরও বলেন, সাংবাদিকতা হচ্ছে সমাজের অনিয়ম, দুর্নীতি ও অপরাধের তথ্য তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। যদি কোনো সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকে, তাহলে তা যথাযথ তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে উপস্থাপন করা উচিত। একই সঙ্গে অভিযোগের সত্যতা যাচাই না করে কাউকে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার চেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয় বলেও মন্তব্য করেন তাঁরা।
এলাকাবাসী আরও দাবি জানান, টাকা চুরির অপবাদকে কেন্দ্র করে প্রতিবন্ধী যুবককে হত্যার ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা এবং নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা প্রকাশ করা জরুরি। পাশাপাশি সাংবাদিক এমবি আলমের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ ও মিথ্যা তথ্য দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারণা চালানো হচ্ছে, সেগুলোরও নিরপেক্ষ যাচাই হওয়া প্রয়োজন। যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো ব্যক্তিকে দায়ী করা কিংবা তাঁর সম্মানহানি হয় এমন প্রচারণা চালানো থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান তাঁরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ