ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রেজাল্ট প্রকাশের আগেই না ফেরার দেশে ববি শিক্ষার্থী সুমাইয়া


রেজাল্ট প্রকাশের আগেই না ফেরার দেশে ববি শিক্ষার্থী সুমাইয়া

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সুমাইয়া আক্তার সোহা, যিনি ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের (১০ম ব্যাচ) শিক্ষার্থী ছিলেন, শনিবার বেঁচে থাকার একটি নতুন সূচনা দেখার আগেই পরলোক গমন করলেন। সামনের সপ্তাহে অনার্স পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হওয়া উচিত ছিল, যেখানে তার ৩.৫০-এর বেশি সিজিপিএ (CGPA) আশা করা হচ্ছিল। কিন্তু, সেই সুখবর আর তাকে দেখা হলো না। হাস্যোজ্জ্বল এবং প্রতিভাধর এই তরুণী নিয়তির নির্মম পরিহাসে, সাফল্যের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে একেবারে চোখ বুজে গেলেন।

শুক্রবার (১০ জুলাই) দুপুর ২:৩০ মিনিটে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তার গ্রামের বাড়ি পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া। শিক্ষাজীবনের পাশাপাশি, সুমাইয়া ক্লাসের অন্যান্য কার্যক্রমেও অসাধারণ ছিলেন। তার প্রজেক্ট সুপারভাইজার এবং পরিসংখ্যান ও তথ্য বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক আহসানুল হক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সুমাইয়ার স্মৃতি তুলে ধরে জানান, সুমাইয়া সবসময় সেরা পারফর্মার হিসেবে প্রজেক্টের স্টুডেন্ট ছিলেন এবং ব্যাচের প্রেজেন্টেশনগুলোতে তার পারফরমেন্স অতুলনীয় ছিল।

শিক্ষাজীবনে অসাধারণ সাফল্যের পাশাপাশি, সুমাইয়া ব্যক্তিগত জীবনে নতুন অধ্যায় শুরু করেছিলেন। সংসার ও ক্যারিয়ার নিয়ে তার অনেক স্বপ্ন ছিল, কিন্তু দুঃখের বিষয় ২৪ বছর বয়সে তিনি সবকিছু রেখে চলে গেলেন।

আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে অপহরণ ও ডাকাতির মামলায় পুলিশ কনস্টেবলসহ গ্রেপ্তার ৪, উদ্ধার ৩ মোটরসাইকেল

সুমাইয়ার অকাল প্রয়াণে তার সহপাঠী, শিক্ষক ও পরিবারে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সহপাঠীরা জানাচ্ছেন, সুমাইয়া ছিল অত্যন্ত হাস্যোজ্জ্বল এবং বন্ধুসুলভ একজন মানুষ। তার এই আকস্মিক চলে যাওয়া সত্যি কেউ মেনে নিতে পারছে না।

পরিবারের পক্ষ থেকে এবং তার সহপাঠীরা সুমাইয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনা করে সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন এবং বলেছেন, জীবনে চলার পথে যদি কোনো ভুলত্রুটি হয়ে থাকে তবে তা মার্জনা করবেন।

১১ জুলাই শনিবার সকাল ১০ ঘটিকায় তার নিজ গ্রামে, পিরোজপুরের মঠবাড়িয়াতে জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে এবং তার পরে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।

আরও পড়ুন: টেকনাফে বিজিবির পৃথক অভিযানে সাড়ে ৪ লাখ ইয়াবা উদ্ধার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রুশ ড্রোন ও বোমা হামলায় কাঁপছে জাপোরিঝঝিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৫৪ এম


রুশ ড্রোন ও বোমা হামলায় কাঁপছে জাপোরিঝঝিয়া

ইউক্রেনের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় শহর জাপোরিঝঝিয়াতে রাশিয়ার হামলা নতুন একটি মাত্রা পেয়েছে। সামনের যুদ্ধরেখা থেকে মাত্র ২৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত শহরটিতে এখন নিয়মিতভাবে হামলার লক্ষ্যবস্তু হচ্ছে স্কুল, সরকারি অফিস, গণপরিবহন, জ্বালানি স্টেশন ও আবাসিক ভবন। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, গত কয়েক সপ্তাহের মধ্যে পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি ঘটছে এবং প্রতিটি দিন এখন আতঙ্কের মধ্যেই কাটছে।

ভোর পাঁচটার একটু আগে জাপোরিঝঝিয়ার বাসিন্দা আন্না হলোভচেঙ্কোর ঘুমে ব্যাঘাত ঘটে রুশ বাহিনীর গ্লাইড বোমার বিস্ফোরণের শব্দে। শহরের উপকণ্ঠে একের পর এক বোমা আঘাত হানার পর মাত্র এক ঘণ্টার ব্যবধানে শুরু হয় ড্রোন হামলার নতুন একটি দফা। ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ড্রোনগুলো ভূপাতিত করার চেষ্টা চালালেও বিস্ফোরণের শব্দে পুরো শহর কেঁপে ওঠে।

আন্না তার অভিজ্ঞতা শেয়ার করে বলেন, এরপর আর ঘুমানোর সুযোগ ছিল না। তিনি দ্রুত কাজে যাওয়ার প্রস্তুতি নেন। কিছুক্ষণ পরে একটি ইরানি নকশার শাহেদ ড্রোন তার কর্মস্থলের কাছেই বিস্ফোরিত হয়। আরেকটি ড্রোন বিদ্যুতের তারে আঘাত করলে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

তার কথায়, “জাপোরিঝঝিয়ায় এখন এটাই স্বাভাবিক একটি দিনের চিত্র।”

গত কয়েক সপ্তাহে শহরের বিভিন্ন স্কুল, সরকারি অফিস, জ্বালানি স্টেশন, গণপরিবহনের বাস, ব্যক্তিগত গাড়ি এবং বহু আবাসিক ভবনে হামলা চালিয়েছে রুশ বাহিনী।

জাপোরিঝঝিয়ার ভারপ্রাপ্ত মেয়র রেজিনা খারচেঙ্কো জানিয়েছেন, একদিনের তীব্র হামলার সময় তিনি আশ্রয়কেন্দ্রে না গিয়ে নিজের বাসার বাথরুমে আশ্রয় নিতে বাধ্য হন। তিনি মন্তব্য করেছেন, “শত্রুপক্ষ এখন বেসামরিক মানুষ, পৌর পরিবহন, ব্যক্তিমালিকানাধীন বাস, আবাসিক ভবন, এমনকি শিশুদেরও লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে।”

ক্রমবর্ধমান হামলার মুখে জাপোরিঝঝিয়া সিটি কাউন্সিলকে সম্প্রতি ভূগর্ভস্থ আশ্রয়কেন্দ্রে বৈঠক করতে হয়েছে, যেখানে শহরের নিরাপত্তা জোরদারে নতুন আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ, গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ড্রোন প্রতিরোধী জাল বসানো এবং স্কুল, হাসপাতাল ও সরকারি ভবনের জানালায় বিস্ফোরণ-প্রতিরোধী বিশেষ সুরক্ষা ফিল্ম লাগানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

মেয়র খারচেঙ্কো জানিয়েছেন, “আমি ব্যক্তিগতভাবেও খুব ভয় পাই। রাতে অনেক সময় নিজের অ্যাপার্টমেন্টের করিডরের মেঝেতে ঘুমাই। আমি সাধারণ একজন মানুষ, আমার ব্যক্তিগত কোনও বাঙ্কার বা দেহরক্ষী নেই।”

ইউক্রেনীয় বাহিনী কিছু এলাকায় রুশ সেনাদের শহর থেকে কয়েক কিলোমিটার পিছিয়ে দিতে সক্ষম হলেও হামলা কমেনি; বরং বেড়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এর অন্যতম কারণ হলো এখন রাশিয়া ছোট আকারের কিন্তু অত্যন্ত প্রাণঘাতী ফার্স্ট-পার্সন-ভিউ (এফপিভি) ড্রোন ব্যবহার করছে, যা আগে এত দূর পর্যন্ত পৌঁছাতে পারত না।

লন্ডনভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান রয়্যাল ইউনাইটেড সার্ভিসেস ইনস্টিটিউট-এর সামরিক বিশ্লেষক স্যাম ক্র্যানি-ইভানস জানিয়েছেন, রুশ বাহিনী এখন দীর্ঘপাল্লার ‘মাদারশিপ’ ড্রোন ব্যবহার করছে, যেগুলো বহন করে নিয়ে যায় একাধিক ছোট ড্রোন। পরে সেগুলো আলাদা হয়ে বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে।

তিনি আরও যোগ করেছেন, রাশিয়া এখন ‘মেশ নেটওয়ার্কিং’ প্রযুক্তি ব্যবহার করছে, যেখানে একটি ড্রোন অন্য ড্রোনের মাধ্যমে রেডিও সংকেত আদান-প্রদান করতে পারে। ফলে ইলেকট্রনিক জ্যামিং এড়ানো সহজ হয় এবং অনেক দূরের লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানোর সুযোগ সৃষ্টি হয়।

বিশ্লেষকদের মতে, ইউক্রেনের ইলেকট্রনিক যুদ্ধ সক্ষমতার কিছু অংশ অন্য ফ্রন্টে সরিয়ে নেওয়া জাপোরিঝঝিয়ায় রুশ হামলার বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হতে পারে।

স্থানীয় কর্তৃপক্ষের তথ্যানুযায়ী, জুন মাসের শেষ সপ্তাহে জাপোরিঝঝিয়া অঞ্চলে রাশিয়ার ৮৮৪টি ড্রোন ভূপাতিত করেছে ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা বাহিনী।

যদিও দক্ষিণাঞ্চলে রুশ বাহিনী কিছুটা পিছিয়ে গেছে, তবু ইউক্রেনের অন্য কয়েকটি ফ্রন্টে তারা ধীরগতিতে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। অন্যদিকে ইউক্রেন সাম্প্রতিক সময়ে রাশিয়ার তেল শোধনাগার, জ্বালানি সংরক্ষণাগার এবং দখলকৃত অঞ্চলের সরবরাহ ব্যবস্থায় ধারাবাহিক হামলা চালিয়ে রুশ সেনাদের অগ্রযাত্রা কিছুটা বাধাগ্রস্ত করতে সক্ষম হয়েছে।

প্রায় সাড়ে চার বছর ধরে চলা যুদ্ধের মধ্যেও জাপোরিঝঝিয়ার কয়েক লাখ মানুষ এখনো শহর ছেড়ে যাননি। বাসিন্দা আন্না হলোভচেঙ্কো বলেন, “আমাদের খাবার আছে, জ্বালানি আছে। তাহলে কেন চলে যাব? হয়তো আমি সহজে ভয় পাই না।”

তবে তিনি স্বীকার করেছেন, শহর ছেড়ে যাওয়ার চিন্তা মাঝে মাঝে মাথায় আসে। তারপরও তিনি চান না, জাপোরিঝঝিয়াও ইউক্রেনের অন্য ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া শহরগুলোর কাতারে নাম লেখাক।

তার কথায়, “আমরা শুধু নিরাপদে থাকার চেষ্টা করছি। বিজয় না আসা পর্যন্ত টিকে থাকার জন্য যা যা করা দরকার, তাই করছি।”

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গণ বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপনে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৫৫ এম


গণ বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপনে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

গণ বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে চলছে জোর প্রস্তুতি। সাভারের গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের (গবি) ২৮তম বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মাঝে বইছে উৎসবের হাওয়া। বর্ণিল আয়োজনকে ঘিরে বিশ্ববিদ্যালয়কে সজ্জিত ও আয়োজন সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য জোর প্রস্তুতি চলছে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, শনিবার (১১ জুলাই) সকালে বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গন থেকে ছাত্র-শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিয়ে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালির মধ্যদিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে।

গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। কর্মসূচির শুরুতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অতিথিদের অভ্যর্থনা জানানো হবে। এসময় কেক কাটা ও বেলুন উড়িয়ে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে। এর পরে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের পিএইচএ মিলনায়তনে মূল পর্ব অনুষ্ঠিত হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে ঢাকা-২০ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ মো. তমিজ উদ্দিন ও ঢাকা-১৯ আসনের সংসদ সদস্য ডা. দেওয়ান মো. সালাউদ্দিন বাবুর উপস্থিতিতে কেক কাটা, মেধাবী ও অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের মধ্যে বৃত্তি প্রদান করা হবে।

বিশ্ববিদ্যালয় দিবসকে কেন্দ্র করে আয়োজনগুলো সম্পূর্ণ করতে কয়েকটি কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। শিক্ষকমণ্ডলী, কর্মকর্তাগণ ও শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আবুল হোসেনকে সভাপতি ও স্বাস্থ্য বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ড. মোঃ ফুয়াদ হোসেনকে সদস্য সচিব করে ১২ সদস্য বিশিষ্ট মূল আয়োজক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

রসায়ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. নিলয় কুমার দে কে সভাপতি ও ফলিত গণিত বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও প্রক্টরিয়াল বডির প্রধান কনক চন্দ্র রায়কে সদস্য সচিব করে ৭ সদস্য বিশিষ্ট শৃঙ্খলা উপ-কমিটি গঠন করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ড. মোঃ ফুয়াদ হোসেনকে সভাপতি ও সহকারী রেজিস্ট্রার শারমিন সুলতানাকে সদস্য সচিব করে ১০ সদস্য বিশিষ্ট অভ্যর্থনা ও নিমন্ত্রণ উপ-কমিটি গঠন করা হয়েছে।

বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আয়েশা সিদ্দিকা রাত্রিকে সভাপতি ও ফার্মেসি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তানিয়া আহমেদকে সদস্য সচিব করে ৯ সদস্য বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক উপ-কমিটি গঠন করা হয়েছে।

বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. আবু রায়হানকে সভাপতি এবং ভেটেরিনারি এন্ড এনিমেল সাইন্সেস অনুষদের সহকারী অধ্যাপক ডা. আব্দুর রহমানকে সদস্য সচিব করে ৮ সদস্য বিশিষ্ট আপ্যায়ন উপ-কমিটি গঠন করা হয়েছে।

মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সহযোগী অধ্যাপক মোঃ শাহ-আলমকে সভাপতি এবং বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. কয়েছ আহমেদকে সদস্য সচিব করে ৭ সদস্য বিশিষ্ট সাজসজ্জা উপ-কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এ বিষয়ে আয়োজক কমিটির সদস্য সচিব ড. ফুয়াদ হোসেন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপনে আয়োজক কমিটি কাজ করে যাচ্ছে। শিক্ষামন্ত্রী আসায় একটি ব্যতিক্রমধর্মী আয়োজন করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় দিবসকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম অক্ষুন্ন রেখে বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যেই সুশৃঙ্খলভাবে কাজ করে যাচ্ছি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আবুল হোসেন বলেন, গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী গত বছরগুলোর তুলনায় ভিন্নভাবে পালন করা হবে। শিক্ষামন্ত্রীও ঢাকা ১৯ ও ২০ এর সংসদ সদস্য আগমনে সাজসজ্জার কাজ সম্পন্ন করা হচ্ছে। সকালে বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষ্যে র‍্যালির আয়োজন করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মানকে এগিয়ে নিতে কাজ করে যাচ্ছি।

উল্লেখ্য, ১৯৯৮ সালের ১৪ই জুলাই ঢাকার অদূরে সাভারে নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ ও প্রান্তিক পর্যায়ে শিক্ষা পৌঁছে দিতে প্রতিষ্ঠিত হয় গণ বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্ববিদ্যালয়টিতে বর্তমানে মোট ৫টি অনুষদ এবং ১৭টি বিভাগে প্রায় ৫ হাজার শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়টির স্বপ্নদ্রষ্টা ও প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টি বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভ-য়ংকর সুপার এল নিনোর দিকে ধেয়ে আসছে, বিজ্ঞানীদের নতুন পরিকল্পনা ক্ষতি ঠেকানোর জন্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৫৭ এম


ভ-য়ংকর সুপার এল নিনোর দিকে ধেয়ে আসছে, বিজ্ঞানীদের নতুন পরিকল্পনা ক্ষতি ঠেকানোর জন্য

সুপার এল নিনো প্রকৃতির মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী জলবায়ুগত ঘটনার মধ্যে অন্যতম। বিজ্ঞানীরা আশঙ্কা করছেন যে, আবারও তৈরি হচ্ছে এমন এক সুপার এল নিনো, যা গত কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ হতে পারে। সেই হুমকি মোকাবিলায়, বিজ্ঞানীরা এবার সূর্যের আলো সাময়িকভাবে কমিয়ে দেয়ার মতো বিতর্কিত এক ধারণা নিয়ে গবেষণা করছেন।

 

বিজ্ঞানীদের মতে, এবারের সুপার এল নিনো গত কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী হতে পারে। এই শঙ্কার মধ্যে, আলোচনায় এসেছে বিতর্কিত একটি ধারণা। সেই ধারণা হলো, সূর্যের কিছু আলো সাময়িকভাবে পৃথিবীতে পৌঁছাতে না দিয়ে এল নিনোর তীব্রতা কমানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

সাধারণত, এল নিনো তৈরি হয় প্রশান্ত মহাসাগরের পানির অস্বাভাবিক উষ্ণতা থেকে। এর ফলে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে তাপমাত্রা বাড়ে, খরা, দাবানল, অতিবৃষ্টি এবং বন্যার মতো চরম আবহাওয়ার ঘটনা ঘটে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন যে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এই প্রভাব আরও তীব্র হতে পারে।

সায়েন্স অ্যাডভান্সেস জার্নালে প্রকাশিত নতুন একটি গবেষণায়, বিজ্ঞানীরা ‘মেরিন ক্লাউড ব্রাইটেনিং’ নামে পরিচিত একটি পদ্ধতির পরীক্ষা করেছেন। এই পদ্ধতিতে সমুদ্রের উপরে মেঘে সূক্ষ্ম কণা ছড়িয়ে দেয়া হয়, যাতে মেঘ আরও বেশি সূর্যালোক প্রতিফলিত করতে সক্ষম হয় এবং ফলে পৃথিবীতে কম তাপ পৌঁছায়।

গবেষকরা বাস্তবে এমন কোনো পরীক্ষা চালানোর পরিবর্তে, ২০১৯-২০ সালে অস্ট্রেলিয়ার ভয়াবহ দাবানলের ধোঁয়া থেকে তৈরি হওয়া প্রকৃতিক পরিস্থিতির তথ্য ব্যবহার করেছেন। তাদের জলবায়ু মডেল অনুযায়ী, সঠিক সময়ে এই প্রযুক্তি প্রয়োগ করা গেলে শক্তিশালী এল নিনোর প্রভাব প্রায় ৪০ শতাংশ পর্যন্ত কমানো সম্ভব হতে পারে।

তবে গবেষকরা বলছেন, এটি কোনো নির্দিষ্ট সমাধান নয়, বরং সম্ভাবনা যাচাইয়ের একটি প্রাথমিক ধাপ। কারণ, এল নিনো দুর্বল করতে গিয়ে বিপরীতভাবে লা নিনার প্রভাব অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যেতে পারে। ফলে এশিয়া এবং অস্ট্রেলিয়ায় অতিবৃষ্টি এবং অন্যান্য অঞ্চলে নতুন আবহাওয়া সংকট দেখা দিতে পারে।

এছাড়া, এই প্রযুক্তি বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতিও এখনও তৈরি হয়নি। এর সঙ্গে পরিবেশগত, রাজনৈতিক এবং নৈতিক বিভিন্ন প্রশ্ন রয়েছে। তাই বিজ্ঞানীদের মতে, সুপার এল নিনোর ক্ষতি কমানোর উপায় হিসেবে বিষয়টি আরও গভীর গবেষণার দাবিদার, কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তনের মোকাবিলায় গ্রিনহাউস গ্যাস কমানোর বিকল্প এটি নয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস কমাল আইএমএফ, বাড়ল নতুন শঙ্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৫৮ এম


বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস কমাল আইএমএফ, বাড়ল নতুন শঙ্কা

২০২৬ সালের বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) আবারও কমিয়েছে। সংস্থাটি মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত এবং এর প্রভাবে জ্বালানি বাজারের অস্থিরতাকে এর প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে।

 

বছরের শুরু থেকেই মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত বৈশ্বিক পরিস্থিতিকে অস্থিরভাবে রূপান্তরিত করেছে। এই সংঘাতের প্রভাব বিশ্ব অর্থনীতিতেও পড়েছে। ফলে আইএমএফ ২০২৬ সালের বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস কমিয়েছে।

গত বুধবার (৮ জুলাই) প্রকাশিত সংস্থার সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালে বৈশ্বিক অর্থনীতি ৩ শতাংশ হারে প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে পারে। পূর্বে এপ্রিল মাসে এই পূর্বাভাস ছিল ৩ দশমিক ১ শতাংশ।

আইএমএফ জানিয়ে দিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল ও ইরানকে কেন্দ্র করে সংঘাতের ফলে যে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে, সেটিই প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস কমানোর অন্যতম কারণ।

তবে প্রতিষ্ঠানটি ২০২৭ সালে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতির আশা করছে। এ বছর বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ৪ শতাংশ হতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। তবে এই হারও ২০২৪ ও ২০২৫ সালের গড় প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ৫ শতাংশের নিচে থাকবে।

এছাড়াও, আইএমএফ মূল্যস্ফীতির ক্ষেত্রেও সতর্কবার্তা দিয়েছে। তাদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি বছরে বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৪ দশমিক ৭ শতাংশে পৌঁছাতে পারে। ২০২৫ সালে এটি ছিল ৪ দশমিক ১ শতাংশ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%