প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঝালকাঠির নলছিটিতে ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে পিটুনিতে আক্কাস খান (৫৫) নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় তার ছেলে জসিম খান (৩২) গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
রবিবার বিকেলে উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামে এই হামলার ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় আক্কাস খানকে ঢাকায় নেওয়ার সময় রাত সাড়ে ১১টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
সোমবার সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গোবিন্দপুর গ্রামের আক্কাস খানের ছেলে জসিম খান প্রতিবেশী সজল খানের সঙ্গে বিরোধে জড়িয়ে পড়েন। এর জের ধরে রবিবার বিকেলে বাড়ির সামনে রাস্তায় জসিমকে একা পেয়ে সজল খান, তার বাবা সেলিম খান ও ভাই শফিক খানসহ কয়েকজন হামলা চালায়।
জসিমের চিৎকার শুনে তার বাবা আক্কাস খান সাহায্য করতে গেলে প্রতিপক্ষরা দু’জনকেই কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। রক্তাক্ত অবস্থায় স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে প্রথমে নলছিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠায়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা নেওয়ার পথে আক্কাস খানের মৃত্যু ঘটে।
ছেলে জসিম খানকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে স্বজনরা জানিয়েছেন, মাথায় গুরুতর আঘাত ও অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে আক্কাস খানের মৃত্যু হয়েছে। নিহতের স্ত্রী তাজনেহার বেগম অভিযোগ করেন, সামান্য বিষয়ে জসিম ও সজলের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। সজল একাধিকবার জসিমকে মারার পরিকল্পনা করে এবং পরে তাকে একা পেয়ে পরিবারের লোকজনসহ হামলা চালায়।
তিনি বলেন, ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে আমার স্বামীকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমি এ ঘটনায় দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুজ্জামান সোহাগ জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতরা পালিয়ে গেছে, তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঝালকাঠি সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন