০৪:৫৭ পি.এম
সমাজসেবা অধিদপ্তর কর্তৃক বরাদ্দকৃত অর্থের পরিমাণ ১৪ কোটি ৭৯ লাখ ৩৭ হাজার ৫০০ টাকা।
এই বিপুল পরিমাণ অর্থ গ্রামীণ দরিদ্র ও নিম্নআয়ের জনগণের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের সহজ শর্তে ঋণ সুবিধা নিশ্চিত করার জন্য পল্লী সমাজসেবা কার্যক্রমের আওতায় আবর্তক ক্ষুদ্রঋণ খাতে তৃতীয় ও চতুর্থ কিস্তির জনগণের জন্য ছাড় করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাবে অর্থ স্থানান্তরের জন্য সোনালী ব্যাংক পিএলসিকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে জেলা ও উপজেলা এবং ইউনিটভিত্তিক বিভাজন অনুযায়ী।
আরও পড়ুন: পুলিশের ১১ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে
এ তথ্য সম্প্রতি সমাজসেবা অধিদপ্তরের কার্যক্রম-১ শাখা থেকে জারি করা এক অফিস আদেশে প্রকাশ করা হয়েছে। পরিচালক (কার্যক্রম) মোস্তফা মোস্তাকুর রহিম খান এ অফিস আদেশে স্বাক্ষর করেছেন।
অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়, সমাজসেবা অধিদপ্তরের পরিচালিত ‘পল্লী সমাজসেবা (আরএসএস) কার্যক্রম’-এর আওতায় ‘পল্লী সমাজসেবা কার্যক্রম: আবর্তক ক্ষুদ্রঋণ’ (কোড নম্বর-১২০০১৩১০১) খাতে ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের বাজেট থেকে তৃতীয় ও চতুর্থ কিস্তির অর্থের বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
বরাদ্দের মধ্যে ১৪ কোটি ৬১ লাখ ৫০ হাজার টাকা আবর্তক ক্ষুদ্রঋণ খাতে, প্রশিক্ষণ খাতে ৬ লাখ ৮৭ হাজার ৫০০ টাকা এবং অন্যান্য মনিহারি খাতে ১১ লাখ টাকা রয়েছে। ফলে, মোট বরাদ্দের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৪ কোটি ৭৯ লাখ ৩৭ হাজার ৫০০ টাকা।
অধিদপ্তর জানিয়েছে, বরাদ্দকৃত অর্থ সোনালী ব্যাংক পিএলসির স্থানীয় কার্যালয়, মতিঝিলে আরএসএস কার্যক্রম ঘূর্ণায়মান তহবিল শীর্ষক চলতি হিসাবে জমা রাখা হয়েছে। সেখান থেকে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাবে অর্থ স্থানান্তর করা হবে দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের অনুকূলে।
আরও পড়ুন: দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে মানুষ হিমশিম খাচ্ছে: মিয়া গোলাম পরওয়ার
এ লক্ষ্যে সোনালী ব্যাংক পিএলসির স্থানীয় কার্যালয়ের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজারকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। সেই সঙ্গে বিভাগীয় পরিচালক, জেলা সমাজসেবা কার্যালয় এবং উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তাদেরও বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে।
অফিস আদেশে জেলা সমাজসেবা কার্যালয়গুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তাদের জেলার আওতাধীন উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের অনুকূলে বরাদ্দকৃত অর্থ সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাবে জমা হওয়ার পর প্রাপ্তি স্বীকারপত্র সমাজসেবা অধিদপ্তরে পাঠাতে হবে।
এ ছাড়া, বরাদ্দসংক্রান্ত আদেশটি অর্থ শাখা এবং আইসিটি শাখার মাধ্যমে অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশের জন্য নির্দেশিত হয়েছে, যাতে সংশ্লিষ্ট সব দপ্তর দ্রুত তথ্যটি জানতে পারে এবং অর্থ ছাড়ের কার্যক্রমে কোনো বিলম্ব না হয়।
সমাজসেবা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আরএসএস কার্যক্রম দেশের গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। এ কর্মসূচির আওতায় স্বল্প সুদে আবর্তক ক্ষুদ্রঋণ প্রদান, প্রশিক্ষণ, দক্ষতা উন্নয়ন এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা তৈরির মাধ্যমে দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে আত্মকর্মসংস্থানে উদ্বুদ্ধ করা হয়।
আরও পড়ুন: ‘গণঅভ্যুত্থানের পরতে পরতে হাসনাত ও সারজিসের গাদ্দারি খুঁজে পাওয়া যাবে’
বিশেষ করে ভূমিহীন, প্রান্তিক কৃষক, নারী, বিধবা, প্রতিবন্ধী ও আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা মানুষের আয়বর্ধক কর্মকাণ্ডে এ কর্মসূচির ইতিবাচক প্রভাব রয়েছে।
সূত্র : বাসস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন