বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৫:৩৪ পি.এম
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপ-নির্বাচন আগামী দিনের নির্বাচনগুলোতে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন সামনে এনেছে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এই মন্তব্য করেন তিনি।
গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘নির্বাচনী প্রচারণার সময় থেকে শুরু করে ভোটগ্রহণ পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনে যেসব অভিযোগ দেয়া হয়েছে তার একটিরও সুরাহা করা হয়নি৷’
তিনি আরও বলেন, ‘কেন্দ্রে যেতে ভোটারদের বাধা দেয়া হয়েছে। সংখ্যালঘু ভোটারদের সরকারি দলের প্রার্থীর পক্ষ থেকে হুমকি দেয়া হয়েছে।’
জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল অভিযোগ করেন, বিএনপির নেতাকর্মীরা ভোটারদের মানসিক চাপ প্রয়োগ করে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছে।
তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচনের ফলাফল আগেই নির্ধারণের চেষ্টা করেছে প্রশাসন। ভোটগ্রহণ সুষ্ঠু করতে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ঠাকুরগাঁওয়ের ভোট আগামীর নির্বাচনগুলোতে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন সামনে এনেছে৷’
এর আগে সকাল ৮টায় ঠাকুরগাঁও-১ আসনে উপ-নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়। চলে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলায় ১১৩টি, নবগঠিত রুহিয়া উপজেলায় ৩৩টি এবং ভুল্লী উপজেলায় ৩৯টি কেন্দ্রে ভোটগ্রণ অনুষ্ঠিত হয়।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসনে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২ লাখ ২৮ হাজার ৭৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। পরে তিনি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় আসনটি শূন্য হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে এ আসনে উপ-নির্বাচনের আয়োজন করে নির্বাচন কমিশন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ (সদর, রুহিয়া ও ভুল্লী) আসনের উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিকেল ৪টায় ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর গণনা শুরু হয়।
সকাল ৮টা থেকে একযোগে ১৮৫টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ শুরু হয়।
এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৪০ জন। নির্বাচনে ৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
প্রার্থীদের মধ্যে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকে রয়েছেন মির্জা ফয়সল আমিন, জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে দেলাওয়ার হোসেন, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের বটগাছ প্রতীকে মো. আব্দুল আলীম নিজামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকে মো. খাদেমুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসের ডাব প্রতীকে হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক।
নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার জন্য ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। নিরাপত্তার দায়িত্বে ২১ প্লাটুন বিজিবি, স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নের (এসআরবি) ২৫১ সদস্য, ২ হাজার ২৭২ জন পুলিশ এবং আনসার বাহিনীর ২ হাজার ৪৬৫ সদস্য ছিলেন। পাশাপাশি দায়িত্ব পালন করেন বিচারিক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা।
নিজ কেন্দ্রে ভোট দিয়ে জয়ের আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বিএনপি প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন। কিছু কেন্দ্রে অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন জামায়াত প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন।
অপরদিকে, যে কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর ছিল।
একটি কেন্দ্রে জাল ভোট দেয়ার চেষ্টার অভিযোগে ৩ জনকে আটক করা হয়।
প্রতীকসহ ভোটারদের স্লিপ দিয়ে নির্বাচনী নীতিমালা অমান্য করায় এক জামায়াত নেতাকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের সভাপতি ও ঐতিহাসিক আলেম দ্বীনি বিদ্যাপীঠ দারুল উলুম দেওবন্দের সদরুল মুদাররিসিন (প্রধান শিক্ষক) মাওলানা সাইয়্যেদ আরশাদ মাদানী অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। গত কয়েক দিন ধরে তিনি শারীরিক নানা জটিলতা ও অসুস্থতায় ভুগছেন বলে জানা গেছে।
সংশ্লিষ্ট ও পারিবারিক সূত্রে জানানো হয়েছে, সম্প্রতি তিনি বুকের কাছে বা হৃদযন্ত্রের কাছাকাছি স্থানে অস্বস্তি ও ব্যথা অনুভব করেন। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর দায়িত্বরত চিকিৎসকরা তাকে দ্রুত এনজিওগ্রাফি করানোর পরামর্শ দিয়েছেন।
বর্তমানে তিনি চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। এ অবস্থায় তার দেশ-বিদেশের অগণিত অনুসারী, ছাত্র, শুভাকাঙ্ক্ষী ও ধর্মীয় সংগঠনগুলোর কাছে মাওলানা আরশাদ মাদানীর দ্রুত ও পূর্ণ সুস্থতা এবং দীর্ঘায়ুর জন্য বিশেষ দোয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
উপমহাদেশের প্রখ্যাত এই আলেম ও ইসলামি চিন্তাবিদ ১৯৪১ সালে ভারতের উত্তর প্রদেশের দেওবন্দে এক ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা ছিলেন ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের মহান নেতা ও আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন আলেম শাইখুল ইসলাম মাওলানা সাইয়্যেদ হোসাইন আহমদ মাদানী (রহ.)।
শৈশবেই পবিত্র কুরআন হিফজ সম্পন্ন করার পর তিনি দারুল উলুম দেওবন্দে ফার্সি ও আরবি ভাষা এবং উচ্চতর ইসলামি শিক্ষায় আত্মনিয়োগ করেন। ১৯৬৩ সালে তিনি প্রতিষ্ঠানটি থেকে প্রথম বিভাগে সম্মানজনকভাবে দাওরায়ে হাদিস সম্পন্ন করেন এবং পরবর্তীতে দীর্ঘ সময় মদীনা মুনাওয়ারায় অবস্থান করে জ্ঞান অর্জন করেন।
শিক্ষাজীবন সমাপ্তির পর ১৯৬৪ সালে শিক্ষকতার মাধ্যমে তাঁর বর্ণাঢ্য কর্মজীবনের সূচনা হয়। পরবর্তীতে ১৯৮২ সালে তিনি দারুল উলুম দেওবন্দে মুহাদ্দিস হিসেবে যোগ দেন এবং ১৯৯৬ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ১২ বছর প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষা সচিবের গুরুদায়িত্ব সুনামের সঙ্গে পালন করেন।
বর্তমানে তিনি দারুল উলুম দেওবন্দের সদরুল মুদাররিসিন বা প্রধান শিক্ষক এবং অন্যতম শীর্ষ হাদিস বিশারদ হিসেবে সুনানুত তিরমিযী অধ্যাপনায় নিয়োজিত রয়েছেন। শিক্ষকতার পাশাপাশি তিনি বিশ্বখ্যাত মুসলিম বিশ্ব লিগ (রাবেতা আল-আলম আল-ইসলামী) এবং সৌদি আরবের আন্তর্জাতিক হাদিস বোর্ডের নির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবে বিশ্বমঞ্চে প্রতিনিধিত্ব করছেন।
অধ্যাপনার পাশাপাশি দেশের সামাজিক ও ধর্মীয় রাজনীতিতেও মাওলানা আরশাদ মাদানী গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন। ১৯৮৪ সালে জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের কার্যনির্বাহী সদস্য নির্বাচিত হওয়ার মধ্য দিয়ে তাঁর সাংগঠনিক জীবনের বড় অধ্যায় শুরু হয় এবং ২০০৬ সালে তিনি সংগঠনটির সভাপতি নির্বাচিত হন।
পরবর্তীতে ২০২১ সালে তিনি উপমহাদেশের ঐতিহ্যবাহী সম্মাননা ‘আমিরুল হিন্দ’ হিসেবেও ভূষিত হন। তিনি ভারতে ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষা, মুসলিম জনগোষ্ঠীর নাগরিক ও মৌলিক অধিকার রক্ষা এবং শিক্ষাবিস্তারে অত্যন্ত সোচ্চার ভূমিকা পালন করে আসছেন।
ধর্মীয় শিক্ষা বিস্তার ও গবেষণার ক্ষেত্রেও তার অবদান ব্যাপক। তিনি হিন্দি ভাষায় পবিত্র কুরআনের অনুবাদ ও তাফসির রচনায় মুখ্য ভূমিকা পালন করেছেন এবং প্রাচীন ইসলামি পান্ডুলিপি সম্পাদনায় অবদান রেখেছেন।
এছাড়াও 'মাদানি চ্যারিটেবল ট্রাস্ট'-এর মাধ্যমে তিনি ভারতজুড়ে বহু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপন এবং সুবিধাবঞ্চিত মানুষের চিকিৎসাসহ সার্বিক মানবসেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। ভারতের পাশাপাশি বাংলাদেশের আলেমসমাজ ও সাধারণ ধর্মপ্রাণ মানুষও তাঁর আশু আরোগ্য ও দীর্ঘায়ু কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে সৃজনশীলতার নতুন সম্ভাবনা তুলে ধরার উদ্দেশ্যে প্রাণ-আরএফএল প্রেজেন্টস প্রিজম এআই ক্রিয়েটিভ অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬-এর চূড়ান্ত প্রতিযোগী খুঁজে বের করার জন্য দেশের চলচ্চিত্র, বিজ্ঞাপন, ব্র্যান্ডিং, ফ্যাশন, সংগীত, মার্কেটিং ও সৃজনশীল যোগাযোগশিল্পের বিশিষ্ট পেশাজীবীরা অংশগ্রহণ করেছেন। চূড়ান্ত বিচারকাজের আয়োজন দ্য ডেইলি স্টার কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
স্পাইকস্টোরি লিমিটেডের উদ্যোগে আয়োজিত এই জাতীয় পর্যায়ের অনুষ্ঠানের মূল প্রতিপাদ্য হলো ‘হিউম্যান ক্রিয়েটিভিটি, এআই পসিবিলিটিস’। মানুষের কল্পনা, সৃজনশীল চিন্তা ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সমন্বয়ে নতুন ধরনের সৃজনশীল কাজকে উৎসাহিত করা এবং বাংলাদেশের এআই ক্রিয়েটিভ কমিউনিটিকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।
চূড়ান্ত বিচারকমণ্ডলীতে রয়েছেন চলচ্চিত্র নির্মাতা অমিতাভ রেজা চৌধুরী, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের হেড অব মার্কেটিং তানজিলা বাহার চৌধুরী, সিবস সল্যুশনের প্রতিষ্ঠাতা হাসিব হাসান চৌধুরী, হাভাস বাংলাদেশের সিইও ও লেখক কিংকর আহসান, বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের গ্রুপ চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার ও এক্সিকিউটিভ এডিটর সাজিদ মাহবুব, ড্রিক ড্রামার হাসিবুল হোসেন উপল, হাউস অব আহমেদের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর আহমেদ তুহিন রেজা, শূন্য’র কমিউনিকেশনস স্ট্র্যাটেজিস্টের লিড গিটারিস্ট ইসমামুল ফারহাদ এবং এসিআই লজিস্টিকস লিমিটেডের মার্কেটিং ডিরেক্টর ও সংগীতশিল্পী মাহাদী ফয়সাল।
বিভিন্ন শিল্পে তাদের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা এআই-নির্ভর সৃজনশীল কাজের মৌলিকত্ব, প্রযুক্তির ব্যবহার, গল্প বলার সক্ষমতা, নান্দনিকতা এবং সামগ্রিক প্রভাব মূল্যায়নে বহুমাত্রিক দৃষ্টিভঙ্গি যুক্ত করেছে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সৃজনশীল কাজের প্রচলিত পদ্ধতিকে দ্রুত পরিবর্তন করছে। এই বাস্তবতায় প্রিজমের লক্ষ্য শুধুমাত্র এআই প্রযুক্তির ব্যবহারকে স্বীকৃতি দেয়া নয় বরং প্রযুক্তির পেছনে থাকা মানুষের নিজস্ব ভাবনা, মৌলিক ধারণা, গল্প বলার দক্ষতা ও সৃজনশীল সিদ্ধান্তকে গুরুত্ব দেয়া।
চূড়ান্ত পর্যায়ে জমা পড়া কাজগুলোর বৈচিত্র্য বাংলাদেশের এআই-নির্ভর সৃজনশীলতার ক্রমবর্ধমান আগ্রহ ও সম্ভাবনাকে তুলে ধরেছে। ফলে সেরা কাজ নির্বাচন করতে বিচারকদের সামনে মৌলিকত্ব, সৃজনশীল বাস্তবায়ন, প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার এবং সামগ্রিক প্রভাব বিবেচনার চ্যালেঞ্জ ছিল।
এবারের আয়োজনে চারটি বিভাগে কাজ মূল্যায়ন করা হচ্ছে—এআই বিজ্ঞাপন, এআই স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র, এআই মিউজিক ভিডিও এবং এআই ফ্যাশন। বিজ্ঞাপন, চলচ্চিত্র, সংগীত ও ফ্যাশনশিল্পে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বহুমুখী ব্যবহার এবং নতুন সৃজনশীল সম্ভাবনাকে সামনে আনাই এসব বিভাগের উদ্দেশ্য।
স্পাইকস্টোরি লিমিটেডের উদ্যোগ প্রিজম এআই ক্রিয়েটিভ অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬-এর লক্ষ্য হলো নতুন প্রজন্মের ক্রিয়েটরদের পরীক্ষা-নিরীক্ষা, উদ্ভাবন ও নিজস্ব সৃজনশীল ভাষা বিকাশে উৎসাহিত করা। একই সঙ্গে এ উদ্যোগ ক্রিয়েটরদের সঙ্গে শিল্পের অভিজ্ঞ পেশাজীবীদের সংযোগ তৈরি এবং বাংলাদেশের এআই-নির্ভর সৃজনশীল কাজকে বৃহত্তর পরিসরে তুলে ধরার সুযোগ সৃষ্টি করতে চায়।
প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে মানুষের সৃজনশীলতার সম্পর্ক কীভাবে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে, তা তুলে ধরার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রতিযোগিতা করার উপযোগী সৃজনশীল কাজ তৈরিতেও ভূমিকা রাখতে চায় এই আয়োজন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) কারিগরি মূল্যায়ন কমিটি ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের সর্বোচ্চ খুচরা দাম ১ হাজার ৯৭৬ টাকা করার প্রস্তাব করেছে।
এই প্রস্তাবটি পরিচালন ব্যয়, অর্থায়ন ব্যয় এবং আমদানি খরচ বৃদ্ধির কারণে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে, এই সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৮৩৭ টাকা রয়েছে।
এছাড়া, এলপিজির মজুত, বোতলজাতকরণ ও বিতরণ চার্জ এবং কমিশন বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছেন আমদানিকারক, পরিবেশক এবং খুচরা বিক্রেতারা।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাজধানীর নিউ ইস্কাটনে বিয়াম মিলনায়তনে বিইআরসির শুনানিতে তারা এই দাবি উত্থাপন করেন।
অন্যদিকে, ব্যবসায়ীরা ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২২৩২ টাকা করার প্রস্তাব করেছেন।
এছাড়া, পরিবেশক কমিশন ৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৫০ টাকা এবং রিটেইলার কমিশন ৪৫ থেকে বাড়িয়ে ৭০ টাকায় পুনর্বনির্ধারণের প্রস্তাব করেছেন ডিলাররা।
বিইআরসি চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, সব পক্ষের স্বার্থ বিবেচনা করে যৌক্তিকভাবে এলপিজির দাম সমন্বয় করা হবে।
অপরদিকে, গোয়ান্দা রিপোর্টে ৫টি এলপিজি সাপ্লাই কোম্পানি কৃত্রিম সংকটের বিরুদ্ধে অভিযোগ নিষ্পত্তি না হওয়া এবং ভোক্তা পর্যায়ে স্বস্তি না মেলায় অনুষ্ঠান বয়কট করে বাংলাদেশ অর্থনিতি সমিতি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ