০৯:৫৫ এম
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রাজনৈতিক দল, চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের পরে নির্বাচনে আবির্ভূত হয়েছে। সাত বছর পর দলটির গঠনতন্ত্রে আসছে বেশ কিছু বড় সংশোধন। এই সংশোধনীর ফলে দলে নিয়ন্ত্রণে আসবে আর্থিক খাত। এবারের গঠনতন্ত্রে সদস্য ছাড়া সাংবিধানিক বড় পদে আসীন হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হবে।
দলীয় সূত্র জানাচ্ছে, বর্তমান আমিরের অর্ধযুগের সময়ে প্রথমবারের মতো গঠনতন্ত্রে ছোট বড় মিলিয়ে প্রায় ১৪টি সংশোধনীর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে জামায়াত।
গঠনতন্ত্রের ষষ্ঠ অধ্যয়ের ৬৮ নম্বর ধারায় একটি নতুন উপধারা যুক্ত হচ্ছে, যা নির্দিষ্ট করবে জেলা ও মহানগর আমিরদের অর্থ ব্যয়ের সীমা। একই অধ্যায়ে আরও পরিষ্কারভাবে বর্ণনা করা হবে দলটির আয়ের উৎসের সকল তথ্য।
আরও পড়ুন: আজ যেসব দামে স্বর্ণ ও রুপা বিক্রি হচ্ছে
শুধু আর্থিক খাতেই নয়, গঠনতন্ত্রের তৃতীয় অধ্যায়ে নতুন ধারার মাধ্যমে কেন্দ্রীয় সংগঠনের অধীনে উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করা হবে। এই পরিষদে দলের সঙ্গে সরাসরি জড়িত না থেকেও বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখা ব্যক্তিদের স্থান দেয়া হতে পারে। এছাড়া আরো বেশকিছু ধারায় সংশোধন ও পরিমার্জন আসবে।
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘গত মজলিসে শুরা হয়ে গেল। ২৩তম সংশোধনী প্রস্তাব শুরাতে আনা হয়েছে। কিছু আংশে আমরা সংশোধনী চূড়ান্ত করেছি। আমাদের একটি সংশোধনী কমিটি রয়েছে। সেই কমিটিতে প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করতে হয়। এরপর তা নির্বাহী পরিষদে যেতে হয়। এভাবেই আমরা সবার কাছে পৌঁছেছি এবং ২৬ জুন বিষয়টি আলোচনা হয়েছে।’
জামায়াতের এই নেতা আরও বলেন, ‘উপদেষ্টা পরিষদ গঠনের প্রস্তাব আমাদের কাছে এসেছে। এটি নিয়ে শুরা সদস্যদের মধ্যে প্রথম আলোচনা প্রাথমিক পর্যায়ে হয়েছে। বিষয়টি আরও আলোচনার জন্য আসছে, যা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। আগামী শুরাতে আবার আলোচনা হবে, তখন দেখা যাবে। সংশোধনী গোপন থাকে না, সব কিছুই ওয়েবসাইটে প্রকাশ হয়ে যায়।
আরও পড়ুন: ইশরাকের পদত্যাগ কোনো অধ্যায়ের সমাপ্তি নয়: মাহদী আমিন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন