মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:৫৬ পি.এম
চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে অনুমোদন ছাড়া ড্রেজার ব্যবহার করে কৃষিজমির টপসয়েল ও মাটি উত্তোলনের জন্য ড্রেজারের মালিক পক্ষকে ২ লক্ষ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই অভিযানে তিনটি ড্রেজার অকেজো করা হয়েছে এবং অবৈধভাবে মাটি উত্তোলনে ব্যবহৃত প্রায় ১ হাজার ৫০০ ফুট পাইপ ধ্বংস করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত উপজেলার চিতোষী পশ্চিম ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযানটি পরিচালনা করেন শাহরাস্তি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সামছুজ্জামান।
আদালত সূত্র জানায়, কৃষিজমির টপসয়েল কেটে মাটি উত্তোলনের অপরাধে ড্রেজার মালিক পক্ষের প্রতিনিধি মো. রাজু (২২), সাং-রায়শ্রী উত্তরসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর ১৫(১) ধারায় ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
অভিযানে মনোহরপুর এলাকায় অবৈধভাবে মাটি উত্তোলনে ব্যবহৃত তিনটি ড্রেজার অকেজো করা হয়। এছাড়া নরিংপুর এলাকা থেকে মাটি উত্তোলনের কাজে ব্যবহৃত প্রায় ১ হাজার ৫০০ ফুট পাইপ বিনষ্ট করা হয়েছে।
অভিযান পরিচালনাকালে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন ভূমি অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত ইউনিয়ন উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা, উপজেলা আনসার সদস্য ও গ্রামপুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এক অস্ট্রেলীয় নারীর রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনা তদন্তে প্রভাব ফেলার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশের সরকারি কর্মকর্তাদের ৯০ হাজার অস্ট্রেলীয় ডলার ঘুষ প্রদান করেছেন এক ব্যক্তি। এই অভিযোগের ভিত্তিতে অস্ট্রেলিয়ার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ৫১ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে।
অস্ট্রেলিয়ার ফেডারেল পুলিশের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বিদেশি সরকারি কর্মকর্তাকে ঘুষ দেওয়ার অভিযোগে অস্ট্রেলিয়ার আদালতে মামলা ওঠার ঘটনা এটিই প্রথম।
অস্ট্রেলিয়ান ফেডারেল পুলিশ (এএফপি) নিশ্চিত করেছে, অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আজ মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) ব্রিসবেন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করার পরিকল্পনা রয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, কুইন্সল্যান্ডের রেডব্যাঙ্ক প্লেইনসের বাসিন্দা ওই ব্যক্তি নিহত নারীর পূর্বপরিচিত ছিলেন। পুলিশ দাবি করেছে, তাঁর বিরুদ্ধে বিদেশি (বাংলাদেশি) সরকারি কর্মকর্তাদের ঘুষ দেওয়ার ষড়যন্ত্র এবং ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ বাংলাদেশে পাঠানোর প্রমাণ রয়েছে।
ঘটনার সূত্রপাত
ঘটনাটি শুরু হয়েছিল প্রায় দুই বছর আগে, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে। কুইন্সল্যান্ড পুলিশ সার্ভিস (কিউপিস) এএফপির কাছে একটি প্রতিবেদন পাঠায়, যেখানে উল্লেখ করা হয়, অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশের দ্বৈত নাগরিকত্বধারী এক নারী বাংলাদেশে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছেন।
রিপোর্ট পাওয়ার পরপরই আন্তর্জাতিক সহযোগিতায় খোঁজ শুরু হয়। তবে পরদিনই বাংলাদেশ পুলিশ অস্ট্রেলীয় কর্তৃপক্ষকে জানায়, তারা ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে।
পরবর্তীতে বাংলাদেশ পুলিশের ফরেনসিক পরীক্ষায় নিশ্চিত করা হয়, মৃত্যুটি স্বাভাবিক ছিল না এবং এটি একটি ‘সন্দেহজনক মৃত্যু’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
অস্ট্রেলীয় নাগরিকদের বিদেশে হত্যাকাণ্ড, অপমৃত্যু বা গুরুতর ক্ষতির শিকার হওয়ার ঘটনায় বিচারিক এখতিয়ার রয়েছে এএফপির, যা অস্ট্রেলিয়ার ‘ক্রিমিনাল কোড’ বা ফৌজদারি কার্যবিধির ১১৫ ধারা অনুযায়ী পরিচালিত হয়। এর ভিত্তিতে এএফপির বৈশ্বিক নেটওয়ার্ক সংস্থাটি আলাদা তদন্ত শুরু করে, যা বাংলাদেশ পুলিশের চলমান তদন্তের পাশাপাশি চলে।
দুই বছরের পরিকল্পনা ও ৯০ হাজার ডলার লেনদেনের বিষয়টি এএফপির গোয়েন্দা তদন্তে বেরিয়ে আসে। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অভিযুক্ত ব্যক্তি বাংলাদেশের কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তির সঙ্গে অর্থ লেনদেনের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিলেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি মোট ৯০ হাজার অস্ট্রেলীয় ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় উল্লেখযোগ্য অঙ্কের অর্থ) বাংলাদেশে পাঠান। এই অর্থের মূল উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশের সরকারি কর্মকর্তাদের ঘুষ দিয়ে মৃত্যুর ঘটনার তদন্তকে নিজের অনুকূলে প্রভাবিত করা এবং বাংলাদেশ পুলিশের তদন্ত-সংক্রান্ত নথি ও রেকর্ড থেকে নিজের নাম পুরোপুরি বাদ দেওয়া।
তদন্ত জোরদার করতে এএফপির কর্মকর্তারা সিডনি ও ব্রিসবেনের একাধিক শীর্ষস্থানীয় আর্থিক ও ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানে আকস্মিক তল্লাশি চালান। সে সময় আন্তর্জাতিক অর্থ স্থানান্তরের গোপন রেকর্ড, ডিজিটাল ট্রানজেকশন তথ্য এবং সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাব বাজেয়াপ্ত করা হয়।
দীর্ঘ দুই বছরের নজরদারি ও তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহের পর, গতকাল (২১ সেপ্টেম্বর) কুইন্সল্যান্ডের গুডনা ও রেডব্যাঙ্ক প্লেইনস এলাকায় একযোগে অভিযান চালায় এএফপির বিশেষ দল।
অভিযানকালে ওই ৫১ বছর বয়সী ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তাঁর ঘর থেকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ইলেকট্রনিক ডিভাইস জব্দ করে ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।
অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অস্ট্রেলিয়ার ফৌজদারি কার্যবিধির ৭০.২(১) ধারায় বিদেশি সরকারি কর্মকর্তাকে ঘুষ দেওয়ার গুরুতর অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে। অস্ট্রেলীয় আইন অনুযায়ী, এই ধারার অপরাধ প্রমাণিত হলে অপরাধীকে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করতে হতে পারে।
এএফপি জানিয়েছে, ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের জন্য বিদেশি কর্মকর্তাকে ঘুষ দেওয়ার অভিযোগে তাদের ইতিহাসে এ ধরনের মামলা প্রথম হলেও, অপরাধটির ভয়াবহতার বিচারে এটি একটি ঐতিহাসিক আইনি দৃষ্টান্ত হতে যাচ্ছে।
আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ঘুষ ও দুর্নীতি দমনে অস্ট্রেলিয়া সরকারের সাম্প্রতিক কঠোর অবস্থান এই তদন্তে বড় ভূমিকা রেখেছে।
প্রতিবেদনে জানা যায়, ২০২৫ সালের ২০ অক্টোবর থেকে এএফপির বৈদেশিক ঘুষ ও দুর্নীতি দমন-সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনা করছে ‘টাস্কফোর্স সোলারিস’। এটি বহু বিষয়ক বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গঠিত একটি মাল্টিডিসিপ্লিনারি দল, যা আন্তর্জাতিক স্তরে প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি ও অর্থ পাচার রোধে কাজ করে।
এএফপি ‘ব্রাইবারি প্রিভেনশন নেটওয়ার্ক’-এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। এটি ব্যবসায়ী, নাগরিক সমাজ, শিক্ষাবিদ এবং সরকারি সংস্থার একটি যৌথ প্ল্যাটফর্ম, যা ব্যবসা ও সরকারি কার্যক্রমে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে কাজ করে।
ঘটনাটি নিয়ে এএফপির কমান্ডার স্টিফেন জয় এক কড়া বিবৃতিতে বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়ায় কিংবা বিদেশে—যেকোনো জায়গাতেই বিচারিক বা তদন্তপ্রক্রিয়াকে দুর্নীতিগ্রস্ত করার চেষ্টা করা একটি গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ। এএফপি এ জাতীয় কর্মকাণ্ডকে বিন্দুমাত্র সহ্য করবে না।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমরা ঘুষ ও দুর্নীতির অভিযোগকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নিই—বিশেষ করে যখন কোনো গুরুতর অপরাধের তদন্তের ফল পরিবর্তন করার অপচেষ্টা চালানো হয়। যারা অর্থ দিয়ে বিচার ব্যবস্থায় হস্তক্ষেপ করতে বা প্রভাব খাটাতে চাইবে, তাদের আইনগত জবাবদিহির মুখোমুখি হতেই হবে।’
কমান্ডার জয় জানান, আন্তর্জাতিক অংশীদার ও বাংলাদেশ পুলিশের সঙ্গে এএফপি নিরবচ্ছিন্ন সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করে যাচ্ছে।
অস্ট্রেলীয় পুলিশের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা হয়েছে, নাম কাটাতে ঘুষ দেওয়ার চেষ্টার ঘটনাটির বিপরীতে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হলেও, বাংলাদেশি নারীর রহস্যজনক মৃত্যুর মূল তদন্তটি এখনো শেষ হয়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু জানিয়েছেন, বাংলাদেশ পিপিআর এবং এফএমডি রোগের নিয়ন্ত্রণে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধন করেছে। তবে, ট্রান্স বাউন্ডারি অ্যানিম্যাল ডিজিজের কারণে এসব রোগের দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণ এবং নির্মূলের জন্য একক কোনো দেশের পক্ষে সম্ভব নয়। এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য ডব্লিউওএএইচ, এফএও, উন্নয়ন সহযোগী এবং আঞ্চলিক দেশগুলোর মধ্যে টেকসই অর্থায়ন, কারিগরি সহায়তা ও শক্তিশালী আঞ্চলিক সহযোগিতা অত্যন্ত প্রয়োজন।
ইতালির রোমে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) আয়োজিত ‘এফএও গ্লোবাল কনফারেন্স ফর অ্যাকশন অন ওয়ান হেলথ ইন এ্যাগ্রোফুড সিস্টেমস’ এর সাইড ইভেন্টে ‘ওয়ান হেলথ এবং সীমান্ত অতিক্রমকারী প্রাণীরোগ প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূলের মাধ্যমে কৃষি-খাদ্য ব্যবস্থার রূপান্তর’ শীর্ষক আলোচনায় তিনি আজ এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু উল্লেখ করেন, বিশ্ব প্রাণিস্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউওএএইচ) বিশেষ করে সীমান্তবর্তী এলাকায় আরও কার্যকর টিকাদান ও সক্রিয় নজরদারির সুপারিশ করেছে। বাংলাদেশ এসব কার্যক্রম বাস্তবায়নের মাধ্যমে ২০৩০ সালের মধ্যে ছাগল-ভেড়ার ভাইরাসজনিত রোগ পিপিআর মুক্ত মর্যাদা অর্জনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তিনি আরও বলেন, ডব্লিউওএএইচ-এর বৈশ্বিক কৌশল এবং ২০২৪-২০২৮ মেয়াদের জাতীয় কৌশলগত পরিকল্পনার আওতায় বাংলাদেশ দেশব্যাপী ছাগল ও ভেড়ার পিপিআর টিকাদান কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। নজরদারি কার্যক্রমে কোনো প্রাদুর্ভাব শনাক্ত না হওয়ায় বাংলাদেশ ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে ডব্লিউওএএইচ-এর কাছে পিপিআর নির্মূল কর্মসূচির ডসিয়ার জমা দিয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ প্রগ্রেসিভ কন্ট্রোল পাথওয়ে অনুসরণ করে ২০২৫-২০২৮ মেয়াদে এফএমডি নিয়ন্ত্রণ কৌশল প্রণয়ন করেছে। ইতোমধ্যে লক্ষ্যভিত্তিক এফএমডি টিকাদানের ছয়টি ধাপ সম্পন্ন হয়েছে এবং সপ্তম ধাপ বর্তমানে চলমান রয়েছে।
তিনি বলেন, নিরাপদ ও টেকসই মাংস রপ্তানির ভিত্তি গড়ে তুলতে এফএমডিমুক্ত অঞ্চল প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এসব কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
এছাড়া, তিনি আরও জানান, এফএও-এর কারিগরি সহায়তায় বাংলাদেশ এফএমডির জন্য একটি ক্লিনিক্যাল ম্যানেজমেন্ট গাইডলাইন এবং প্রাণীরোগ প্রাদুর্ভাব তদন্ত ও প্রতিক্রিয়া বিষয়ক একটি ফিল্ড ম্যানুয়াল প্রণয়ন করেছে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় জাতীয় এফএমডি নিয়ন্ত্রণ কৌশল ২০২৫-২০২৮ এবং পিপিআর নির্মূলের জাতীয় কৌশলগত পরিকল্পনা ২০২৪-২০২৮ আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন করেছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, এফএমডির এসএটি-১ সেরোটাইপের বিস্তার নিয়ে বিশ্বব্যাপী উদ্বেগ বৃদ্ধি পাচ্ছে। যদিও বাংলাদেশে এই সেরোটাইপ এখনও শনাক্ত হয়নি, তবে আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিক সীমান্ত পারাপার, প্রাণিসম্পদের চলাচল, প্রাণিসম্পদ-সম্পর্কিত উপকরণ আমদানি এবং ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে প্রাণীর বর্ধিত চলাচলের মাধ্যমে এর প্রবেশের ঝুঁকি রয়েছে।
প্যানেল আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন তানজানিয়ার প্রধানমন্ত্রী মুইগুলু লামেক নচেম্বা, চাদের প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আবদেরাহিম আওয়াত আবেইথ, ক্যামেরুনের প্রাণিসম্পদ, মৎস্য ও প্রাণী শিল্পবিষয়ক মন্ত্রী তাইগা, নাইজেরিয়ার প্রাণিসম্পদ উন্নয়নবিষয়ক মন্ত্রী ইদি মুখতার মাইহা, মঙ্গোলিয়ার খাদ্য, কৃষি ও হালকা শিল্প মন্ত্রণালয়ের স্টেট সেক্রেটারি জামবালসেরেন তুমুর-উয়া, আফ্রিকান ইউনিয়ন কমিশনের ড. ওয়ার্কনেহ গেবেয়েহু, ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মার্টিন সেলমায়ার প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নিউইয়র্ক, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ : জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে অংশগ্রহণের জন্য নিউইয়র্কে অবস্থানরত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাইডলাইন বৈঠক করেছেন বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা।
প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব এ কে এম নাজমুল হক জানিয়েছেন, আজ মঙ্গলবার সকালে এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকের সময় বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রাধিকার, অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
এছাড়া, বিশ্বব্যাংকের সহযোগিতাকে বাংলাদেশের উন্নয়ন কার্যক্রমে আরও জোরদার করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে পারস্পরিক অংশীদারিত্বের ক্ষেত্রগুলো সম্প্রসারণের সম্ভাবনা নিয়েও তারা মতবিনিময় করেছেন বলেও জানান প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টাঙ্গাইলের বাসাইল জিসি-কাউলজানী সড়কে এলজিইডির প্রায় ১০ কোটি ৯ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত হচ্ছে ৯০ দশমিক ৬ মিটার দীর্ঘ পিএসসি গার্ডার সেতুটি। অভিযোগ রয়েছে, গত রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাতে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের লোকজন কাউকে না জানিয়ে সেতুর ফুটপাতের স্ল্যাব তৈরিতে রডের পরিবর্তে বাঁশ দিয়ে ঢালাইয়ের কাজ চালান। স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে বাধা দিলে কাজ বন্ধ রাখা হয় এবং মোবাইল ফোনে সেই দৃশ্যের ভিডিও ধারণ করেন। পরবর্তীতে সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে।
ঘটনা জানাজানির পর সোমবার দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন বাসাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইকবাল হোসেন। প্রাথমিক তদন্তে সত্যতা পাওয়ায় উপজেলা প্রকৌশলী কার্যালয়ের উপসহকারী প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। এছাড়া জেলা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী ও উপজেলা প্রকৌশলীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে। গঠন করা হয়েছে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটিও।
সর্বশেষ আজ মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাসাইল পৌরসভার মাইজখাড়া এলাকা থেকে মামলার প্রধান অভিযুক্তদের একজন ও সাব-ঠিকাদার শাহ আলমকে (৪০) গ্রেপ্তার করে পুলিশ। বাসাইল উপজেলা প্রকৌশলী কাজী ফাত্তাউর রহমান বাদী হয়ে ঠিকাদার এস এম জাহাঙ্গীর আলম ও সাব-ঠিকাদার শাহ আলমকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেন।
বাসাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর কবির জানিয়েছেন, গ্রেপ্তারকৃত সাব-ঠিকাদারকে আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতের মাধ্যমে জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি করা হবে। এছাড়া মূল ঠিকাদার এস এম জাহাঙ্গীর আলমকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। জনস্বার্থের এই গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পে দুর্নীতি ও অনিয়মের সঙ্গে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ